শ্রাবণ_তোমার_আকাশে পর্ব ২১

#শ্রাবণ_তোমার_আকাশে
#লেখনীতে-ইশরাত জাহান ফারিয়া
#পর্ব___২১

নাইমুদ্দীন সাহেব বেলাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই ছাদ থেকে নেমে গেলেন। অতঃপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন। বেলা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে শাইনির ঘরে চলে এলো। দরজায় ধাক্কা দিলো, নক করলো। ভেতর থেকে বন্ধ সেটা। দু-একবার টোকা দিতেই ভেতর থেকে হালকা শব্দ এলো। বেলা দাঁড়িয়ে পড়লো। ওর বাবার কথা ভাবছে। তিনি এত সহজে ওকে কিছু না বলে চলে গেলেন কেন? ভালো করে কিছু বললেনও না আবার শুনলেনও না। বেলার সন্দেহ হচ্ছে। নাইমুদ্দীন সাহেব এত সহজে ওকে না নিয়ে ফিরে গেলেন! এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো রহস্য আছে। কি হতে পারে? ওফ, ভাবতে ভাবতে মাথাব্যথা হয়ে গেলো। দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে প্রাণভরে শ্বাস নিলো। চারদিকে যেন অক্সিজেনের অভাব। এত চিন্তা আর নেওয়া যাচ্ছেনা। এভাবে চলতে থাকলে খুব শ্রীঘ্রই পাগলের খাতায় নাম উঠবে ওর৷ ভাবনাগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেখলো শাইনির ঘরের দরজা বন্ধ। মানে কী? এখনো দরজা খুলেনি ও? বেলার মন আতঙ্কিত হলো। দরজা খুলছে না কেন শাইনি? নিচের ঘটনার জেরে রাগের মাথায় আবার কিছু করে বসেনি তো?

বেলা জোরে জোরে দরজা ধাক্কাতে লাগলো। উপায় না পেয়ে নিচে আলম সাহেবের কাছে ছুটে গিয়ে সব খুলে বললো। আলম সাহেব ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি করে উপরে চলে এলো। নাজনীন বেগমও এলেন। তবে তার মধ্যে তেমন কোনো ভাবান্তর দেখা গেলো না। সবাই মিলে কয়েকবার ডাকতেই এবার ভেতর থেকে শাইনির গলা শোনা গেলো।
‘আমাকে কিছুক্ষণ একা থাকতে দাও প্লিজ।’
শাইনির রুক্ষ কন্ঠস্বর শুনতে পেয়ে বেলা অবাক হয়ে বলল, ‘আপনি ঠিক আছেন? প্লিজ দরজা খুলুন।’
‘তোমরা যাও। আমাকে একা ছাড়ো প্লিজ।’
‘আপনি দরজা খুলুন।’
‘না।’
আলম সাহেব বললেন, ‘ওকে ওকে খুলতে হবে না। তুমি ঠিক আছো কি-না সেটা বলো।’
শাইনি জবাবে বলল, ‘আমি ঠিক আছি।’
নাজনীন বেগম বললেন, ‘বেচারাকে একা ছেড়ে দাও। শুধু শুধু ডিস্টার্ব করো না।’
আলম সাহেব ধমকে বললেন, ‘তুমি যাও এখান থেকে।’
নাজনীন বেগম মুখ কালো করে সেখান থেকে চলে গেলেন। বেলা বুঝতে পারছে শাইনির কিছু একটা হয়েছে। কিন্তু দরজা না খুললে, কথা না বললে বুঝবে কীভাবে সেটা? তার ওপর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। ও নড়লো না জায়গা থেকে। শাইনির উদ্দেশ্যে বলল, ‘আপনার আজ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।’
শাইনি উত্তর দিলো না। আলম সাহেব বললেন, ‘কী হয়েছে ওর? এমন করছে কেন?’
‘আমি জানি না আংকেল।’
‘আচ্ছা কিছুক্ষণ একা ছেড়ে দাও। একটু পর নিজেই দরজা খুলবে।’
‘কিন্তু..’
‘শতবার বললেও এখন দরজা খুলবে না এই ছেলে। আর তোমার আব্বুর সাথে কী কথা হয়েছে মা?’
বেলা বলল, ‘আমি আব্বুকে জানিয়ে দিয়েছি আমি এখানে থাকবো।’
‘ওনি কিছু বললেন না?’
‘নাহ।’
‘ওনিতো তোমাকে নিয়ে যাবেন বলেই এসেছিলো। তাহলে এত সহজে চলে গেলো?’
‘বুঝতে পারছিনা আংকেল। আব্বু এত সহজে হাল ছাড়ার পাত্র নন।’
আলম সাহেব বললেন, ‘আচ্ছা থাক। ওনি বোধহয় তোমার মুখ থেকে শুনতে চাইছিলেন যে এখানে মেয়ে ভালো আছে কি-না!’
‘হয়তো।’
‘আচ্ছা আমি যাই৷ ডাক্তার সুশান্তকে ফোন করতে হবে।’
‘ঠিক আছে।’

আলম সাহেব ওখান থেকে চলে গেলেও বেলা এক পা-ও নড়লো না সেখান থেকে। ওর ভীষণ চিন্তা হচ্ছে। লোকটা এমন করছে কেন? দু’বার ডাকলো। শাইনি আগের মতোই চুপ। সে বেলার উন্মাদিত কন্ঠ শুনতে পাচ্ছে। কিন্তু কষ্টে ওর বুক ফেটে যাচ্ছে। নিজের ওপর রাগ হচ্ছে। মানুষ বোধহয় মৃত্যুর আগে নিজের সব পাপ, ভুল বুঝতে পারে। শাইনির জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল বেলাকে ভালোবাসা। ওর প্রতি এত ভালোবাসা কেন ওর? তাইতো এখন কষ্ট পাচ্ছে। নাইমুদ্দীন সাহেবের কথাগুলো বুকের ভেতর তীরের মতো বিঁধছে। মনে হচ্ছে ওর সবকিছু শেষ! বেলার ওমন নিশ্চুপ থাকাটা কেন যেন মানতে পারছে না এখনো। রাগে ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় ফুলদানি ছুঁড়ে মারতেই সেটাও ঝনঝন করে ভেঙ্গে পড়লো। মুছে গেলো শাইনির নিজের অবয়বটাও। নিজের চেহারাও দেখতে ইচ্ছা করছে না।

বেলা আওয়াজ শুনে পাগলের মতো দরজা ধাক্কাচ্ছে। বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদছে আর দরজা খোলার অনুরোধ করে যাচ্ছে ক্রমাগত। নিশ্চয়ই শাইনির কিছু একটা হয়েছে। নাহলে এমন ব্যবহার করার ছেলে না ও। এত কেন কষ্ট দিচ্ছে শাইনি ওকে। ও তো চলে যায়নি বাবার সাথে। তাহলে? একবারও কি শাইনি ওর কথা শুনতে চাইবে না? এদিকে বেলার কান্নার আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছে শাইনি৷ এই মেয়ের কান্না কোনোভাবেই সহ্য করতে পারে না ও। না চাইতেও শাইনি দুর্বল পায়ে উঠে দাঁড়ালো মেঝে থেকে। মনে হচ্ছে এখনি পড়ে যাবে। তবুও নিজেকে সামলে বিছানায় ভর দিয়ে দাঁড়ালো। কার্পেটের ওপর রক্তের ফোঁটাগুলো শুকিয়ে লেগে আছে। সবুজ কার্পেটের জায়গায় জায়গায় খয়েরি রঙ ধারণ করেছে।

বেলার কান্নার মাঝেই হুট করে দরজা খুলে শাইনি ওর হাত ধরে একটানে ওকে ঘরের ভেতর নিয়ে এলো। তারপর ঠাস করে দরজা বন্ধ করলো। বেলা আকস্মিক এমন টানে পড়ে যেতে নিলেও নিজেকে সামলে নিলো। ঘরে ঢুকে চারদিকের অবস্থা অবলোকন করে ও হতভম্ব হয়ে গেলো। ঘরের ওপর দিয়ে সুনামি বয়ে গেছে যেন! ড্রেসিং টেবিলের আয়না ভাঙা, ফুলদানি গুঁড়ো হয়ে পড়ে আছে। গ্লাস, জগ ভাঙা। বালিশ, বিছানার চাদর এলোমেলো। পর্দাগুলো স্ট্যান্ড থেকে ঝুলে আছে কোনোরকমে। পায়ের নিচে কার্পেটে রক্ত শুকিয়ে লেগে আছে। ভয়ার্ত চোখে শাইনিকে অবলোকন করে দেখলো ফর্সা গায়ে কাটা-ছেঁড়ার চিহ্ন। ভূত দেখার মতো চমকে ওঠলো বেলা। নিজের চোখকে বিশ্বাস হচ্ছে না। ও দৌড়ে গেল শাইনির কাছে। শাইনি দরজায় হেলান দিয়ে বসে ওর দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। বেলাকে নিজের দিকে আসতে দেখে ও হাত উঁচিয়ে থামিয়ে দিলো।
‘আমার কাছে আসবে না তুমি। দূরে যাও।’
বেলা অবাক হয়ে গেলো।
‘কেন আসবো না? আর আপনি নিজের কী অবস্থা করেছেন?’
‘যা-ই করি না কেন তুমি আমার কাছে আসবে না।’

শাইনির কথা বেলা শুনলো না। জোর করে ওর কাছে গেল। হাতে, বুকে, পিঠে কাটা দাগ। রক্ত লেগে আছে। বেলা কাঁদতে থাকলো। ড্রয়ার থেকে এন্টিসেপটিক আর ব্যান্ডেজ এনে জায়গাগুলো পরিষ্কার করে সময় খানে ব্যান্ডেজ করে দিলো। শাইনি বাঁধা দিয়েও পারলো না৷ ওর শুধু বেলাকে দেখে যাচ্ছে। ও তো চায় বেলা ওকে এভাবেই ভালোবাসুক, কেয়ার করুক। কিন্তু সব যে অভিনয় সেটা তো ও চায় না। ও ভালোবাসা চেয়েছে, নাটক নয়। বুকের ভেতর দগ্ধ পোড়া অনুভূতি হচ্ছে। নির্নিমেষ বেলার দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে আচমকাই বেলার কোমড় জড়িয়ে ধরে নিজের কাছে এনে কানের কাছে মুখ রেখে বলতে লাগলো,
‘সখী, ভাবনা কাহারে বলে?
সখী, যাতনা কাহারে বলে?
তোমরা যে বলো দিবস-রজনী
ভালোবাসা ভালোবাসা..
সখী, ভালোবাসা কারে কয়!
সে কি কেবলই যাতনাময়?
সে কি কেবলই চোখের জল?
সে কি কেবলই দুঃখের শ্বাস?
লোকে তবে করে
কী সুখেরই তরে,
এমন দুঃখের আশ!’

বেলা চোখের জল মুছতে মুছতে নরম স্বরে জিজ্ঞেস করলো,
‘এরকম কেন করছেন? নিজের অবস্থা কী করেছেন দেখেছেন আপনি?’
শাইনি উদাস কন্ঠে বলল, ‘কিছুই করিনি।’
‘পাগল হয়েছেন আপনি?’
‘হ্যাঁ। আমি পাগল, আমি নির্বোধ এবং বোকা। নইলে কী আমার মতো ছেলেকে তুমি ঠকাতে পারো?’
বেলা অবাক হয়ে বলল, ‘ঠকিয়েছি? আমি? কী বলছেন আপনি? মাথা ঠিক আছে তো আপনার?’
শাইনি উত্তর দিলো না। বেলা ওর মুখটা উঁচু করে বলল, ‘বলুন আমি কী করেছি? আমার অপরাধ কি?’
‘তুমি আমাকে ভালো না বেসেও ভালোবাসার অভিনয় করে চলেছো। এটা কী অপরাধ নয়?’ শাইনি বলল।
‘কে বলেছে আমি আপনাকে ভালোবাসি না?’
‘তোমার বাবা।’
বেলা ক্লান্ত ভঙ্গিতে দীর্ঘ করে শ্বাস নিলো। ক্রন্দনরত অবস্থায় বলল, ‘আপনি আব্বুর কথা ধরে বসে আছেন? আমাকে বিশ্বাস করেন না আপনি? আমার ভালোবাসার দাম নেই আপনার কাছে?’
শাইনি অতি কষ্টে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটিয়ে বলল, ‘ভালোবাসলে তো দাম থাকতো বেলা বউ। আমায় তো কেউ ভালোবাসে না।’
বেলা ওর গলা জড়িয়ে ধরলো৷ শাইনি সচকিত হয়ে উঠলো। ধমকের সুরে বলতে লাগলো, ‘ছাড়ো আমাকে। দূরে যাও বলছি!’
বেলা মাথা নাড়িয়ে বলল, ‘যাবো না।’
শাইনি রেগে বলল, ‘আমাকে রাগালে ভালো হবে না বলে দিলাম। ঘর থেকে বেরিয়ে যাও।’
বেলা নাক টেনে বলল, ‘আমি আব্বুকে বলে দিয়েছি আপনাকে আমি ভালোবাসি।’
‘এসব নাটক ফাটকের জায়গা নেই আমার কাছে।’
‘আমি নাটক করছিনা।’
‘কারোর দয়ার প্রয়োজন নেই, তুমি এখান থেকে যাবে নাকি আমি কিছু একটা করে বসবো?’ শাইনি রাগী স্বরে বলল।
বেলা এবার নিজেই রেগে গেলো। ওর কথা না শুনে ওর বাবার বলা কথা ধরে বসে আছে। নিজেকে কষ্ট দিচ্ছে। এই লোক তো মহা বোকা! যত্তসব..
শাইনি বেলাকে সরিয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা কর‍তে লাগলো। বেলা ছাড়লো না দেখে ও রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, ‘তোমার এসব নাটক বন্ধ করো বেলা। আমার ভালো লাগছে না।’
বেলা বলল, ‘আমি আপনার কোলেই বসে থাকবো।’
শাইনি ধাক্কা দিয়ে সরাতে চাচ্ছে কিন্তু পারছে না। এদিকে বেলা ওর রাগ না ভাঙিয়ে ছাড়বে না বলে প্রতিজ্ঞা করেছে৷ ওকে চমকে দিয়ে বেলা ওর মুখে আচমকা চুমু খেতে লাগলো। শাইনির বুকে মাথা রেখে বলল,
‘আমার কথা না শুনে আব্বুর কথা বিশ্বাস করেন। যাকে ভালোবাসেন তাঁকেই বিশ্বাস করেন না। এ কেমন ভালোবাসা আপনার?’
শাইনি বিদ্রুপের হাসি দিয়ে বলল, ‘তিনি তোমার বাবা। মিথ্যে নিশ্চয়ই বলবে না।’
বেলা ভারী কন্ঠে বলল, ‘আপনি বুঝেননা কেন আমি আপনাকে ভালোবাসি? সবকিছু বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আপনার প্রতি আমার ভালােবাসাটা থেকে যাবে, হয়তাে আক্ষেপে নয়তাে অপেক্ষায়।’

শাইনি বলল, ‘সত্যিকারের ভালোবাসাকে সম্মান করাটাও জরুরি।’
‘আপনি আমার ওপর রাগ করেছেন?’ জিজ্ঞেস করলো বেলা।
‘জানিনা।’ শাইনি মুখ ঘুরিয়ে নিলো।
‘জানেন, অভিমান রাগ একমাত্র তার উপরেই করা যায়,
যাকে মানুষ সবচেয়ে বেশী ভালােবাসে। আপনি তো আমাকে ভালোবাসেন। আপনাকে পেয়ে আমি ভাগ্যবতী মনে করি নিজেকে৷ আর আপনি ভুল বুঝে দূরে ঠেলে দিচ্ছেন আমাকে। একটু তো তাকান আমার দিকে।’

শাইনি তাকালো না। বেলা ওর ওষ্ঠজোড়া শাইনির কপালে, চোখে, মুখে ছুঁইয়ে দিলো৷ শাইনি মুখ ফুটে কিছু বললো না। নিজেকে ধাতস্থ করে ভাবছে, আসলেই তো! যাকে ভালোবাসে তাঁর প্রতি বিশ্বাস না থাকলে সেটা তো ভালোবাসার পর্যায়েই পড়ে না। শাইনি বেলাকে ভালোবাসে। তাহলে কেন বেলার কথা না শুনে অন্যের কথায় নিজেকে কষ্ট দিচ্ছিলো?

বেলা ছলছল চোখে তাকালো। শাইনি একটু থেমে নিজের চোখ বন্ধ করলো। চোখের কিনার বেয়ে গড়িয়ে পড়লো কয়েক ফোঁটা নোনতা পানি। বেলাকে শক্ত করে নিজের সাথে জাপটে ধরে চিৎকার করে বলল, ‘খুব কষ্ট হচ্ছে আমার। বুকের ভেতর যন্ত্রণা হচ্ছে। তোমার থেকে দূরে যাওয়ার কথা চিন্তা করলেই আমার ভেতরটা মরে যায়। বারবার মনে হয় আমি আর বেঁচে নেই। তোমাকে ভালোবেসে এত কেন কষ্ট পেলাম আমি? আর ক’টা বছর একসাথে থাকার সুযোগ কেন হবে না আমাদের? মরণ যন্ত্রণা হচ্ছে বুকের গভীরে। আমি বোধহয় মরে যাচ্ছি বেলা বউ! তোমার রঙিন আকাশখানি শ্রাবণের ধূসর আকাশে পরিণত হবে। কেন তোমার আকাশে শ্রাবণ আসবে? এসব ভাবলেই শরীর শিউরে ওঠে আমার!’

শাইনির হার্টবিট ট্রেনের বেগে ছুটছে। মাথার যন্ত্রণার সাথে সাথে বুকে ব্যথা অনুভূত হচ্ছে। বেলাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে অদ্ভুত কন্ঠে বলল, ‘তোমাকে অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু বলতে গিয়ে শব্দ খুঁজে পাই না। আমি যেন ক্রমশই সবার থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। এমন কেন হচ্ছে জানিনা। কিন্তু আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।’

…………………….
চলবে…ইনশাআল্লাহ! কি লিখেছি নিজেও জানিনা। ভুলটুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here