Home"ধারাবাহিক গল্পতোমার নেশায় আসক্ততোমার নেশায় আসক্ত পর্ব ১৭

তোমার নেশায় আসক্ত পর্ব ১৭

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

#তোমার_নেশায়_আসক্ত
#part:17
#Suraiya_Aayat

বিচ থেকে আরিশ আরূকে কোলে করে হোটেলে নিয়ে আসলো…..

রুমের ভিতর এসে আরূকে কোলে করে বিছানায় শুইয়ে দিল আরিশ ৷ ঘরের আলোটা নিভিয়ে দিয়ে ব্যালকনির দিকে থাকা পর্দা গুলো সরিয়ে দিল, চাঁদের আলোটা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে সারা ঘরকে আলোকিত করে দিচ্ছে, যেখানে পূর্ণতা পাবে একটা নতুন ভালোবাসার আর সৃষ্টি হবে একটা ভালোবাসার রাত সেখানে কৃত্তিম জিনিস কে উপেক্ষা করে আসল আর প্রকৃত জিনিসটার মধ্যে দিয়েই ভালোবাসাটা শুরু করছে ওরা দুজনে ৷

সাদা পরদা সরাতেই এক ঝাক আলো এসে আরূর মুখে পড়ল ৷ আরূকে এখন দেখতে অনেক আকর্ষণীয় লাগছে , আরিশ ক্রমাগত আরূর নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে, এই মুহূর্তে হয়তো নিজেকে আর আটকে রাখা সম্ভব নয় কোনভাবেই ৷

আরিশ ধীরপায়ে আরূর দিকে এগোচ্ছে আর ওর বুকের হার্ট বিট যেন ততই বেড়ে চলেছে ক্রমশ৷

আরিশ আরুর কাছে এসে আরুর গালে আলতো করে স্পর্শ করে কপালে একটা ভালোবাসার পরশ একে দিল….

আরিশের ঠোটের প্রথম স্পর্শে আরূ একটু কেঁপে উঠল ৷ এক অদ্ভুত অনুভূতি বয়ে যাচ্ছে সারা শরীর জুড়ে , ক্রমশ শিহরিত হচ্ছে ও ….

আরিশ নেশা ভরা কন্ঠে বলল : অনেক ভালোবাসি আরুপাখি তোমাকে , নিজের থেকেও বেশি ৷ সারা জীবন তোমার সাথে তোমাকে ভালোবেসে কাটাতে চাই, বার্ধক্যও যেন কখনো আমাদের ভালবাসাকে স্পর্শ না করতে পারে….

আরুর মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না, এক অদ্ভুত অনুভূতি যা হয়তো ডায়েরির পাতাতেও লিখলে তা ব্যক্ত করা সম্ভব নয়…

আরিশ এবার আরূর ঠোঁট দুটোকে দখল করে নিল আর আরুও পরম আবেশে আরিশের শার্টের কলারটা খামচে ধরল, গলার কাছে নখ দিয়ে অনেক আচড় ও দিয়েছে….

আরিশ আস্তে আস্তে নিজের শরীরের সমস্ত ভার আরুর উপর ছেড়ে দিতে লাগল ৷ ওদের ভালোবাসায় মায়াবী রাত টাও যেন সঙ্গ দিচ্ছে বেশ ৷

রাত যতো গভীর হচ্ছে দুজনের ভালোবাসাও যেন আরও বেশী গভীর হচ্ছে ৷ দুজন দুজনকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিচ্ছে ক্রমাগত….

সকালবেলা সূর্যের আলো ফুটতেই তা আরুশির মুখে পড়তেই আরুর ঘুম ভেঙে গেল ৷ আজকে আর ওর সূর্যোদয় দেখা হলো না….

ঘুম ভাঙতেই আরিশ এর দিকে চোখ গেল আরুর৷ কপালে চুল গুলো ছড়িয়ে পড়ছে , মুখের খোঁচা খোঁচা দাড়ি গুলো অদ্ভুত সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে আর তার মাঝে আকর্ষণীয় হল আরিশের ঠোঁট দুটো যাতে যে কেউ আসক্ত হতে বাধ্য….

নিজের দিকে তাকিয়ে দেখতেই খানিকটা লজ্জা পেলো আরূ, হঠাৎই কিছু মনে হলো তারপর নিজে থেকেই আরিশ এর কপালের চুলগুলো সরিয়ে ভালবাসার একটা পরশে একে দিল , তারপর উঠতে গেলেই আরিশ ওর হাত ধরে আবার ওকে বিছানায় ফেলে দিলে….

আরিশ আরুর ওপর উঠে : তুমি কি ভেবেছো তুমি আমাকে একা আদর করে চলে যাবে , আমি তোমাকে তোমার আদর ফেরত দেবো না?

আরোশী থতমত খেয়ে গেল , ও ভেবেছিলো আরিশ হয়তো ঘুমাচ্ছে কিন্তু আরিশ যে জেগে আছে সেটা বুঝতে পারলে কখনই এমন করত না ও ৷ এখন নিজের বোকামির জন্যই নিজেকে দুটো চড় থাপ্পড় দিতে ইচ্ছা করছে আরুর ৷

আরু: আপনি এসব কি বলছেন! আমি এসব কিছুই করিনি ৷ আর আপনি হয়তো ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছিলেন ৷

আরিশ: ওহহ আচ্ছা তাই নাকি, তাহলে তো ঘুমের ঘোরে তুমি আমার ভার্জিনিটিটাও নষ্ট করে দিয়েছে আরুপাখি ৷ ই বাবা , এবার আমার কি হবে!

আরূ আরিশ কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়ল আর ভাবছে এ ছেলে বলে কি!

আরোশী: আমি কখন কি করলাম আপনিই তো ! বলে চুপ হয়ে গেল ৷

আরিশ : হে আমিই তো ,,,,,, কি বল, বাকিটুকু তারপরে ৷

আরু: কিছু না , আমাকে উঠতে দিন, আমি এখন ফ্রেশ হব ৷

আরিস :: তার আগে আমার পেনডিং কিসটা তো আমাকে ঠিকঠাকভাবে পেমেন্ট করতে হবে তাই না! তুমি একাই দেবে আমি তা ফিরিয়ে দেব না এটা কেমন খারাপ হয় না বলো ৷ বলে আরুর দিকে এগিয়ে যেতেই হঠাৎ ফোন বেজে উঠল আরিশের ৷

আরিশ : সত্যিই সবাই আমাকে প্রচন্ড হিংসে করে, কেউ চায় না আমার ভালো ৷ সবাই রোমান্স এ বাধা দেবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে , এত সকালে আবার কে?

আরুশি : এত সকাল নয় এখন প্রায় সাড়ে নটা বাজে, আপনি তাড়াতাড়ি ফোনটা ধরুন অনেকক্ষণ ধরে বেজেই চলেছে ৷

আরিশ এবার ফোনটা ধরতে গেলেই আরূ তাড়াতাড়ি করে ওয়াশ রুমের দিকে ছুটল আরিশের থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে ৷

আরিশ : এটা কিন্তু ঠিক না আরুপাখি , পালিয়ে যাবে কোথায় ? ফিরে তো আমার কাছেই আসতে হবে সারাজীবন ৷ ফোনটা হাতে নিতেই দেখল সানা ফোন করেছে…..

আরিস : এই মিষ্টির দোকানের ছানা সকাল সকাল আমার রোমান্সের বারোটা তুমি বাজালে কেন?

সানা : ভাইয়া কতবার বলেছি না তুই এই নামে আমাকে ডাকবি না ৷

আরিস : তুই যা তোকে তাই বলেছি ৷

সানা মুখ ভ্যাংচিয়ে বললো:: তা কেমন চলছে তোদের হানিমুন মানে প্রথম রাত ভাইয়া!

আরিশ :: কানের নিচে একটা দেব, ছোটবোন হয়ৈ ভাইয়াকে একথা জিজ্ঞাসা করিস লজ্জা করে না৷

সানা :: মান সম্মান ,লজ্জা-শরম অনেক আগেই বিসর্জন দিয়েছে তাই আর এ সমস্ত বলতে কোনো দ্বিধা নেই ৷ আচ্ছা সেসব কথা ছাড় , তোকে একটা কথা বলার জন্য ফোনটা করলাম ৷

আরিস: বল কি বলবি ৷

সানা : আম্মু বলল যে আরুর খেয়াল রাখার জন্য৷

আরিস : তুই এই জন্য আমার রোমান্সের ডিস্টার্ব করলি?

সানা উচ্চস্বরে হেসে : সরি ভাইয়া আমি ভাবলাম তুই হয়তো রুমেন্স করছিস আর আমি কি করে তা সহ্য করি বল ওই জন্য ডিস্টার্ব করার জন্য ফোনটা করলাম ৷আচ্ছা আমার ডিস্টার্ব করা শেষ এখন রাখি৷

আরিশ সানাকে আরো কিছু বলতে যাবে তার আগে সানা ফোন কেটে দিল…..
,❤
শাওয়ার এ নিচে দাঁড়িয়ে আছে আর আরুশি , ক্রমশ শরীরটা কাঁপছে ৷ এত বড় একটা কাজ করে ফেলল সেটা ও ভাবতে পারছেনা ৷ অনবরত চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে, আজ ওর বাবার কারণেই ওর এই অবস্থা ৷ আরিশ কে ও ঠকাচ্ছে ৷

আরোশী মনে মনে : যে মানুষটা আমাকে এতো ভালোবাসে , আমার জন্য এতো ভাবে আজ আমি তাকেই ঠকাচ্ছি ৷ আল্লাহ হয়তো এ পাপের কোন ক্ষমা করবেন না আমাকে , বল হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল ৷

2 দিন আগের কথা,,,,,,,

আরিশের উপর রাগ করে আরূ যখন কলেজের ওখানে দাঁড়িয়ে ছিল তখন ওর মা র থেকে ফোন আসতেই ছুটে গেল ওর বাবার কাছে ৷

আরুশি ছুটে ওর বাবার সামনে গিয়ে ওর বাবাকে বলতে লাগলো: বাবা তোমার এই অবস্থা কেমন করে হল ? কি হয়েছে তোমার?

আরমান সাহেব কাতর স্বরে : তুই তো জানিস মা আমার শরীরটা সব সময় খুব একটা ভালো থাকে না, আর তারপরে তুই যে আমাদের সবাইকে এত বড় একটা ধোকা দিবি তা আমি মেনে নিতে পারিনি৷ এই টেনশনে টেনশনে শরীরটাও খারাপ হয়ে পড়েছে৷

আরুশি যেন নিজেকে ক্ষমা করতে পারছে না, আর আজকে ওর বাবার এ অবস্থার জন্য নিজেকেই দায়ী করছে ও ৷

বিরাট এক অনুশোচনা কাজ করছে ওর , তার উপরে আরিশের উপরে রাগ রয়েছে যা যা হলো সেই কারণে৷

হঠাৎ একটা সময় আরমান সাহেব সবাইকে রুম থেকে বের করে দিলেন তার নাকি আরূর সঙ্গে একান্তে কোন কথা আছে সেই কারণে৷ এটা শুনে আরুও বেশ অবাক হয়েছিল তবে ওর বাবা কি বলবে তারই অপেক্ষায় ছিল ও ৷

আরমান সাহেব: মা রে আমার এই বিপদের সময় তুই আমাকে সাহায্য কর না হলে ওরা যে আমাকে ছাড়বেনা , আমাকে জেলে পাঠাবে আর তোর ভাইয়ের ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেবে ৷

আরুশি : বাপি তুমি হঠাৎ এই সমস্ত কথা কেনো বলছ?

আরমান সাহেব : বলছি তার কারণ হলো অভ্রের বাবা-মা বাড়ি এসে বলে গেছেন যে অভ্রের সঙ্গে তোর বিয়েটা না হয় যদি তাহলে উনারা আমাকে জেলে দেবেন ৷ অভ্রর তো প্রায় পাগল পাগল অবস্থা৷ ছেলেটার অবস্থা নাকি দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে, এটা ওর বাবা-মা কি করে সহ্য করবে তুই বল৷ছেলেটা বড্ড ভালোবাসে তোকে ৷

কথাটা শুনতেই আরূশির বুকের ভিতর মোচড় দিয়ে উঠলো….

আরুশি কাঁপা কাঁপা স্বরে বলল :: আমাকে তাহলে এখন কি করতে হবে বাপি?

আরমান সাহেব:: আরিসের থেকে মুক্তি পেতে হবে তোকে ৷ এটাই একমাত্র পথ ৷

কথাটা শুনতেই আরুর চোখের কোনে জল চলে এলো, বেশিদিন আরিশ-এর সঙ্গে আলাপ পরিচয় না হলেও এই কদিনে বেশ অদ্ভুত এক অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছিল আরূর আরিশের জন্য ৷

আরমান সাহেব আবার বলতে শুরু করলেন: তুই আরিশের সঙ্গে এমন ব্যবহার করবি যাতে আরিশ ভাবে যে তুই ওকে ভালোবাসিস, তারপরে তুই ওকে জানাবি যে তুই এতদিন ওর সঙ্গে ভালোবাসার নাটক করেছিস কিন্তু ওকে কখনো ভালবাসিসনি তাহলে দেখবি আরিশ নিজেই তোকে ছেড়ে দেবে ৷ এত বড় বেইমানি ও কখনোই সহ্য করবে না ৷

আরু খুব অবাক হয়েছিল ওর বাবার সেদিনের কথা শুনে , ওর বাবার ব্যবহার ছিল সম্পূর্ণ অন্য রকম যেটা উনি আরুশির সঙ্গে সচরাচর করেন না , তবুও বাবা বলে বড্ড বেশি মায়ায় পড়ে গিয়েছিল আরূ ৷ ওনার কথাগুলো বিশ্বাস করে ছিল এবং রাজি হয়ে যায়৷

আরুর বাবা: দেখ মা তুই আমার অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা কর ৷

সেদিন না চাইতেও মনের বিরুদ্ধে গিয়ে আরুশিকে ওর বাবার কথা মেনে নিতে হয়েছিল , আর এতক্ষণ যা করছে সব ওর বাবার কথা অনুযায়ী করেছে ৷ও
ভাবেনি আরিশের মায়ায় পড়ে আবেগমিশ্রিত হয়ে ভালোবাসায় মেতে উঠবে ৷ তবে আরিশের প্রতি ওর ভালবাসাটা যেন আরো বেড়েই চলেছে দিন দিন ৷ কি করে ও অভ্রকে বিয়ে করবে এটা ও জানেনা৷

আরু ওইসব কথা ভাবছিল হঠাৎই আরিশ এর কন্ঠ শুনতে পেল ৷

আরিশ: আরূপাখি আর কতক্ষণ !খিদে পেয়েছে তো,ব্রেকফাস্ট করতে যাব ৷

আরুশি : আসছি ৷

ওরা এইখানে আর একদিন থাকবে, তারপর কলকাতা টা সম্পূর্ণ ঘুরে ঘুরে দেখবে এরকমই একটা প্ল্যান করল ৷ এই মুহূর্তে বেশিদিন থাকাটা ঠিক হবে না তাহলে আরিশ এর এক্সাম এর ক্ষতি হবে….

|
|❤
|

দুপুরবেলা সমুদ্রে স্নান করতে এসেছে দুজন ৷ চারিদিকের লোকজন ৷ দু’জনে খুব মজা করছে, এই ওর দিকে জল ছুড়ে মারছে , এ ওকে জলে ফেলে দিচ্ছে এরকমই চলছে ৷

ক্যামেরাম্যান: এই যে দাদা ছবি তুলবেন নাকি?

আরিশ : তুলুন ভাইয়া ৷

এই বলে দুজনে নানা ধরনের পোজ দিয়ে ছবি তুলতে লাগল ৷ সবকটা ছবিতেই ওদের ভালোবাসাটাই ফুটে উঠেছে ৷ কোনটাই আরিশ আরুর দিকে জল ছুঁড়ে দিচ্ছে , কোনটাই আরু আরিশের দিকে রাগি ফেস নিয়ে তাকিয়ে আছে , আবার কোনটাই আরিশ পিছন থেকে জড়িয়ে আছে আরুকে , এই ধরনের নানান পোজ দিয়ে ছবি তুলল ….

প্রচুর ছবি তুলে স্নান করে ওরা আবার হোটেলে ফিরে গেল , বিকেলে আবার ঘুরতে আসবে….

|
|❤
|

বিকালে ঘুরতে এসে দুজনে সমুদ্রের জলে পা ভিজিয়েছে, চটপটি খেয়েছে, টুকটাক কিছু জিনিস কিনেছে সকলের জন্য , আর একসঙ্গে সূর্যাস্তটা উপভোগ করেছে….

সন্ধ্যাবেলা দুজনে বিচের ধারে বসে আছে, প্রচণ্ড হাওয়া বইছে, এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ ৷

আরোশী: আচ্ছা এখানে কলকাতায় ঘোরার আর দেখার মত কি কি জায়গা আছে ৷

আরিশ হেসে বলল: এখানে প্রচুর জায়গায় আছে যা তুমি দু’তিনদিন ও ঘুরে শেষ করতে পারবো না ৷ এটাকে বলা হয় ❤” দা সিটি অফ জয় “❤ ৷এখানে চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল , ওয়াটার পার্ক, নিকো পার্ক,ইকো পার্ক , সাইন্স সিটি , বিরলা তারামন্ডল সহ আরো প্রচুর জায়গা আছে ৷

(ফ্রীতে কলকাতার একটা ছোটখাটো প্রমোট করে দিলাম 😋😜৷)

আরু: তবে আমার এখান থেকে যেতে ইচ্ছে করছে না , বড্ড বেশি ভালো লেগেছে জায়গাটাকে ৷

আরুপাখি: পরে আবার আসব আরুপাখি যখন আমাদের বেবি হবে ৷

ওরা বসে আছে হঠাৎ আরুশির ফোনে ফোন এল৷

আরুশি : সানা ফোন করেছে ৷

আরিশ : আমাকেও সকালে ফোন করে রোমান্সের বারোটা বাজিয়েছে ৷

আরুশি ফোনটা ধরতেই সানা কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলো : তোরা ওখানে মজা করছিস আর এখানে জানিস আমার কি অবস্থা?

আরোশী উত্তেজিত হয়ে: তোর আবার কি হলো?

সানা : জানিস বাবা আমাকে না বলে আরাভ ভাইয়ার সঙ্গে আমার বিয়ে ঠিক করেছে , আমি ওনার সাথে বিয়ে করব না ৷ তোরা তাড়াতাড়ি বাড়ি আয় , আবার পরে না হয় ঘুরতে যাস , আগে আমার বিয়েটা ভেঙে দে ৷

আরুশি: কিন্তু আরাভ ভাইয়াতো যথেষ্ট ভাল একজন ছেলে , কেন তুই ওনাকে পছন্দ করিস না ৷

সানা : আমি সেসব কিছু এখন বলতে পারছিনা, তোরা বাড়ি আয় এসে তাড়াতাড়ি বিয়েটায় ভাঙচি দে না হলে আমি কিন্তু বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবো বলে দিলাম ৷ এমনিতেই উনি কালকে আমাকে ওনার বাড়িতে যেতে বলেছেন, ওনার আম্মূ নাকি আসতে বলেছেন ৷ আমি যাব না ৷ তোরা তাড়াতাড়ি আই ৷
বলে ফোনটা রেখে দিল ৷

আরিশ: কি হয়েছে?

আরু: সানা ইমিডিয়েট বাড়ি যেতে বলল ৷ এরপর আরূ আরিশকে সবটা বলল ৷

আরিশ: তাহলে আমাদের কালকেই ফিরতে হবে আরুপাখি ৷

কথাটা শুনতেই আরুশির মন খারাপ হয়ে গেল ৷

আরু: আগে সানার ব্যাপারটা দেখা উচিত , ঘুরতে তো পরেও আসা যাবে ৷

সমস্ত জামাকাপড় প্যাকিং করে আরিশ আর আরুশি ব্যালকনিতে বসে আছে আর বাইরে সমুদ্রের ঢেউ দেখছে ৷

কথার মাঝখানে হঠাৎ আরিশ বলে উঠলো,,,,

আরিস: তোমার কখনো ইচ্ছা হয় না আরুপাখি এটা জানতে যে তোমার বাবা কেন তোমাকে পছন্দ করেন না , কেন সবসময় খারাপ ব্যবহার করেন তোমার সাথে?

কথাটা শুনতেই আরুর বুকের ভিতর ধক করে উঠল, তাহলে কি আরিশ সব জেনে গেছে?

আরুশি কাঁপা কাঁপা গলায় : আপনি হঠাৎ এই সমস্ত কথা বলছেন! না মানে আপনি তো আর এসব বলেন না কখনোই তাই জিজ্ঞাসা করলাম আরকি ৷

আরিশ :আসলে তা না , আমি এটাই ভাবি যে কেন উনি তোমার সাথে এমন করেন ৷

এটা আমার কাছে অনেক বড় একটা প্রশ্ন আমিও উত্তরটা জানতে চাই আরু মনে মনে বলল ৷আপনার সঙ্গে আমিও জানতে চাই , তবে আমি আপনার সঙ্গে যা যা করছি তার জন্য আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন ৷

আরিশ: তবে যা খুশি হয়ে যাক আরুপাখি এটা মনে রেখো যে কখনো আমার থেকে তোমাকে আলাদা হতে দেবো না সে যা কিছূই হয়ে যাক ৷সবসময় নিজের সাথেই আগলে রাখব ৷

চলব,,,,,

আজকে nice আর next না বলে একটু বিস্তারিত ভাবে বলুন part টা কেমন হয়েছে ৷
Nice আর next বললে আমি সত্তি বলছি পরের part 2 দিন দেরি করে দেবো ৷

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

4 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments

মোহাম্মদ মোহাইমিনুল ইসলাম আল আমিন on তোমাকে ঠিক চেয়ে নিবো পর্ব ৪
error: Alert: Content is protected !!