চন্দ্রবাহার পর্ব -০২

#চন্দ্রবাহার (০২)
সন্ধ্যার কিছু মুহূর্ত পূর্বে জ্ঞান ফেরে চন্দ্রবাহারের। এই নিয়ে সেই সকাল হতে চার চার বার জ্ঞান হারিয়েছে সে। সরফরাজের লা*শ দাফনের জন্য নেওয়ার সময় সেই যে কেঁদেকেটে মাটিতে গড়াগড়ি খেতে খেতে জ্ঞান হারিয়েছে আর এই সবেমাত্র ফিরল তার জ্ঞান।
চোখ খুলে শোয়া হতে উঠে বসতেই খাটের কোণায় দবীর উদ্দিনকে বসে থাকতে দেখে অভিমানে মুখ ঘুরিয়ে নেয় চন্দ্রবাহার। বাবা নামক এই মানুষটা যে তাকে শেষবারের মতন তার সরফরাজ ভাইকে দেখতে দেয়নি। লা*শের সামনে থেকে হাত ধরে টেনে এনে বাড়ির উঠানের ওপর ফেলেছিলেন তিনি। সেখানেই কেঁদেকেটে গড়াগড়ি করে বারবার দবীর উদ্দিনকে অনুরোধ করেছিল শেষবারের মতো একটাবার সরফরাজকে দেখতে দেওয়ার জন্য। কিন্তু না তার মনে ছিটেফোটা মায়াটুকু জন্মেনি সেই মুহূর্তে। চন্দ্রবাহারের চোখের সামনে থেকে তার সরফরাজ ভাইয়ের খাটলা নিয়ে গিয়েছিল আর চন্দ্রবাহার আ*র্ত*না*দ করে করে শুধু মাটিতে গড়াগড়ি খেয়েছিল। ঘরে যে কিছু মানুষের উপস্থিতি রয়েছে তা যেন চন্দ্রের চক্ষুগোচর হয়নি। এলোমেলো ভঙ্গিতে হেলতে দুলতে ঘরে হতে বের হয়ে যায় সে। উঠানের এক পাশে থাকা সরফরাজের দেয়া গন্ধরাজ ফুলের গাছটার সামনে গিয়ে দাঁড়ায় চন্দ্রবাহার। কিছুক্ষণ নীরব ভঙ্গিতে গাছটার দিকে তাকিয়ে থেকে ছুটে কলপারে গিয়ে ছোট এক বালতি পানি নিয়ে পুনরায় ফিরে আসে গন্ধরাজ ফুলের গাছের নিকটে। গাছের গোড়ায় পানি দিয়ে গাছ থেকে একটা ফুটন্ত সাদা গন্ধরাজ ফুল ছিড়ে নিয়ে কানের পাশে গুজে নেয় চন্দ্রবাহার। আস্তে করে গাছটার সাথে হেলান দিয়ে বসে হাটুতে থুতনি ঠেকিয়ে চন্দ্র বলতে আরম্ভ করে,
“আচ্ছা সরফরাজ ভাই আপনার মতো সাহসী মানুষ কিভাবে এমনে হারিয়ে যায়? দেখেন সরফরাজ ভাই আপনি বলেছিলেন না? আপনি কখনো হারিয়ে গেলে আমি যেন আপনাকে ভেবে এই গন্ধরাজ ফুলকে নিজের কানের পাশে বা খোপায় গুজে নেই! এই দেখুন না নিয়েছি আমি। সেদিন আপনার কথার অর্থ আমি বুঝিনি। আপনি কি জানতেন যে আপনাকে এভাবে হারিয়ে যেতে হবে? আপনি তো জানেন আপনার এই চন্দ্র কত বো*কা। সোজা কথা ছাড়া প্যাঁচ বোঝেনা। তবে কেন এমন করলেন আপনি? সত্যিই কি আমি খুবই অ*স*হ্য*ক*র আপনার কাছে?”
দোয়েল বারান্দায় বসে চুপচাপ তার আপার কান্ড দেখে যাচ্ছে। তার আপা যে ধীরে ধীরে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে যাচ্ছে, তা আর বুঝতে বাকি নেই দোয়েলের। আনমনে ডুকরে কেঁদে ওঠে সে।
“ও দোয়েল এমনে কানতেছিস কেন?” (নাজিয়া খাতুন)
দোয়েল নিশ্চুপ থেকেই হাতের আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে চন্দ্রবাহারকে দেখিয়ে দিয়ে পুনরায় কেদে ওঠে। নাজিয়া খাতুন এবার আস্তে করে দোয়েলের পাশে বসে পড়েন। এবার তারও চোখ বেয়ে নোনা জল গড়িয়ে পড়ে।

চার বছর আগেই সরফরাজ তার মাকে নিয়ে এই গ্রামে এসে তাদের পুরোনো ভিটাতে উঠেছিল। তার আগেও অবশ্য ছেলেটা তার আব্বা যখন বেঁচে ছিল তখন এই ভিটাতেই থাকত। খুব ছোট বয়সেই সরফরাজের আব্বা গত হওয়ায় তার মা তাকে নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে যায়। সরফরাজ বড় হওয়ার পরে আর তার মামারা তাদের ভরণপোষণ বইতে রাজি না হওয়ায় আর বাড়িতে জায়গা না দেওয়ায় অসহায় মা-ছেলে বাধ্য হয়ে ভিটায় এসে ওঠে। এই কয়েক বছরে সরফরাজ ও তার মায়ের চন্দ্রবাহারদের সাথে ঠিক প্রতিবেশীর মতো নয় আপন মানুষের মতোই সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সরফরাজের মা গত হয়েছিলেন এক বছর আগে। তারপর থেকে ছেলেটা একদম নিরুপায় হয়ে পড়ে। নাজিয়া খাতুনই তারপর তার স্বামীর সাথে এক প্রকার ক্ষু*দ্র আকারের যু*দ্ধ করেই সরফরাজকে আগলে রেখেছিলেন। বেকারত্বের জ্বা*লা*য় পু*ড়*তে পু*ড়*তে ছেলেটা একদম বা*উ*ন্ডু*লে হয়ে যায়। এই কারণটার জন্য যেন অর্থ-বিত্তের দাম্ভিকতায় পরিপূর্ণ দবীর উদ্দিন আরও সহ্য করতে পারতেন না সরফরাজকে। কতশত ক*ষ্ট সহ্য করার পরে শেষে গিয়ে ছেলেটার নি*র্ম*ম এক মৃ*ত্যু হলো। কি আর করার! হয়তো ছেলেটার ভগ্যেই ছিল এমনটা।

এক পড়ন্ত বিকেলে দবীর উদ্দিন সাথে করে কিছু লোকজন নিয়ে আসেন। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ ও কথা-বার্তাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলে বোঝাই যাচ্ছে বেশ সম্ভ্রান্ত পরিবারেরই লোকজন তারা। তাদেরকে বসার ঘরে নিয়ে বসতে দিয়ে দবীর উদ্দিন সোজা নিজেদের শোয়ার ঘরে গিয়ে স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলে ওঠেন,
“তালুকদার বাড়ি থেকে লোকজন এসেছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। মেয়েকে প্রস্তুত করো। আর ভালোভাবে বুঝাও যেন বসার ঘরে সবার সামনে বসে পা*গ*লা*মি না করে। এমন প্রস্তাব আমি হাত ছাড়া করতে চাই না। নাস্তাও প্রস্তুত করো।“
“হ্যা গো! তোমার মনে কি একটু দয়া-মায়া নেই? মেয়েটা এখনো একটু শো*ক কাটিয়ে উঠতে পারল না আর তোমার এখন মোটে তর সইছে না? মেয়ে কি খুব বেশি পরিমাণে ভাত খেয়ে ফেলছে তোমার? বলো যদি তাই হয় তাইলে আমি আমার মেয়েদের নিয়া তোমার বাড়ি ছেড়ে চলে যাই। তুমি থাকো তোমার অর্থ-সম্পদ নিয়া।“ (নাজিয়া খাতুন)
ওমনি দবীর উদ্দিন ধ*ম*কে উঠে নাজিয়া খাতুনকে থা*প্প*ড় মা*র**তে উদ্যত হন। ভ-য়ে কুকড়ে উঠে নাজিয়া খাতুন দু’কদম পেছনে সরে যান।
“চুপচাপ নাস্তা প্রস্তুত করে মেয়েকে নিয়ে বসার ঘরে আসো। নাইলে আমার চেয়ে খা-রা-প আর কেউ হবেনা। এই মেয়েকে ঘরে বসিয়ে রাখলে আমার মুখে চুনকালি মাখিয়ে ছাড়বে বলে দিলাম।“ (দবীর উদ্দিন)
মেয়েকে কোথাও খুজে না পেয়ে নাজিয়া খাতুন সোজা সরফরাজের বাড়ির দিকে রওনা হন। তিনি নিঃসন্দেহে বলে দিতে পারেন চন্দ্রবাহার ওখানেই আছে। দিনের বেশির ভাগ সময়ই চন্দ্রবাহার সরফরাজের ঘরের মেঝেতে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে। বরাবরের মতো এবারও নাজিয়া খাতুনের ধারণা ঠিক প্রমাণিত হয়েছে। সরফরাজের ঘরের মেঝেতে বসে চন্দ্রবাহার লাল রঙা একটা রোজনামচায় বেশ মনযোগ সহকারে চোখ বুলাচ্ছে।
“এত মনযোগ দিয়ে কি পড়ছিস চন্দ্র? এত মনযোগ দিয়ে তো তোকে আমি মাধ্যমিকের সময়েও বইও পড়তে দেখিনি।“ (নাজিয়া খাতুন)
রোজনামচাটা বন্ধ করে মায়ের কথার বিপরীতে খিলখিল করে হেসে ওঠে চন্দ্রবাহার। নাজিয়া খাতুন বেশ অবাক হয়ে মেয়ের সেই হাসি লক্ষ্য করেন। আজ ঠিক কতগুলো দিন পর তার মেয়েকে হাসতে দেখছেন । ক্ষানিক বাদেই আগের মতো স্থির ও গম্ভির হয়ে যায় চন্দ্রবাহার।
“কি হইছে মা? এই সময় তো আমার খোজ করার কথা না কারো।“ (চন্দ্রবাহার)
নাজিয়া খাতুন অসহায় ভঙ্গিতে আমতা আমতা করে বলে ওঠেন,
“তালুকদার বাড়ি থেকে তোর জন্য বিয়ার প্রস্তাব নিয়া আসছে চন্দ্র। তোর আব্বা বোধ হয় এবার তোর বিয়ে দিয়েই ছাড়বে মা। আমার যে কিছুই করার নেই। আমাকে তুই ক্ষমা করে দিস।“
মায়ের কথা শুনে দু’কদম পেছনে সরে যায় চন্দ্রবাহার। তার পায়ের তলা থেকে যেন ধীরে ধীরে মাটি সরে যাচ্ছে। কি করবে এখন সে? তার সরফরাজ ভাইয়ের জায়গা যে কিছুতেই অন্য কাউকে দেয়া সম্ভব নয় তার দ্বারা।

শাহীর তালুকদার বেশ কড়াভাবে পর্যবেক্ষণ করছে চন্দ্রবাহারকে। চন্দ্রবাহারকে সে আগেও কয়েকবার দেখেছে। আগুন সুন্দরী চন্দ্রবাহার সেই প্রথমদিনই শাহীর তালুকদারের দৃষ্টি থমকে দিয়েছিল। শত খুজেও চন্দ্রবাহারের পরিচয় সে খুজে বের করতে পারেনি। ছোটবেলাকার বন্ধু সরফরাজের মৃ*ত্যুর কথা শুনে ছুটে এসেছিল শাহীর তালুকদার। সেখানেই এক কোণায় চন্দ্রবাহারকে দেখতে পেয়ে সেবার আর সুযোগ হাত ছাড়া করেনি। পাশে একজন থেকে চন্দ্রবাহারের পরিচয় জেনে নিয়েছিল সে।
প্রবল অ*স্ব*স্তিবোধ নিয়ে চন্দ্রবাহার এক পলক শাহীর তালুকদারের দিকে তাকায়। পরক্ষণেই চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে যায় চন্দ্রবাহারের। এই লোকটা পাত্র? এনাকে তো চন্দ্র রুহুল কাজী চাচার ছেলের বিয়েতে দেখেছিল!


নিয়তির কাছে হার মেনে ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়েতে রাজি হয়ে যেতে হয় চন্দ্রবাহারের। এত বড় ঘরে মেয়ের বিয়ে দিতে পারছেন ভেবে দবীর উদ্দিনের চোখ চকচক করে ওঠে। নাজিয়া খাতুনও স্বামীর জে-দে-র সাথে পেরে ওঠেন না। শেষমেশ নিরবে অশ্রু বি’স’র্জ’ন দিতে থাকেন। বিয়ে ঠিক হবার পর থেকে কারো সাথে আর কথাই বলেনি চন্দ্রবাহার। পূর্বের চেয়েও যেন অধিক গাম্ভির্যতা গ্রা-স করেছে তাকে।
দম বন্ধ করে নিয়ে তিন কবুল বলে দেয় চন্দ্রবাহার। সকলের চোখের অগোচরে চন্দ্রবাহারের চোখ হতে এক ফোটা নোনা জল গড়িয়ে পড়ে। চন্দ্রের স্বপ্ন যে শুধু স্বপ্নই রয়ে গেল। তার সরফরাজ ভাইকে যে তার পাওয়া হলোনা। আর থাকা হলো না শুধুই সরফরাজের চন্দ্রভামিনী হয়ে। আর রোজ করে গন্ধরাজ ফুলের গাছটার নিচে বসে সরফরাজের সাথে মনে মনে কথা বলা হবেনা। সরফরাজ ভেবে আর এক দুখানা গন্ধরাজ ফুল তার কানের পাশে বা এলোকেশের খোপায় গুজে নেওয়া হবেনা। এরমাঝেই শাহীর তার ডান হাতের মাঝে চন্দ্রবাহারের বাম হাতখানা গুজে নেয়। চন্দ্রবাহার শিরশির করে কেঁপে ওঠে।
বিদায়ের সময়েও চন্দ্রবাহারের চোখে ছিটে-ফোটা পানির হদিশ মেলেনি। নাজিয়া খাতুনের কান্নাও চন্দ্রবাহারকে একবিন্দু পরিমাণ টলাতে পারেনি। দোয়েল চন্দ্রবাহারকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কান্না করতে করতে বলে ওঠে,
“ও আপারে তোমারে ছাড়া আমি কিভাবে থাকব? আমারে কে স্কুলে যাওয়ার সময় চুল বাইধা দেবে? আম্মা মা-র-তে আসলে কে এসে ঠেকাবে আপা? কারে আমি রোজ রাত্রে জড়ায়ে ধরে ঘুমাবো আপা? আমার যে খুব ক*ষ্ট হচ্ছে।“
বুকের মাঝে কিঞ্চিত ব্য*থা উপলব্ধি করে চন্দ্র। এই ব্য*থাকে আর অশ্রু হিসেবে ঠাই নিতে দেয়না। নইলে যে তার মা আর বোন আরও ভে*ঙ্গে পড়বে! আস্তে করে বোনের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে চন্দ্র বলে ওঠে,
“কানদিস না দোয়েল। ভালো করে লেখাপড়া করবি। আব্বা-আম্মার খেয়াল রাখবি। আর রোজ নিয়ম করে দুই বেলা আমার গন্ধরাজ ফুলের গাছে পানি দিবি।“
এবার দোয়েলের কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে চন্দ্রবাহার বলে ওঠে, “মনে রাখিস গাছের প্রতিটা ফুলের মাঝে কিন্তু আমার সরফরাজ ভাই আছে। তোর ওপর দায়িত্ব দিয়ে গেলাম।“
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে চন্দ্রবাহার একবার আসেপাশে চোখ বুলায়। বিয়ে বাড়ির সকলের চোখে অশ্রু টলমল করছে। শুধু তার চোখেই অশ্রুর ছিটে-ফোটা টুকু নেই! এতক্ষণে অনেকে কানাঘুষোও শুরু করে দিয়েছে। দবীর উদ্দিন মেয়ের কাছে এগিয়ে এসে বলে ওঠেন,
“চন্দ্রবাহার! মা ভালো থাকিস।“
চন্দ্র ঘুরে তার আব্বার দিকে তাকায়। মুখে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটিয়ে তুলে বলে ওঠে,
“ভালো তো আমি থাকবই আব্বা। জানেন? একজন বাবা সূর্যের প্রখর তাপ হতে তার সন্তানদের রক্ষা করার জন্য মাথার ওপর ছায়া হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আপনি তো স্বয়ং সূর্যের তাপ হয়ে আমাকে জ্বা-লি-য়ে পু-ড়ি-য়ে দিলেন। দোয়েলের সাথে অন্তত এই একই কাজ আমি আপনাকে কিছুতেই করতে দেব না। জীবনে অর্থ-বিত্তর চেয়ে সুখ আর মানসিক শান্তিটা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আপনি একদিন ঠিকই বুঝবেন আব্বা।“
দবীর উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে চন্দ্রবাহার ফিসফিস করে বলে ওঠে, “সরফরাজ ভাইয়ের বিয়ের পেছনে যে আপনারই হাত আছে তা আমি জানি। সরফরাজ ভাইয়ের হ*ত্যা*র পেছনেও যদি আপনি জড়িত থাকেন তবে সামনে ঠিক কি কি হতে চলেছে তা আপনি নিজেও জানেন না।“
কথাগুলো বলে আর এক মুহূর্ত দাঁড়ায় না চন্দ্রবাহার। সোজা গিয়ে পালকিতে উঠে বসে। চন্দ্রবাহারের এহেন কান্ডে দবীর উদ্দিনসহ চারপাশের সকলে অবাকের শীর্ষে পৌছে যায়। সকলের থেকে বিদায় নিয়ে বরযাত্রী নিজেদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে এগিয়ে যায়। তাদের গমন পথের দূরত্ব যত বাড়তে থাকে দবীর উদ্দিনের বুকের মাঝে ঢিপঢিপ শব্দ যেন ততো দ্বিগুণ হারে বাড়তে আরম্ভ করে।

চলবে…

আফিয়া অন্ত্রীশা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here