নয়নতারা পর্ব ২১

#নয়নতারা_২১
#জেরিন_আক্তার_নিপা

—-তোমাদের নিশ্চয় লাভ ম্যারেজ। অ্যারেঞ্জ হলে তো আমিই তোমার বউ হতাম। ফার্স্ট কোথায় দেখা হয়েছিল? আই মিন প্রেম কীভাবে হয়েছে? আমাকে সব গল্প বলতে হবে। আমি শোনার জন্য ভীষণ এক্সাইটেড।”

নক্ষত্রর পাশে বসে খেতে খেতে রামিশা কথা বলে যাচ্ছে। নক্ষত্রর রুমেই ফ্রেশ হয়ে এখন খেতে এসেছে। ওর নাকি ভীষণ খিদে পেয়েছে। রামিশা স্বভাবগতই বেশি কথা বলে। নক্ষত্রর বিয়ে নিয়ে তার আগ্রহের শেষ নেই। এদিকে নক্ষত্র রামিশার এসব প্রশ্নে বেকায়দায় পড়ে গেল। ভালোবেসেছিল সে ইলাকে। ইলার সাথে বিয়ে হলে লাভ ম্যারেজ বলা যেত। নয়নের সাথে তার বিয়েকে কী বলবে? লাভ তো এখনও হয়নি ওদের মাঝে। অ্যারেঞ্জও না। ওর আর তারার বিয়েকে অ্যাক্সিডেন্টলি বিয়ে বলা যেতে পারে। নক্ষত্র চুপ রইল। রামিশার কথার জবাব দেওয়ার জন্য তার কাছে কোন কথা নেই।
ওকে নিরুত্তর থাকতে দেখে রামিশা আবার বলল,

—-কী হলো! আরে বাবা কথা বলছো না কেন? নাকি তোমাদের লাভ স্টোরি আমাকে জানাবে না।’

—-আমাদের বিয়ে আর পাঁচটা স্বাভাবিক বিয়ের মত হয়নি রামিশা। তাই তোমার প্রশ্নের উত্তরে বলার মতো আমার কাছে কিছু নেই।”

রামিশা খাওয়া রেখে নক্ষত্রর মুখের দিকে তাকাল৷ বলল,

—-আর ইউ কিডিং মি নক্ষত্র? তোমার ফান করার স্বভাব এখনও চেঞ্জ হলো না! সব সময় এরকম কথা বলে আমাকে চমকে দিতে চাও। কিন্তু এবার আমি চমকাব না।”

নক্ষত্র হাসল। রামিশা ভাবছে সে মজা করছে। অথচ সে সত্যি কথাই বলছে।

—-মজা না। আমার আর তারার বিয়ে সম্পূর্ণ অন্য পরিস্থিতিতে হয়েছে। এখন তো দেশেই আছো। জানতে পারবে আস্তে আস্তে। আমি শিওর তোমার মম ড্যাডই তোমাকে জানাবে। তোমার কাছে গল্পটা বলার সময় উনারাও মজা পাবেন। আমি এখনই তোমাকে জানিয়ে দিয়ে উনাদের মজা নষ্ট করে দিতে চাই না।”

রামিশা নক্ষত্রর হাত ধরে ফেলল। চেয়ার টেনে ওর দিকে একটও ঘেঁষে এসে গম্ভীর মুখে বলল,

—-মম ড্যাড যা-ই বলুক। আমি তোমার ফ্রেন্ড ছিলাম। এখনো আছি। ভবিষ্যতেও থাকব। তুমি অন্তত আমার সাথে এরকম ভাবে কথা বলো না। আমাকে পর করে দিও না নক্ষত্র। আমি কি কখনও তোমাকে বলেছি, আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই? বা আমার আচরণে এখনও তুমি এটা বুঝেছ যে আমি তোমাকে ভালোবাসি? বুঝোনি, না? তাহলে? তাহলে আমার সাথে এই বিহেভ কেন নক্ষত্র? আমাকে তুমি বন্ধু ভাবো না?”

নিজের টানায় নক্ষত্র নিজেই লজ্জিত হলো। রামিশার মা বাবাকে ও দুই চোখে দেখতে পারে না। কিন্তু এতে তো রামিশার কোন দোষ নেই। ওর মা বাবা নক্ষত্রর সাথে রামিশার বিয়ে দিতে চাইছিল। রামিশা তো এমনটি চায়নি। নক্ষত্রর মতো সে-ও বাবা মা’র চাপে ছিল। নক্ষত্র সহজ হলো। ওর সব কথাই রামিশাকে বলল। শুনতে শুনতে রামিশার মুখ একেক সময় একেক রি-অ্যাকশন দিয়েছে।

—-ও মাই গড! এতকিছু হয়ে গেছে তোমার সাথে! আমাকে কিছুই জানানোর প্রয়োজন মনে করলে না তুমি! ইলা তোমার সাথে এমন কেন করল নক্ষত্র? ও কি তোমাকে ভালোবাসতো না?”

—-জানি না রামিশা। ইলার কথা উঠলে আমার মাথায় রক্ত উঠে যায়। দাউদাউ করে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে।”

—-সরি, সরি। আমিও কেমন স্টুপিড! ওই মেয়ের কথাই তোমাকে জিজ্ঞেস করে যাচ্ছি। আচ্ছা ওর কথা বাদ দাও। নয়নতারার কথায় আসি। ওকে কি তুমি ভালোবাসো? নয়নতারা তোমাকে ভালোবাসে?”

—-জানি না রামিশা।”

নক্ষত্র শেষ প্রশ্নের উত্তরে কথাটা বলেছে। তার আগের প্রশ্নের সঠিক কোনো উত্তর তার নিজের কাছেও নেয়। নিজের মনকে আজকাল বুঝতে পারছে না সে। তারাকে নিয়ে আজব অদ্ভুত সব খেয়াল আসে মনে। মনে হয় ইলার সাথে দেখা না হয়ে নয়নের সাথে দেখা হলেই বুঝি বেশি ভালো হতো। নয়ন ইলার ছোট বোন না হয়ে অন্য কেউ হলেও নক্ষত্র এতদিনে ওদের বিবাহিত জীবন ঠিক করে নিতো। যেভাবেই হোক, বিয়ে হয়েছে ওদের। বউয়ের উপর তার সম্পূর্ণ অধিকার আছে। নয়নের জায়গায় অন্য কোথা মেয়ে হলে নক্ষত্র অবশ্যই স্বামীর অধিকার ফলাতো। কিন্তু নয়নের ক্ষেত্রে সেটা করতে পারছে না সে। করতে চাইছেও না। নয়ন এমনিতেই তাকে পছন্দ করে না। নয়নের উপর নক্ষত্র কোন জোর খাটাতে পারবে না। নক্ষত্র এটা ভালো করেই বুঝে। এর অন্য একটা কারণও হতে পারে। নক্ষত্র নিজের চোখে নয়নের অপরাধী। সে ভালোবেসেছে ওর বোনকে। আর বিয়ে করেছে ওকে। এখন যদি নক্ষত্র নয়নের সামনে স্বামীর অধিকার নিয়ে দাঁড়ায়, আর নয়ন জানতে পারে ওর বড় বোনকে ভালোবাসে সে। তাহলে কিছুই ঠিক থাকবে না। এক ঝটকায় সব শেষ হয়ে যাবে। নয়ন কখনও ক্ষমা করবে না তাকে।

—–এই নক্ষত্র! কোথায় হারিয়ে গেলে?”

রামিশার ধাক্কায় নক্ষত্রর ভাবনা কাটে। সে এখন সময় পেলেই এসব নিয়ে ভাবতে বসে যায়। নয়নকে কি সে নিজেই বলে দিবে? অন্য কারো থেকে জানার থেকে ভালো সে নিজেই জানিয়ে দিবে। ভুল হয়েছে তার। এখন এই ভুল শুধরে নিতে চায় সে। আগের সবকিছু ভুলে গিয়ে নয়নকে নিয়ে থাকতে চায়। ওকে হারাতে চায় না নক্ষত্র। যেকোনোভাবেই হোক নয়নকে ধরে রাখতে চায়।

—-কী এতো ভাবছ তুমি বলো তো?”

—-কিছু না রামিশা। আমার একটা কাজ আছে। আমাকে একটু বেরুতে হবে।”

—-কোথায় যাবে তুমি? আমি একা বাড়িতে থাকব! তোমার প্রবলেম না হলে আমাকেও তোমার সাথে নিয়ে চলো না। প্লিজ নক্ষত্র। এতদিন পর দেশে ফিরেছি এই সুযোগে তোমার সাথে একটু ঘোরাঘুরিও হয়ে যাবে। না করো না প্লিজ। আমি তোমাকে বেশি জ্বালাব না।”

রামিশার মুখের ভঙ্গি দেখে নক্ষত্র হেসে ফেলল।

—-তুমি একটুও পালটাওনি রামিশা। আগের মতোই পাগলি আছো।”

নয়নের সময় কাটে না। দিন ফুরোয় না। কোনো কিছুতে মন বসে না। আশেপাশের কিছুই ভালো লাগে না। এখন নিজের উপর রাগ হচ্ছে তার। নক্ষত্র তাকে নিতে এসেছিল। রাতে কীরকম গলায় মিনমিনিয়ে জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি আমার সাথে ফিরবে তো তারা? সে নিজের রাগ নিয়েই ছিল। বেচারার কথার কোন দামই দেয়নি সে। এখন নক্ষত্র চলে যাবার পর এতো আফসোস হচ্ছে কেন? এখন আফসোস করে কী লাভ?

—-আমি নিজেই চলে যাব নাকি? না, না। নয়ন তোর মাথা ঠিক নেই। নিজে থেকে যেচে ওবাড়িতে কেন যাবি তুই? তোর কোন আত্মসম্মান নেই? যাবি না তুই। যতদিন উনি তোকে নিজে নিতে না আসে ততদিন যাবি না। একবার ফিরিয়ে দিয়েছিস তো কী হয়েছে? আবার আসবে। তুই বারবার ফিরিয়ে দিবি। তবুও উনি প্রতিবার আসবে। গাড়ি ভাড়া নেই নাকি উনার? গাড়ি ভাড়া কেন লাগবে? নিজের বাইক, গাড়ি আছে তো। হ্যাঁ, তুই ঠিক। তোর কোন ভুল নেই। একদম আফসোস করবি না তুই। একদম না।”

নয়নতারা মনকে শাসন করে। কিন্তু মন কি শাসন মানে? মন নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে মানুষের কী করার থাকতে পারে? কী-ই বা করতে পারে সে। মন যে কথা শোনার জিনিস না। সে নিজের মতো করে ভাবে। তাকে শাসন বারণ করেও থামিয়ে রাখা যায় না।

নক্ষত্র গাড়ি নিতে চেয়েছিল। রামিশার রিকোয়েস্টে বাইক নিতে হলো। ও নাকি অনেকদিন কারো বাইকের পেছনে বসেনি। আজ নক্ষত্রকে পেয়ে সেই আশা মিটিয়ে নিতে চাচ্ছে।
ইমন ওদের দু’জনকে একসাথে বাইকে যেতে দেখে নিল। নক্ষত্র হয়তো ইমনকে দেখেনি। নক্ষত্রর বাইকের পেছনে একটা মেয়ে? নক্ষত্র একটা মেয়ে নিয়ে ঘুরছে! মেয়েটা নক্ষত্রকে কীভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে রেখেছে! রাগে ইমনের মাথায় আগুন ধরে গেল।

—-আমার বোনকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে ও বাইকের পেছনে আরেক মেয়েকে বসিয়ে ঘুরছে! নির্লজ্জের মতন দাঁত বের করে কেমন হাসছে দু’জন। ইচ্ছে করছে ওই শালার নাক ফাটিয়ে দেই। শালা নক্ষত্র, আমার বোনের আড়ালে এসব করে বেড়াস তুই! আজই নয়নকে গিয়ে সব বলব আমি। তোর হাসি যদি আমি বের না করেছি না! তাহলে আমার নামও ইমন না।”

রামিশা ওর বিদেশি বন্ধুদের এমন এমন সব গল্প বলছিল যে নক্ষত্র না হেসে থাকতে পারছিল না। ও বেচারা কী জানে তার শালাবাবু তাকে রামিশার সাথে দেখে নিজের মনে মনে সন্দেহের পাহাড় কতটা উঁচু করে তুলেছে। নক্ষত্রর কপালে কী ঘটতে চলেছে সেই বিষয়ে সে অসম্পূর্ণ অজানা। তার ধারণাও নেই কোথাকার জল কোথায় গড়াতে শুরু করেছে।

ইমন বাড়িতে এসেও নক্ষত্রর রাগ তার চোখের সামনে থাকা প্রতিটা জিনিসের উপর দেখাতে লাগল। ঝিনুক ঘরে এসে ইমনকে রাগতে দেখে তার রাগের কারণ জানতে চাইলে ইমন ঝিনুকের সাথেও রাগ দেখাতে শুরু করল। অন্য সময় হলে হয়তো ঝিনুকও উল্টে রাগ দেখাত। কিন্তু আজ ইমনের রাগ অন্য রকম লাগছে। ঝিনুক শান্ত ভাবে ইমনকে বোঝার চেষ্টা করে বলল,

—-কী হয়েছে তোমার?”

—-কিছু না বলেছি তো। বিরক্ত করিস না তো ঝিনুক। আমার কিছু ভালো লাগছে না।”

ভালো মানুষ বাড়ি থেকে বেরুলো। যাবার সময় জোর করে ঝিনুককে চুমু খেল। আর ফিরে এসে অযথা রাগ দেখাচ্ছে। ঝিনুক ইমনের মুখের দিকে দেখল। সিরিয়াস রাগ। সে আর কিছু না বলে সামনে থেকে ইমনকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। ইমন প্রথমে রাগলেও একটু পর শান্ত হয়ে গেল। সে নিজেও বুঝল নক্ষত্রর রাগ ঝিনুকের উপর দেখিয়ে নিজেদের মধ্যকার সম্পর্ক নষ্ট করছে ও। ঝিনুকের কোন দোষ নেই। বাইরের বিষয় নিয়ে নিজের বউয়ের সাথে ঝামেলা করলে ক্ষতি তারই হবে। শান্ত হয়ে ঝিনুকের মাথায় হাত রাখল ইমন। ওর চুলে চুমু দিয়ে বলল,

—-আমাকে কত ভালো বুঝিস তুই। আমার রাগ সামলে নিতে শিখে গেছিস। কত সহজে আমার সব টেনশন দূর করে দিলি।”

—-আমি তোমার বউ। তোমার রাগ আমি সামলাবো না তো অন্য কেউ আসবে নাকি? এখন বলো তো কী হয়েছে? আমার বরটা হঠাৎ এতো চোটপাট করছে কেন?”

ইমন ঝিনুকের কাছে সব বলল। শুনে ঝিনুক হেসে ফেলে বলল।

—-তোমরা ভাই বোন সবগুলো পাগল। আমিও অবশ্য তোমার বোন। তবে তোমাদের রক্ত আমার শরীরে না। তাই আমি তোমাদের মতো অত পাগল হইনি। মা মামাদের যতটুকু পেয়েছি তাতে রাগটা আমারও কম না। নক্ষত্র একটা মেয়েকে বাইকে বসিয়ে ঘুরছে বলেই ও আমাদের নয়নকে ধোঁকা দিচ্ছে! তুমিও না! আস্ত পাগল।”

—-তুই দেখলে বলতি। কীভাবে হাসছিল ওরা। মেয়েটা নক্ষত্রকে এমন ভাবে জড়িয়ে ধরেছিল যে কী বলব। তুই যে আমার বউ তবুও তুই বাইকে বসে আজ পর্যন্ত আমাকে ওভাবে জড়িয়ে ধরিসনি।”

—-দূর! অর্ধেক সত্য জেনে কোনোকিছু ভেবে নেওয়া ঠিক না। হয়তো তুমি দেখেছ ঠিকই। কিন্তু ভেবেছ ভুল। আজকাল ভাইবোন একসাথে রাস্তা দিয়ে হাঁটলেও লোকে ভেবে নেয় বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড। সত্য কিন্তু কেউ জানে না। শুধুমাত্র ধারণা করে নেয়। আর ধারণা অধিকাংশ সমই ভুল প্রমাণ হয়।”

—-তুই যতই বলিস। আমি নিজের চোখে দেখেছি। তোর কথা মানতে পারছি না আমি।”

—-মানার দরকারও নেই। তুমি সরাসরি নক্ষত্রর সাথে কথা বলে জেনে নিও।”

—-তার মানে নয়নকে এখন কিছু জানাতে না করছিস?”

—-অবশ্যই। নয়ন তোমার থেকেও পাগল। তুমিই ও বেচারাকে ভুল বুঝে বসে আছো। নয়ন আরও বেশি ভুল বুঝতে। এমনিতেই ওদের বিয়েটা ওরকম পরিস্থিতিতে হয়েছে। এখনও ওদের মাঝে সবকিছু ঠিক হয়নি। তুমি আর এই কথা নয়নের কানে লাগিয়ে ওদের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার আগে নষ্ট করে দিও না।”

ইমন ঝিনুকের কথা মেনে নিল। সত্যিই। সে শুধু ওদের একসাথে দেখেছে। মেয়েটার সাথে নক্ষত্রর কোন সম্পর্ক আছে কি নেই তা জানে না। হতে পারে মেয়েটা নক্ষত্রর আত্মীয়। বোন টোনও হতে পারে। কিছু না জেনে আগেই নয়নকে জানিয়ে দেওয়া বোকামি হবে।

—-নয়নকে না জানালেও। আমি কিন্তু চুপ করে থাকব না। নক্ষত্র আমার বোনকে ধোঁকা দিলে আমি ওকে খুন করে ফেলব। শালা যদি ঘরে বউ রেখে অন্য মেয়েতে চোখ দেয় তাহলে আমি ওকে কানা বানিয়ে রেখে দেব।”

ঝিনুক ফিক করে হেসে ফেলল।

—-বাবাহ! বোনের প্রতি কত দরদ! নক্ষত্র এমন ছেলেই না। আমি ওকে চিনি। আর শোনো মিস্টার, তোমার এই কথাগুলো শুধু নিজের বোনের বেলায় খাটিও না। আমার বেলাতেও কিন্তু এমনটাই হবে। কখনও যদি অন্য মেয়েদের দিকে চোখ দিয়েছ না! তাহলে আমি তোমার কী অবস্থা করব তুমি নিজেও জানবে না।”

ইমন কিছু বলল না। এতো জোরে ঝিনুককে চেপে ধরল যে ঝিনুক বেচারি পিষে যাচ্ছে।

চলবে___

এই পর্বে বানান ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here