স্বামীর অত্যাচার পর্ব ৯

#স্বামীর অত্যাচার !!
#Part_9

মাঝরাতে তাহিনের ধম হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা…মনে হচ্ছে কেউ যেন ওকে চেপে ধরে আছে…….

ডিনার শেষ করে দরজা বন্ধ করে একাই শুয়েছে নিলয়ের পাশের রুমটাতে…..তাহলে ভূতের মত কে এভাবে চেপে চেপে ধরে আছে?

ভূত নয়তো….?ভয়ে হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসছে…….চিৎকার করবে সেই সেন্সটুকু ও নেই…….চোখ খুলে দেখতে ও ভয় হচ্ছে……তবু সাহস করে আস্তে আস্তে চোখ খোলতে চমকে গেল ডিম লাইটের ঝাপসায় আলোয় নিলয়কে দেখে……নিলয় এখানে কি করছে বুঝতে পারছেনা…..তড়িগড়ি করে নিলয়কে ধাক্কা দিয়ে উঠে দাঁড়ায়……

নিলয় ছিটকে বিছানার একপাশে চলো গেল…….

রাগে গাঁ জ্বলছে….ওকে ধাক্কা সাহস কি করে হল ওর বুঝতে পারছেনা…..বিছানা থেকে উঠো দাড়িয়ে দাঁতে দাঁতে চেপে বলল…..
-কি হয়েছে সমস্য কি তোর…..?

-সমস্য আমার না আপনার আপনি এখানে কেন এসেছেন…..?

-হেয়াট?এটা আমার রুম ওকে……..

নিলয় লাইট অন করতে তাহিন চমকে উঠল সত্যি এটা নিলয়ের রুমে তাহলে এই রুমে কি করে আসল বুঝতে পারছেনা………

ঘুমের মধ্যে হাটার অভ্যাস তো ওর নেই…..?যে হেঁটে হেঁটে এই রুমে চলে আসবে…..?তাহলে?

তবে একবার রিদিতা ঘুমের ঘোরে ভয় পেয়ে কখন যে তাহিনকে এসে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পরল সেটার খেয়াল নেই….সকালে নিজেকে তাহিনের পাশে দেখে চমকে উঠল…..রিদিতার ও তো এমন অভ্যাস ছিল না…..তাহলে কি তাহিন ও রিদিতার মত এমনটা করছে…..ভাবতেই গা শিউরে উঠল কি করে এমনটা করতে পারল….তড়িগড়ি করে রুম থেকে বের যেতে নিলয়ের কথায় ঘুরে তাকাল……..

-অন্য রুমের শোবার দরকার নেই…এখানে সোপার মধ্যে শুয়ে পড়….তোমার যা সসস্য..না জানি আবার ঘুমের মধ্যে গার্ডদের মেরে কখন পালিয়ে যাও…..যারা স্লিপিং ওয়াক করে তারা নাকি কি করে বসে নিজে ও জানে না…..

তাহিনের রাগ লাগছে কিন্তু কিছু বলতে ও পারছেনা……আসলেই তো কিভাবে আসল নিজেরিই মনে নেই….নিলয় এমনটা করতে পারবেনা দরজা ভিতর থেকে লক করা ছিল….দাঁত দাঁত চেপে বের হয়ে যেতে…..

-কি বলছি শুনতে পাওনি…..সোপায় গিয়ে শোও যলদি…..

-তার প্রয়োজন নেই…..একবার এমন হয়েছে বলে বারবার এমন হবে তার কোনো মানে নেই…..তাছাড়া আমি সোপায় শুতে পারব না আমার ঘাড় ব্যাথা করতেছে……

নিলয় একটা বালিশ নিয়ে সোপার দিকে যেতে যেতে…

-বিছানায় তো শুতে পারবে….এতে তো ঘাড় ব্যাথা করবে না….তারপরে আমার চোখের সামনে থাকবে…..

-তার প্রয়োজন নেই.. আমি চাই না আপনার চোখের সামনে থাকতে……

নিলয় রেগে হুঙ্কার দিয়ে উঠল….
-যা বলছি তাই কর…..

তাহিন কথা না বাড়িয়ে বিছানার দিকে যেতে নিলয় বলে উঠল……
-তার আগে যাও আমার জন্য এক কপি নিয়ে আস…তোমার জন্য এখন মাথাটা ধরছে…

তাহিন কিছু বলতে যাবে তার আগে নিলয়….

-না কথাটা একদম বলবে না…….

ঘুম ঘুম চোখে একরাশ বিরক্তি নিয়ে কপি বানিয়ে নিয়ে এসে নিলয়কে দিয়ে শুয়ে পরতে……

-আগে কপিটা তুমি খাও……

তাহিন চোখ বড় বড় করে নিলয়ের দিকে তাকাতে…..

-বলা তো যায় না তুমি যদি এর মধ্য ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে থাকো……

এক পা এগিয়ে এসে মগটা হাতে নিয়ে রাগে ঢকঢক করে অর্ধেক খেয়ে নিলয়কে ধরিয়ে দিল….

-আমি তোমার এ্যাটো খাব কেন যাও আবার বানিয়ে নিয়ে এস……..

-খেতে ইচ্চে হলে খাবেন নাহলে ফেলে দিন…..তবু এবার একটু রেহায় দিন……
হাত জোড় করছি আমার আর এসব ভালো লাগছে না…….আমাকে আমার মত থাকতে দিন দয়া করে……..না হলো সত্যি আমি এমন কাজ করে পালিয়ে যেতে বাধ্য হব….

নিলয় রাগে ফুসছে….তাহিনের ঝাল ঝাল কথাগুলো নিলয়ের গায়ে বেশ লেগেছে…..তবু কিছু বলল না….ল্যাপটপটা অন করে সোপায় বসে কি যেন করছে…….তাহিনের দুচোখে ঘুম আছে তবু যেন ঘুম আসছেনা….কম্বল গায়ে দিয়ে চোখ বুঝে ঘুমানোর চেষ্টা করছে……….যদি একটু ঘুমাতে পারে…….অনেক কষ্টে দুচোখের পাতা এক করতে পারল…..

সকালে রিং টোনের আওয়াজে ঘুম ভাঙল তাহিনের……….কানের কাছে নিলয়ের ফোনটা বাজছে…….চোখ খুলে মোবাইল হাতে নিতেই নিলয় এসে তাহিনের হাত থেকে ছো মেরে মোবাইলটা নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেল……আকস্মিক কান্ডে তাহিন চমকে উঠল…..ঘটনা প্রবাহের পর বিছানা থেকে নেমে ওয়াশরুম চলে গেল…. ফ্রেশ হয়ে নিচে যেতে দেখে নিলয় নেই……মেন ডোরটা বাইরে থেকে বন্ধ….বোধয় বের হয়ে গেছে নিলয়……
সারাদিন নিলয় বাসায় ফিরে নি……দুপুরে একজন গার্ড এসে তাহিনের খাবারটা দিয়ে চলে গেল বাইরে তালা মেরে…..দিনটা একবছের সমান ছিল মনে হয়েছিল তাহিনের কাছে……সময়টা গুনে গুনে পারতে এক বছর যেন সময় লেগেছিল….

চারিদিকে স্তব্ধ বুকের ভিতর ধু ধু করছে তাহিনের।মনের মধ্যে এক অজানা ভয় কাজ করছে।কেন এমন চিনচিন ব্যাথা করছে বুজতে পারছেনা।রাতে ও নিলয় ফিরেনি বলে?তার জন্য এত চিন্তা তো হওয়ার কথা না তবু কেন চিন্তা হচ্চে….?

এভাবে কেটে গেল আরো একটা রাত তবু ও নিলয়ের দেখা মিলল না…..তাহিন বেঁচে আছে না মরে গেছে সেটা একবার খবর নেওয়ার প্রয়োজন পর্যন্ত মনে করল না…একা একটা বাড়িতে কিভাবে যে দুদিন পার করল সেটা একমাত্র তাহিন জানে…..যে গার্ড খাবার দিয়ে যেত সেই ও নিলয়ের খবর বলতে পারেনি…..এই বাড়ীতে একটা ল্যানফোন পর্যন্ত রাখে নি নিলয়……তৌহিদ আহমদে এর সাথে ফোনাআলাপ করবে ভেবে…..

সবকিছু ব্যার্থ তাহিন… এত কিছু সহ্য করে ও না পেরেছে একটু বিশ্বাস অজর্ন করতে,না পেয়েছে একটু দয়া…..চোখ দিয়ে অনবরত পানি বেয়ে পরছে……

হঠাৎ করে নিচ থেকে চেঁচামেচির শব্দ শুনতে পেয়ে চোখ মুছে রুম থেকে দৌড়ে বের হল….. পা কাঁপছে তাহিনের সিড়ি কিছুতেই নিচে দিকে নামতে পারছেনা….বুকের ভিতর চিনচিন ব্যাথা অনুভব করছে…..নিলয়কে এমন অবস্থায় দেখে।।।।

হাত পা কাঁপছে তাহিনের সিড়ি বেয়ে কিছুতেই নিচের দিকে নামতে পারছেনা….বুকের বা পাশে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করছে…….নিলয়কে এমন অবস্থায় দেখে……
.
.
স্ট্রেচারে শুয়ে আছে নিলয়।মনে হচ্ছে নিতর একটা দেহ পড়ে আছে তার মধ্যে…..হাত দুটো দুপাশে ঝুলেছে… স্ট্রেচারে চারপাশে কয়েকজন গার্ড ধরাধরি করে সামনের দিকে নিয়ে আসছে….শরীলে বিভিন্ন অংশে ব্যান্ডেজ করা।বুকের কোনায় এখনো রক্ত জমে আছে…..সাদা বেন্ডেজের উপর সেটা স্পষ্ট ভেসে উঠছে.. তাহিনের চোখ দুটো ছলছল করছে…নিশ্বাস নিতেই যেন ভুলে গেছে।আরেকটু হলে যেন ধম একবারে বন্ধ হয়ে যাবে।হঠাৎ করে পাশ থেকে কানে ভেসে আসল নিলয়ের এক্সিডেন্টর কথা।তাহিন পুরোপুরি বুঝতে না পারলে এইটুকু যেন আন্দাজ করে ফেলেছে এটা কোনো সাধারণ এক্সিডেন্ট না।বুকের ক্ষতস্থানটায় বলে সেই কথা।নিলয়কে কেউ মারার জন্য এই কাজটা করছে।তৌহিদ আহমেদ নাম ছাড়া আর কারো মাথায় আসছে না তাহিনের।নিলয়কে পাশ কাটিয়ে নিয়ে যেতে সেন্স ফিরে ফেল তাহিনের।বেডের মাঝখানে শুয়ে দেওয়া হয় নিলয়কে। সাথে একজন ডক্টর আর নার্সকে ও নিয়ে আসা হয়েছে….ওদের পিছুপিছু দৌড়ে রুমে প্রবেশ করল তাহিন…..
ডক্টর ভ্রু কুচকে চশমাটা নাকের ডগা থেকে একটু উপর করে তাহিনের দিকে তাকিয়ে

-আপনি রোগির কি হোন?

তাহিন ছলছল চোখে ডাক্তার দিকে আমতা আমতা করে জবাব দিল,

-জ্বি আ..আমি ওনার স্ত্রী।

-স্ত্রী?কেমন স্ত্রী আপনি দুদিন ধরে আপনার স্বামী হসপিটালে মৃত্যু সাথে লড়ায় করে যাচ্ছে আর আপনি বাড়ীতে দিব্য বসে আছেন..

কথাটা শুনে তাহিনের বুকের ভিতর দুমড়ে মোচড়ে উঠল..কি বলবে বলার মত কিছু নেই তবু ও যেন বলতে ইচ্ছে হচ্ছে…..

সেই এমন একজন স্ত্রী যার স্বামীর সম্পর্কে জানার কোনো অধিকার নেই।স্বামীর বিশ্বাসের পাল্লাটা যে এখনো ভারী করতো পারেনি….মাথা নিচু করে চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে….তখনি নিলয়ের বিশ্বত সহচারী আফরিন গম্ভীর গলায় বলল

-আপনাকে এটা নিয়ে ভাবতে হবে না…নিজের কাজ করুন?ম্যাম এসবের কিছু জানেনা।কারন ওনাকে কিছু জানোনো হয়নি।

-ওকে…

ডাক্তার নিলয়ের চেকআপ করে

-আপনাদের তো আগেই বলেছি ওনি সম্পূর্ণ বিপদ মুক্ত আছে।।তবু আপনাদের জোরাজোরি আসতে হলো বিধায় একবার চেকআপ করে নিলাম…..পায়ের ইনজুরিটা খুব গুরুতর যার কারনে ওনাকে এক দেড়মাস বেড রেস্টে থাকতে হবে…তবে খুব ভালভাবে টেক কেয়ার করলে আরো তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যেতে পারে….এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আপনার উপর….

তাহিন কে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলতে তাহিন মাথা নাড়াল…নিলয় বিপদ মুক্ত শুনে মনে মনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করল…ডক্তার ঔষধপত্র সব বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেল…..
নিলয়কে ঘুমের ইনজেকশন দেওয়ার কারনে এখনো ঘুমন্ত অবস্থায় আছে….. গার্ডরা ডক্টরকে এগিয়ে দিতে বের হয়ে গেল..শুধুমাত্র আফরিন এখনো ঠাই মেরে দাঁড়িয়ে আছে..বারবার কেমন ভাবে যেন তাহিনের দিকে তাকাচ্ছে…তাহিন সেটা দেখে ও না দেখের ভান করে রইল….তাহিন অাফরিনের এমন চাহনীর কারনটা হয়ত আন্দাজ করতে পেরেছে….তৌহিদ আহমেদ যেহেতু নিলয়কে মারতে চেয়েছে তাই সন্দেহের তীরটা ওর দিকে ধরে আছে… তৌহিদ আহমেদ নিলয়কে ওর জন্য মারতে চেয়েছিল এটা ওদের ধারণা।কিন্তু কেন সেটা তাহিনের আজো অজানা…..

ঘন্টাক্ষানিক পর নিলয় চোখ খুলে থাকায়…..আফরিন এখনো নিলয়ের পাশে বসে আছে…নার্স তাহিনকে নিলয়ের জন্য স্যুপ বানিয়ে আনতে পাঠাল…..স্যুপ নিয়ে আসতেই তাহিনের মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল…কিন্তু সেটা বাইরে প্রকাশ করল না…….আফরিন আছে তার কারণে
স্যুপেরর বাটিটা নার্সের হাতে দিতে নার্স মুচকি হেসে বলল,
-এটা আমার কাজ না ম্যাম।
আপনার কাজ
বলেই হাসিমুখে আফরিন কে সাথে নিয়ে চলে গেল।
তাহিন নিলয়কে খাইয়ে দিয়ে মুখ মুছে দিল।নিলয় প্রথমে মুখ ঘুরিয়ে নিলে ও তাহিনের জোরাজোরি কাছে হেরে যায়।

১৫দিন পার হয়ে গেল**
নিলয় এখন অনেকটা সুস্থ। নিলয়ের সেবা যত্ন কোনো ত্রুটি রাখেনি তাহিন।
নিলয় না চাইতে ও যে সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়েছ তাহিনের উপর।খাওয়া দাওয়া শুরু করে গোসল করানো,জামা কাপড় পরিয়ে দেওয়া এমন যাবতীয় ছোট বড় সব কাজ করে গেছে তাহিন।এমনকি প্রতিদিন সকালে তাহিনের কাধে ভর দিয়ে নতুন করে পথ চলতে শিখার চেষ্টাটা ও।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আল্লাহর দরবারে শুধু একটায় জিনিস চেয়েছে নিলয়ের সুস্থতা।

নিঃস্বার্থ ভাবে শুধু নিলয়ের সেবা করে গেছে।।তবে কেউ কারো সাথে কোনো কথায় বলেনি।নিলয় বলতে চেয়ে ও যেন ইগোতে বাধছে…বাবা মারতে চাই আর মেয়ে সেবা করছে.. সেটা যেন নিলয়কে বেশ ভাবাচ্ছে।।।।তবু যেন মেলাতে পারছেনা…..

তাহিন যে সন্দেহটা করেছে সেটা সম্পূর্ণ ঠিক।তৌহিদ আহমেদ নিলয়কে মারতে চেয়েছিল।তাহিন সেটা একজন গার্ডের মুখে শুনেছে।সেদিন রাতে নিলয় বাসায় ফিরার পথে তৌহিদ আহমেদের লোকেরা নিলয়কে ফলো করে হামলটা করে।নিলয়ের সাথে কোনো গার্ড না থাকার ফলে নিলয় ওদের প্রতিহত করতে পারেনি।তৌহিদ আহমেদের লোকেরা নিকয়ের দিকে এলোপাথাড়ি গুলি ছুটতে একটা নিলয়ের বুকে এসে লাগে।নিলয় দ্রুতগতিতে গাড়িতে উঠে আফরিনকে কল দেই…..সেখান থেকে কোনোমতে পালিয়ে কিছুদূর যেতে সামনে একটা গাছের সাথে ধাক্কা লেগে নিলয় একটা খাদের মধ্যে ছিটকে পড়ে।ততক্ষণিক নিলয়ের ঠিকানা অনুযায়ী আফরিন এসে পৌছাতে নিলয়কে উদ্ধার করে হসপিটালে নিয়ে যায়।নিলয় একটা কিছু একটা সাথে আটকে যাওয়ার কারণে বেশি আহত হয়নি কিন্তু পাটা মচকে পড়াতে পায়ের বেশি ব্যাথা পাই…
অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনের ফেলে ডাক্তার প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছিল।।শুধু মাত্র হায়াতের জোরে মৃত্যু মুখ থেকে বেচে গেল।। হসপিটালে ও যদি ঠিক সময় না পৌছাতে তাহলে ও হয়ত বাঁচানো সম্ভব হত না।

নিলয়ের মনে জায়গা করার কিঞ্চিৎ আশা নিয়ে নিলয়ের সেবা করছেনা…শুধুমাত্র তৌহিদ আহমেদ নিয়ে যে ভুলটা বুজেছে সে ভাঙিয়ে দিয়ে চলে যাবারর আশায়।যদি বা সেটা অনেক আগে করতে পারত যদি নিলয় একবার বাইরে বের হওয়ার সুযোগ দিত তাহলে ঠিকিই প্রমান করে দিত।।

রিংটোনের শব্দে ধ্যান ভাঙে তাহিনের…নিলয় ঘুমিয়ে আছে দেখে তাহিন রিসিভ করতেই চমকে উঠল…..

চলবে….

<ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন>

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here