#শুধু তুই ৩
#পর্বঃ৩১
#Tanisha Sultana
আদির হাত বেশ খানিকটা পুরে গেছে। সাথে পায়ের কিছু অংশও পুরে গেছে।
ব্যাথায় চোখ মুখ কুঁচকে আছে আদি। নিধি রেগে হনহনিয়ে গিয়ে আদির পোরা জায়গা চেপে ধরে।
“আরও খাবি তোহার স্পেশাল কফি
দাঁতে দাঁত চেপে নিধি।
আদি ব্যথায় চিৎকার করছে।
” ছাড়ো উ উ উ
আদি বলে।
“আগে কান ধরে আর কফি খাবেন না তারপর ছড়বো।
রাগ দেখিয়ে বলে নিধি।
” খাবো না খাবো
প্লিজ ছাড়ো। আ আ আ
আর্তনাদ করে বলে আদি।
“খাবো না খাবো কি? আর কানে হাত কই?
আদি অসহায়ের মতো নিধির দিকে এক পলক তাকিয়ে দুই কানে হাত দেয়।
” আমি আর জীবনেও কফি খাবো না।
কাঁদো কাঁদো ফেস করে বলে আদি।
নিধি ছেড়ে দেয়।
আদির চুল গুলো এলোমেলো করে দেয়।
“আমার মিষ্টি বর
” আমার জল্লাদ বউ
আদি বির বির করে বলে।
নিধি কোথাও একটা চলে যায়। আদি হাতে ফু দিচ্ছে।
একটু পরেই নিধি বরফ আর মলম নিয়ে হাজির। খুব যত্ন করে আদির হাতে বরফ দিয়ে দেয়। সাথে ফু ও দিচ্ছে। নিধির চোখের কোনে পানি চিকচিক করছে। ব্যাথাটা মনে হচ্ছে আদির না নিধির লেগেছে।
“বেশি ব্যাথা পাইছেন?
নাক টেনে বলে নিধি।
আদি নিধির চোখের দিকে তাকায়। টুপ করে পানি গড়িয়ে পড়ে। আদি মনে মনে হাসলেও বাইরে মুখটা শক্ত করে রাখে।
” ব্যাথা দিয়ে আবার বলছো বেশি ব্যাথা পাইছি কি না?
রাগ দেখিয়ে বলে আদি।
নিধি এবার ভ্যা ভ্যা করে কেঁদে ফেলে। কাঁদতে কাঁদতে মলম লাগাচ্ছে।
“আমি না সত্যিই স্টুপিট একটা মেয়ে। কোনো কান্ডবঙ্গান নেই আমার। সব সময় ইডিয়েটের মতো কাল করি।
কাঁদতে কাঁদতে বলে নিধি।
আদির বেশ মজা লাগছে।
নিধি মলম লাগানো শেষ করে কান ধরে দাঁড়ায়।
” সরি
হু হু কেঁদে বলে।
আদি উঠে দাঁড়ায়। নিধির হাত ধরে।
‘
“ইটস ওকে। ব্যাথা বেশি পাইনি৷ কিচ্ছু হয় নি।
নিধির কান্না থামে না। কেঁদেই যাচ্ছে। আদি নিজেকে বুকের সাথে মিশিয়ে নেয়।
” কিচ্ছু হয় নি। শান্ত হও
নিধির মাথায়,হাত দিয়ে বলে।
“হাত পুরেছে আমার আর কষ্ট পাচ্ছো তুমি। এটা কি করে?
নিধি আদির শার্ট টেনে নাক মুছে। আদি রেগে দুরে সরে যায়।
নিধি হেসে চোখের পানি মুছে।
” বয়েই গেছে আমার আপনার ব্যাথার জন্য কাঁদতে। দরজার দিকে আপনার পেয়ারের তোহা দাঁড়িয়ে ছিলো। তাকে দেখানোর জন্য একটু একটি
কেমন হলো মিস্টার হাঁদারাম বর আমার?
চুল ঠিক করে একটু পার্ট নিয়ে বলে নিধি।
আদি রেগে যায়৷ তার মানে ওর প্রতি নিধির কোনো সিমপ্রেথিও নেই।
একটিং করলো? কতো বড় সাহস।
আদি রেগে হনহনিয়ে চলে যায়।
আদি চলে যেতেই নিধি মুচকি হাসে।
“আপনি ব্যাথা পেলে আমারও ব্যাথা করে। কিন্তু আপনাকে কেনো বলবো? আপনি তো বুঝে-ও না। কবে বুঝবেন আপনি?
তবে ব্যাপার না। আমি বুঝিয়ে নেবো। ইভা আপুর বিয়ে শেষ হওয়ার আগেই মিস্টার হাঁদারাম আমাকে প্রপোজ করবেন। আর আমাকে হেল্প করবে তিথি। যদি না করে না তাহলে আদার মতো থেঁতলিয়ে দেবো হুহহহহহ
নিধি বলে।
চুল মুছে মুখে স্নানে মেখে সুন্দর করে শাড়ি পড়ে বের হয় নিধি। এবাড়িতেও আসার পর থেকে কিছুই পেটে পড়ে নি৷ ইভাদের বাড়ি থেকে খেয়ে এসেছে।
খাবার টেবিলে আদির পাশে তোহা বসে আছে। নিধি ওখানে যেতেই আদির মা ডাকে ওদের খাবার দেওয়া জন্য। নিধি রাগে গজগজ করতে করতে খাবার আনতে থাকে।
আদি নিধিকে দেখানোর জন্য তোহার সাথে কথা বলছে। তোহা নিজের ওড়নাটা এক পাশে দেয়। আদি ভুল বশত ওদিকে তাকিয়ে ঢোক গিলে। সাথে সাথে চোখ সরিয়ে নেয়।
নিধি পোলাও এর বাটি ঠাস করে টেবিলে নামায়। আদি আর তোহা মচকে ওঠে।
নিধি আদির পাতে পোলাও দিয়ে ঠাস করে আচল ফেলে দেয়। তোহা আর আদি চোখ বড় বড় করে তাকায়। আদির হেঁচকি উঠে যায়। চোখ সরাতে পারছে না। তোহা রাগী দৃষ্টিতে তাকায় নিধির দিকে।
” ও গো খাও না গো। এভাবে কি দেখছো? সব সময় ই তো দেখো
নিধি লাজুক হেসে আদিকে কনুই দিয়ে গুতা দিয়ে বলে।
তোহা ঠাস করে উঠে দাঁড়ায়।
“কি অসব্ভতামি হচ্ছে?
তোহা রেগে বলে।
” ওমা অসব্ভতামি কোথায় এটাকে রোমাঞ্চ বলে।
আদির গলা জড়িয়ে ধরে বলে নিধি
হনহনিয়ে চলে যায়। আদি হা করে তাকিয়ে আছে।
তোহা যেতেই নিধি আদির গলায় চামচ ধরে
“খুব তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে তাই না? আবার তাকাতে দেখলে চোখ তুলে দেবো।
বলে আদির থেকে দুরে সরে আসে৷ নিধি টমের প্লেট এ খাবার দিয়ে হনহনিয়ে চলে যায়।
” এটা আমার পিচ্চি বউ?
আদি নিজেকে নিজে প্রশ্ন করে।
বিকেলে ইভার বিয়ের শপিং করতে যাওয়া হবে৷ সেখানে আদি আর নিধি কেও খুব করে যেতে বলে দিয়েছে। নিধি শাশুড়ী মাকে রাজি করিয়ে নেয়। নানু একদম পছন্দ করে না নিধিকে। নিধিকে দেখলেই মুখ বাঁকিয়ে থাকে। নিধি বুঝতে পেরে আর ধারের কাছে চাপে না৷ দুরে দুরে থাকে।
নিধি একটা শাড়ি বাঁছে।
“শাড়ি পড়ো না। থ্রি পিছ পড়ো।
আদি নিধির থেকে শাড়িটা নিয়ে বলে।
” কেনো?
“আমি বলছি তাই। পড়ো না প্লিজ
নিধি মুচকি হেসে আদিকে নিচু হতে ইশারা করে আদি নিচু হয় না। নিধি আশেপাশে খুঁজে একটা মোরা নিয়ে আসে। তারপর মুরার ওপর দাঁড়িয়ে আদির গলা জড়িয়ে ধরে।
আদি ভ্রু কুচকে তাকায়।
” আপনি কি বুঝতে পারেন? আপনি এই পিচ্চি ইডিয়েট টাকে ভালোবেসে
আদি নিধির কথা শেষ হওয়ার আগেই বলে
“আগে বড় হও তারপর বুঝবে
বলেই নিধির গাল টেনে দেয়। নিধি হেসে ফেলে। আদি নিধির হাসি মাখা মুখটা দেখে নিজেও হাসে। এই মেয়েটার মুখটা মায়া দিয়ে ভরা। একে মায়াবী বলাটা ঠিক হবে না৷ একে মায়ার রানী বলতে হবে। কিছু একটা ভাবে আদি।
নিধির কপালে গাড়ো চুমু দেয়। আবেগে নিধি চোখ বন্ধ করে ফেলে। তৃপ্তির হাসি হাসে নিধি।
” সব সময় ভালোবাসি ভালোবাসি বলে ভালোবাসা প্রকাশ করা যায় না। বা বালটাও জরুরি না।
নিধির কানে ফিসফিস করে বলে আদি।
নিধি ঝটকা দিয়ে দুরে সরে যায়
“উরে বাবারে
কানে হাত দিয়ে বলে নিধি।
আদি কপালে ভাজ ফেলে বলে
” কি হলো?
“এভাবে বইলেন না প্লিজ। আমার কেমন কেমন লাগে
নিধি অদ্ভুত বিহেব করে বলে।
#শুধু তুই ৩
#পর্বঃ৩২
#Tanisha Sultana
কালো একটা থ্রি পিছ পড়ে নেয় নিধি। আদি নিধির সাথে মেচিং করে কালো শার্ট পড়ে। আয়নায় চুল ঠিক করার সময় নজর পড়ে পাম পাশে কয়েকটা চুল সাদা হয়ে গেছে। আবারও আদির মনে পড়ে যায় ওর আর নিধির মধ্যে পার্থক্যের কথা। মন খারাপ হয়ে যায়। তাচ্ছিল্য হাসে আদি। সাদা চুল গুলো লুকোনোর চেষ্টা করে। যদিও এখন আদির চুল সাদা হওয়ার কথা না তাও হয়েছে। হয়ত অতিরিক্ত টেনশনে জন্য।
ক্লাস টেন থেকে আদি জুঁই নামের একটা মেয়েকে ভালোবেসে এসেছে। চার ইয়ারের জুনিয়র ছিলো জুঁই। আদির ছাব্বিশ বছর বয়সে যখন জুঁইকে বিয়ে করার কথা বাড়িতে বলে তখন সবাই রাজি হয়ে যায়। জুঁইকে দেখতে যায়। তখন গিয়ে দেখে জুঁই অনেক আগেই বিয়ে করে নিয়েছে আর জুঁই প্রেগন্যান্ট। ভীষণ ভেঙে পড়ে আদি। কেনোনা বিবাহিত হওয়ার পরেও আদির সাথে কন্টিনিউস রিলেশন চালিয়ে গেছে। এতো এতো গিফট দিয়েছে আদি। কতো টাকা খরচ করেছে জুঁইয়ের পিছে তার হিসেব নেই।
সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় জীবনে কোনো দিন দ্বিতীয় কোনো নারীতে আসক্ত হবে না।
কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে নিধির সাথে বিয়েটা হয়ে যায়। পাগলী মেয়ে অনেকটা জায়গা দখল করে নিয়েছে আদির মনে। আদি নিজে সেটা বুঝতে পারে কিন্তু স্বীকার করতে নারাজ। কেনো না আদি মনে করে নিধি মেচুয়েট হয়ে উঠলে আদিকে মেনে নিতে পারবে না। কোনো মেয়েই চাইবে না একটা বুড়োর সাথে সংসার করতে।
এসব ভেবে দীর্ঘ শ্বাস ফেলে আদি। নিজের মুখটা খুঁটিতে খুঁটিয়ে দেখছে। গোলগাল মুখটা। চাপ দাঁড়ি জোড়ভ্রুর নিচে হালকা বাদামী রংয়ের দুইটা মনি ওয়ালা চোখ। সরু নাক। নজর কাড়া সুন্দর যুবকদের দেখে কোনো অংশে কম না।
“আপনার হলো?
নিধি ওড়নায় সেফটিপিন লাগাতে লাগাতে বলে।
” হুমম ডান
ভাবনার জগৎ থেকে বেড়িয়ে আসে আদি। নিজেকে দেখা বাদ দেয়। চিরুনি নামিয়ে রেখে বলে আদি।
“দেখুন তো আমাকে কেমন লাগছে?
আদির সামনে দাঁড়িয়ে বলে।
” খারাপ না
এক পলক তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিয়ে বলে আদি।
“নিরামিষ
নিধি বিরক্ত হয়। খারাপ না” এটা কি ধরনের শব্দ? নিধি বিরবির করে বলে।
” কিছু বললে?
আদি কান খাড়া করে পাল্টা প্রশ্ন করে।
“না না গাঁধাকে কি কিছু বলতে হয় না কি?
হেসে বলে নিধি।
” কি বলল
আদি আঙুল তুলে বলতে যায় তার আগেই নিধি বলে
“দেরি হয়ে যাচ্ছে চলুন
বলেই নিধি এক দৌড়ে বেড়িয়ে যায়।
দৌড়ে একদম নানুর সামনে গিয়ে পড়ে।
” যাহহহহ বাবা যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধে হয়।
বিরবির করে বলে নিধি।
“তুমি আমাকে গালি দিলে? তোমার এতো বড় সাহস?
নানু চিৎকার করে দাঁত কটমট করে বলে।
নিধি বেকুবের মতো তাকিয়ে থাকে। ও কখন বকা দিলো?
” আসমা দেখে যা
তোর ছেলের বউ আমার সাথে কেমন বিহেব করলো?
জোরে জোরে ডাকতে ডাকতে বলে।
তোহা আসে। তোহা মিটমিট করে হাসছে।
“নানু আপনাকে তো আমি বকা দেয় নি। ভালোবাসি বলেছি। আপনার মনে হয় ভালোবাসা কথাটাকে বকা মনে হয়? ঠিক আছে কোনো বেপার না নেক্সট টাইম থেকে আর ভালোবাসি বলবো না।
নিধি এক গাল হেসে নানুর গালে হাত দিয়ে বলে।
তোহা আর নানু এবার বেকুব হয়ে যায়।
আদি ওদের পেছনে দাঁড়িয়ে দেখছে সবটা।
” তুমি
তোহা বলতে বলতে এগিয়ে আসে।
“আমি ভালো মেয়ে। দেখতে সুন্দরী। স্মার্ট
আরও কিছু বলবে?
ভাব নিয়ে বলে নিধি।
তোহা কটমট করতে করতে চলে যায়।
তোহা যেতেই নিধি নানুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলে
” শাশুড়ী একটু বেরিয়েছে। বাসায় আসলে বইলেন। কেমন
বলেই নিধি চলে যায়।
গাড়িতে বসে বসে নিধি আদির জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু আদির আসার কোনো নামই নেই। কোথায় গেলো? যখনই ভেবে নিলো এবার নেমে যাবে তখনই আদি চলে আসে।
“নামো
নিধির পাশের দরজা খুলে দিয়ে বলে।
” কেনো?
নিধি বুঝতে না পেরে বলে।
“এতো কথা বলো কেনো তুমি? ইডিয়েট একটা
‘
” ধুর
বিরক্তি নিয়ে বের হয় নিধি।
আদি নিধির হাত ধরে বলে
“চলো
নিধি মুখটা গোমড়া করে হাঁটতে থাকে।
পিচঢালা রাস্তায় হাত ধরে হাঁটছে আদি আর নিধি। বেশ লাগছে নিধির। ইসসস এবার যদি বৃষ্টি পড়তো ঝমঝম করে কতো ভালো হতো। দুজন মিলে ভিজতে পারতো। নিধি তো লাফিয়ে লাফিয়ে ভিজতো।
ভেবেই নিধি লাফিয়ে ওঠে। আদি চমকে নিধির দিকে তাকায়।
” কি হলো?
“বলবো?
নিধি খুশি খুশি বলে।
” হুমমম
“এই যে আমি আর আপনি হাঁটছি। পিচ ঢালা রাস্তা দুই পাশে গাছ মাঝে মধ্যে দুই একটা গাড়ি শো শো করে যাচ্ছে। এবার যদি ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়তো। আপনি আর আমি ভিজে একাকার হয়ে যেতাম। বৃষ্টির পানি আমার মুখে ফোঁটা ফোঁটা জমে থাকতো। খুব মায়াবী লাগতো আমাকে। ঠিক হিরোইনদের মতো। আপনি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতেন আমার দিকে। আমি লাফিয়ে লাফিয়ে ভিজতে থাকতাম। আপনি এসে আমার হাত ধরে দাঁড় করাতেন। তারপর আমার গালের দুই পাশে হাত দিতেন।
আমি আপনাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আবার দৌড়ে চলে যাবো।
” আবার যদি বৃষ্টি আমি আমি তোমার প্রথম হবো
লেপ্টে যাওয়া শাড়ির মতো তোমার অঙ্গে জড়িয়ে রবো”
গানটা গাইবো আর নাচবো।
মুহুর্তেটা উপলব্ধি করেই আমার লজ্জা লজ্জা লাগছে।
দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে বলে নিধি।
আদি বুকে হাত গুঁজে নিধির কথা শুনছিলো।
“আপনি একটু কল্পনা করেন না প্লিজ?
আদির হাত ঝাঁকিয়ে বলে নিধি।
” এতোখন কল্পনা করলাম তো।
আদি নিধির দিকে তাকিয়ে বলে।
“সত্যি?
কেমন ফিল হলো?
এখন কি করতে ইচ্ছে করছে?
খুশিতে আত্ম হারা হয়ে নিধি এক সাথে এতোগুলো প্রশ্ন করে বসে।
” কল্পনায় নিশ্চয় আমি সাদা শাড়ি পড়েছিলাম। একদম পাতলা। ভিজে হিন্দি সিনেমার হিরোইন দের মতো শাড়িটা লেপ্টে ছিলো। তারপর আপনি আমাকে
ইসসসসসসসস
লজ্জায় লাল নীল হয়ে মুখ ঢেকে বলে নিধি।
“অল্প বয়সে পাকলে যা হয় আর কি?
আদি মুখ বাঁকিয়ে বলে।
নিধির রাগ হয়। কতো সুন্দর রোমান্টিক একটা মোমেন্ট নিয়ে কথা বলছে আর ইনি?
” সিগারেট আর ছ্যাকা খাইতে খাইতে ভেতরটা যখন জ্বলে পুরে যায় তখন
থাক আর কইলাম না🥱
আদি রেগে তাকায় নিধির দিকে।
“শুনেন মিস্টার নিরামিষ
নাহহ এভাবে বলা যাবে না
নিচু হন
আঙুল দিয়ে ইশারা করে বলে।
আদি একটু নিচু হয়। নিধি শার্টের কলার ধরে টেনে আরও একটু নিচু করে। আদি ভেবাচেকা খেয়ে যায়। কিন্তু কিছু বলে না।
” শুনেন আমার যা যা স্বপ্ন আছে সব আপনাকে পূরণ করতে হবে। নাহলে আপনার নামে আমি বউ ইভটিজিং এর মামলা করবো বলে দিলাম।
বলেই আদির কলার ছেড়ে দেয়।
তারপর রাগে গজগজ করতে করতে হাঁটতে থাকে।
“এই মেয়েটা কি মানুষ?
চলবে