বসন্তের ছোঁয়া পর্ব ১৬+১৭

❤বসন্তে ছোঁয়া❤
লিখাঃ Ayesha Ariya Afiya
পর্বঃ ১৬/১৭
,
,
সারাঃ রা,,,জ।
,
অনিকঃ এই রাজ কি হয়েছে তোর ও মাই গড ব্লড বের হচ্ছে প্রচুর প্লিজ আপনারা সবাই হেল্প করেন।
,
উপস্থিত লোকেরা ধরে নিয়ে যায় হসপিটালে সারার চিৎকার দেখে কে অনিক আফজাল এনামুল কেউ ই শান্তনা দিতে পারছে না। দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে অনিক নিজেও থাকবে।
,
সারাঃ দাদা ভাই রাজের কিছু হবে না তো প্লিজ বলো আমায়?
,
অনিকঃ সারা প্লিজ শান্ত হ তুই আমি তো আছি নাকি।
,
সারাঃ এটা হতে পারে না রাজ তুমি এতটা ভালো কেন? রাজের কিছু হলে আমি ছাড়বো না কাউকে যে স্যুট করে থাকুক না কেন?
,
আফজালঃ প্লিজ আপনি শান্ত হোন এভাবে চিৎকার না করে আল্লাহ কে ডাকুন অবশ্যই ওনি যা করেন ভালোর জন্য করেন।
,
সারাঃ( কলার চেপে ধরে) ভালোর জন্য করেন মানে কি রাজ মারা যাবে এটা ভালো বলছেন আপনি খুন করে ফেলবো আমি আপনাকে আর একবার যদি রাজ মারা যাবে বলেন।
,
আফজাল হতভম্ব
এনামুলঃ ( সারাকে সরিয়ে নিয়ে) কি করছিস তুই পাগল হয়ে গেছিস মিস্টার আফজালের কলার টেন ধরলি কেন?
,
সারাঃ( ঠাস ঠাস দুটো থাপ্পড় দিল) তুই আমার বন্ধু তাই না। ঠকেছিআমি তোকে বিশ্বাস করে তুই সব জানতি তাও কিছু বলিসনি কেন বল আমায় এনামুল তোকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করেছিলাম আমি আর তুই সব টা জেনে কিচ্ছু বলিসনি। জানিস আমি দুই টা মরার মতো খাঁটিয়েছি এত বড় সত্যি লুকানোর কি খুব প্রয়োজন ছিল রাজের যদি কিছু হয় তোকে আমি নিজের হাতে খুন করবো( হাঁটু গেড়ে বসে)
,
,
ঠাস ঠাস
লোকটিঃ একটা কাজ ঠিক মতো করতে পারনিসনি তোরা মাস হওয়ার আগেই তো টাকা একাউন্টে পৌঁছে দিতে এক মিনিট সময় লস করি না আমি তাহলে কি করলে তোরা দুজন স্যুট করবি বুকে আর করলি কোথায় কাঁধে।
,
মেহেরিমাঃ ( মাথা নিচু করে) স্যরি ভাই ভুল হয়ে গেছে এবারের মতো মাফ করে দিন।নেক্সটে এরকম ভুল হবে না।
,
ছেলেটিঃ( মেহেরিমার বয়ফ্রেন্ড) ভুল হয়ে গেছে ভাই মাফ করে দিন এটাই লাস্ট চান্স পরের বার এরকম ভুল হবে না। বেবী ঠিক মতো স্যুট টা করতে পারেনি সেজন্য আমিও মাফ চাইছি আপনার কাছে।
,
মেহেরিমাঃ দয়া করে মাফ করে দিন আমাকে এবং আমার বেবী কে আর এরকম ভুল হবে না আসলে জীবনে কোনো দিন স্যুট করিনি তো তাই ভুলক্রমে কাঁধে লেগে গেছে।
,
লোকটিঃ এবারের মতো মাফ করে দিলাম তবে রাজ কি তোকে চিন্তে পেরেছে?
,
মেহেরিমাঃ না চিনতে পারেনি ও বুঝতে ই পারবে না কে স্যুট করলো।
,
লোকটিঃ গুড যদি চিনে ফেলে মনে রাখিস সেদিন ই তোদের শেষ দিন পৃথিবীর আলো বাতাস সেদিনের জন্য শেষ সারাকে আমার চাই যেভাবেই হোক।
,
মেহেরিমাঃ( মুখ ফসকে বলে দিয়ে) সারা তো ধর্ষিতা মেয়ে একে কেন আপনার এত পছন্দ আমার মতো এমন একটা হট গার্ল কে রেখে সামান্য একটা গ্রামের মেয়েকে ভালোবাসলেন।
,
লোকটিঃ( গলা চেপে ধরে) কি বললি তুই সারা ধর্ষিতা আরেকবার যদি এই কথাটা বলবি তাহলে তোকে খুন করে এক্সিডেন্ট কেইস দিয়ে চাপ্টার ক্লস করে দিব সারা শুধু আমার বুঝলি ওর জন্য আমি সব কিছু করতে পারি এমনকি রাজকেও যেমন করলাম ও বাঁচতে পারবে না।
,
মেহেরিমাঃ ভুল হয়ে গেছে মাফ করে দিন আমায় আর কোনো দিন বলবো না আই প্রমিস।
,
লেকটি ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে একটা রুমে ঢুকলো সারার ফটো গুলি দেখছে খুব ভালোবাসে সেই প্রথম দেখায় পুরো রুম সারার ফটো ঝুলানো।
,
লোকটিঃ খুব ভালোবাসি আমি তোমায় সারা ভালোবাসা মানুষকে অন্ধ বানিয়ে দেয় যেমন আমায় বানিয়েছে আমি জানি যা করছি ভুল করছি কিন্তু আমার ভালোবাসা তো মিথ্যা নয় খুব ভালোবাসি আমি তোমায় কি আছে এই মুখটাতে কি মায়া রাজ বুঝতে পারেনি আসলে ও তো আস্ত বোকা ওকে শেষ করে দিব আমি তোমাকে আমার চাই। যেভাবেই হোক হীতে নয়তো বিপরীতে তোমার কান্না আমার সহ্য হয়না সারা ভেবেছিলাম বিয়ের পর ছোট্ট একটা সংসার হবে আমাদের কিন্ত রাজ সব শেষ করে দিয়েছে। তোমায় পাওয়ার জন্য ই তো এতকিছু আমি ভালোবাসি তোমায় খুব ভালোবাসি তুমি আমার নয়তো তো কারোর না।( ফটোতে চুমু দিয়ে)
,
,
২ ঘন্টা পর
অনিকঃ সারা( হাসি মুখে)
,
সারাঃ দাদা ভাই বলো না রাজ?
,
অনিকঃ অপারেশন সাকসেসফুল টেনশন করিস না একটু পরই জ্ঞান ফিরবে আমার একটু বাহিরে যেতে হবে আসি তুই কাঁদিস না কেমন।
,
সারাঃ আচ্ছা।
,
এনামুলঃ এবার শান্তি হয়েছিস তো।
,
সারাঃ( আফজালের সামনে যেয়ে) একটু আগের বিহেভের জন্য আমি স্যরি মাথা ঠিক ছিল না আমার ( হাত জের করে) দয়া করে মাফ করবেন।
,
আফজালঃ ( মৃদু হেসে) আমি কিছু মনে করিনি তবে একটা বিষয় খেয়াল করলাম ভালো শুধু ছেলেরা নয় মেয়েরাও বাসতে পারে।
,
রেহেনাঃ ( ছুটে এসে) সারা রাজ।
,
সারাঃ এখন ভালো তুমি কিভাবে জানলে?
,
রেহেনাঃ অনিক বলেছে মাকে বলিনি আমি কোনো রকম ছুটে এসেছি।
,
আফজাল হা করে দেখছে রেহেনা কে পুরো পুরি সারার চেহারা একবার সারার দিকে তাকিয়ে আবার রেহেনার দিকে।
,
সারাঃ আমার আপু।
,
আফজালঃ ওহহ আসসালামু আলাইকুম।
,
রেহেনাঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম।
,
সারাঃ আপু ওনি মিস্টার আফজাল যার কথা তোমায় বলেছিলাম।
,
রেহেনা একবার তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিল আফজাল ও সেইম এমন সময় যিনি অপারেশন করেছেন তিনি বের হলেন।
,
সারাঃ ডক্টর রাজ।
,
ডাক্তারঃ Congrats, may be your prayer have really power man, he is okay now, you can meet him.
,
সারাঃ থ্যাংকস।
,
এক দৌড়ে গিয়ে দেখলো মাত্র জ্ঞান ফিরেছে রাজের পা টিপে টিপে পাশে চেয়ারটায় গিয়ে বসলো হাতটা ধরে বলতে শুরু করলো।
,
সারাঃ রাজ এত বড় একটা সত্যি কেন লুকালে আমার কাছ থেকে আমি সব জেনে গেছি। আমি জানতাম তো তুমি আমার সাথে ঐ দিন এমনটা করতে ই পারো না। কিন্ত সেন্স ফিরে নিজেকে এলোমেলো দেখে ভেবেই ছিলাম এমনটাই করেছো আমার সাথে তারপর আবার আমার মন নাড়া দেয় তুমি হয়তো আমার সাথে অভিনয় করছো ভালোবাসার পরীক্ষা নিতে মেডিকেল টেস্ট করায় ঐটাও পজিটিভ কেন করলে আমার সাথে এমনটা ভালো কি শুধু তোমরা ছেলেরাই বাসতে পারো আমরা মেয়েরা পারি না।আমি তোমায় ছেড়ে কোথাও যাবো তোমার এই ছোট্ট দুনিয়ায় থাকবো টুনাটুনি হয়ে।
,
রাজ ছলছল চোখে শুধু দেখলে সারার কান্না ওর সহ্য হয়না কিন্ত একটু নড়তে ও পারছে না। অনেক কিছু বলার আছে সারাকে।
,
সারাঃ কি বলবে আমায় চলে যেতে তাইতো যাবো না আমি হ্যা যাবো না। তাড়িয়ে দিলেই কি চলে যাবো নাকি সেদিন ভুল করেছিলাম না জেনে আজ সব জেনছি আর আর কোনো ভুল করবো না।খুব ভালোবাসো না তাহলে কিভাবে দেখতে পারতো অন্য কারো সাথে সংসার করছি একবার সুস্থ হও তুমি তারপর সব শোধ তুলবো আমি দেখে নিও।
,
সারা হাত ধরে মাথাটা হাতের উপর রেখে কাঁদছে রাজ খুব কষ্ট আস্তে আস্তে ওর ডান হাতটা মাথায় রাখলো সারা মাথা তুলে তাকাতেই মুচকি হাসলো রাজ ইশারায় বুঝাচ্ছে পাগলী বউ আমার আমিও দেখে নিব তোমাকে।
,
মেহেরিমাঃ আসতে পারি।

চলবে……….।

❤বসন্তের ছোঁয়া❤
লিখাঃ Ayesha Ariya Afiya
পর্বঃ ১৭
,
,
মেহেরিমাঃ আসতে পারি।
,
সারাঃ নো।
,
মেহেরিমাঃ বাট হোয়াই?
,
সারাঃ আমার ইচ্ছা তাই।
,
মেহেরিমাঃ দেখ সারা বেশি বাড়াবাড়ি করো না কেমন রাজ বেবী তুমি এখন কেমন আছো গো সো স্যরি আমার আসতে একটু লেইট হয়ে গেছে আসলে বাবার ফোন আসায় চলে যেতে হয়েছে আমায়।
,
সারাঃ( মাথায় হাত দিতে নিলেই ধরে ফেলে) অনেক হয়েছে গো আর তামাশা করতে হবে না রাজ এখন অসুস্থ তোমার সাথে রোমান্স করার এনার্জি নাই যখন হবে তখন আসবে কেমন।
,
মেহেরিমাঃ ইউ।
,
সারাঃ I say out.
,
মেহেরিমাঃ দেখে নিব আমি তোমাকে।
,
সারাঃ Just get lost.
,
মেহেরিমা রাগে গজ গজ করতে করতে বেরিয়ে গেলো সারার সন্দেহ হচ্ছে এত কাছ থেকে কেই বা স্যুট করবে মেহেরিমা ছাড়া হ্যা রাজকে খুব কাছ থেকে স্যুট করা হয়েছে এটা নিশ্চিত করেছে ডাক্তার।
,
,
১০ দিন পর
সারার ফ্লাইট ক্যান্সেল করে দিয়েছে লন্ডনে যাবে না। দশদিন পর রাজকে ছুটি দিয়েছে এখন অবস্থা অনেক টা ভালো সারার টেক কেয়ার অনিকের প্রতিদিন ছায়ার মতো দেখাশোনা সবকিছু রেহেনা রাজের ফুপি সবাই এখন শুধু রাজকে কিভাবে সুস্থ করবে এটাই ভাবছে।
,
সারার মাঃ কেমন আছো বাবা?
,
সারাঃ ( জরিয়ে ধরে) মা তুমি কার সাথে এলে?
,
সারার মাঃ তোর মামার সাথে এসেছি কেমন আছিস তুই আর রাজ তুমি কেমন আছো?
,
রাজঃ ভালো ছোট মা।
,
রাজের ফুপি সবচেয়ে বেশি কাঁদছে কতদিন পর দেখা হলো সারাকে দুই বছরের কোলে নিয়ে যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল আর কোনো দিন ফিরে আসেনি আজ এত বছর পর আসলো তাও শুধুমাত্র রাজকে দেখার জন্য।
,
রাজঃ ছোট মা শোন না তোমাকে কত খুঁজেছি পায়নি আমি জানো মা না তোমার জন্য অনেক কাঁদতো শুধুমাত্র বাবার জন্য তোমাকে এই বাড়ি ছাড়তে হয়েছে আজকের পর থেকে তুমি কোথাও যাবে না এখানেই থাকবে আমাদের সাথে।
,
সারার মাঃ তা বললে কি হয় আমি মাঝে মাঝে আসবো কেমন এখানে থাকতে পারবো না তোর মামারাই দিবে না থাকতে আজকে ই চলে যাবো জেদ করিস না বাবা।
,
সারাঃ মা তুমি এখানেই থাকবে কোথাও যাবে না।
,
রাজঃ সবাই এখন ছোট মা কে নিয়ে পড়েছে আমার কথা যেন ভুলেই গেছে ( সারার দিকে তাকিয়ে)
,
সারাঃ তোমার বুঝি ভালো লাগছে না তা লাগবে ও না আস্ত খাটাশ একটা।
,
রাজঃ কিহহহ আমি খাটাশ ছোট মা এর বিচার চাই।
,
সারার মাঃ ঠিক আছে সারা রেডি হ আমার সাথে আজকই তুই কিশোরগঞ্জ ফিরে যাবি।
,
সারাঃ একদম ঠিক বলেছো মা আমি এখনই রেডি হচ্ছি।
,
রাজঃ এটা কেমন বিচার ছোট মা তুমি কাজটা একদম ঠিক করনি আমি বলেছি সারার বিচার চাই তাই বলে এই বিচার এটা তো আমাকে মিষ্টি জুতোর বারি দেয়া হলো।
,
রাজের বোকা বোকা কথা শুনে হাসতে হাসতে সবাই শেষ দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষে সবাই যে যার রুমে বিশ্রাম নিচ্ছে।
সারাঃ রাজ তুমি এত বোকা কেন? দুই বছর আগে তোমার ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়েছে আর তুমি আজ তিন বছর হয়ে যাচ্ছে এখনো বেঁচে আছো।
,
সারা ফাজলামো করে বলেছে রাজ নড়েচড়ে উঠলো এটা তো ভেবে দেখেনি।
রাজঃ সত্যি ই তো এটা তো ভেবে দেখিনি।

” প্রেমে পড়লে বোকা বুদ্ধিমান হয়ে যায়,
আর বুদ্ধিমান বোকা হয়ে যায়”
( স্কুট হাসসুন)
সারাঃ কথাটা একদম সত্যি আমি সিওর তোমার রিপোর্ট ভুল ছিল।
,
রাজঃ কি বলছো এসব রিপোর্ট ভুল মানে?
,
অনিকঃ আসতে পারি।
,
সারাঃ হ্যা দাদা ভাই আসো।
,
অনিকঃ কি নিয়ে কথা হচ্ছে?
,
সারাঃ আচ্ছা দাদা ভাই ব্লাড ক্যানসার হলে মানুষ সর্বোচ্চ কতদিন বাঁচে?
,
অনিকঃ তিন থেকে চার মাস এর বেশি না কেন জানতে পারি?
,
সারাঃ রাজের নাকি ব্লাড ক্যানসার তাও তিন বছর আগে ধরা পড়েছিল এবার তুমিই বলে এটা কি ভুল রিপোর্ট না।
,
অনিকঃ হ্যা রাজ তুই আমাকে এটা বলিসনি কেন তোর ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়েছে মানে?
,
রাজ তারপর বললো সবটা
অনিকঃ তোর মাথা খারাপ একজন ব্লাড ক্যানসারের রুগী বেশি দিন বাঁচে না আর এতবড় একটা সত্য আমার কাছ থেকে লুকিয়ে গেছিস আর সারার সাথে অভিনয় তোকে তো অস্কার দেওয়া উচিত বাই দ্যা ওয়ে আমার অপারেশন আছে গেলাম। কালকে রিপোর্ট গুলো নিয়ে আসবি দশটায় তোর সিকিস্ক্যান করবো।
,
সারাঃ ওকে কিছু খেয়ে যাও দাদা ভাই।
,
অনিকঃ আরেক দিন এসে খাবো।
,
এরপর আরো কেটে গেলো অনেক দিন রিপোর্টে এসেছে ব্লাড ক্যানসার তো দূরের থাক কোনো সমস্যা ই হয়নি রাজ বুঝতে পারছে না কি হচ্ছে ওর সাথে তবে কেউ যে ওর সাথে গেইম খেলছে সেটা ভালোই বুঝতে পারছে কিন্ত কে হতে পারে কোনো বিজনেস পার্টনার হতে ও পারে বসে বসে বেলকনিতে ভাবছে কিছু একটা মনে হতে মুচকি হাসলো আজকেই সব সমস্যার সমাধান হবে।
,
রাজঃ ওরা দুজনকে আমার সামনে চাই শুধুমাত্র আধা ঘন্টা সময় দিলাম।
,
ফোনের ওপাশেঃ,,,,,,,।
,
সারাঃ ( কোলে বসে) কে বলেছিল তোমাকে আমার সাথে এমন অভিনয় করতে রাজ তুমি বোকা আসলেই বোকা একটা ভুল রিপোর্ট অন্য কারো রিপোর্ট তোমায় দিয়েছে আর ঐ লোকটা মারাও গেছে আচ্ছা তুমি যে আমার সাথে এমনটা করলে আমি যদি সুইসাইড করতাম।
,
রাজঃ( ঠোঁটে আঙ্গুল দিয়ে) হুসসস এই কথাটা মুখেও আনবে না আমি জানতাম না কেউ একজন আমার সাথে এই ভাবে গেইম খেলবে সত্যি আমি বোকা নয়তো তোমার সাথে এমনটা জরতাম না আমি তোমায় হারাতে পারবো না সারা আই লাভ ইউ।
,
সারাঃ গত দুই বছর এই ভালোবাসা কোথায় ছিল শুনি।
কেথায় নিয়ে যাচ্ছে রাজ কিছু বলছে না হ্যা মেসেজ এসেছে দুজন রাঘব বোয়াল কে ধরেছে সব রহস্যের উদঘাটন হবে এবার।
সারা বারবার জানতে চাইছে বলে রাজ মুখটা অফ করে দিয়েছে।
সারাঃ এটা কি করলে তুমি।
,
রাজঃ থেরাপি দিয়েছি যেটা তুমি মাঝে মাঝে দিতে চুপচাপ বসে থাকো কেমন যা হচ্ছে হতে দাও।
,
রাজ সারাকে নিয়ে গেলো একটা পরিত্যক্ত বাড়িতে সাধারণত এখানে মানুষ আসে না। সারাকে কোলে করে নিয়ে ভিতরে ঢুকলো দুজনকে বেঁধে রাখা হয়েছে রাজ মুচকি মুচকি হাসছে। রাজ ইশারা করতেই দুজনের মুখোশ খুলে দিল।
,
রাজঃ খুব শখ না আমার কলিজা কে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার আজকেই তোদের দুজনের শেষ দিন।
অন্ধকার থেকে সামনে আনা হয়েছে দুজনকে রাজ এক হাত দিয়ে সারার কোমর জরিয়ে ধরে রেখেছে সামনের দুজন মানুষকে দেখে বুকটা কেঁপে উঠলো আদৌ কি এটা সম্ভব একটা আর কেউ না মেহেরিমা আরেক জনকে দেখে সারার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেলো মুখ দিয়ে অস্পষ্ট সুরে বেরিয়ে এলো” দাদা ভাই ”

চলবে………….. ❤❤❤❤❤❤

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here