বিকেলে ভোরের ফুল পর্ব ৫

#বিকেলে_ভোরের_ফুল

#পর্ব_৫

#Ishita_Rahman_Sanjida(Simran)

স্পর্শ জোরে একটা ধমক দিল ফুলকে। সাথে সাথে ফুল কেঁপে উঠল। আর ফুল তাড়াতাড়ি খেতে লাগলো। কিছুটা খেয়ে আর খেতে ইচ্ছে করছে না। স্পর্শের ভয়ে বলতেও পারছে না। যদি বলে আর খাব না তাহলে না জানি জোর করে খাওয়ায়। ফুল এক লোকমা হাতে নিয়ে বলল,

–“এটা আপুর জন্য যাকে আমি খুব মিস করি।”

বলেই মুখে দিলো। আরেক লোকমা তুলে বলল,
–“এটা মায়ের জন্য যাকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি আবার সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, এটা বাবার জন্য যে কি না আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ,আর এটা ওই কূটনি বুড়িটার যাকে দেখতে পাতাল পুরির ডাইনির মতো, আর এটা জাইফ সাইফ,,,,,,,,”

ফুল এভাবে এক এক জনের নাম বলছে আর খাচ্ছে। ছোটবেলায় ও না খেলে মা এভাবে একেকজনের নামে লোকমা বানিয়ে খাইয়ে দিত।স্পর্শ খাওয়া রেখে ফুলের দিকে তাকিয়ে আছে। ফুলের খাওয়া প্রায় শেষ আর এক লোকমা বাকি সেটা মুখের সামনে তুলে ধরে বলল,

–“এটা হলো সেই মানুষটার যার জন্য আমি এতগুলো বছর অপেক্ষা করছি,সে হলো,,,,,,,”

নামটা বলার আগেই ফুলের চোখ গেল স্পর্শর দিকে। স্পর্শ এক ধ্যানে ফুলের দিকে তাকিয়ে আছে। স্পর্শকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে নামটা ফুলের মুখ দিয়ে বেরোল না। মনের মধ্যেই রয়ে গেল। তাড়াতাড়ি খাবার মুখে পুরে পানি খেয়ে নিলো। স্পর্শ জিজ্ঞেস করল,

–“শেষের নামটা বললে না যে??স্পেশাল কেউ??”

–“হুমম”

–“নামটা কি??”

–“সেটা দিয়ে আপনি কি করবেন??তাকে এনে দিতে পারবেন??পারবেন না কেননা তার আর আমার মধ্যে এমন একটা দেওয়াল তৈরি হয়েছে যে দেওয়ালকে পৃথিবীর কোন শক্তি ভাঙতে পারবে না। আর আমি আপনাকে এসব কেনই বা বলছি?? আপনি তো কিডন্যাপার কোন অনুভূতি আছে আপনার??”

–“তাই?? আমার মধ্যে কি কোন ভালোবাসা অনুভুতি থাকতে পারে না বুঝি??”

–“আমার মনে হয় না আপনার মাঝে কোন অনুভুতি দয়া মায়া আছে।”

ফুলের কথায় স্পর্শ খানিকটা রেগে গেল। ফুল কি জানে ওর মধ্যে দয়া মায়া ভালোবাসা আছে কি নেই?? পৃথিবীর প্রতিটা মানুষের মধ্যেই ভালোবাসা নামক জিনিসটা থাকে যা মানুষ তার স্পেশাল মানুষের জন্য তুলে রাখে। স্পর্শ এবিষয়ে কথা না বাড়িয়ে বলল,

–“সরো এখান থেকে আমি এখন ঘুমাব।”

–“আমি কোথায় ঘুমাবো??”

–“কেন চোখে কোন শোয়ার জায়গা পড়ছে না??ফ্লোরে ঘুমাবে।”

স্পর্শ একটা কুশন ছুড়ে মারে ফুলের দিকে সাথে সাথে ফুল ধরে ফেলে। স্পর্শ ওপাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়ে। ফুল ও গুটিসুটি মেরে ফ্লোরে ঘুমিয়ে পড়ে।

🍁🍁🍁

সকাল সকাল গায়ে পানি পড়তেই লাফিয়ে উঠে ফুল। তাকিয়ে দেখল স্পর্শ বালতি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। ফুলের ভিশন রাগ হলো স্পর্শের উপর এভাবে কেউ পানি ফেলে কেউ ফুল রেগে গিয়ে বলল,

–“এটা কি করলেন??”

স্পর্শ গালে হাত দিয়ে না বোঝার ভান করে বলল,
–“সেটাই তো কথা এটা আমি কি করলাম??”

–“বোঝেননি কি করেছেন তাই না ওয়েট বুঝিয়ে দিচ্ছি।”

ফুল দাঁড়িয়ে স্পর্শর হাত থেকে বালতি নিয়ে সোজা বাথরুমে চলে গেল। পানি এনে স্পর্শ গাঁয়ে ঢালতে নিলেই স্পর্শ ধরে ফেলল।

–“এই কি করছো এটা??”

–“আপনাকে বোঝাচ্ছি কি হলো??”

–“স্টপ। ভালো হবে না বলছি।”

–“আমি জানি আপনি এমনিতেও আমার ভালো করবেন না। বালতি ছাড়ুন।”

–“তুমি ছাড়ো।”

বালতি নিয়ে দুজনে কাড়াকাড়ি শুরু করে দিয়েছে। এদিকে পানিতে দু’জনেই ভিজে একাকার হয়ে গেছে। তবুও কেউ বালতি ছাড়ছে না। মেঝেতে পানির ছড়াছড়ি হয়ে গেছে সেদিকে দুজনের খেয়াল নেই দুজনেই মারামারি করতে ব্যস্ত। স্পর্শের সাথে ফুল পেরে উঠছে না। একজন মেয়ে কি এরকম সুঠাম দেহের ছেলের সাথে মারামারিতে পারে??স্পর্শের সাথে না পেরে ফুল স্পর্শের হাতে একটা কামড় বসিয়ে দিল। কামড় খেয়ে স্পর্শ বালতি ছেড়ে দিয়ে দুকদম পিছিয়ে যায়। ফুল তাকিয়ে দেখে বালতিতে খুব সামান্যই পানি আছে। সেটুকুই স্পর্শের গায়ে ঢেলে দিল। স্পর্শ তো রেগে আগুন।

–“এই অসভ্য মেয়ে এটা কি করলে??”

–“আপনি যা করেছেন তা আমি রিপ্লাই করলাম। আর কখনো আমাকে ঘুমের মধ্যে পানি মারবেন না বুঝেছেন। আমি বেলা দশটা পর্যন্ত ঘুমাবো তাতে আপনার কি??”

–“চুপপপ আর একটা কথাও বলবে না। তোমাকে ঘুমানোর জন্য এখানে আনা হয়নি।”

–“লে খাজা, আমাকে ঘুমানোর জন্য আনেননি,সেবা করার জন্য আনেননি তাহলে কি জন্য এনেছেন??”

–“আমার উদ্দেশ্য হাসিল করতে। আর একটা কথা এত বেলা অব্দি ঘুমানো যাবে না। কাজ করতে হবে। আর তোমার কাছ হলো এই রুমটা সবসময় পরিস্কার করা একটুও যেন ময়লা না হয়।”

–“কেন রে?আমি কি আপনার চাকর নাকি?”

–“না চাকরানি।”

বলেই স্পর্শ ফুলের হাত থেকে বালতি নিয়ে ফুলের মাথায় একটা বারি দিলো।

–“আহহহহহ” বলেই ফুল মাথায় হাত দিয়ে ডলতে লাগলো।

স্পর্শ বলল,

–“আমি বাইরে যাচ্ছি এসে যেন দেখি সবকিছু পরিস্কার।”

স্পর্শ চেঞ্জ করে বেরিয়ে গেল। ফুল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রাগে ফুঁসছে।

–“আমারও দিন আসবে মিস্টার কিডন্যাপার।
সেদিন তোমাকে আমি ছাড়ব না। শুধু একবার বাবা আমাকে খুঁজে পাক তারপর।”

ফুল চেঞ্জ করে পুরো রুম পরিস্কার করে একটা চেয়ার পেতে বসল। হাত দিয়ে পায়ে লাগানো শিকলটা খোলার বৃথা চেষ্টা করতেছে।

স্পর্শ সিলেটের মৌলভীবাজার এসেছে। মৌলভীবাজার থেকে তিনঘন্টা লাগে যেখানে ও ফুলকে আটকে রেখেছে সেখানে যেতে। এখন স্পর্শ আজমল চৌধুরীকে ফোন করবে। যাতে আজমল চৌধুরী ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করেও স্পর্শর খোজ নিতে না পারে। ফোনটা হাতে নিয়ে সিম কার্ড চেঞ্জ করে আজমল চৌধুরী কে কল করলো। দুই তিনবার বাজার পর ফোনটা রিসিভ করল। স্পর্শ বলল,

–“কি ব্যাপার চৌধুরী সাহেব ফোন ধরতে এত সময় লাগলো কেন?? অবশ্য মেয়ে মিসিং একটু তো দেরি হবেই।”

–“কে বলছো তুমি??”

–“আমাকে আপনি চিনবেন না ছোট ঘরের মানুষ তো। কিন্তু আমি আপনাকে চিনি। সিলেটের এতবড় শিল্পপতিকে কেই না চেনে। ওপপস সরি সালাম দিতেই ভুলে গেছি, আসসালামুয়ালাইকুম।”

আজমল চৌধুরীকে এরকম কটুক্তি করায় ওনি রেগে গিয়ে বললেন,

–“তোমার সাহস কি করে হয় আমার সাথে এভাবে কথা বলার?? তুমি জানো আমি চাইলে এখুনি তোমাকে পুলিশে দিতে পারি??”

–“সেটা আমি জানি আপনি চাইলে আমাকে পুলিশে দিতে পারেন। কিন্তু তার আগে আমাকে ধরতে হবে তো। আগে আমাকে ধরেন তারপর না হয় পুলিশে দিয়েন। তবে আজকে আমি একটা কথা বলতে আপনাকে ফোন করেছি।”

–“কি কথা??”

–“আপনার একমাত্র মেয়ে এখন আমার কাছে আছে।”

আজমল চৌধুরী খানিকটা চেঁচিয়ে বললেন,

–“কি??”

–“শশশশ আস্তে বলুন আমি শুনতে পাচ্ছি। এই যে আপনার মেয়ে আমার কাছে আছে একথাটা শুধু আপনার আর আমার মধ্যে থাকবে। যদি তৃতীয় কেউ জানে তাহলে কিন্তু”

–“তাহলে কিন্তু কি??দেখ তোমার যত টাকা লাগে আমি দেব কিন্তু আমার মেয়েটাকে ছেড়ে দাও। আমার সম্মান নিয়ে এভাবে টানাটানি করো না।”

–“সম্মান,,,,লাইক সিরিয়াসলি??”

স্পর্শ দম ফাটানো হাসতে লাগলো। হাসি থামিয়ে বললো,

–“অন্যের সম্মান কেড়ে নিয়ে যে সম্মান তৈরি করেছেন সেই সম্মান নিয়ে গর্ব করছেন??”

–“মানে??”

–“মানেটা খুব সোজা একটু মনে করলেই বুঝতে পারবেন। মনে করুন।”

–“তুমি কি বলতে চাইছো??”

–“মনে করুন চৌধুরী সাহেব। আজ থেকে বারো বছর আগের কথা মনে করুন। আজির আসরাফের কথা মনে আছে??”

আজির আসরাফের নাম শুনেই গলা শুকিয়ে গেল আজমল চৌধুরীর। বারবার ঘামতে লাগলেন। কনুই দিয়ে ঘাম মুছতে লাগলেন। কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন,

–“ক কে তুমি??”

–“আমি সে,যে আপনার পাপের কথা মনে করিয়ে দিতে এসেছে। মনে আছে চৌধুরী সাহেব আজ থেকে বারো বছর আগে আপনি রাজির আসরাফের সবকিছু কেড়ে নিয়েছিলেন। একজন স্ত্রীর থেকে তার স্বামীকে দশ বছর আলাদা করে দিয়েছিলেন,ছোট ছোট দুটো বাচ্চার থেকে তার বাবার ভালোবাসা কেড়ে নিয়েছিলেন, বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন নিজের আপন লোকদের সাথে। আজ সেই বিশ্বাসঘাতকতা দিয়ে সম্মান অর্জন করেছেন সে সম্মানের কি কোন দাম আছে আপনার কাছে??”

–“কে তুমি??আর এতকিছু জানো কিভাবে??”

–“চৌধুরী সাহেব সময়ের সাথে সাথে সবই জানবেন শুধু একটু ধৈর্য ধরুন। কিন্তু আপনার আর আমার কথা যদি কাউকে জানানোর চেষ্টা করেন তাহলে কিন্তু,,,,,”

–“তাহলে কি করবে তুমি??”

–“বেশি কিছু না আপনার মেয়ের কিছু ছবি ভাইরাল করব এতেই আমার কাজ হয়ে যাবে।”

–“খবরদার তুমি এসব কিছু করবে না।”

–“আমি কি করবো না করবো সেটা সম্পূর্ণ আপনার উপর ডিপেন্ড করছে। আপনি মুখ খুললে আমিও,,,,,,”

–“আচ্ছা আমি কিছু বলব না কাউকে। তুমি বলো তুমি কি চাও??”

–“সেটা না হয় পরে বলব আজ এ পর্যন্ত থাক পরবর্তী সময় বলব। খোদা হাফেজ।”

ফোন হাতে নিয়ে আজমল চৌধুরী সোফায় মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন।

স্পর্শ ফোনটা কেটে দিয়ে সুইচ অফ করে দিলো। রাস্তার পাশের খামে হাত দিয়ে বড়বড় নিঃশ্বাস নিচ্ছে স্পর্শ। বারো বছর পর এই লোকটার সাথে কথা বলল আজ। খুব রাগ হচ্ছে ওর রাগে চোখমুখ লাল হয়ে গেছে। স্পর্শ চোখ বন্ধ করে নিজেকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করতেছে কিন্তু পারছে না। বারবার মনে পড়ছে আগের দিন গুলোর কথা। একদিন এই আজমল চৌধুরীর কোলে বসে ও খেলতো। তার দেওয়া চকলেট খেত। ভাবতেই স্পর্শর রাগ আরো বেড়ে যায়। রাস্তার পাশের টংয়ের দোকান থেকে এক প্যাকেট সিগারেট কিনল।তারপর গাড়িতে করে বেরিয়ে পড়লো। সারা রাস্তায় সিগারেট খেয়েছে স্পর্শ। পুরো এক প্যাকেট শেষ করে ফেলেছে। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে খাবার আর সিগারেট কিনে ফিরল। চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকতেই দেখল ফুল দু’পা তুলে চেয়ারে বসে আছে। স্পর্শকে দেখেই পা নামিয়ে ফেললো। ফুল স্পর্শকে দেখে ঘাবড়ে গেল। চোখমুখ লাল হয়ে আছে স্পর্শর চুলগুলো এলোমেলো। স্পর্শ খাবারের প্যাকেট বিছানায় রেখে তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে চলে যায়। শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে তার নিচে দাঁড়িয়ে নিজেকে ভিজিয়ে যাচ্ছে স্পর্শ। আজকে অনেকদিনের জমানো ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। পুরোটা শেষ হয়নি এখনও সবে তো শুরু। আস্তে আস্তে আজমল চোধুরী কে নিঃস্ব করে দেবে ও।

ফুল বাথরুমের দরজার কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে। অনেকক্ষণ ধরে স্পর্শ বাথরুমে গিয়েছে বেরোনোর কোন নাম গন্ধ নেই। ফুল ভাবছে আবার ঘুমিয়ে পড়ল নাকি??কলের পানির আওয়াজ বন্ধ হতেই ফুল দৌড়ে চেয়ারে গিয়ে বসে। একটু পরেই স্পর্শ বেরিয়ে আসল। ফুল তাকালো না স্পর্শর দিকে। স্পর্শর দিকে তাকালে কেমন কেমন জানি লাগে ওর।

স্পর্শ বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করতেছে কিছুতেই ওর ঘুম আসছে না। আজকের ঘটনা গুলো ওর চোখের সামনে ভাসছে। আজমল চোধুরীর বলা কথাগুলো কানে বাজতেছে। পাশ ফিরে চেয়ে দেখল ফুল কুশনটা মাথায় নিচে দিয়ে গুটিসুটি মেরে ঘুমাচ্ছে। রুমের একপাশে লাগানো লাইটের আলোয় তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ঘুমন্ত মুখটা ওর আরও মায়াবী লাগছে। ইচ্ছে করছে ছুঁয়ে দিতে। স্পর্শ কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে কিছু ভাবল। তারপর ফোন হাতে নিয়ে আস্তে করে ফুলের পাশে গিয়ে বসল। স্পর্শ ফুলের দিকে হালকা ঝুকলো আবার সোজা হয়ে বসে পড়ল। না না এসব কাজ ওর দ্বারা অসম্ভব। কিন্তু কাজটা যে করতেই হবে। তাই স্পর্শ আবার ও ঝুঁকে ফোনটা উঁচু করে ধরল। স্পর্শ নিজের মুখটা ফুলের মুখের সামনে এনে একটা ছবি তুলল। চেক করে দেখল ফুল আর স্পর্শকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। স্পর্শ মাথা চুলকাতে লাগলো। ওকে দেখা গেলে তো হবে না। এই ছবি আজমল চৌধুরী কে পাঠালে ওকে চিনে ফেলবে। এমনভাবে ছবি তুলতে হবে যাতে শুধু ফুলের মুখ দেখা যায়। এই ভেবে স্পর্শ আরেকটা ছবি তোলার প্রস্তুতি নিলো।

স্পর্শ যেইনা ফুলের কাছে এগোলো অমনি ফুল চোখ মেলে তাকালো। চোখের সামনে স্পর্শর মুখটা দেখে বড়বড় চোখে তাকালো। স্পর্শ সাথে সাথে সোজা হয়ে বসে পড়ল। ফুলো আর এক সেকেন্ড দেরি না করে স্পর্শর দুগালে দুটো চড় মেরে দিল স্পর্শকে ধাক্কা মেরে দূরে সরিয়ে দিয়ে বললো,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,,,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here