তুই আমার প্রতিশোধের মোহর পর্ব ৭

#অবাদ্ধ_যন্ত্রণা
#তুই_আমার_প্রতিশোধের_মোহর
#Megh_La
#Part_07
(কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা। গল্পে নিজের মনের মতো ভাষার ব্যাবহার না পেলে৷ প্রেমের দৃশ্য ফুটে উঠছে এমন মনে হলে গল্পটা ইগনোর করবেন। ধন্যবাদ)
মেঘ টানা ৭ টা ঘন্টা রোদে পুরছে কি করবে কিছু করার নাই৷ হাত পা মুখ বাধা৷ মেয়েটা সেন্স হারিয়ে ছাদে পরে আছে।
বাসায় কেউ নাই৷ একটা জরুরি কাজে ৩ দিনের জন্য বাইরে গেছে। এই বাইরে যাবার সুযোগ নিছে আমান। তার মধ্যে প্রতিশোধের আগুন কেউ নিভাতে পারে নি।
দুপুর ২ টা,
আমান ছাঁদে এসে মেঘকে মাথা নুইয়ে পরে থাকতে দেখে৷
ওর তো খুশি হবার কথা এ দৃশ্য দেখে কিন্তু এই দৃশ্য দেখে ওর কষ্ট হচ্ছে কেন এটাই বুঝতে পারছে না আমান।
আমান মেঘের বাঁধন খুলে ওকে পাজকোলে করে নিচে এনে গোসল করিয়ে শুইয়ে দেয়।
মেয়েটা পুরো ভিজে গেছিলো। ফর্সা মুখটা লাল হয়ে আছে।
পানি দেওয়া তে একটু কমেছে।
মেঘের চোখ বন্ধ আমান গিয়ে মেঘের পাশে বসে।
–সত্যি তুই কিছু করিস নাই আমি কি তবে এমনি তোকে কষ্ট দেই। সত্যি কি আমি তোকে #অবাদ্ধ_যন্ত্রণা দিচ্ছি৷
তবে কি সত্যি আমি ভুল।
না আমি ভুল কেন হবো সেদিন তোকে ডেকেছিলাম কতো আকুতি বিনতি করেছিলাম শুনিস নাই। তবে আজ কেন আমি তোকে দয়া করবো৷
তোকে কষ্ট পেতে হবে৷

এগুলা বলার সময় আমানের চোখ দিয়ে অনাবরত পানি পরছে৷ একের পর এক ফোটা পানি মুখে চোখে পরায় মেঘের সেন্স আসে৷
–আম্মু। তুমি কই? বাবাকে বলো আমার কষ্ট হচ্ছে। (জ্বরের ঘরে আস্তে আস্তে)
আমান খেয়াল করলো মেঘ কিছু বলছে
আমান মেঘের কপালে হাত দিলো মেয়েটার আবার জ্বর আসছে।
এবার সে ভুল ভাল বলছে,
আমান আর একটু কান টা এগিয়ে মেঘের মুখের কাছে নিলো।
–মেরেছে আমাকে হাত পা বেঁধে দেয় আমি কিছু বলতে পারি না৷ আমার না খুব কষ্ট হয়৷ ও আমাকে বুঝে না আমি ওকে ভালোবাসি ও বুঝতে চায় না৷ আমাকে ভালোবাসার বদলে কষ্ট দেয়৷
আমি মরে গেলে ও বুঝতে পারবে ওকে কতটা ভালোবাসি৷
(বির বির করে)
এসব শুনে আমানের হৃদয় টা খত বিক্ষত হয়ে যাচ্ছে।
কোথাও না কোথাও অনুতপ্ত সে৷ আসলে তো তখন মাত্র তার ১০ বছর বয়স। ও কি বুঝতো।
আমানের মাথায় কাজ করছে না হটাৎ অনেক ব্যাথা শুরু হলো৷
আমান মেঘের পেটের উপর মুখ দিয়ে শুয়ে পড়লো৷
কিছু সময় পর আমান ও ঘুমিয়ে গেল৷
সন্ধ্যা,
মেঘের জ্বর কমে নি কারন আমান এতো সময় ওকে জরিয়ে ঘুমচ্ছিলো কেউ ওর যত্ন নেয় নি৷
আমান ঘুম থেকে উঠে তারাতাড়ি মেঘের মাথায় জলপটি দিচ্ছে।
মেঘকে কিছু খাইয়ে ঔষধ খাইয়ে দিলো৷
জ্বর কমে নি৷ বেহুশ অবস্থা মেঘের৷ ঔষধ তো খাইয়ে ছে তাই আমান নিজে ফ্রেস হয়ে মেঘের পাশে শুয়ে পরে৷
কিছু সময় পর হটাৎ মেঘ আমানের কাছে চলে আসে এক দম কুচুমুচু হয়ে আমানের বুকের মাঝে৷
মেঘ এখনো বেহুশ৷
আমান মেঘকে ঠিক করে শুইয়ে দিতে গিয়ে দেখে মেঘের খোলা গলায় কধের কাছের তিলটা জ্বল জ্বল করছে এভাবে এতো কাছে ওকে পেয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে নি আমান৷

সকালে,
আমান উঠে মেঘের আগে জ্বর চেক করে দেখে এখনো ১০২° আছে। কি করে কমাবে৷ এবার তে ডক্টর ডাকতে হবে৷
এর মধ্যে মেঘের সাথে কাল রাতে ওগুলা করা টা ঠিক হয় নি।
এখন আমনের মনের মাঝে মেঘের বলা কথা গুলো বাজছে৷
–আমি মরে গেলে বুঝতে কতোটা ভালোবাসি৷
–ছরি কথা দিচ্ছি আর কষ্ট দিবো না এটা শেষ শুধু সুস্থ হয়ে যা৷
উফ আমি কি করবো এখন৷
আমান জলদি ডক্টর কে ফোন করে৷
ডক্টর এসে মেঘকে চকাপ করে,
–কালকে মেবি উনি জ্বর থেকে উঠেছিল।
–জী৷
–তাহলে আজ কি করে৷
–ডক্টর আপনি,
–নাহ মি. আমান এই ঔষধ গুলো দিন জদি সারে তবে সারলো না হলে হসপিটালাইস করতে হবে।
–ও ঠিক হবে তো৷
–কিছু বলা যাচ্ছে না৷ ওনার সেবা করুন আর ওনার থেকে দুরে থাকুন i hope আপনি দুরে থাকার মানেটা বুঝেছেন৷
ডক্টর চলে গেল।
আমান মেঘকে আবার দুপুরে ঔষধ দিয়ে দেয়৷
এভাবে কাটলো ২ দিন আমানের ঘুম নাই খাওয়া নাই। সে শুধু মেঘের সেবার লেগে ছিলো৷
মেঘ এখন একটু সুস্থ৷
–আমান।
–কিছু লাগবে।
–না৷
–তা হলে৷
–আমার না ঝাল খেতে ইচ্ছে হচ্ছে।
–এখন।
–হুম৷
–কি খাবা বলো।
–beef.
–ওকে আমি রান্না করছি White.
–একটা কথা বলবো৷
–হুম এতো খেয়াল রাখছো কেন তুমি তো চাও আমি মারা যাই৷
এ প্রশ্নের উত্তর আমানের যানা নাই৷ সে কেন মেঘকে কষ্ট দেয় কেন আবার সেরে তুলে৷
–জানি না
বলেই আমান চলে আসে।
চলবে,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here