ব্লাক ডায়মন্ড পর্ব ২৬

#ডার্ক ডায়মন্ড
#আফরিন ইভা
#পর্ব-২৬

_____________________

– মীরা চোখ খুলে তাকিয়ে দেখলো মীরা কে রুমে আঁটকে রাখা হয়েছে।
মীরা উঠে বসতে চাইলো কিন্তু কিছুতেই পারলোনা, মাথাটা কেমন ঝিমঝিম করছে।
মীরা শুয়ে শুয়ে মেথিসের কথা ভেবে চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ফেলছে।

– হঠাৎ মীরার মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো লিজ চোখ বন্ধ করে খুঁজতে পারলে আমি কেনো পারবো না।
তাই মীরা আর দেরি না করে চোখ বন্ধ করে দেখলো মেথিস কে খুঁজে পাওয়া যায় কি-না?
হঠাৎ মীরার চোখে ঝাপসা কিছু দেখাচ্ছে কেউ মেথিস কে আঁটকে রেখে বেদম পিটিয়ে রক্তাক্ত করে রেখেছে। মেথিস মৃত্যু যন্ত্রণায় চটপট করছে।

– মীরা চোখ খুলে সামনে তাকিয়ে দেখলো লিজ দাঁড়িয়ে আছে।
লিজ মীরার কাছে এসে মীরা কে অনুনয় বিনয়ের সহিত বলতে লাগলো তুই কি ভ্যাম্পায়ারদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে চাস না-কি ধ্বংস?

– লিজের কথা শুনে মীরা অবাক হলো।
তাছাড়া লিজের কথা বলার ভাবভঙ্গি দেখেও মীরা রীতিমতো অবাক। মীরার যতদূর মনে পড়ে লিজ খুবই ঠান্ডা মেজাজের ছিলো এই মেয়ের মতো এতটা কর্কশ ককনো ছিলো না।

” লিজ মীরার হাত ধরে বললো, এখন আর ভাববার সময় নেই।
দেখ তুই যদি ক্রুজ কে নিজের প্রিন্স হিসেবে মেনে নিস তাহলে সকল ভ্যাম্পায়ার রা বেঁচে যাবে আর আমরাও একসময় নিজেদের প্যালেস ফিরে পাবো।
তুই রাজি হয়ে যা।”

– মীরার অবাক লাগছে এটা ভেবে যে লিজ কিভাবে পারলো এই কথাটা বলতে একটি বার ও কি আঁটকায় নি। মীরা লম্বা একটা নিঃশ্বাস নিয়ে লিজ কে বললো লিজ মেথিস কে বাদ দিয়ে ক্রুজ কে আমি আমার প্রিন্স হিসেবে মেনে নিবো?
আর তুই এটা বলতে পারলি! তাছাড়া ক্রুজ একজন বদ নেকড়ে।

মীরা লিজের দিকে বেশ ভালো করে তাকিয়ে দেখলো এবং বললো লিজ আমার দিকে তাকা।

– লিজ আমতাআমতা করে বললো, তোর দিকে নতুন করে তাকানোর মতো কি আছে?

– মীরা আর নিজেকে সামলাতে না পেরে লিজের ঘাড়ে দাঁত বসিয়ে রক্ত খেতে লাগলো।

– লিজ নিজেকে ছাড়াবার চেষ্টা করছে কিন্তু কিছুতেই পেরে উঠছে না মীরার সাথে ।

– এমন সময় ক্রুজ এসে দেখলো মীরার চোখ লাল বর্ন ধারণ করেছে মুহুর্তেই যেকোনো সময় লিজের প্রান চলে যেতে পারে।

তাই ক্রুজ আর দেরি না করে মীরা কে ছাড়াতে ব্যস্ত হয়ে পরলো।

– মীরা হাঁপাচ্ছে লিজের রক্ত খেয়ে।

– লিজ বিকট চিৎকার দিয়ে ঘাড়ে হাত দিয়ে বললো প্রিন্সেস কাজটা একদম ঠিক করোনি।

– মীরা তাঁর মুখের রক্ত হাতের ওলটা পিঠ দিয়ে মুছে নিয়ে বিকট শব্দ করে হেঁসে উঠলো। মীরা হাসতে হাসতে বললো আমি জানি তুই লিজ নস তুই ক্রুজের কোনো এক মায়াবী শক্তি।

-মীরার কথা শুনে ক্রুজ ও লিজের গলা শুকিয়ে আসছে।
ক্রুজ কিছুতেই বুঝতে পারছেনা কিভাবে মীরা সব বুঝে ফেললো।

– মীরা মুখে হাসি ফুটিয়ে বললো তোরা ভেবেছিস আমি কিছুই বুঝতে পারবো না?
মীরা ক্রুজের কাছে মুখ এনে বললো আমার কথাগুলো নিশ্চয়ই খুব বেশি হয়ে যাচ্ছে তাই না?
বিস্ময় চোখে তাকিয়ে মীরা বললো,লেট মি এক্সপ্লেইন ইউ।
মীরা ক্রুজ কে প্রথম থেকে বলতে লাগলো,আমার প্রথমেই খুব খটকা লেগেছিল।
মীরা লিজের হাত টা শক্ত করে ধরে বললো ও নিশ্চয়ই লিজ নয়, লিজ হচ্ছে আমার হার্ট যাঁর স্পন্দন আমার চিরচেনা। আমি জানি লিজকে তোমরা কোথাও লুকিয়ে রেখেছো নয়তো মেরে ফেলেছো

আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড কখনো অন্তত আমার ক্ষতিটুকু চাইবে না।
কিন্তু এই মায়াবিনী প্রথম থেকেই আমার ক্ষতি করতে চাইছে।আর আমি তা অচিরেই বুঝতে পেরেছি।

মীরা লিজ সাজা মেয়েটার হাত ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে ক্রুজের সামনে এসে দাঁড়ালো।

– ক্রুজ হিংস্রভাবে মীরার দিকে তাকিয়ে রইলো।

– মীরা ক্রুজের দিকে চোখ লাল লাল করে জিজ্ঞেস করলো, ” লিজ কোথায়? ”

– ক্রুজ আর মেয়েটা ঘর কাঁপানো হাসিতে ফেটে পরলো।

ওদের হাসি দেখে মীরার রাগ উঠে গেলো।

– ক্রুজ মীরার গালে স্লাইড করতে করতে বললো, ” তোমার ফ্রেন্ড আমার আদর পেয়ে পেয়ে বেশ ভালোই আছে এখনো।”

– মীরা ছিহ্ বলে ক্রজের হাত সরিয়ে বললো, তুই একটা খারাপ চরিত্রের তুই লিজের সাথে কি করতে পারিস সব আমার জানা, তুই লিজ কে কতোটা অত্যাচার করতে পারিস তা আমার পুরোপুরি ভাবেই জানা।

” ক্রুজ কিছুটা ভাবনার ভঙ্গি করে মীরার কানে কানে ফিসফিসিয়ে বললো, লিজ কে যা-ই করিনা কেন তোমাকে কিন্তু একটু আঁচড় লাগতে দেবো না, খুব খুব যত্ন করে ভালো বাসবো আর আদরে ভরিয়ে রাখবো।”

– মীরা মুখে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটিয়ে বললো, তোর আদর, ভালোবাসা সবটা তোর কাছেই থাকুক, আমার প্রিন্স কে আমায় ফিরিয়ে দে।

– ক্রুজ মীরার কাছে ঝুঁকে বলতে লাগলো, তোমার প্রিন্স ভালো নেই একদম ভালো নেই, আদৌও বেঁচে আছে কি-না তাও জানা নেই, তবে তিনজন আছে যাঁরা তোমার অপেক্ষায় শত-শত বছর অপেক্ষা করে আছেন। তুমি কি তাদের দেখবে না, ওদের মুক্তি দেবে না?

” ক্রুজের কথা শুনে মীরা বেশ অবাক হলো।
মীরা বেশ উৎসুক হয়ে বললো, তিনজন মানে?

– ক্রুজ মায়াবিনী লিজের দিকে রহস্যময় হাসি ফুটিয়ে ইশারা করে কি যেনো বললো।

– মায়াবিনী মীরার হাত ধরে কোথায় যেনো নিয়ে যাচ্ছে।

-মীরা ভেবে ভেবে অস্থির হচ্ছে তিনজন কে হতে পারে।

– ক্রুজ মীরা কে একটা বিশাল রুমে স্বাগত জানালো।

-মীরা পুরো রুমটায় একবার চোখ বুলিয়ে দেখলো, রুম জুড়ে ফিনফিনে নিরবতা বিরাজ করছে।
মীরার মনে পড়ে গেলো এটা তো সেই রুমটা যে রুমে একসময় ভ্যাম্পায়ারদের সালিসি বসতো।
মীরা ক্রুজের দিকে তাকালো।

– ক্রুজ মীরার কাছে এসে দাঁড়ালো কিছুটা ঝুঁকে বললো জানতে চাইবে না সেই তিনজন কে?
কারা তোমার অপেক্ষায় আছে!

” মীরা ছলছল চোখে তাকিয়ে ক্রুজ কে জিজ্ঞেস করলো, কারা আমার অপেক্ষায় আছে ক্রুজ বল বলছি।”

– ক্রুজ একটু পিছিয়ে গিয়ে হাতে তুড়ি বাজিয়ে কিছু মন্ত্র পাঠ করে অনেক বড়ো বড়ো তিনটা কফিন বের করে নিয়ে আসলো।

” কফিন গুলো দেখে মীরার বুকে অজানা এক কষ্ট হতে লাগলো।
মীরা বুঝতে পারছেনা কেনো হঠাৎ এমন অনূভুতি হচ্ছে।অনুভূতি রা যেনো আজ কিছু একটা জানান দিচ্ছে, কিন্তু মীরা এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারছেনা। ”

ক্রুজ হাত দিয়ে ইশারা করে কফিনের ঢাকনা গুলো সরালো।
সাথে সাথে তিনজন মানুষ বের হয়ে আসলো।

– মানুষ গুলোকে দেখে মীরার চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পরতে লাগলো।
মানুষগুলো সাদা পোশাকে আবৃত করা চোখ বন্ধ করা অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে মীরার মম, ড্যড,আর লিজ।
মীরা যখন মম, ড্যাড বলে ডেকে উঠলো তিনজনই চোখ খুলে মীরার দিকে তাকালো।

মীরা যে-ই দৌঁড়ে ওদের কাছে ছুটলো ঠিক তখনই মীরার মম, ড্যাড, লিজ হাত দিয়ে বারণ করলো ওদের কাছে যেতে।

– ক্রুজ হাহাহাহা করে হেসে বললো প্রিন্সেস তুমি ওদের কাছে গেলে ওরা অদৃশ্য হয়ে যাবে তখন ওদের আর মুক্তি মিলবে না।

– মীরা চোখের জল মুছে বেশ ক্রুদ্ধ হয়ে ক্রুজের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো।
ক্রজের গলা চেপে ধরে বললো আমার জানামতে মম, ড্যাড মৃত ছিলো কিন্তু লিজ জীবিত ছিলো। তাহলে কেনো ও এখন আত্মার রূপে আছে।

– ক্রুজ বহুকষ্টে মীরা কে ছাড়িয়ে বললো আমি লিজ কে ইচ্ছে করে মারিনি আর কেনই বা ওকে মারতে যাবো।

– মীরা বেশ ক্ষীপ্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলতে লাগলো, ক্রুজ আমি জানি তুমি ওকে মারোনি কিন্তু মরতে বাধ্য অন্তত করেছো তা-ই না?

– ক্রুজ হতভম্ব চোখে তাকিয়ে মীরা কে বললো, লিজ আত্নহত্যা করেছে।
তাই ওর আত্মা এখনো আঁটকে আছে।

” হঠাৎ মধুর ডাক ভেসে আসলো, প্রিন্সেস আমরা মুক্তি চাই, মুক্তি চাই।
ডাকটা প্রতিধ্বনিত হয়ে পুরো রুম টা কেঁপে উঠল।
সেই সাথে মীরার হৃদয় টাও কেঁদে উঠলো।

– মীরা তাকিয়ে দেখলো কফিন থেকে দাঁড়িয়ে থাকা আত্মা তিনটা মুক্তি চাই বলে বলে কেঁদে যাচ্ছে।

– মীরা আর সহ্য করতে না পেরে কাঁদতে কাঁদতে ফ্লোরে বসে পরলো আর বলতে লাগলো আমি মুক্তি দেবো তোমাদের, আমি মুক্তি দেবো প্লিজ তোমরা চুপ করো। আমি আর পারছিনা তোমাদের আর্তনাদ শুনতে।

– ক্রুজ হাসিতে ফেটে পড়লো আর বললো ওদের মুক্তি দেওয়া খুব সহজ, যদি তুমি রাজি থাকো।

– মীরা কান্না বন্ধ করে উঠে দাঁড়ালো এবং বললো আমি রাজি।

– ক্রুজ ভ্রু কুঁচকে মীরার দিকে তাকালো।

– হ্যাঁ আমি রাজি এবার এটা যতো কঠিনই হোক না কেনো!
দরকার হলে নিজের জীবন রাখবো বাজি।

” তোমাকে আমার প্রিন্সেস হতে হবে।
নেকড়ের রূপে তোমাকে পুরোপুরি পদার্পণ করতে হবে।”

– মীরা ক্রুজের কথা শুনে একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে রইলো।
পৃথিবীর সব যেনো মীরার কাছে ধূলিসাৎ মনে হচ্ছে।
এই কথা শুনবার আগে মীরার যেনো মরণ হলেই ভালো হতো।
মীরা চোখ বন্ধ করে জোরে একটা নিঃশ্বাস নিলো। মেথিসের চেহারা টা মীরার চোখে ভাসতে লাগলো।
মীরা মনে মনে মেথিস কে খুব করে ডাকলো আর বললো, প্রিন্সেস আমাকে আর কেউ ফিসফিসিয়ে বলবে না কখনো ভালোবাসি প্রিন্সেস খুব বেশি ভালোবাসি।
কেউ কানে ফিসফিসিয়ে বলবে না, ” প্রিন্সেস ডু ইউ নো ইউ আর মা’ই ডার্ক ডায়মন্ড। ”
আমাদের ভালোবাসার পরিসমাপ্তি আর কখনো হবে না।
ভালোবাসা গুলো প্রতিনিয়ত হেরে যায় কেনো তা আমি জানি না হয়তো প্রিন্স। এর পরিণাম কি তা-ও আমার জানা নেই। হয়তো আগের জন্মের মতো এবারো আমাদের ভালোবাসার সূচনা হতে না হতে সমাপ্ত হতে চললো।

-” তোমার জন্য আসবো ফিরে
একবার,দু’বার নয়, শত জনম ভর।
যতো বার ভালোবাসা হবে না সমাপ্ত
ততোবার আমার আসা হবে না বিলুপ্ত। ”

মীরা মম,ড্যাড, আর লিজের দিকে এক নজর তাকিয়ে, ক্রুজ কে বললো আমি রাজি।

– ক্রুজ খুশিতে গদগদ হয়ে মীরার কাছে এসে মীরার হাত নিজের হাতে নিয়ে গভীর চুমু খেয়ে বললো, জানতাম আমি, তুমি ওদের আত্মাদের এভাবে কষ্ট দিতে পারবে না ঠিক রাজি হবে।

,- মীরা মায়াবিনী লিজের দিকে তাকিয়ে বললো তা কখন ওদের মুক্তি মিলবে?

– ক্রুজ মহাখুশি চোখে তাকিয়ে মীরা কে বললো, যখন নেকড়ে দের মন্ত্র পড়া শেষ হবে তুমিও পুরোপুরি নেকড়ে প্রিন্সেস হবে ঠিক তখনই ওদের মুক্তি মিলবে তাঁর আগে নয়। ক্রুজ মায়াবিনী লিজ চোখ দিয়ে ইশারা করলো মীরা কে রেডি করতে একটু পর মন্ত্র পাঠ শুরু হবে।

– মীরা সাদা গাউন পড়ে বসে আছে ক্রুজের সাথে অগ্নকুণ্ডের সামনে।
মাঝখানে আগুন জ্বলছে দাউদাউ করে।
ঠিক তেমনি আগুন জ্বলছে মীরার বুকে।
মেথিস কে পাওয়া না পাওয়ার বেদনাগুলো আজ মীরা কে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।
জীবনের হিসেব গুলো মেলাতে বড্ড বেশি হিমশিম খাচ্ছে মীরা।
যে মানুষ টা হাজার বছর ধরে মীরার জন্য অপেক্ষা করে আছে আজ তাঁকে কষ্ট দিয়ে পুড়ে মারতে অগ্নির সামনে বসে আছে মীরা।
মীরা একনজর কফিন গুলোর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বললো, না আমি কাঁদব না আর। আমাকে বিধাতা আজ কঠিন সত্যের মুখোমুখি করে দাঁড় করিয়েছেন। নিজের ভালোবাসার চেয়ে আত্মাগুলোর মুক্তি প্রয়োজন খুব বেশি।

– ক্রুজের খুশি আজ আকাশ সীমা।
কলকল্পনা আজ সব সত্যি হতে চললো। প্রিন্সেস কে আজ নিজের করে পাওয়া হবে।
শত জনম শত বছরের পাওনা গুলো আজ সত্যি হতে চললো।
ক্রুজ চোখ দিয়ে ইশারা করে মায়াবিনী কে নেকড়ে সর্দার কে আনতে বললো।

– নেকড়ে সর্দারের পুরো শরীর সাদা পোশাকে আবৃত করা। ক্রুজ নেকড়ে সর্দার কে স্বাগত জানালো।

মীরা কে নেকড়ে সর্দার হাত দিতে বললো।
মীরা নেকড়ে সর্দারের হাতের উপর হাত রাখলো। মীরার মনে একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছে ওদের মুক্তি দিতে হবে, মুক্তি, মুক্তি।

– হঠাৎ মীরা কারো স্পর্শ পেয়ে শক খেয়ে ছিটকে পড়ে গেলো।

#চলবে—–

বিদ্রঃ সবাই গঠনমূলক মন্তব্য করবেন।
ইদানীং গল্পে রেসপন্স পড়ে কম।
আসলে বইয়ের লেখা, বাসায় কাজ, পড়াশোনার জন্য গল্পে নিয়মিত হতে পারছি না। খুব শীঘ্রই নিয়মিত হবো।
গল্প আগামীকালও আসবে।

নতুন গল্প আসবে #রহস্যময় রাত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here