প্রণয়ের_দহন পর্ব শেষ

#প্রণয়ের_দহন
#অন্তিম_পর্ব
#তাসনিম_জাহান_রিয়া

আজ তিন দিন হলো আরিয়ান নিখোঁজ। এই তিন দিন আরিয়ানকে অনেক খোঁজা হয়েছে কিন্তু আরিয়ানকে কোথাও খোঁজে পাওয়া যায়নি।

এই তিন দিনে আমার অবস্থা সূচনীয়। চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে গেছে। অক্ষি জোড়া লাল হয়ে ফোলে গেছে। এই গুলো আমার কান্না আর নির্ঘুম রাতের সাক্ষী। ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া না করার ফলে অনেকটাই শুকিয়ে গেছি। সারাদিন রুমের এক কোণে পড়ে থাকি। বর্তমানে বেডে মাথা ঠেকিয়ে ফ্লোরে বসে আছি। হুট করেই আরিয়ানের বলা সেই দিনের কথাগুলো মনে পড়ে গেলো।

আমার জীবনের অনেক কিছুই তোমার অজানা। আমি কখনোই চাইনি আমার জীবনের সাথে তোমার জীবন জড়িয়ে যাক। আমার জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই। আজ আছি কাল নাও থাকতে পারি। আমি চাই আমার জীবন সম্পর্কে তুমি সবকিছু জানো।

সবকিছু মুখে বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তোমার জন্য আমি একটা ডায়েরী লিখে রেখেছি। যেখানে আমার জীবনের কিছু গোপন তথ্য আছে যেগুলো আমার ফেমিলির বাইরের কেউ জানে না। তুমি আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে গেছো। তাই তোমার অধিকার আছে আমার সম্পর্কে তোমার সবকিছু জানার। ঐ ডায়েরীটা আমার জামা কাপড়ের ভাঁজে রাখা আছে।

আমি উনার কথা শুনে ডায়েরীটা নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ঐদিন তিনি হাত ধরে আমাকে আটকে দিয়েছিলেন। আর বলেছিলেন,

তুমি ডায়েরীটা পড়বে। তবে আজ নয়। যেদিন আমি তোমার থেকে অনেক দূরে চলে যাব। সেদিন তুমি ডায়েরীটা পড়বে। প্লিজ এর আগে তুমি ডায়েরীটা খোঁজার চেষ্টা করো না।

ডায়েরীর কথাটা মাথাই আসতেই আমি ফ্লোর থেকে ওঠে দৌড়ে কাবার্ড খুলে সমস্ত জামা কাপড় এলোমেলো করে ডায়েরীটা খুঁজে বের করি। ডায়েরীটা খোললাম। কিন্তু ডায়েরীতে কিছু লেখা নেই। ডায়রীর প্রত্যেকটা পেইজ সাদা। আরিয়ান কী ডায়েরীর বিষয়টাও আমার কাছে রহস্য রেখে চলে গেলো।

আমি ডায়েরীটা নিয়ে ধপ করে ফ্লোরে বসে পড়লাম। ডায়েরীটা বুকে জড়িয়ে হাউ মাউ করে কেঁদে দিলাম। মাথার ওপর দিয়ে আমার পায়ের কাছে একটা খাম এসে পড়ল। খামটা একটু অদ্ভুত। খামের ওপর লেখা।

আমি জানতাম তুমি এটা খুঁজে বের করবে।

লেখাটা দেখে আমি একটু অবাক হই। দ্রুত খামটা হাতে তুলে নেই। খামের মুখটা খুলতেই বেরিয়ে আসে তিন পাতার একটা চিঠি। আমার আর বুঝতে অসুবিধা হয় না যে এটা আরিয়ানের লেখা চিঠি।

নেশাময় আয়না

আমি জানতাম একদিন তোমার এই চিঠিটা খোঁজার প্রয়োজন হবে। তবে তোমার কাছে আমি কৃতজ্ঞ আমি দুরে চলে যাওয়ার পর তুমি চিঠিটা খুঁজে বের করেছো। এই চিঠি পড়লে তুমি আমাকে ঘৃণা করবে যেটা আমি সহ্য করতে পারতাম না। তাই তোমাকে বলেছিলাম আমি দূরে চলে গেলে ডায়েরীটা খুঁজে বের করতে। আমি ডায়েরীতে ইচ্ছে করেই কিছু লেখি নাই। কারণ আমার তোমাকে সহজে কিছু পেতে দিতে ইচ্ছে করে না।

আর আমাকে ঘৃণার করার কারণটা হচ্ছে তোমার জীবন এলোমেলো করে দেওয়ার জন্য আমি দায়ী। হয়তো প্রত্যক্ষ ভাবে নয় কিন্তু পরোক্ষভাবে আমিই দায়ী। তোমার সাথে নিহানের বিয়েটা হয়নি আমার কারণেই।

আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যি আজকে বলবো। তুমি আমার বেটার হাফ তাই তোমার জানার অধিকার আছে আমার সম্পর্কে জানার। আমি একজন মানসিক রোগী। সাধারণ মানুষের ভাষায় আমি পাগল। তানহার মৃত্যু সহ্য করতে না পেরে আমি ডিপ্রেশড হয়ে যায়। তিন বার সুইসাইডও করতে যাই। আল্লাহর রহমতে প্রত্যেকবারই বেঁচে যায় তোমার ভাইয়ের কারণে। আয়ান সব সময় আমাকে সাপোর্ট করতো। আমাকে ডিপ্রেশন থেকে বের করার চেষ্টা করতো। কিন্তু লাভ হতো না। আমার পাগলামি দিনকে দিন বাড়তেই থাকে। বাসার কাউকে সহ্য করতে পারতাম না। বার বার আনহার ওপর এ্যাটাক করতাম। আমার মনে হয়েছিল আম্মু আনহাকে বাঁচাতে গিয়ে তানহাকে মেরে ফেলেছে।

আব্বু আমাকে ডক্টরের কাছে নিয়ে যায়। ডক্টর বলে আমি বোনের শোকে পাগল হয়ে গেছি। আব্বু আমাকে মেন্টাল হসপিটালে ভর্তি করে দিয়ে আসে। আমি যেতে চাইনি ।চিৎকার করে বলেছিলাম আমি পাগল নই। কিন্তু কেউ আমার কথা বিশ্বাস করেনি। কেউ বোঝার চেষ্টা করেনি আমি ডিপ্রেশন থেকে এসব করছি। কিন্তু মেন্টাল হসপিটালে যাওয়ার পর আমি সত্যি সত্যিই পাগল হয়ে যায়। ওরা আমাকে নিয়মিত কারেন্টের শক দিত। মেন্টালি টর্চার করতো। তখনো আমি তানহার মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠতে পারিনি। এসব আমি নিতে না পেরে সত্যি সত্যিই একজন মানসিক রোগীতে পরিণত হই।

এটা ছিল আমার ধারণা। কিন্তু আমাকে মানসিক রোগীতে পরিণত করার জন্য নিয়মিত মেডিসিন দিতো। ঐ হসপিটালের এক ডক্টরের সাথে আব্বুর শত্রুতা ছিল। তাই তিনি এমন করে ছিলেন। এভাবে প্রায় ৬ মাসের মতো চলে। বাসার সবার কথা ভুলতে বসি। পুরোনো অনেক স্মৃতিই ভুলে যাই। মুছে যায় তোমার নামটা আমার মাথা থেকে। এসব কিছু হয়েছিল হাই ডোজের মেডিসিন দেওয়ার ফলে। তখন একজন নার্স আসে এই হসপিটালে। নার্স আন্টির আমাকে দেখে মায়া হয়। উনি লুকিয়ে লুকিয়ে অন্য ডক্টরের থেকে পরামর্শ নিয়ে আমার চিকিৎসা করতেন। প্রায় মাস খানিকের মাঝে আমি মোটামুটি সুস্থ হয়ে যাই। ঐ আন্টির সাহায্যে আমি হসপিটাল থেকে পালিয়ে যাই। পালিয়ে বাসায় যায়নি আয়ানের সাথে যোগাযোগ করি। আয়ানের সাহায্যে আমি একটা হোস্টেলে ওঠি। বৃত্তির টাকা আর কিছু টিউশনি করিয়ে আমার পড়াশোনার খরচ আর হোস্টেল খরচ ভালোই চলে যেতো। আয়ান নিজের হাত খরচের টাকা দিয়ে আমাকে সাহায্য করতো।

আয়ানকে আমার কথা বাসার কাউকে বলতে নিষেধ করে দেই। এভাবে চলে যায় দুই মাসের মতো। আয়ান একদিন আমাকে ফোন করে বলে আমার জন্য আম্মু খাওয়া দাওয়া সব ছেড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমাকে খোঁজে না পেয়ে আব্বুও ভেঙে পড়েছে। বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যাই। সবকিছু আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যায়। আবার শুরু হয় তোমাদের বাসায় আসায় যাওয়া। বার বার তোমার নতুন নতুন রূপে প্রেমে পড়া। তোমার প্রতি আমার ভালোবাসাটা নেশায় পরিণত হয়। দিনকে দিন তোমাকে পাওয়ার নেশা তীব্র হতে থাকে।

এভাবে কেটে যায় কয়েকটা বছর। তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা আরো তীব্র হয়। তোমাকে আমি ভালোবাসি এটা তুমি ছাড়া আমাদের বাসা তোমাদের বাসার সবাই জানতো। হুট করেই একদিন তুমি নিহানকে বিয়ে করার জন্য জেদ ধরো। কিন্তু আংকেল নিহানকে পছন্দ করতো না। তাই তিনি কিছুতেই নিহানের সাথে তোমার বিয়ে দিবেন না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তোমার জেদের কাছে হার মানতে হয় আংকেলকে। তোমার সাথে বিয়ে ঠিক করে নিহানের।

তোমার সাথে নিহানের বিয়েটা আমি মানতে পারিনি। নিজেকে পাগল পাগল লাগছিল। আমি আবার সুইসাইড করার চেষ্টা করি। আল্লাহর রহমতে সেদিনও বেঁচে যাই। আমার আবার সুইসাইড করার চেষ্টা করাতে আব্বু ভেঙে পড়ে। বাকি সবাই আমাকে নিয়ে আতঙ্কে থাকতো। এই বুঝি সবাইকে ছেড়ে আমি চলে গেলাম।

আমার আব্বু আর তোমার আব্বু প্লেন করে তোমার আর নিহানের বিয়েটা ভেঙে দেয়। আনিশাকে নিহানের কাছে পাঠায়। নিহান আনিশার মতো সুন্দরী আর টাকাওয়ালা মেয়ে দেখে তোমার কথা ভুলে যায়। রাজি হয়ে যায় আনিশাকে বিয়ে করার জন্য। আর ঐ সব প্লেন করে। আর তোমার সাথে আমার বিয়েটা হয়ে যায়। প্রথমে তোমাকে আমি বিয়ে করতে চাইলেও পড়ে চাইনি। আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমি কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ না।

সবাই জানে আমি সুস্থ হয়ে গেছি। কিন্তু আমি মোটেও সুস্থ নই। সবার সামনে নিজেকে স্বাভাবিক রাখলেও আমি মোটেও স্বাভাবিক মানুষ নই। একটা মানসিক রোগী কখনোই স্বাভাবিক হতে পারে না। তুমি বিয়ের কিছুদিন পর আমার একটা ডায়েরী পড়েছিলে। ঐ ডায়েরীটা আমি ইচ্ছে করেই তোমার সামনে রেখেছিলাম যাতে তুমি ডায়েরীটা পড়ে আমাকে ভালোবেসে ফেলো।

আমার বুকের ওপর নখের আঁচড় দেখে জিঙ্গেস করেছিলে না এগুলো কার? নখের আঁচড়গুলো আমার ছিল। আমি নিজেই নিজের বুকের ওপর নখের আঁচড় কাটি যাতে নিহানকে বুঝাতে পারে আমি আর তুমি আর চার পাঁচটা সুখী কাপলদের মতোই সুখী। আমাদের মাঝে কোনো দূরত্ব নেই। আমি ভেবেছিলাম এসব কিছু শুনে আর দেখে হয়তো নিহান তোমাকে ছেড়ে দিবে। কিন্তু সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নিহান নয়। তাই নিহান তোমার সাথে সরাসরি কথা বলার জন্য আমাদের বাসায় আসার সিদ্ধান্ত নেয়। আমি সেটা আগেই জেনে যাই আর তোমার খাবারের সাথে ঘুমের মেডিসিন মিশিয়ে দেই।
যাতে তোমার সাথে নিহান দেখা করতে না পারে।

নিহানের সাথে তোমাকে দেখলে নিজেকে ঠিক রাখতে পারতাম না। আমি ডেস্পারেট হয়ে যেতাম। আর লিখতে পারছি মাথা যন্ত্রনা করছে।

আরিয়ান

আমি চিঠিটা বুকে জড়িয়ে হাউ মাউ করে কেঁদে দিলাম। উনার জীবনে এত কিছু ঘটে গেছে আর আমি কিছু জানি না।

পাঁচ বছর পর

কেটে গেছে পাঁচটা বছর। সেদিনের পর আরিয়ানকে আর খোঁজে পাওয়া যায়নি। আজ পাঁচ বছর হলো আরিয়ান আমার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। আমি এখন একটা ভার্সিটির টিচার। আমার একটা মেয়েও আছে। মেয়ের নাম আরুহি। দুই বছর আগে আনহার সাথে ভাইয়ার বিয়ে হয়ে গেছে। সবাই আমাকে বিয়ে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমি বিয়ে করিনি। আমি জানি আরিয়ান একদিন ঠিক আমাদের কাছে ফিরে আসবে। এই পাঁচ বছরের ১ হাজারেরও বেশি আমাদের বাসায় নিহান এসেছে আমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব নিয়ে। আমি প্রত্যেক বারই অপমান করে বাসা থেকে বের করে দিয়েছি। আঁচলে টান পড়ায় আমি পিছনে ঘুরে তাকাই। আরুহি আমার শাড়ীর আঁচল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি ওর সামনে হাঁটু গেড়ে বসতেই আরুহি নিজের ছোট্ট ছোট্ট হাত দিয়ে আমার চোখের পানি মুছে দেয়।

মাম্মা তুমি কেঁদো না তুমি কাঁদলে আমার কষ্ট লাগে। আমি সহ্য করতে পারি না তোমার চোখের পানি। দেখো বাবা একদিন ঠিক ফিরে আসবে আমাদের কাছে। তখন বাবা যদি এসে দেখে তুমি কাঁদছো। তাহলে কিন্তু ভীষণ রেগে যাবে।

আমি আরুহিকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে দিলাম। আরুহিও কেঁদে দেয়।

চার বছরের মেয়ে অথচ কতো বুঝে। ঠিক আরিয়ানের মতোই হয়েছে। কিন্তু আরিয়ান তো জানতেই পারলো না আরুহির কথা। আমার মেয়েটা কতোটা হতভাগি জন্মের পর নিজের বাবার ভালোবাসা পায়নি। তবু বাবাকে কতোটা ভালোবাসে। বাসার সবাই যখন আমাকে বুঝায় আরিয়ান আর ফিরবে না। তখন আমার মেয়েটা বলে, তার বাবা একদিন ফিরবে। সবার বাবার মতো তার তাকেও ভালোবাসবে। স্কুলে নিয়ে যাবে, আইসক্রিম খাওয়াবে।

মাম্মা দেখবে একদিন বাবা ঠিক ফিরে আসবে। আমি আর তুমি সারাজীবন অপেক্ষা করবো বাবার জন্য।

ভাইয়া ডাক দিতেই আরুহি চলে যায়। আমি ধপ করে ফ্লোরে বসে পড়ি। আমাদের অপেক্ষার প্রহর শেষ করে দিয়ে আরিয়ান কী ফিরে আসবে। আকাশ আজ ঘন অন্ধকার। দেখার মতো কিছুই নাই তবু আমার তাকিয়ে থাকতে ভালো লাগে।

ভালোবাসার মানুষটির
চোখের দিকে তাকালে
পুরো পৃথিবী দেখা যায়
সেই ভালোবাসা চলে গেলে
গোটা পৃথিবী আঁধারে ঢেকে যায়

তুমি আমার পৃথিবীটা আধারে ঢেকে দিলে। আমার পৃথিবীর কোথাও আলো নেই।

আমার স্বপ্ন গুলোতে দেয়ালে জমে থাকা শেওলার মত শেওলা পরে গেছে।

সেই শেওলা পরিষ্কার করে নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর মতো কেউ নেই। তুমি তো খুৃব ভালো আছো আমাকে ছেড়ে তাই না? কিন্তু আমি ভালো নেই তোমাকে ছাড়া। আমি পারিনি তোমাকে ভুলে অন্য কারো হতে। আমি শুধু তোমারই আছি। আজও পোড়ায় আমাকে তোমার #প্রণয়ের_দহন। শেষ নিঃশ্বাস অব্দি অপেক্ষা করবো তোমার জন্য।

সমাপ্ত

( আসসালামু আলাইকুম প্রিয় রিডার্স। কেমন আছেন? জানি আপনারা অনেক রেগে গেছেন এমন একটা এন্ডিং দেওয়ার জন্য। আমি গল্প লেখা শুরু করার আগেই এমন একটা এন্ডিং ভেবে রেখেছিলাম। আর সব গল্পের শেষ হ্যাপি হয় না। এমন একটা এন্ডিং না দিলে গল্পের নামের সাথে গল্পের থিমের কোনো মিল থাকতো না।

আমি গল্পের এন্ডিং হ্যাপি বা স্যাড কোনটাই দেই নাই। গল্পের এন্ডিং নির্ভর করছে আপনাদের ওপর। আপনারা চাইলে আরিয়ানকে ফিরিয়ে এনে হ্যাপি এন্ডিং দিতে পারেন আবার আরিয়ানকে নিখোঁজ রেখে স্যাড এন্ডিং দিতে পারেন।

আরিয়ানের হারিয়ে যাওয়াটা না হয় রহস্যই থেকে যাক। আমাদের জীবনের অনেক কিছুই আমাদের অজানা থেকে যায়। তেমনি আরশির জীবনে তার স্বামী আর আরুহির জীবনে তার বাবার হারিয়ে যাওয়াটা না হয় রহস্যই থেকে গেলো।

গল্পটা এতো তাড়াতাড়ি শেষ করার ইচ্ছে ছিল না। তবে পড়াশোনা অনেক চাপ। তাই গল্পটা তাড়াতাড়ি শেষ করে দিলাম। গল্পের প্লটটা একটু রহস্যময়। গল্পের প্রত্যেকটা পর্ব অনেক চিন্তা ভাবনা করে লিখতে হয়। তাই শেষ করে দিলাম।

এতোদিন পাশে থেকে ধৈর্য ধরে গল্পটা পড়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকে গল্পের সাইলেন্ট রিডার্সদের সাড়া চাই। অপেক্ষা করবো আপনাদের লাইক আর দুই, তিন লাইন রিভিউয়ের জন্য। খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের সাথে দেখা হবে। ভালোবাসা অভিরাম। ❤❤❤)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here