ভালোবাসা তুই পর্ব -২৫+২৬

#ভালোবাসা_তুই
#পর্বঃ২৫
#লেখিকা_নিদ্রানী_নিদ্রা

[ কপি করা নিষেধ ]

সকালে বাহিরে চেঁচামেচিতে আমার ঘুম ভাঙল । আমি চোখ পিটপিট করে খুললাম। কিছুক্ষণ পর বিছানা থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। বাহিরে গিয়ে দেখলাম বাসা ভর্তি মানুষ । চারদিকে মেহমান গিজগিজ করছে। আমি নাস্তা করে শুভ্র ভাইকে খুঁজতে লাগলাম । আমার উনাকে কোনো দরকার নেই । উনাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে তাই খুঁজছি । আমি বাসার আশেপাশে খুঁজেও উনাকে পেলাম না । আমি যখন আশাহত হয়ে পিছন ফিরে আমার রুমে চলে যাব তখন কেউ আমাকে বলে উঠলো,

” কাকে খুঁজছিস ?

শুভ্র ভাইয়ের কন্ঠ শুনে পিছনে তাকালাম । উনার মুখে মন মাতানো হাসি ‌। আজ কেন জানি শুভ্র ভাইকে মন ভরে দেখতে ইচ্ছে হলো । আমি উনার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি । আমাকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে শুভ্র ভাই ভাব নিয়ে বলল ,

” জানি আমি দেখতে সুন্দর তার জন্য এভাবে চোখ দিয়ে গিলে খাবি !

আজকে কেন যেন আমার ঝগড়া করতে একদমই ইচ্ছে করছে না । অন্য সময় হলে তো রেগে যেতাম। কিন্তু এখন মুচকি হেসে বললাম ,

” আপনাকে কে বলেছে এতো সুন্দর হতে ?

আমার কথায় শুভ্র ভাই যেন অবাক হলেন। শুভ্র ভাই ভ্রু কুঁচকে অবাক করা কন্ঠে বললেন,

” আজ যেন তোর মুখ দিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা বের হচ্ছে! অন্য দিন তো তিতা কথা মুখে লেগেই থাকে । তাছাড়া আজকে তোকে দেখতে ও মিষ্টি লাগছে একদম রসগোল্লা টাইপ মিষ্টি । আমার না খেয়ে দেখতে অনেক ইচ্ছে করছে !

কথাটা বলেই শুভ্র ভাই চোখ টিপ দিলেন । কতো বড় অসভ্য ছেলে । আমি না রেগে এতো সুন্দর করে কথা বললাম আর এই লোকটা মজা নিচ্ছে । আমি রাগ নিয়ে বললাম,

” আপনার সাথে কেন যে কথা বলতে গেলাম ! আপনার সাথে ভালো ভাবে কথা বলাটাই ভুল ।

” তোকে রাগলে না জোস লাগে !

” আপনি চরম মাএায় অসভ্য একটা লোক !
আমার রুমে গিয়ে চুপ করে বসে আছি । তখন নিশি এসে বলল,

” কিরে তুই এভাবে রেগে আছিস কেন ?

” কেন আবার ? শুভ্র ভাই সবসময় আমাকে রাগিয়ে দেয় ।

” তার মানে তোরা এখন আবার ঝগড়া করে এসেছিস !

নিশি কথাটা বলেই হেসে উঠলো। আমি কোনো উত্তর না দিয়ে একই ভাবে বসে রইলাম। নিশি আবারও আমাকে বলল,

” যাই বলিস তোদের ঝগড়া দেখতে সেই লাগে !

আমি চোখ পাকিয়ে নিশির দিকে তাকালাম । আমাকে তাকাতে দেখে নিশি আরো জোরে হাসতে লাগলো। যেন আমি কোনো হাসির কথা বলছি । নিশিকে হাসতে দেখে আমি ধমক দিয়ে বললাম,

” চুপ করবি তুই !

নিশি আমার ধমক খেয়ে কোনোমতে হাসি থামিয়ে বলল,

” আচ্ছা আর রাগিস না !

আমি আর কিছু না বলে চুপ করে রইলাম । নিশি আমাকে আবার ও বলল,

” তুষার ভাইয়ারা তো কিছুক্ষণ পর চলে আসবে । সাজবি না ?

” হ্যাঁ! চল সাজতে হবে ।

**************

আমি সাজার পর রুম থেকে বেরিয়ে এলাম । শুভ্রতা এখনো সাজচ্ছে । আমি বাগানের কাছে গিয়ে দেখলাম কালকের সেই মেয়েটি নিশাত ভাইয়ার সাথে চিপকে বসে আছে । ওদের এভাবে দেখে মাথায় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠলো। আমি ওদের থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে অন্য দিকে তাকালাম । কিন্তু চোখ যে বার বার ঘুরে ফিরে নিশাত ভাইয়ার কাছে গিয়ে থামছে । কেন হচ্ছে এমন ? আমি এবার একটা ছেলের কাছে গিয়ে বললাম,

” কেমন আছেন ?

” ভালো, আপনি ?

” জি ভালো ।

তারপর আমি ইচ্ছে করে নিশাত ভাইয়াকে দেখিয়ে ছেলেটার সাথে কথা বলতে লাগলাম । হাসতে লাগলাম! নিশাত ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে দেখি নিশাত ভাইয়া আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে ! কিন্তু তাতে আমার কি ? হুহ! আমাদের কথা বলতে দেখে নিশাত ভাইয়া আমার কাছে এগিয়ে এসে বললেন,

” নিশি আমার সাথে চল !

” কেন যাব আপনার সাথে ? আপনি যান না ওই মেয়েটার সাথে গিয়ে কথা বলুন !

” আসতে বলেছি তোমাকে !

” যাব না আমি ।

এবার নিশাত ভাইয়া আমাকে আর কিছু না বলে টানতে টানতে এখান থেকে নিয়ে গেল । তারপর একটা নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে বলল,

” সমস্যা কি তোমার ? ওই ছেলেটার সাথে কি এতো কথা ? আমাকে চোখে লাগে না তোমার যা কথা আছে সব তুমি আমাকে বলবে ।

” আপনাকে কেন বলতে যাব? আপনি ওই মেয়েটার সব কথা শুনেন গিয়ে। আমি যার সাথে ইচ্ছে তার সাথে কথা বলবো তাতে আপনার কি ?

” আমারই সব । তুমি কোনো ছেলের সাথে কথা বলবে না।

” আপনি কেন ওই মেয়েটার সাথে চিপকে আছেন ?

” আমি কি তোমার মতো ইচ্ছে করে ওর সাথে কথা বলতে গিয়েছি নাকি ? ও নিজের ইচ্ছায় আমার সাথে কথা বলতে এসেছে ।

” আমি এতো কিছু জানিনা। আমি এখানের সবগুলো ছেলের সাথে কথা বলবো । আপনার কথা কেন শুনবো আমি ?

আমার কথায় নিশাত ভাইয়া অনেক রেগে গেলেন। রাগে উনার চোখ মুখ একেবারে লাল হয়ে গেছে । উনি আমার কাঁধে দুই হাত রেখে বললেন,

” এই মেয়ে তুই বুঝিস না আমার কথা ? তোকে না করছি কোনো ছেলের সাথে কথা বলতে। কারণ তুই আমার। তুই কি আমার চোখের ভাষা বুঝিস না। আমার চোখে যে তর জন্য অজস্র ভালোবাসা আছে দেখিস না তুই ? তুই কি বুঝিস না আমার ভালোবাসা তুই !

নিশাত ভাইয়ার মুখে ভালোবাসার কথা শুনে আমি উনার দিকে তাকালাম। আমি যেন এই কথাটা শুনার আশায় ছিলাম । তার মানে কি আমি উনাকে ভালোবেসে ফেলেছি ? তার জন্যই নিশাত ভাইয়ার পাশে ওই মেয়েটাকে সহ্য করতে পারছিলাম না । আমার খুব আনন্দ লাগছে। তবে কি আমার ক্রাশকে আমার এবার আমার হয়ে যাবে। আমার মুখ দিয়ে কোনো কথাই বের হচ্ছে না। আমি কি বলে দেবো আমিও উনাকে ভালোবেসে ফেলেছি ? আমাকে চুপ থাকতে দেখে নিশাত ভাইয়া বললেন,

” নিশি কথা বলছো না কেন? তুমি কি আমাকে ভালোবাসো না ? আমি তো তোমার চোখে আমার জন্য ভালোবাসা দেখেছি তবে সেটা কি ভুল ছিলো ?

আমি এবার ও কিছু বলতে পারলাম না। আমার মুখ দিয়ে একটা শব্দ ও বের হচ্ছে না। নিশাত ভাইয়া আবারও বললেন,

” তুমি যদি আমাকে ভালো না বাসো আমি জোর করবো না তোমায়। তুমি তোমার মতো করে ভালো থেকো !

আমি এবার নিশাত ভাইয়াকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। তারপর বললাম ,

” আমি ও আপনাকে ভালোবাসি ! অনেক বেশি ভালোবাসি !

আমি কথাটা বলার পর পিছন থেকে কেউ একজন বলে উঠলো,

” কি হচ্ছে এখানে ?

#চলবে

[ পাঠকগণ যেহেতু দুইটা গল্প একসাথে লিখছি তাই প্রতিদিন দুই টা গল্প দেওয়া সম্ভব না । একদিন এই গল্পটা দিবো আরেক দিন তোমাতেই পূর্নতা গল্পটা দিবো]#ভালোবাসা_তুই
#পর্বঃ২৬
#লেখিকা_নিদ্রানী_নিদ্রা

[ কপি করা নিষেধ ]

আমার সাজতে দেরি হওয়ায় নিশি আমায় একা ফেলেই চলে গেল । আমি বাহিরে এসে বাগানের দিকে গেলাম। আপু আর তুষার ভাইয়া স্টেজে পাশাপাশি বসে আছে । চারদিক থেকে মানুষ ওদের ঘিরে রেখেছে। আমি যখন স্টেজের দিকে যাব তখন হুট করে শুভ্র ভাই আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। আমাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত একবার দেখে বলল,

” তোকে দেখতে খুবই বাজে লাগছে! এভাবে সেজেছিস কেন তুই ! আমার তো ভয় হচ্ছে তোকে দেখে না জানি কয় জন লোক অঙ্গান হয় । আমি আবার জনদরদী লোক কারো খারাপ চাই না। তাই বলছি তুই গিয়ে সাজটা মুছে ফেল !

আমি শুভ্র ভাইয়ের কথায় রেগে গেলাম। আমাকে দেখে নাকি মানুষ অঙ্গান হয়ে যাবে । আমি উনার দিকে রেগে তাকাতেই শুভ্র ভাই আবারও বললেন,

” আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে লাভ নেই। তুই জানিস আমি একটা ডাক দিলে কতো গুলো মেয়ের লাইন লাগবে। আর তোকে কি দেখা যাচ্ছে ?

” আপনি যতটা বলেছেন আমি দেখতে ততটাও বাজে না । আপনার জন্য মেয়েদের লাইন লাগবে । আপনি শুধু তাকিয়ে দেখবেন আমার জন্য কতোটা ছেলের লাইন লাগে ।

আমি কথাটা বলেই উনাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিলাম তখন শুভ্র ভাই পিছন থেকে আমার ডান হাতটা ধরে ফেলল । আমি পিছনে ফিরে উনার দিকে তাকিয়ে দেখি উনি অগ্নি দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। এবার আমাকে বলল,

” যদি কোনো ছেলে তোর দিকে চোখ তুলে তাকায় তাহলে আমি তার চোখ উপড়ে ফেলবো । তোকে যদি দেখি কোনো ছেলের সাথে কথা বলতে তাহলে তোর কি অবস্থা করবো তুই কল্পনা ও করতে পারবি না ।

শুভ্র ভাই আমার হাতটা ছেড়ে দিয়ে অন্যদিকে হাঁটা ধরলো। আর আমি উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম। সব সময় আমাকে শুধু থ্রেট দেয় । উনি তো বললেন আমাকে দেখতে বাজে লাগছে এখন আমি ছেলেদের লাইন লাগার কথা বলাতেই দোষ । আমি আর কিছু না ভেবেই সামনের দিকে হাঁটা দিলাম। আমি গিয়ে আপুর পাশে বসলাম। তুষার ভাইয়ার পাশে একটা ছেলে বসে আছে ছেলেটা আমার দিকে তাকিয়ে কেমন মিটিমিটি হাসছে আর লজ্জা পাচ্ছে। আমার কাছে ছেলেটাকে মোটেই সুবিধার লাগছে না। এভাবে হাসার কি আছে আর লজ্জা পাওয়ারই বা কি আছে। আমি ছেলেটিকে বললাম,

” সমস্যা কি আপনার ? আমার দিকে তাকিয়ে হাসছেন কেন ?

আমার কথায় ছেলেটার লজ্জা যেন দ্বিগুন বেড়ে গেল। সে মেয়েদের মতো লজ্জায় রাঙা মুখ নিয়ে বলল,

” আপনাকে আমার অনেক ভালো লেগেছে।

আমার ছেলেটার কথায় অনেক হাসি পেলো। ছেলেটা দেখতে সুন্দর হলেও কেমন যেন বলদ টাইপের। এই ছেলের নাকি আমাকে ভালো লেগেছে। আমার শুভ্র ভাইয়ের কথাটা মনে পড়ল। তাই এখানে আর থাকলাম না।

আমি স্টেজ থেকে নেমে শুভ্র ভাইকে খুঁজতে লাগলাম। উনাকে দেখলাম কিছু দূরে একটা ছেলের সাথে বসে কথা বলছে। আমি গিয়ে শুভ্র ভাইয়ের পাশে বসলাম। আমি বসতেই শুভ্র ভাইয়ের পাশে থাকা ছেলেটা উঠে চলে গেল। শুভ্র ভাই আমার দিকে তাকিয়ে বলল,

” এভাবে মুখটা পেঁচার মতো করে রেখেছিস কেন ?

” আপুকে তুষার ভাইয়ারা নিয়ে চলে যাবে ।

” এর জন্য মন খারাপ করতে হয় নাকি পাগলি। এমন তো না যে তৃষা আর এখানে আসবে না। দুইদিন পরেই তো আবার চলে আসবে ।

” আমি বিয়ে করলে আমার জামাইকে আমাদের বাসায় এনে রেখে দেবো । তাহলে আমি প্রতিদিন আমার আম্মু আব্বুকে দেখতে পাবো।

” তুই চাইলে প্রতিদিনই আমি তোকে এখানে রেখে যাবো তখন তুই প্রতিদিন ফুপ্পিকে আর ফুপা কে দেখতে পারবি কিন্তু রাতে এখানে ভুলেও রেখে যাবো না ‌।

” আপনি কেন আমাকে রেখে যাবেন । আমাকে তো আমার জামাই রেখে যাবে । আপনি কি আমার বডিগার্ড হবেন নাকি । মে সব সময় আমার সাথে থাকবেন ।

” তোর জামাইটা আমিই হবো আর তোর বডিগার্ড হতে আমার কোনো প্রবলেম নেই। তুই বললে আমি এক পায়ে রাজি তর বডিগার্ড হতে ।

শুভ্র ভাই কথাটা বলার পর কেউ একজন শুভ্র ভাইকে ডাক দিলো আর শুভ্র ভাই আমাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই চলে গেল। উনি আমার জামাই হবে মানে কি। আমি দরকার হলে এক গ্লাস পানিতে ডুবে মরবো তাও উনাকে বিয়ে করবো না ।

**************

পিছন থেকে কারো গলা শুনে ভয়ে নিশাত ভাইয়াকে ছেড়ে দিলাম। তারপর পিছনে তাকিয়ে দেখি একটা বাচ্চা কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে । মুখে কেমন পুলিশের মতো ভাব যেন কোন আসামি হাতেনাতে ধরেছে । আমি বাচ্চাটার সামনে গিয়ে বসে জিঙ্গেস করলাম,

” তোমার নাম কি ?

আমার কথায় বাচ্চাটির মুখে গাম্ভীর্য ভাব ফুটে উঠলো। বাচ্চাটি আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল ,

” আমার নাম না জানলেও চলবে । আগে এটা বলো তোমারা এভাবে একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে ছিলে কেন ?

ছোট বাচ্চাটার মুখে এই কথা শুনে আমি বেশ লজ্জা পেলাম তখন নিশাত ভাইয়া এসে হাসি মুখে বলল,

” এটাকে ভালোবাসা বলে তুমি তো এখনও ছোট্ট বড় হলে বুঝবে !

নিশাত ভাইয়ার কথায় ছেলেটি যেন বেশ খুশি হলো। তার মুখের গাম্ভীর্য ভাবটা উধাও হয়ে গেলো । সে নিশাত ভাইয়াকে বলল ,

” তোমার কী মেয়ে আছে ?

” না তো , কেন ?

” তোমার মেয়ে নিশ্চই তোমার মতো সুন্দর হবে । তোমার মেয়ে হলে আমি তাকে বিয়ে করব । তোমাদের মতো আমি ও তাকে ভালোবাসবো ।

ছেলেটির কথায় নিশাত ভাইয়া হেসে উঠলো। আমি মুগ্ধ নয়নে সেই হাসি দেখতে লাগলাম। নিশাত ভাইয়া ছেলেটিকে বলল,

” আচ্ছা , তুমি তোমার আম্মুর কাছে যাও। তোমার আম্মু নিশ্চই তোমায় খুঁজছে ।

” হুম যাচ্ছি। তোমার মেয়েকে কিন্তু আমার কাছেই বিয়ে দিবে ।

তারপর ছেলেটি চলে গেল। আমি নিশাত ভাইকে বললাম,

” আমি আপনার উপর কেন ক্রাশ খেলাম জানতে চাইবেন না ।

” এখন বলো !

” আপনাকে যে দিন প্রথম দেখেছিলাম সেই দিন আপনাকে দেখে থমকে গিয়েছিলাম । আমার মুখে অদ্ভুত এক মায়া আছে । আপনার হাসিতে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম ।

” তুমি যতটা বলছো ততটাও না ।

” আমি যতটা বলছি তার থেকেও বেশি।

আমরা স্টেজের কাছ থেকে কান্নার শব্দ পেলাম। তারমানে কি আপুকে নিয়ে চলে যাচ্ছে । আমি আর নিশাত ভাইয়া আপুদের কাছে গেলাম ।

#চলবে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here