অতঃপর প্রেমের আগমন পর্ব -শেষ

#অতঃপর_প্রেমের_আগমন
#ইরিন_নাজ
#পর্ব_অন্তিম

সময় বহমান। কে*টে গেছে বেশ কয়েকটা দিন। আজ কোচিং এর এক্সাম এর রেজাল্ট দিয়েছে আয়ানার। দুই মার্কের জন্য প্রথম হতে পারে নি সে। যেই ছেলে টা শুরু থেকে প্রথম হয়ে আসছিলো, সেই প্রথম হয়েছে। কিন্তু মাঝখান থেকে আসা একটা মেয়ের রেজাল্টে ক্লাসের অনেকেই চ*ম’কে গিয়েছে। বিশেষ করে ব্রিলিয়ান্ট দলের ছাত্র ছাত্রীরা। তারা এতদিন আয়ানা কে দেখেও দেখতো না। কিন্তু রেজাল্ট দেখার পর অনেকেই এগিয়ে এসেছিলো তার সাথে কথা বলার জন্য। আয়ানা সবার সাথে বিনম্র ভাষায় কথা বলেছে। তাদের মাঝে অনেকে তার সাথে বন্ধুত্ব করারও চেষ্টা করেছে। কিন্তু সে এই বিষয় টা খুবই সাবধানতার সাথে এ*ড়ি’য়ে গেছে। কারণ আয়ানা জানে, তার রেজাল্ট দেখে যারা তার সাথে বন্ধুত্ব করতে এসেছে তারা সবাই স্বা*র্থা’ন্বে’ষী মানুষ। তারা কেবল আর কেবল নিজেদের স্বা*র্থ বুঝে। স্বা*র্থ পুরণ হলে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তার প্রকৃত বন্ধু হলো দ্বীপ আর মিথি। কারণ তারা দুইজন তার ফলাফল আর যোগ্যতা দেখে নি বরং দেখেছে তার চরিত্র এবং ব্যবহার।

আয়ানার কিছু টা মন খা*রা’প হয়েছে প্রথম হতে পারে নি তাই। আর আদ্রিশ ও তাকে ব*কা দিবে এমন টা ধারণা তার। আয়ানা মুড অফ করে বাসায় আসলো। ফ্রেস হয়ে খেতে বসলো সে। আজ আদ্রিশ আসে নি। হয়তো কাজের চা*প বেশি। আজও আয়ানার খাবার না*ড়া’চা*ড়া দেখে তাকে খাইয়ে দিলেন অনু বেগম। তিনি বুঝতে পেরেছেন কিছু একটা হয়েছে যার কারণে আয়ানার মন খা*রা’প। তিনি ঠিক করলেন খাওয়ানোর পর জিজ্ঞাসা করবেন আয়ানা কে।

খাওয়ানোর পর তিনি আয়ানার কাছে জানতে চাইলেন তার কেনো মন খা*রা’প। আয়ানা রেজাল্টের ব্যাপারে সব টা অনু বেগম কে বললো। অনু বেগম আলতো হাসলেন। আয়ানার গাল টে*নে দিয়ে বললেন,

— এইটুকু তে এতো মন খা*রা’প করলে চলবে? এই এক্সাম এ প্রথম হতে পারো নি তো কি হয়েছে এরপরের টাতে হবে। সামনে আরও কতো পরীক্ষা পড়ে আছে। চেষ্টা করতে থাকো। দেখবে তুমিই প্রথম হবে এর পরের বার।

আয়ানা মুচকি হাসলো। সে জানতো অনু বেগম এমন কিছুই বলবে। তার প্রতিটা কথায় হারানো মনোবল ফিরে পায় আয়ানা। সে অনু বেগমের কোলে মাথা রেখে বললো,

— একটু মাথায় হাত বুলিয়ে দিবে আম্মু?

আয়ানার আবদারে পরম মমতাময়ী মায়ের মতো তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন অনু বেগম। আয়ানা মমতায় পরিপূর্ণ হাতের ছোঁয়ায় শান্তিতে চোখ বু*জে ফেললো। মনে মনে ভাবতে লাগলো, ‘ইশশ কতোই না শান্তি এই কোলে, এই হাতের ছোঁয়ায়।’

———-

রাতে আদ্রিশ আসার পর ভ*য়ে ভ*য়ে নিজের রেজাল্ট সম্পর্কে আদ্রিশ কে জানালো আয়ানা। আদ্রিশের গম্ভীর মুখ দেখে ভ*য়ে চোখ বন্ধ করে ফেললো সে। এই বুঝি তাকে ব*ক’বে। কিন্তু এমন কিছুই হলো না। আদ্রিশ স্বাভাবিক ভাবে বললো,

— চেষ্টা করতে থাকো। আরও ভালো ফলাফল করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

আদ্রিশ কথা শেষ করে পড়াতে শুরু করলো আয়ানা কে। কারণ এরচেয়ে বেশি কিছু বলার নেই তার। যে ফাঁ*কি’বা*জি করে তাকে ব*কা দেয়া যায়, শা*স’ন করা যায় ; কিন্তু যে সারাক্ষন চেষ্টা করে তার শুধুমাত্র মনোবল বাড়ানো যায়। কারণ সে সবসময় নিজের বেস্ট টাই দেয়ার চেষ্টা করে। আর আদ্রিশ জানে আয়ানা কতোটা চেষ্টা করে, কতোটা পরিশ্রম করে। সে নিজের চোখেই সব টা দেখে। তাই এই বিষয়ে বা*ড়’তি কিছু বলা তার সা’জে না।

———

আর ১০ দিন পর মেডিকেল এক্সাম। দিন রাত এক করে পড়ছে আয়ানা। কোচিং এর পড়াশোনা শেষ। এখন বাড়িতে বসেই পড়তে হবে। কোচিং এর নিয়মিত টেস্ট সহ ফাইনাল এক্সামেও প্রথম হয়েছে সে। তারপরও পড়াশোনায় কোনোরকম গা*ফি’ল’তি করছে না আয়ানা। দ্বীপ আর মিথির সাথে প্রায় কথা হয় তার অনুর ফোন থেকে। এই সময়ের ব্যবধানে দ্বীপ আর মিথির মাঝেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে পড়াশোনা নিয়ে তেমন সি*রি’য়াস না হলেও এখন তারা প্রচুর সি*রি’য়া’স এই বিষয়ে। ওই যে বলে না, “সঙ্গ দো*ষে লো*হা ভা*সে”। তারা আয়ানার ভালো গুন টা রপ্ত করেছে। পড়াশোনার প্রতি আয়ানার এতো মনোযোগ দেখে তারাও মনোযোগী হয়ে উঠেছে। তাদের তিনজনের এখন একটাই টা*র্গে’ট, ভালো এবং একই মেডিকেলে চান্স পাওয়া।

এর মাঝে দু’বার নিজের মায়ের সাথে দেখা করে এসেছে আয়ানা। আদ্রিশ নিজেই তাকে নিয়ে গিয়েছিলো সময় বের করে। প্রথমবার কোচিং থেকে আসার সময় নিয়ে গিয়েছিলো। আর দ্বিতীয়বার ছুটির দিনে। সেদিন নিজের বাড়ি থেকে আসার পথে সা*হ’স করে আয়ানা রিয়ার কথা টা তু*লে। অনেক দিন ধরে বলবে ভাবছিলো আয়ানা। সেদিন ছুটির দিন হওয়ায় বলেই ফেলেছে। আর আদ্রিশ ও দ্বিমত করে নি। রিয়ার বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলো। রিয়া তখন বাড়িতেই ছিলো। এতদিন পর বান্ধুবী কে পেয়ে অনেকক্ষণ তাকে ঝা*প্টে ধরে বসে ছিলো আয়ানা। দুজনের চোখেই আনন্দের অ*শ্রু ভি*ড় জ*মিয়েছিল। আদ্রিশ নিরবে দুই বান্ধুবীর আনন্দ পর্যবেক্ষণ করে গেছে। আদ্রিশ আয়ানার হাসব্যান্ড জানার পর তাকে অনেক খা*তি’র যত্ন করেছে রিয়ার পরিবার। ওদের ব্যবহারে আয়ানার আরেকবার মনে হয়েছে, ওরা গ’রী’ব হলেও ওদের মন অনেক বড়।

গাড়িতে থাকাকালীন সময়ে আদ্রিশ রিয়ার সম্পর্কে জানতে চাইলে তাকে সবটা খুলে বলে আয়ানা। রিয়ার ডি*ভো’র্স হওয়া, তার সা*হ’সিকতা, আ*ত্মসম্মানবোধ এসবের ব্যাপারে আদ্রিশ কে জানায়। দেখা হওয়ার দুইদিন পর অ*শ্রুশি*ক্ত চোখে আদ্রিশদের বাড়িতে আসে রিয়া। রিয়া কে কাঁ*দ’তে দেখে অ’স্থি’র হয়ে যায় আয়ানা। কয়েকবার জিজ্ঞাসা করার পর রিয়া চোখ মু*ছে হেসে বলে,

— জানিস আদ্রিশ ভাইয়া নিজেদের কোম্পানিতে আমার চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছে। বেশ ভালো পোস্টে, স্যালারিও ভালো। আর এটাও বলেছে, আমার এডুকেশন আর এক্সপেরিয়েন্স বাড়ার সাথে সাথে আমার পসিশন ও বাড়বে। আমি প্রথমে রাজী হতে চাই নি। তখন ভাইয়া বলেছে, ‘তুমি আমার ছোট বোনের মতো। ধরে নাও আমি তোমার ভাই। আর আমি বড় ভাই হয়ে যদি ছোট বোনের জন্য কিছু করতে পারি তবে অনেক খুশি হবো। বড় ভাই কে ফিরিয়ে দিও না প্লিজ। আর আমি তোমার যোগ্যতা না দেখে নিচ্ছি না, তোমার অবশ্যই যোগ্যতা আছে সেই পদে চাকরি করার।’আমি আর না করতে পারি নি রে। জানিস আব্বু আম্মু কতোটা খুশি হয়েছে। আদ্রিশ ভাইয়া কে এমন ভাবে আদর করছিলো যেনো ভাইয়া সত্যি তাদের ছেলে। তুই আসলেই অনেক ভাগ্যবতী। তোর ক*ষ্ট দেখে আমি সবসময় তোর জন্য দোয়া করতাম যেনো তোর কপালে অনেক ভালো কেউ থাকে। আমার মতো কপাল যেনো কারোর না হয়। আমার দোয়া কবুল হয়েছে রে। তুই সত্যিই অনেক ভালো কাউকে পেয়েছিস। সবসময় ভাইয়া কে আ*গ’লে রাখিস বোন।

রিয়ার কথায় হাসি ফুটে উঠে আয়ানার ঠোঁটে। আয়ানা জানতো আদ্রিশ অনেক ভালো। কিন্তু আয়ানার সেই ধারণাকেও ভে*ঙে’ছে আদ্রিশ। সে আয়ানার ধারণার চেয়েও বেশি ভালো। আদ্রিশের প্রতি সম্মান আরও কয়েকগুন বেশি বেড়ে গেলো আয়ানার মনে। এমন একজন জীবন সঙ্গী পেয়েছে ভেবে সাথে সাথে রবের কাছে শুকরিয়া আদায় করেছে সে।

———-

আদ্রিশ যতটুকু পারছে আয়ানা কে হেল্প করছে। এই কয়েকদিনে আয়ানার প্রতি দু*র্ব’ল হয়ে পড়েছে সে। কারণে অকারণে আয়ানা কে দেখতে ইচ্ছে করে, কথা বলতে ইচ্ছে করে। কাজ ফেলে ছু*টে চলে আসতে ইচ্ছে করে। তবুও নিজের অনুভূতি কে দ*মি’য়ে রাখে সে। মানতে চায় না নিজের অনুভূতি কে। কিন্তু আয়ানা সামনে থাকলে নিজের বে*হা’য়া দৃষ্টি তার উপর থেকে সরাতে পারে না। মেয়েটা নিজের ধ্যা*নে মগ্ন থাকে বলে হয়তো খেয়াল করে না।

অন্যদিকে আয়ানাও আ*স’ক্ত হয়ে পড়েছে আদ্রিশে। লু’কি’য়ে চু*রি’য়ে আদ্রিশ কে দেখতে ভালো লাগে তার। আদ্রিশ আশেপাশে থাকলে নিজেকে অনেক সুখী মনে হয় আয়ানার। যদিও আদ্রিশ কে সে ভ*য় পায়, তবুও তার সংস্পর্শে ভালো লাগে আয়ানার।

তবে কি প্রেমের আগমন ঘ’ট’লো আদ্রিশ আর আয়ানার জীবনে?

———

সবার কাছ থেকে দোয়া নিয়ে বেরিয়ে পড়লো আয়ানা এক্সাম হলের উদ্দেশ্যে। আজ মেডিকেল এক্সাম। আয়ানার কাছে এটা একটা যু*দ্ধে*র চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। তবে আজ আয়ানা ভ*য় পাচ্ছে না। কারণ যাই হোক না কেনো তাকে চান্স পেতেই হবে, নিজের মায়ের জন্য কিছু একটা করতে হবে, নিজেকে আদ্রিশের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। সবাই তাকে নিয়ে অনেক আশা করে। সবার আশা পূরণ করতে হবে। এই কয়েকদিনে নিজেকে সেভাবেই গ*ড়ে’ছে আয়ানা। বাকিটা সে সৃষ্টিকর্তার হাতে ছেড়ে দিয়েছে। তার রব যা করবেন তার ভালোর জন্যই করবেন আয়ানার বিশ্বাস।

আদ্রিশ যাচ্ছে আয়ানার সাথে। অনু বেগম ও আসতে চেয়েছিলেন কিন্তু তিনি অ’সু’স্থ তাই আদ্রিশ আর আয়ানা দু’জনই বা’র’ণ করেছে। আদ্রিশ ড্রাইভ করতে করতে বারবার আয়ানার দিকে তাকাচ্ছে। আজকের আয়ানা কে অন্যরকম লাগছে তার। সে ভেবেছিলো হয়তো আয়ানা না*র্ভা’স ফীল করবে। কিন্তু আজকের আয়ানার মধ্যে সে আলাদাই আত্মবিশ্বাস দেখতে পাচ্ছে। যার মধ্যে নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন পূরণের জো*শ রয়েছে।

গন্তব্যে পৌঁছানোর পর গাড়ি থেকে নামলো আয়ানা আর আদ্রিশ। আয়ানা আদ্রিশের ফোন থেকে মিথি কে কল করে তার অবস্থান জেনে নিলো। যাওয়ার পূর্বে বেশ কিছু উপদেশ দিলো আদ্রিশ। আয়ানা মনোযোগ সহকারে সব টা শুনলো। হল এ যাওয়ার জন্য পা বাড়াতেই পিছন থেকে আবার ডে*কে উঠলো আদ্রিশ। আয়ানা তার দিকে ঘুরতেই বলে উঠলো,

— All the best….

আদ্রিশের কথার বিপরীতে চমৎকার একটা হাসি উপহার দিলো আয়ানা। আদ্রিশ ও আলতো হাসলো। পা বাড়ালো আয়ানা নিজের স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপে পাশ করার লক্ষ্যে।

——–

৩ দিন পর,

মেডিকেল এক্সাম শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন প্রে*সা’র কিছুটা কম আয়ানার। এক্সাম বেশ ভালোই হয়েছে তার। এখন ভার্সিটি এডমিশনের জন্য পড়ছে সে। পড়া শেষ করে উঠার পর হুট করে আদ্রিশ বললো,

— ছাদে যাবে?

আয়ানা প্রথমে অবাক হলো কারণ আজ পর্যন্ত এমন কিছু বলে নি আদ্রিশ। আজ যেনো অন্য কিছু ছিলো আদ্রিশের গলায়। আয়ানাও সম্মতি দিলো যাওয়ার জন্য কারণ সেও চায় আদ্রিশের সাথে সময় কা*টা’তে।

ছাদের দোলনায় পাশাপাশি বসে আছে আদ্রিশ আর আয়ানা। দুজনের চোখ চাঁদের দিকে স্থির। বিশাল বড় চাঁদ উঠেছে আজ। চারপাশ চাঁদের আলোয় জ্ব*ল’জ্ব*ল করছে। বেশ কিছুক্ষন হয়েছে তারা নিরবে পাশাপাশি বসে আছে। কারোর মুখে কোনো কথা নেই।হয়তো অনেক কিছু বলার আছে কিন্তু বলতে পারছে না। নীরবতা ভা*ঙ’লো আয়ানা। চাঁদের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে আদ্রিশের দিকে তাকিয়ে বললো,

— আচ্ছা একটা প্রশ্ন করি?

আদ্রিশ ও নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে আয়ানার দিকে চাইলো। আজ তার মন বেশ ভালো। মৃদু হেসে জবাব দিলো,

— করো।

আয়ানা সা’হ’স পেয়ে বললো,

— আমি জানিনা আমার এই বিষয়ে জানতে চাওয়া ঠিক কিনা! তবে অনেকদিন ধরেই আমার মাথায় এই প্রশ্ন ঘু*র’পা*ক খাচ্ছে। আচ্ছা আপনার বাবা কোথায়? এতদিন হলো আমি এই বাড়িতে এসেছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত কাউকে আপনার বাবা সম্পর্কে কিছু বলতে শুনলাম না। না আপনার বাবার কোনো ফটো দেখেছি। কোথায় তিনি?

আয়ানা নিজের কথা শেষ করে আদ্রিশের দিকে তাকাতেই ভ*য় পেয়ে গেলো। এতক্ষনের শান্তিশিষ্ট আদ্রিশ যেনো এখন হিং**স্র হয়ে উঠেছে। চাঁদের আলোয় তার র*ক্তা*ক্ত চোখেজোড়া স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে আয়ানা। আদ্রিশ বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেলো। আয়ানার দুই পাশে হাত রেখে তার দিকে ঝুঁ*ক’তে’ই চোখ বন্ধ করে ফেললো আয়ানা। আদ্রিশ তার কানের কাছে মুখ নিয়ে হি*স’হি*সি’য়ে বললো,

— আর কারোর কাছে এই প্রশ্ন করার সা’হ’স করবে না। মনে থাকে যেনো।

ছাদের দরজা ধু*ম করে বা*রি খাওয়ায় চোখ মেললো আয়ানা। সামনে আর আদ্রিশ কে দেখতে পেলো না সে। বুঝতে পারলো চলে গেছে আদ্রিশ। চোখ জলে ভরে উঠলো আয়ানার। চোখের পানি মু*ছে সে ভাবতে লাগলো, এমন কি কারণ থাকতে পারে যার জন্য আদ্রিশ এমন ব্যবহার করলো। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও কখনো আদ্রিশের বাবার সম্পর্কে কিছু বলে না। এর পিছনে কি কোনো র*হ*স্য আছে তবে!!!

~সমাপ্ত~

(

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here