I’m Mafia lover পর্ব -১৭

#i_m_mafia_lover
#part_17
#sabiha_kh

পরের দিন সন্ধ্যায় ,,,,,,

ইসান বসে ল্যাপটপে কাজ করছে।। এমন সময় তার ফোনে কল আসে। ফোন হাতে নিয়ে দেখে ক্যানি কল করেছে।। ইসান কল রিসিভ করে কানে ধরে।

ইসান- হমম মিঃ ক্যানি বলুন।।

ক্যানি- স্যার মেরান এখন তার হসপিটালে এসেছে।।।

ইসান- ওকে।। মেরানের উপর নজর রাখুন আমি আসছি।।

ক্যানি- ওকে স্যার।।।

ইসান কল কেটে দিয়ে উঠতেই ইমা আসে।। ইসান ইমার দিকে তাকায়।

ইমা- আ,,, কথাও যাচ্ছো??

ইসান- হমম। কিছু বলবে?/

ইমা- না তেমন কিছু না।। আচ্ছা দেশে কবে ফিরবো??

ইসান- আ,,, তারাতারিই ফিরবো। চিন্তা করো না।। তোমাকে একটা কথা বলার আছে।।

ইমা- হমম বলো।।

ইসান- আজ সকালে মেরান দেশে ফিরেছে।। আমার লোক জন ওকে নজরে রেখেছে।। আমি এখন যাচ্ছি।। আমার লোক আসবে তোমাকে নিতে।। তুমি চলে এসো।। যেহেতু তুমি ওর মুখে সব শুনতে চেয়েছো।।

ইমা- হমমম কিন্তু ইসমা,,,,,!!

ইসান- ইসমা রোকসানার কাছে থাকবে।। সমস্যা নাই তো। আর এই বাসায় সবাই আছে। মিঃ মাইকি কে বলে যাবো। তুমি চিন্তা করো না।।

ইমা- ওকে।।

ইসান চলে গেলো নিজের রুমে।। রুমে এসে পোশাক চেঞ্জ করে।। ডয়ের থেকে রিভলবার বের করে কোমরে গুজে কোর্ট ঠিক ঠাক করে রুম থেকে বের হয়ে চলে গেলো।।।

Time skip

ইমা বসে ইসমার খেলা দেখছে।। ইসমা রোকসানার সাথে খেলছে।। ইমার হঠাৎ মিঃ মাইকির বলা কথাগুলো মনে হয়ে যাই।।। ইমা মনে মনে বললো-

ইমা- আমি ইসানের সাথে কনো অবিচার করলাম নাতো?? আমার কি ওর কথাটা সেদিন শুনা উচিত ছিলো।। কিন্তু আমি তো ওর জন্য আমার পরিবার,,,,,,,

ভাবতেই মাইকি এসে বললো- ম্যাডাম আপনাকে নিতে এসেছে।।

ইমা – ওকে আসছি।।।

রোকসানা কৌতুহল নিয়ে বলে- আপনি কথাও যাবেন ম্যাডাম??

ইমা- হমম তুমি ইসমার খেয়াল রেখো।

ইসমা উঠে ইমার কাছে এসে বলে-

ইসমা- আম্মু আমিও যাবো।। (ইমার হাত ধরে)

ইমা ইসমার গালে হাত দিয়ে বললো- না মা আমি তারাতারি আসবো তুমি রোকসানা আন্টির সাথে খেলা করো এবং একটু পর খাওয়া দাওয়া করে নিও।।

ইসমা- তারাতারি আসবে কিন্তু।। (মুখ ভার করে)

ইমা- ওকে মামুনি।। (বলে ইসমার গালে চুমু দিয়ে চলে গেলো ইমা)

এদিকে ইসান মেরান কে মেরানের বাড়িতেই গিয়ে ধরেছে।। মেরানের বডিগার্ড দের সবাইকে মেরে আরেক রুমে বন্ধ করে রাখেছে ইসানের লোক জন।। এবং মেরানকেও ধরে মেরেছে।।

ইসান সোফায় পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে আর মেরান মেঝেতে হাঁটু ভেঙে বসে আছে।।। ইসান রিভলবার মেরানের সামনে টেবিলের উপর রাখে। এবং মেরানের দিকে তাকিয়ে বলে-

ইসান- কি ভেবেছিলি অন্য কে ফাঁসিয়ে দিয়ে বেচে যাবি।। আমাকে দেখ আমি ইসান চৌধুরী।। আমার পথে কাটা ছড়াবি বেভেছিলি আমি জানতেও পারবো না!!! আমার চোখ ঈগল পাখির মতো এটা তুই ভুলে গেলি কি ভাবে!!!

মেরানের মুখ থেকে রক্ত বের হচ্ছিলো। মেরান বাঁকা হাসি দিয়ে রক্ত মাখা থুতু পাশে ফেলে দিয়ে বললো-

মেরান- অ্যাটিটিউড ?? এখনো এতো অ্যাটিটিউড।। আপন মানুষ হারিয়েও দেখি অ্যাটিটিউড কমেনি!!

ইসান বাঁকা হাসি দিয়ে বলে- আমার রক্তে অ্যাটিটিউড মিশে আছে বুঝলি।। আচ্ছা এখন বল আমার হসপিটাল কেন হতে দিতে চাস না?? কি সমস্যা তোর।। (কপাল কুচকে)

মেরান- ওই শহরে একটাই হসপিটালই থাকবে সেটা হলো RK হসপিটাল।।

ইসান- তাহলে কি ধরে নিবো তোরা বাবা ছেলে মিলে আমার বিপক্ষে আমার বাবার বিপক্ষে গুটি খেলছিস???

মেরান হেসে বললো- আমার বাবা তো কিছুই জানেনা। আসলে কি জানিস,,,, আমার বাবা একজন বিশাল বোকা যে তোদের সাথে বন্ধুত্ব করেছে। বাবা এটা ভাবেনি যে তোরা হসপিটাল দিলে আমাদের হসপিটাল ডাউন হয়ে যেতে পারে।।।

ইসান- হমম বুঝলাম।। ড্রাক্স এর ব্যাবসা করিস। তাও আবার ডেডবডির মাধ্যম দিয়ে। তুই তো এমন ছিলিস না এমন হলি কি করে?? আমি না হয় প্রথম থেকে খারাপ কিন্তু তুই তো ভালোছিলি। শান্তশিষ্ট ভদ্র।।

মেরান হেসে বললো- সময় যে মানুষকে অনেক কিছু করতে শিখায়।।। আমার এতো পরিবর্তন তো তোদের কারণে হয়েছে।।।

বলতেই ইমা হাজির। ইসান ইমাকে দেখে রিভলবার টা টেবিল থেকে আসতে করে সরিয়ে রাখলো। এবং উঠে দাড়াল। মেরান ইসানকে এমন করতে দেখে পিছনে ঘুরে তাকায় দেখে ইমা আসছে। মেরান বাঁকা একটা মুচকি হাসি দেয়।।। ইমা মেরানের দিকে তাকিয়ে এগিয়ে আসছে।। ইমা মেরানের সামনে এসে হাঁটু ভেঙে বসে বললো-

ইমা- আমার কি করা উচিত!!! তোমার কুশলাদি জিজ্ঞেস করা উচিত!!! নাকি আমাকে এভাবে ফাঁসালে কেন সেটা জিজ্ঞেস করা উচিত???

মেরান- আমি তোমাকে ফাঁসাতে চায়নি।। বাধ্য হয়ে ফাঁসিয়েছি।।

ইমা- বাধ্য হয়ে!!!! (বিস্মিত চোখে) কি এমন কারণে তুমি আমাকে বাধ্য হয়ে ফাঁসিয়েছো জানতে পারি মেরান? আচ্ছা মেরান আমরা তো ভালো বন্ধু ছিলাম তাইনা এক ক্লাসে পড়েছি।। এক মেডিকেল কলেজে পড়েছি।। আমার ক্ষতি করার আগে তুমি একবারো ভাবলে না!!! (ভ্রুক্ষেপ করে)

মেরান রেগে বললো- তুমি ভেবেছো আমার কথা??? আমার মনের কথা কখনো বুঝার চেষ্টা করেছো???

ইমা বিস্মিত চোখে বলল- মানে!!! তুমি কি বলতে চায়ছো??

মেরান- বাহ্ ইমা ভালোই নাটক করো দেখছি!!! আরে মেয়েরা নাকি ছেলেদের চোখ দেখে মনের কথা বুঝতে পারে।। তুৃমি বুঝনি আমার কথা?? এখন অভিনয় করছো??

ইমা- মেরান!!!! তুমি তো জানতে আমি ইসান কে ভালোবাসতাম।।

মেরান- হম জানতাম জানতাম।। আরে এই ছেলে তোমার কত ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে। তুমি তবুও ওকে ভালোবাসলে কি ভাবে ইমা??? ইমা আমি তো তোমার সাথে ছিলাম তোমার উপকার করেছি সব সময় তাহলে কেন আমাকে বাদে ওকে জীবনে জায়গা দিলে।??? কেন ইমা???

ইসান রেগে জোরে বললো- stop it.. (ইমা মেরান চমকে ইসানের দিকে তাকায়)

মেরান হেসে ইচ্ছা করে ইমার হাত ধরে টান দিয়ে জোরিয়ে ধরলো ইমাকে।। ইসানের মাথায় রক্ত টকবক করতে লাগে সেটা দেখে।। ইমা মেরানকে ঠেলা দিয়ে সরিয়ে দিতে চায় কিন্তু পারেনা কারণ মেরান অনেক শক্ত করে ইমাকে পেচে ধরে আছে।। মেরান ইসানকে আরো রাগানোর জন্য ইসানের দিকে তাকিয়ে ইচ্ছা করে ইমার কাঁধে কিস করে।।। ইসান রেগে রিভলবার নিয়ে মেরানের হাতে শুট করে।। মেরান ইমাকে ছেড়ে দিলে ইমা পিছনে সরে যাই এবং ইসানের দিকে তাকায়। দেখে ইসানের হাতে রিভলবার।। রিভলবার থেকে ধোয়া বের হচ্ছে।। ইমা ইসানের দিকে তাকায় দেখে ইসানের চোখ মুখ রাগে লাল হয়ে গেছে।। ইমা একটু ঘাবড়ে গেলো ইসানকে এভাবে দেখে।।

মেরানের হাত থেকে রক্ত বের হচ্ছে। মেরান হাত চেপে ধরে জোরে হাসতে হাসতে বললো

মেরান- দেখো ইমা দেখো তোমার ইসানের আসল রুপটা দেখো।।( ইমা ইসানের দিকে তাকিয়ে আছে)

মেরান বাঁকা হাসি দিয়ে বললো- ৬ বছর আগের কথা আমি ভুলতে চেয়েছিলাম।। (বলতেই ইমা মেরানের দিকে তাকায়)কিন্তু তোরা ৬ বছর পর আবার একজায়গায় হয়ে আমাকে সব কিছু মনে করে দিয়েছিস।।। আমি জানতাম আমি ইমাকে কখনোই পাবো না। কিন্তু আমি ইমাকে তোর ও হতে দিবো না।। ৬ বছর দুইজন আলাদা ছিলি কার জন্য বলতো?? আমার জন্য।।।

ইমা- মানে!!! (হতবাক চোখে)

ইসান রিভলবার ফেলে দিয়ে রেগে এসে মেরানের শার্টের কলার ধরে রাগান্বিত সুরে বললো- কি বলতে চাইছিস!! পরিষ্কার করে বল।।

মেরান ইসানের হাত তার শার্টের কলার থেকে সরিয়ে দিয়ে বললো- যেই কারণটার জন্য তোরা আলাদা হয়েছিস সেটার পিছে তো আমি ছিলাম ইসান।।

ইসান ইমা দুজনাই মেরানের কথায় অবাক হয়ে গেলো মেরানের কথা শুনে।।

মেরান- ৬ বছর আগে সেই মারামারি টা কি হঠাৎ এমনিই হলো !! না মারামারিটা কিন্তু হঠাৎ হয়নি।।। সেটার পিছনে আমি ছিলাম।। ৬ বছর আগে ইমার বাবার সাথে তোর দেখা করার কথা বলছিলো ইমা।।। সে দিন সেখানে আমিও ছিলাম।। ভাগ্য ক্রমে তোদের কথা শুনে ফেলি।। আর আমি একটা ভালো সুযোগ পেয়ে যাই তোর কাছ থেকে ইমাকে সরিয়ে দেওয়ার।। যারা তোকে মারতে এসেছিলো তাদের আমি পাঠিয়েছিলাম।। যেন তোকে মারে।। তুইও মারবি এটা আমি জানতাম।। আমি সেখানেই দাড়িয়েছিলাম।। দেখছিলাম সব কিছু।। ইমার বাবা আর ইমা এসে যখন তোকে দেখে আমি মনে মনে খুব খুশি হয়।। তোকে ভেঙে পরতে দেখে মনে খুব শান্তি পাচ্ছিলাম।। ইমা আমার না,,, ইমা তোর কি করে হয় বল???

বলতেই ইমা এসে মেরানের গালে টেনে একটা থাপ্পড় মারলো৷। মেরান গালে হাত দিয়ে ইমার দিকে তাকায়।। ইসান একদম স্তব্ধ হয়ে যাই।।। কি বলা উচিত কি করা উচিত বুঝতে পারছিলো না ইসান।।।

মেরান ইসানের দিকে তাকিয়ে বাঁকা হাসি দিয়ে ইমাকে বললো- দেখো ইমা তোমার ইসানকে দেখো বেচারা ছেলে মনে কষ্ট পেয়েছে।।।( ইমা ইসানের দিকে তাকায় দেখে ইসান মেঝের দিকে তাকিয়ে আছে)

মেরান জোরে একটা শ্বাস ছেড়ে ইমার দিকে তাকিয়ে বলল- ভেবেছিলাম আগের বারের মতো এইবারের প্ল্যানটাও কাজ করবে কিন্তু হলো না।। দুঃখ হচ্ছে সত্যি।।( ইমা মেরানের দিকে তাকায় ইসান ও মাথা তুলে মেরানের দিকে তাকায়।)

মেরান- আরে এভাবে দেখছো কেন তোমরা সত্যি বলছি।।। ভেবেছিলাম ৬ বছর আগে যেই ঘটনা টা ঘটেছে ইসানের সাথে সেটা এবার তোমার সাথে ঘটবে ইমা। কিন্তু সেটা হলো না।। কারণ হলো ইসান তোমাকে বিশ্বাস করে তাই আমার প্ল্যানে পানি পরে গেছে।। আমি তোমাকে কেন ফাঁসিয়েছি জানো?? কারণ সেই লোকটা ছিলো ইসানের লোক। ওকে যদি তুমি মারো ইসান বিশ্বাস করবে যে তুমি ৬ বছর আগের প্রতিশোধ নিতে ওকে মেরেছো।। ইসান বিশ্বাস করবে তুমি ওকে আজো ঘৃণা করো।। কিন্তু আমার পুরা খেলা ভেসতে গেছে ইসানের বিশ্বাস এর কারণে।।। কি ইসান ঠিক বলছি।।

ইসান উঠে এসে মেরানের মুখে দুই তিনটা ঘুসি মেরে চিল্লায় বললো – আমি ইমাকে কখনো অবিশ্বাস করিনি। ৬ বছর পরেও অবিশ্বাস করবো এটা তুই ভাবলি কি করে।। (বলে আরো দুই তিনটা ঘুসি মারলো ইমা ইসানের কথা শুনে অবাক চোখে ইসানের দিকে তাকিয়ে আছে।।। মেরানের নাক দিয়ে গল গল করে রক্ত বের হচ্ছে।। ইসান মারছে আর বলছে- তুই এগুলো কেন করলি বল কেন করলি??? মেরান ইসানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো।। ইসান নিজের দুই হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে কান্না,করতে লাগে এবং জোরে বলে- ইমা আমাকে বুঝেনি।। ও বুঝেনি আমাকে।। আমার ভালোবাসা ও বুঝেনি।।

ইমা কান্না করে দিলো এবং সেখানে থাকা সবার চোখে পানি চলে আসে।। আকাশ জনিও কাদছে।।। মেরান নাকের রক্ত মুছতে মুছতে খেয়াল করে তার থেকে এক হাত দুরে রিভলবার পরে আছে।।।
ইমা উঠে ইসানের কাছে এসে বসে এবং কাপা হাতে ইসানের কাঁধে হাত রাখে।। এই সুযোগে মেরান উঠে রিভলবার নিতেই ইসান মাথা তুলে কান্না ভড়া চোখে ইমার দিকে তাকানোর আগেই মেরানের দিকে চোখ যাই। দেখে মেরান রিভলবার নিয়ে ইমার দিকে তাক করেছে।। ইসান ইমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতেই মেরান শুট করে। বুলেট গিয়ে ইসানের লাগে ইসান পরে যাই মাটিতে।। ইমা একদম হতবাক কি হলো বুঝেই উঠতে পারেনা।। মেরান আবার শুট করতে যাবে এমন সময় আকাশ জনি এবং অন্যান্য সবাই একসাথে রিভলবার বের করে মেরানকে শুট করে।। এবং সেখানেই সাথে সাথে মেরানের মৃত্যু হয়।।।

Time skip

ইমা গাড়ির ভিতর ইসানের মাথা কোলের উপর নিয়ে কান্না,করছে এবং বলছে- তোমার কিছু হবে না ইসান।।।একটু ধৈর্য্য রাখো।।। আকাশ আরো জোরে গাড়ি চালাও।।

আকাশ – জি ম্যাডাম।।। স্যার এই তো চলে এসেছি স্যার একটু ধৈর্য্য ধরুন।।। (কান্না করে)

ইসান আদো আদো চোখে ইমার দিকে তাকায়।।। এবং বলে-

ইসান- ইমা আমি সত্যি ইচ্ছা করে সেদিন মারামারি করিনি।।।

ইমা ইসানের গালে হাত দিয়ে কান্না সুরে বললো- হমম আমি জানিতো।। সব ভুল আমার আমি সব ভুল করেছি।।।

গাড়ি চলে আসে হসপিটালে আকাশ গাড়ি থেকে বের হয়ে ইসানকে বের করবে এমন সময় আরেক টা গাড়ি এসে থামলো জনি তারাতারি গাড়ি থেকে বের হয়ে আকাশ জনি মিলে ইসানকে গাড়ি থেকে বের করে নিয়ে হসপিটালের ভিতরে গেলো।।। ইমাও পিছে পিছে গেলো।।

Time skip

ইমা চেয়ারে বসে আছে দুই হাত একজাগায় শক্ত করে ধরে।।। ইমার পোশাকে হাতে ইসানের রক্ত লেগে আছে।। ইমা একাধরসে শুধু আল্লাহকেই ডাকছে।।। আকাশ জনি দুজনায় দাড়িয়ে ডাক্তার অপারেশন রুম থেকে বের হওয়ার অপেক্ষা করছে।।।

আকাশ- জনি স্যারের কিছু হবে নাতো!!! (ভীত সুরে বললো)

জনি- কনো দিনো না আমাদের স্যারের কিচ্ছু হবে না।।।( আবেগ সুরে)

বলতেই ডাক্তার বের হয়ে আসে।। আকাশ জনি ইমা উঠে ডাক্তারের কাছে আসে।।

ইমা- ইসান কেমন আছে???

ডাক্তার- চিন্তা করবেন না।। বুলেট টা হার্ডের একটু উপরে লেগেছ।। আমরা বুলেট টা বের করেছি।। এখন উনি বিপদ থেকে মুক্ত।। ২/ ৩ ঘন্টার মধ্যে উনার জ্ঞান ফিরবে।।।

আকাশ ডাক্তারের কথা শুনে খুশিতে জনিকে জোরিয়ে ধরে বললো- জনি আমাদের স্যার এখন ঠিকাছে।।। শুনলি তুই।!!( হেসে)

জনি- শুনেছি শুনেছি।।। (হেসে)

ইমা- thank you.. ডাক্তার।। (মুচকি হেসে)

ডাক্তার- most welcome… আমি আসি (বলে ডাক্তার চলে গেলো।।।)

ইমা চেয়ারে বসে মাথা নিচু কান্না করতে করতে মনে মনে আল্লাহকে ধন্যবাদ জানালো।।।

২ঘন্টা পর,,,,,,,

ইসানের জ্ঞান ফিরলে দেখে ইমা তার পাশে বসে আছে আর আকাশ জনি দাড়িয়ে আছে।।। আকাশ জনি ইমা ইসানকে চোখ খুলতে দেখে খুব খুশি হলো।।।

ইসান মুচকি হেসে আকাশ জনির দিকে তাকিয়ে বললো- মরিনি বেচে আছি।।।

আকাশ- স্যার ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।।।

জনি- আপনার কিছু হতেই দিতাম না।।।

ইসান- হমম বুঝেছি।।।

ইসান ইমার দিকে তাকায় দেখে ইমার চোখে পানি টলটল করছে।।।

ইসান- তুমি ঠিকাছো তো ইমা।।।( ধীর সুরে)

ইমা মাথা ঝুকিয়ে হমম বললো।।। আকাশ জনি দুইজন দুইজনার দিকে তাকিয়ে ইসারা করে। দুজনই এক সাথে বের হয়ে গেলো রুম থেকে।।।

ইমা ইসানের সামনে হাত জোর করে মাথা নিচু করে কান্না সুরে বললো- সব কিছুর জন্য ক্ষমা চায়ছি।। আমি তোমাকে বিশ্বাস করিনি আমার ভুল।।

ইসান – এভাবে বলো না।। আমি খুশি যে তোমার ভুলটা ভেঙেছে।।।( মুচকি হেসে)

,,,,,,,,,continue,,,,,,,,,,,,,,

ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন।।।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here