Home"ধারাবাহিক গল্প"এক মুঠো প্রেমএক মুঠো প্রেম পর্ব -৩১

এক মুঠো প্রেম পর্ব -৩১

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

#এক_মুঠো_প্রেম
#Writer_Mahfuza_Akter
#পর্বঃ৩১

-বিয়ে করা বউ সে আমার। স্পৃহা চৌধুরী, ওয়াইফ অফ প্রণব মেহরাজ চৌধুরী।

প্রণবের রাশভারি বক্তব্য শুনে সব কোলাহল মুহূর্তেই নীরবতায় পরিণত হলো। স্পৃহা বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চকিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। উপস্থিত সবার অভিব্যক্তি-ও একই। তাদের ঠোঁটের দুই রেখার মধ্যে ঈষৎ ফাঁক বিদ্যমান। অবাকতায় বাকহারা হয়ে গেছে সবাই। প্রণব সেটা দেখে ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসলো। যদিও ওর চোখে মুখে এখনও রাগ স্পষ্ট। গাঢ় গলায় বললো,

-অবাক হচ্ছেন? হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের ম্যারেজ পেপার-এর অনেকগুলো কপি দিয়ে দিলাম। ডেট দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, বিয়েটা দুই মাস আগেই হয়েছে। এখন আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় যাবো, তাকে কোথায় রাখবো, সেটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

কথার মাঝে হঠাৎ করে কেউ একজন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো,

-বিয়ে হয়ে গেলে সেটা গোপন কেন রেখেছেন, স্যার? কাউকে জানাননি কেন?

প্রণব ভ্রু বাঁকিয়ে বললো,

-নিশ্চয়ই আমার ব্যক্তিগত কোনো কারণ ছিল। এখন আপনাদের জন্য কি আমার পার্সোনাল কোনো ইস্যু রাখা যাবে না? আমার কি কোনো ব্যক্তি-স্বাধীনতা নেই?

কেউ আর বলার মতো কোনো উত্তর খুঁজে পেল না। প্রণব সেটা দেখে ঝাঁঝালো কণ্ঠে বললো,

-মূলত, বিয়েটা হুট করে হয়ে গিয়েছিল। অফিশিয়ালি জানানোর জন্য একটা অকেশন এর আয়োজন অবশ্যই করতাম। কিন্তু তার আগেই যা ঘটে গেল। তবে এটা নিশ্চিত থাকুন, আজকের এই রিউমারস এর সাথে যারা যারা জড়িত, তাদের প্রত্যেককে পস্তাতে হবে। প্রত্যেককে!! কাউকে আমি একচুলও ছাড় দেব না। যারা আমাদের মধ্যকার পবিত্র সম্পর্কটাকে নোংরাভাবে রিপ্রেজেন্ট করেছে, তারা কোনো ক্ষমা ডিজার্ভ করে না। নাও প্লিজ এক্সকিউজ আস!!

বলেই প্রণব স্পৃহাকে টেনে নিয়ে ওপরে চলে গেল। স্পৃহা অনুভূতিহীন নিষ্প্রভ চোখে এতোক্ষণ তাকিয়ে ছিল শুধু। মস্তিষ্ক ফাঁকা ফাঁকা লাগছে ওর। প্রণবের ঘরে নিয়ে আসতেই বাড়ির প্রতিটি সদস্যকে উপস্থিত থাকতে দেখে অনেকটা প্রকৃতস্থ হলো সে। প্রণবের মুঠো থেকে নিজের হাত ঝাড়া মেরে ছাড়িয়ে নিলো ও। বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে বললো,

-মিডিয়ার সামনে ওসব মিথ্যে কেন বললেন? আপনার সাহস কী করে হলো আমায় নিজের স্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়ার?

প্রণব স্পৃহার দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকালো। মিসেস মেহরীন ব্যতিত বাকি সবাই ওদের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। ঘরে বসে এতোক্ষণ তারা সবাই-ই প্রণবের বলা কথাগুলো লাইভ দেখছিল। এখন তো ওদের বিয়ের রেজিস্ট্রি পেপারও দেখানো হচ্ছে। কাল নিউজ পেপারেও এই খবরটা ছাপানো হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

প্রণব স্পৃহার দিক থেকে স্বাভাবিক ভাবেই চোখ সরিয়ে নিলো। এমন একটা ভাব যেন স্পৃহা তেমন বিশেষ কিছু জিজ্ঞেস-ই করেনি। কেউ একজনকে ফোন দিয়ে থমথমে গলায় বললো,

-বাসার সামনের দিকটা খালি হয়েছে?

-ইয়েস, স্যার। মিডিয়ার লোকজন চলে গেছে।

-যে তিনটা নিউজ চ্যানেল আর যে দুটো নিউজ পেপার সকালের খবরটা টেলিকাস্ট করেছে, তাদের ইমিডিয়েটলি ব্যান করে দেওয়ার ব্যবস্থা করো।

-ওকে, স্যার। সব ফর্মালিটিস সহ এপ্লিকেশন পাঠিয়ে দিয়েছি।

-গুড। শহরের বাইরে আমার বাগান বাড়িটার সব গোছগাছ কমপ্লিট?

-কেন, স্যার? ওখানে তো আপনি বা অন্য কেউ থাকেন না! তাহলে……

-দ্যাট’স নান অফ ইয়র বিজনেস! ঐ বাড়িতে আমি আজই উঠছি।

-ওকে, স্যার।

প্রণব ফোনটা পকেটে গুঁজে ঘড়িতে সময় দেখে নিলো। অতঃপর স্পৃহার হাত চেপে ধরে এগিয়ে যেতে যেতে বললো,

-চলুন!!

স্পৃহা নিজের হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রণব বেশ জোরে আকড়ে ধরেছে। তবুও সে বৃথা চেষ্টা করতে করতে রাগী স্বরে বললো,

-কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমায়? আমায় স্পর্শ করেছেন কেন আপনি? হাত ছাড়ুন। আমি আপনার সাথে কোথাও যাবো না।

প্রণব ওকে গাড়িতে উঠিয়ে নিজেও ড্রাইভিং সিটে বসে পড়লো। স্পৃহার সিট বেল্ট লাগিয়ে দিতেই ফিচেল হেসে বললো,

-আপনি বাধ্য যাওয়ার জন্য। নাও, প্লিজ নো মোর কোয়েশ্শেন্স।

স্পৃহা রাগে গজগজ করতে করতে বললো,

-মানে কী? আশ্চর্য তো!! আপ.……

স্পৃহা কথা শুরু করার আগেই প্রণব ওর মুখ বেঁধে দিলো। মুখের বাধন খোলার আগেই ওর হাত দুটোও বেধে দিলো। যদিও দুটো কাজ করতে গিয়ে ওকে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। স্পৃহা হাত মোচড়ামুচড়ি করতেই প্রণব কপালের ঘামটা মুছে বললো,

-এতো লাফান কেন আপনি? ভালো কথা শোনার মানুষ তো আপনি একদমই নন। এজন্যই এই ব্যবস্থা করতে হলো।

স্পৃহা অগ্নিদৃষ্টিতে তাকালো প্রণবের দিকে। প্রণব সেই দৃষ্টি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে গাড়ি স্টার্ট।
___________________

আদ্র রাগে ফোঁস ফোঁস করছে। সামনের ফ্লোর জুড়ে টিভির গ্লাসের কাচ ভেঙে ছড়িয়ে রয়েছে। টেবিলে রাখা আরেকটা ফুলদানি ভাঙা টিভিতে পুনরায় ছুড়ে ফেললো সে। বিছানায় অহেতুক হামলা চালিয়ে সব এলোমেলো করেও ক্ষান্ত হতে পারছে না সে। কেন এতো রাগ হচ্ছে তার? বারবার কানে শুধু প্রণবের বলা কথাগুলো বাজছে।

-ইয়েস, এই রাগিণী নারীটির অবস্থান-ই আমার সম্পূর্ণ সত্তা ও অস্তিত্ব জুড়ে। আর ইনিই আমার একমাত্র প্রেয়সী, প্রণয়িনী, অর্ধাঙ্গিনী ও স্ত্রী। আমার মিসেস নিস্তব্ধতা!! বিয়ে করা বউ সে আমার। স্পৃহা চৌধুরী, ওয়াইফ অফ প্রণব মেহরাজ চৌধুরী।

সকালের ফেইক নিউজটা দেখে আদ্র যতটা না অবাক হয়েছে, এই মাত্র প্রণবের লাইভটা তার থেকেও বেশি রাগ হচ্ছে এখন ওর। প্রণব স্পৃহাকে বিয়ে করেছে? কিন্তু কেন বিয়ে করেছে? স্পৃহা ওকে বিয়ে করতে রাজী হয়ে গেল? কীভাবে রাজি হলো? প্রণবের সেদিনের বলা কথাগুলো মনে পড়লো আদ্রের,

–সে অনেক কথা। ওর ব্যাপারে কেউ কৌতূহল দেখাক, সেটা আমি মেনে নিবো না। শুধু এতোটুকু জেনে রাখ, ও একটা হারিয়ে যাওয়া অমূল্য সম্পদ যা বহু সাধনার মাধ্যমে ফিরে পেয়েছে কেউ।

এজন্যই প্রণব সেদিন এ কথাগুলো বলেছিল! তার মানে প্রণব আগে থেকেই স্পৃহাকে চেনে? চিন্তাভাবনা গুলো মাথার ভেতর জটলা পাকিয়ে যাচ্ছে আদ্রের। নিজের মাথার চুল খামচে ধরে সে নিজেই নিজেকে বললো,

-না! প্রণবের সাথে দেখা করতে হবে আমার। ওর থেকে সবটা জানতে হবে। প্রণবকেও জানাতে হবে আসল সত্যিটা।
____________________

বাগান বাড়ির ভেতরে গিয়ে একটা বড় রুমে নিয়ে স্পৃহাকে ছেড়ে দিলো প্রণব। দরজা লক করে ওর হাতের ও মুখের বাঁধন খুলে দিতেই স্পৃহা ওকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দিলো। আঙুল তুলে চিৎকার দিয়ে বললো,

-ছোঁবেন না আপনি আমায়। ডোন্ট টাচ্ মি!! আপনার কোনো অধিকার নেই আমায় স্পর্শ ………

কথা শেষ হওয়ার আগেই প্রণব স্পৃহার হাত ধরে হেঁচকা টান দিয়ে নিজের সাথে চেপে ধরলো। দাঁতে দাঁত চেপে বললো,

-আমার অধিকার নিয়ে আপনার আদৌ কোনো ধারণা নেই, মিসেস নিস্তব্ধতা। স্টিল, এই পৃথিবীতে আপনার ওপর যদি কারো সবচেয়ে বেশি অধিকার থেকে থাকে, তাহলে সেই অধিকারী ব্যক্তিটা হলো আমি। ইয়র লিগ্যাল হাসবেন্ড, প্রণব মেহরাজ চৌধুরী।

স্পৃহা বিস্ফোরিত চোখে তাকালো। বললো,

-কিসের হাসবেন্ড? আপনার সাথে আমার কোনো বিয়ে হয়নি।

প্রণব স্পৃহাকে ছেড়ে দিলো। পকেট থেকে ফোনটা বের স্পৃহার চোখের সামনে একটা কাগজের ছবি দেখিয়ে বললো,

-এই কাগজটা দেখতে পাচ্ছেন। বলুন তো এটা কিসের কাগজ?

স্পৃহা কম্পিত স্বরে বললো,

-ক্… কাবিননামা!!!

প্রণব ভ্রু বাঁকিয়ে অদ্ভুত ভঙ্গিতে হেসে বললো,

-ইয়েস! এটার নিচে দেখেছো। আমার সাইন না! তোমার নিজের সাইনটা দেখো তো! এটা কি তোমার নিজের সাইন নয়?

স্পৃহা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে সাইনটার দিকে তাকালো। সাইনের নিচে থাকা তারিখটা দেখে মনে এলো, এটা তো সেদিনের সাইন, যেদিন স্পৃহা মিসেস মেহরীনের হাসপাতালে রিপোর্ট কালেক্ট করতে গিয়েছিল। স্পৃহা চকিত স্বরে বললো,

-তার মানে সেদিন রিপোর্টের কাগজে সাইন নেওয়ার সময় এই কাগজে সাইন নেওয়া হয়েছে? আর এজন্যই আপনাকে সেদিন এতো আনন্দিত দেখাচ্ছিল?

প্রণব কিছু বললো না। ঠোঁট প্রসারিত করে হেসে বুঝিয়ে দিলো, স্পৃহার ধারণাই ঠিক। স্পৃহা তেজী স্বরে বললো,

-আমি মানি না এই বিয়ে! আর না আপনাকে আমার স্বামী হিসেবে মানি। ভালো মনে করেছিলাম আপনাকে। বেশ সম্মান দেখাতাম। কিন্তু আপনি সেটার যোগ্যই নন! এভাবে একটা মেয়ের সাথে বিট্রে করতে আপনার বাঁধলো না? আর আপনি ভাবলেন কী করে এভাবে আমায় বিয়ে করার পর আমি আপনাকে মেনে নেবো?

প্রণব ভ্রু বাঁকিয়ে তাকালো। বললো,

-ফার্স্ট অফ অল, আপনি মানুন আর না মানুন, বিয়েটা হয়েছে। সো, লিগ্যাসি অনুযায়ী, আমি আপনার বর। আর বিট্রে করার পেছনে অবশ্যই যৌক্তিক কোনো কারণ ছিল!

-কী কারণ? কেন আমায় বিয়ে করেছেন?

প্রণব চোখ মুখ শক্ত করে বললো,

-আ’ম নট আন্সারেবল টু ইউ। এখন আপনার কাছে কিছু বলা সম্ভব নয়।

-কেন সম্ভব নয়? কী চান আপনি? কেন এখানে নিয়ে এলেন আমায়? আপনি তো আমার ব্যাপারে সবটা জানেন! আমার আগেও একটা বিয়ে হয়েছিল। আর এখন আমি একজন স্টেরাইল। আমার কাছ থেকে আশা করার মতো তো কিছু নেই! কী চান আপনি?

প্রণব নিষ্প্রভ চোখে তাকিয়ে বললো,

-যদি বলি কিছু একটা চাই, তাহলে দেবেন? শুধু একবার দিয়ে দেখুন, নিজের সবটুকু আপনার নখদর্পনে সমর্পণ করতে রাজি আমি।

স্পৃহা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো,

-কী চান আপনি?

প্রণব ম্লান হেসে বললো,

– এক_মুঠো_প্রেম চাই। দেবেন?

স্পৃহা হতবিহ্বল দৃষ্টিতে তাকালো। এমন চাওয়ার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিল না সে। বিস্মিত চোখে অপলক তাকিয়ে থাকতেই প্রণব হাসলো। বললো,

-আপনার চোখের ভাষা পড়তে পারি আমি, মিসেস নিস্তব্ধতা। যেহেতু আপনি দিতে পারবেন না, সেহেতু আপনার কোনো প্রশ্নের উত্তরও আশা করবেন না এখন।

বলেই প্রণব দরজা খুলে চলে যাওয়ার জন্য উদ্ধত হতেই স্পৃহা বললো,

-আরেহ্!! আপনি আমায় এখানে ফেলে কোথায় যাচ্ছেন?

প্রণব ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালো। বললো,

-কয়েকটা দিন এখানেই থাকতে হবে আপনার। চিন্তা নেই, আপনার কোনো সমস্যা হতে দেব না।আর এখান থেকে পালানোর বৃথা চেষ্টা করতে যাবেন না আশা করি।

প্রণব দরজা বাইরে থেকে লক করে চলে গেল। স্পৃহা চেষ্টা করেও আটকাতে পারলো না।

_____________________

প্রণব আর আদ্র মুখোমুখি বসে আছে। প্রণব টেবিলে থাকা পেপারওয়েটটা ঘোরাতে ঘোরাতে বললো,

-হঠাৎ তোর অফিসে কেন ডাকলি বল তো!

-তুই স্পৃহাকে সত্যি সত্যিই বিয়ে করেছিস?

আদ্রের উৎসুক চাহনির দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে প্রণব বললো,

-মিথ্যে মিথ্যে বিয়ে কীভাবে করে আবার?

-দেখ, আমি কিন্তু সিরিয়াসলি বলছি!!

কথা আদ্র বেশ বিরক্ত হয়ে বললো। প্রণব অদ্ভুত ভঙ্গিতে হেসে বললো,

-স্পৃহার এখন একটাই পরিচয়। মিসেস প্রণব মেহরাজ চৌধুরী। আমার মিসেস নিস্তব্ধতা। ওর ওপর কোনো অধিকার এখন অবশিষ্ট নেই।

আদ্র অবাক চোখে তাকিয়ে বললো,

-মানে??

প্রণব বাঁকা হেসে বললো,

-কেউ চলে ডালে ডালে, কেউ চলে পাতায় পাতায়। কিন্তু প্রণব মেহরাজ চৌধুরী চলে শিরায় শিরায়।

# চলবে……

✘কপি করা নিষেধ ✘

[রিচেক হয়নি। ভুল-ত্রুটি মার্জনীয়। ]

"এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে। আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার। আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন "

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments

মোহাম্মদ মোহাইমিনুল ইসলাম আল আমিন on তোমাকে ঠিক চেয়ে নিবো পর্ব ৪
error: Alert: Content is protected !!