তোমার আসক্তিতে আমি আসক্ত পর্ব -০৭

#তোমার_আসক্তিতে_আমি_আসক্ত
#নুশা_আহমেদ
#পর্ব_৭

পশ্চিম আকাশে সূর্য অস্ত যাচ্ছে, কুয়াশার কারনে তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না হালকা হালকা কুয়াশা আছে। ছাদের চিলেকোঠার জানালার কাছে বসে নুশা । মন খারাপ হলেই এখানে এসে বসে থাকার অভ্যাস। গাল গুলো পচন্ড ব্যথা করছে এমন থাপ্পড় আগে কখনো খেয়েছে কিনা সন্দেহ দুই গালে ধরে ভাবতে লাগলো কিছু ঘন্টা আগের কথা, তারিন বেগম নুশার আম্মু আরো বেশি করে থাপ্পড় মারতে শুরু করলো নুশাকে নিশি নিশাত দুই জন ফেরাতে আসলে তাদের কেউ মারে তারপরও তারা আটকানোর চেষ্টা করে। উনি নিশি আর নিশাত কে সরিয়ে নুশাকে মারতে মারতে বলে,
-মেরেই ফেলবো আমি আজ, তোর মতো মেয়ের আমার দরকার নাই । যে মেয়ে কিনা পরিবারের সম্মান নিয়ে একবারো ভাবে না তাকে বাচিয়ে রেখে কি লাভ বলে আরো বেশি করে মারতে লাগলো । নুশা কোনো রকম বাধা দিচ্ছে না তার মাকে জোরে কান্নাও করছে না নিচের দিকে তাকিয়ে কান্না করছে। নিচের দিকে নুশাকে তাকিয়ে থাকতে দেখে তারিন বেগম নুশার চুলের মুঠি ধরে মুখ উচু তার দিকে ফিরিয়ে আবার একটা থাপ্পড় মারলেন গালে। চুলে টেনে ধরাতে নুশা এবার আর সয্য না করতে পেরে মুখ দিয়ে আহ শব্দ টা বের হয়ে গেলো । এতোক্ষণ সায়ান চুপ করেই সব দেখছিলো যখন দেখলো বেশি বারাবাড়ি হয়ে যাচ্ছে তখন তারাতাড়ি উঠে গিয়ে নুশার চুলের মুঠি থেকে তারিন বেগমের হাত সরিয়ে বললো,
-ফুপ্পি যতোটুকু মেরেছো সরম থাকলে এমন আর কোনো দিন করবে না।
এতোক্ষণ মার গুলো মুখ বুঁজে সয্য করলেও আয়ানের কথাটি সয্য হলো না নুশার তাই গর্জ করে বলে উঠলো,
-আপনাকে এখন আলগা পিরিত দেখাতে হবে না আপনার জন্যই এতো কিছু । আমরা তিন ভাই বোন যে মাইর গুলো খাইছি তার জন্য একমাত্র আপনিই দায়ী । নুশার কথা শুনে আবারও এগিয়ে আসলো তারিন বেগম নুশাকে মারতে কিন্তু সায়ানের জন্য পারলো না সায়ান আটকে নিলো তারিন বেগম কে আর নিশি আর নিশাত কে ইশারা করলো নুশা কে এখান থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য । নিশি নুশাকে নিয়ে যাওয়ার সময় সায়ানের দিকে তাকিয়ে বললো,
-ঘৃণা করি আমি আপনাকে সায়ান ভাইয়া ।

ব্যাস এটুকুই কথা ছিলো সায়ানের মনে ঝড় উঠাতে , সে কি তাহলে বেশি করে ফেললো, ভালোবাসা পাওয়ার বদলে ঘৃণা পেলো। সায়ান তো শুধু চেয়েছে নুশা যাতে এরকম ভুল আর কখনো না করে তাই তারিন বেগম কে আটকায় না। নুশা রানী কি তবে বেশি ব্যথা পেয়েছে স্কাপ পরে থাকার কারনে দেখতে পারেনি সে শুরু নুশার কান্না করা চোখ গুলো দেখতে পেয়েছে । সায়ান আর কিছু ভাবতে পারছে না তার এখনি নুশার কাছে যাওয়া উচিত তাই তারিন বেগম কে দুই হাত দিয়ে ধরে উনার রুমের দিকে নিয়ে যেতে যেতে বললেন,
-ফুপ্পি তুমি আর এমন রেগে থেকো না । নুশা হয়তো বুঝতে পারেনি আর আমি তো নুশার সাথেই ছিলাম তুমাকে তো সব বলেছিলামই তাই না তুমি কিন্তু নুশাকে আর কিছু বইলো না এখানেই এই চাপ্টার বাদ দেও । নুশা এমনি তেই অনেক ভয় পেয়ে আছে তুমি আর কিছু বইলো না আর নুশাকে মোবাইল একদম দিবা না । বলে সায়ানের পেন্টের পকেট থেকে নুশার মোবাইল টা দিয়ে দিলো সায়ান তারপর রুম থেকে বের হয়ে গেলো নুশার রুমে যাওয়ার জন্য । কিন্তু সেখানে গিয়ে আশাহত হলো সায়ান কারন রুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করা তাই আবার তারিনের রুমে এসে তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলো নিজের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য ।

——-

সায়ান নিজের বাড়ির ভিতর ডুকে নিজের রুমের দিকে যেতে লাগলো তখনই পিছন থেকে তার আব্বু বলে উঠলো,

-দাঁড়াও সায়ান।
সায়ান বাবার কথায় দাঁড়িয়ে পিছনে ফিরে বললো,
-কিছু বলবে আব্বু।
সাজ্জাত চৌধুরী গম্ভীর মুখে বলে উঠলো,
-কি শুরু করে দিছো তুমি এসব।
-কি করেছি আব্বু ।
নরমাল ভাবে উত্তর দিলো সায়ান যেনো কিছুই হয়নি।

-কি করোনি সেটা বলো তুমার একটা ভুলের জন্য কয়জন বিপদে পরছে দেখছো। তুমি আগেই বলে দিতে যে তুমি নিশি কে বিয়ে করবে না নুশা কে বিয়ে করবে । তাহলে কি এতো কিছু হতো আর নুশা যদি না চায় বিয়ে করতে এখানে জোরের কি আছে দেশে কি আর মেয়ে নাই । তোমার একটা ভুলের জন্য কতো কিছুই হতে পারতো। তিনদিন যাবৎ যা কিছু হচ্ছে একটা সিনেমাকেও ফেল করে দিবে।

-আব্বু তুমি না বুঝে কথা বইলো না একদম।
সায়ানের এমন নরমাল কথা যেনো সয্য হচ্ছে না সাজ্জাত চৌধুরীর তাই তেড়ে গিয়ে বললেন,
-কি বুঝি না আমি সেই বিয়ের দিন থেকে এই একটা কথাই বলে যাচ্ছো আমি বুঝি না কিছু । এতোই যখন বুঝি না তাহলে বুঝাইয়া বলো কি সমস্যা এতোকিছুর মানে কি ?
-আব্বু সময় আসলে সব বুঝতে পারবে।
-আমার কোনো সময়ের দরকার নাই আমি এখনি জানতে চাই এসব এর মানে কি কেনো এতো নাটক,, ? কি কারনে এমন করছো ।
-আব্বু,,
-কোনো কথা নয় সবটাই এখন বলতে হবে আমাকে।
-আব্বু কোনো কারন নাই এমন করার।
– তাহলে।
-তাহলে কি, নিশি রিফাত মানে আমার বন্ধু মনে আছে তাকেই ভালোবাসে কিন্তু নিশির বাবা তো তা কোনো দিনই মানবে না কারন রিফাত ভালো একটা চাকরি করলেও তার ফেমেলীটা কিন্তু ততোটাও সচ্ছল না । তুমি তো জানো নুশার বাবা চায় বড় ঘরে তার মেয়ে দের বিয়ে দিতে তাই আমি প্লেন করছিলাম বিয়ের দিন আমি নুশাকে বিয়ে করলে রিফাত কে কোনো একটা ভাবে নিশির সাথে বিয়ে দিতে বেশি একটা সমস্যা হবে না। কিন্তু নুশা কি করলো, সে তো পালিয়ে গেলো আমাকে মাফিয়া বলে । আব্বু তুমি তো জানো আমি রাগ কন্ট্রোল করতে পারি না তার পরও আমি নুশাকে কিছুই করিনি নুশার জায়গায় অন্য কেউ বললে হয়তো এতোক্ষণে সে আর দুনিয়াতে থাকতে পারতো না । সেই জায়গায় নুশা তো শুরু ফুপ্পির হাতে কয়েক টা থাপ্পড় খেয়েছে।

-সায়ান তুমি কিন্তু অন্য ভাবেও রিফাত আর নিশিকে এক করে দিতে পারতে এই প্লেন টা না করে । কি লাভ হলো বলোতো রিফাত নিশির বিয়ে হলো না আবার তোমার নুশার বিয়ে হলো না বরং আরো পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে নিশি তো কিছুক্ষণ আগে ফোন দিয়ে বলেছে তুমি যাতে ঐবাড়িতে না যাও নিশি আর নুশার জিবন নাকি বরবাদ করে দিছো ।

সাজ্জাত চৌধুরীর কথা শুনে সায়ান মুচকি হাসি দিয়ে নিজের রুমের দিকে যেতে যেতে বললো,
-সেটা তো পরে দেখা যাবে যাই নাকি না যাই।

রাতের বেলা রুমের ভিতর শুয়ে আছে নুশা পচন্ড শীত করছে বুঝাই যাচ্ছে জ্বর আসবে সন্ধ্যা সময় ছাদ থেকে নেমে নামাজ না পরেই ইচ্ছাকৃত ভাবে গোসল করেছে যাতে এমন একটা রোগ হয় যাতে সে মারা যায়। আত্নহত্যা তো মহা পাপ তা না হলে সে আত্নহত্যাই করতো তার মা যে বলেছে তার মতো এমন মেয়ের বেঁচে থাকার কোনো মানে হয় না । পচন্ড খিদা লাগছে তারপরও সে খাবে না নিশি অনেকবার বলেছিলো খাওয়ার জন্য কিন্তু নুশা খিদে নেই বলে চলে এসেছে। তার আব্বুও বাসায় এসে তাকে বাহির থেকে অনেকবার ডেকেছে উনি তিন সন্তান থেকে নুশাকেই একটু বেশি আদর করে। নুশা যে একদম উনার মার মতো হয়েছে, নুশার বাবা নুশার দাদুর খুব ভক্ত ছিলো মা ছাড়া আর কিছুই বুঝতেন না উনি । নুশাকে তো ছোট আম্মু বলে ডাকে নিশিকে ডাকে নিশি আম্মু । মেয়েদের কে ছেলের থেকেও বেশি ভালোবাসে আর তারিন বেগম মেয়েদের থেকে নিজের ছেলে নিশাত আর সায়ানকে ভালোবাসে। নিশাতের থেকে বেশি গুরুত্ব দেয় সায়ানের কথা কে উনার মতে সায়ান খুব বুদ্ধিমান একজন মানুষ ।

যতো রাত হচ্ছে নুশার অবস্থা ততো খারাপের দিকে যাচ্ছে কিন্তু নুশা তা একবারের জন্যও কাউকে ডেকে বলে নাই তারা ডাকলেও বলেছে তার ঘুম পেয়েছে। অতিরিক্ত যন্ত্রণা দায়ক থাপ্পড় আবার অসময় গোসলের কারনে সাড়া শরীর ব্যথ্যা করছে । আবার ক্ষুধার কারনে মাথা ব্যথ্যা করছে নুশার এই একটা অভ্যাস বেশি ক্ষুধা লাগলে মাথা অসম্ভব পরিমানের ব্যথ্যা করে । কোনো কিছু ভালো লাগছে না দেখতেও পারছে না কয়টা বাজে চোখে ঘুমও আসছে না রুমে একটা ঘড়ি আছে কিন্তু সেটা নষ্ট হয়ে গেছে। কি করবে বুঝতে পারছে না শীতের কারনে উঠতে পারছে না চোখ দুটো জ্বলে যাচ্ছে । বিছানায় চোখ বন্ধ করে কম্বল দিয়ে নিজেকে পেচিয়ে কোনো রকম শুয়ে আছে শীত যেনো তার কমছেই না। অনেকক্ষন ধরে চোখ বন্ধ করে থাকতে থাকতে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছে সেই খেয়াল নাই।

যখন নুশার ঘুম ভাঙ্গে তখন খেয়াল করলো এটা তার রুম না ছোট একটা বেডে শুয়ে আছে তার পাশে সায়ান আর একটা ডাক্তারি ড্রেস পরা একটা লোক ইনজেকশন নিয়ে কিছু একটা করছে আর সায়ানের সাথে কথা বলছে নুশা যে চোখ খুলেছে সেটা একজনও লক্ষ করেনি । নুশা চার পাশে তাকিয়ে বুঝতে পারলো সে হসপিটালের ভিতর কোনো একটা রুমের মধ্যে আছে । কিন্তু অবাক হচ্ছে এখানে আসলো কিভাবে আর সায়ানই বা তার পাশে কেনো । এসব ভাবতে ভাবতেই শুয়া থেকে উঠে বসার চেষ্টা করলো কিন্তু তার শরীর এতোটাই দূর্বল হয়ে আছে যে তা আর সম্ভব হলো না। শরীরে কোনো শক্তিই পাচ্ছে না। হাতে সুই দেওয়া উপরে তাকিয়ে দেখে সেলাইন দিচ্ছে।
হঠাৎ সায়ানের চোখ যায় নুশার দিকে দেখে নুশা উঠার চেষ্টা করছে তা দেখে তাড়াতাড়ি নুশার কাছে গিয়ে নুশাকে ধরতে নিবে তার আগেই নুশা কাপা কন্ঠে বলে উঠলো,
-একদম ছুঁবে না আমায়, আমি একাই উঠতে পারি।

নুশার কথায় সায়ান নুশাকে পাত্তা না দিয়ে নুশাকে উঠিয়ে বসিয়ে দিলো আর বললো,
-যে টা করতে পারবা না সেটা নিয়ে জোর দেখাবা না একদম এতে নিজেরই লস হবে ।
-কেনো বাঁচালেন আমায়।
-মানে।
-আমাকে বাঁচালেন কেনো মরে যেতাম সব শান্তি হয়ে যেতো।
– নুশা সামান্য জ্বরে কেউ মরে না।
-না মরলেও হসপিটালে কেনো আনলেন।
-তোমার আম্মু আব্বু তোমার জন্য কান্না করছিলো তাই নিয়ে আসছি আর জ্বরে তো মরবা না তোমার বাবার টাকা গুলো নষ্ট করবা। তাই এসব করার কথা একদম চিন্তা করবে না। তোমার উপর আরো রেগে আছে তোমার আম্মু না খেয়ে হালকা জ্বরে কেউ মরে না। এখন চুপ চাপ ঘুমাও ডাক্তার ইনজেকশন দিয়ে দিবে বলে সায়ান উঠি দাড়ালো আর ডাক্তার ইনজেকশন পোশ করে দিলো। কিছুক্ষণের মাঝেই নুশা আবার ঘুমিয়ে পরলো । নুশা ঘুমিয়ে পরতে ডাক্তার বলে উঠলো,
– ড. সায়ান আপনি মেম কে মিথ্যা বললেন কেনো?
সায়ান ডাক্তারের কথায় কিছু না বলে বাহিরে আসতে আসতে বললো,
-আপনাদের মেম আমাকে ঘৃণা করে । আর দাঁড়ালো না কেবিন থেকে বের হয়ে গেলো আর ভাবতে লাগলো ঐসময় টা যখন জানতে পারে নুশার অবস্থা খারাপ । সায়ান সকালের দিকে মোবাইল রুমে রেখেই বাহিরে চলে গিয়েছিলো হাঁটাহাঁটি করতে ব্যায়াম করতে । সাতটার দিকে রুমে আসলে দেখে তার মোবাইলে কলিং বাজছে তাড়াতাড়ি গিয়ে মোবাইল ধরে দেখে নিশাতের নাম্বার থেকে ফোন আসছে । সকাল সকাল নিশাতের ফোন দেখে অনেকটা অবাক হয়ে যায় সায়ান, ঐবাড়িতে কোনো বিপদ হলো না তো,,,? তাড়াতাড়ি ফোন রিসিভ করতে যা শুনলো এখানে আর দাড়িয়ে থাকতে পারেনি তাড়াতাড়ি কেনো রকম শার্ট করেই বের হয়ে গেলো রুম থেকে নিচে সাজ্জাত চৌধুরী চা খাচ্ছিলো । সায়ানকে নামতে দেখে জিজ্ঞেস করলো,,

-কি হলো এভাবে তাড়াতাড়ি করে কোথায় যাচ্ছো..?
-হসপিটালে যাচ্ছি।
সাজ্জাত চৌধুরী আর কিছু বলার আগেই সায়ান বাড়ি থেকে বের হয়ে বাইক নিয়ে রওনা হয়ে গেলো নুশাদের বাড়ি উদ্দেশ্যে। তখন নিশাত ফোন করে বলেছিলো নুশার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রুমের দরজা ভেঙ্গে রুমে ডুকে দেখে নুশা অচেতন অবস্থায় পরে আছে৷। চোখে মুখে পানি দিয়েও জ্ঞান ফিরাতে পারছে না । তাই নুশাকে নিয়ে তারা তাড়াতাড়ি হসপিটালে যাচ্ছে । তাই সায়ান তাড়াতাড়ি সেখানে যায় গিয়ে দেখে ডাক্তার তার চেক আপ করছে সেলাইন দিচ্ছে সায়ান তাকে জিজ্ঞেস করে বলে নুশার কি হয়েছে ডাক্তার সায়ান কে দেখে অবাক হয়ে বলে আরে ড. সায়ান যে কেমন আছেন। ডাক্তারের কথায় সায়ান ধমক দিকে বলে পরে কেমন আছি বলবো আগে৷ রোগী কে দেখেন কি অবস্থা এখন..?
– অবস্থা বেশি একটা ভালো না৷ আর একটু দেরি করলে হয়তো বড় কেনো একটা সমস্যা হতে পারতো একশো চার ডিগ্রি সেলসিয়াস জ্বরের তাপমাত্রা তাছাড়া অনেকক্ষণ যাবত হয়তো খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিছে তাই উনার অনেকটা রিস্কি হয়ে পরেছে ।

#চলবে,,,?

কি লেখছি নিজেও জানি না । লিখা খুবই খারাপের দিকে যাচ্ছে 🥺 । কোন দিকে যে এগিয়ে যাচ্ছি নিজেই কোনো ঠিক ঠিকানা পাচ্ছি না। সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে । কোনো ভাবেই কোনো কিছুর সাথে মেলাতে পারছি না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here