ভালোবাস কি আমায় পর্ব ৩+৪

#ভালোবাসো কি আমায়🍁
#Part-03
#Writer :-#Saima Islam Mariam❤
.
🍁
.
– মায়া ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখছে,তখনি মায়ের ডাক পরে….

মায়ার মাঃ মামনি লাঞ্চ রেডি হয়ে গেছে খাবার টেবিলে আসো।(আদুরে শুরে)

মায়াঃ আসছি মাম্মি।(ফিক হেসে)

মায়া মোবাইল হাতে নিয়ে আনিতাকে টেক্সট করে।
আনু প্লিজ বইনা আমার বিকালে কেনো যাবো তোর বাসায়?প্লিজ প্লিজ বল আমার ভয় লাগতেছে!

৫মিনিট পর!

আনিতাঃ মায়ার টেক্সট দেখে সাথে সাথে রিপ্লাই করে। বেব সেটা এখন বলা যাবে না,কজ এখন যদি বলে দি তাহলে তো সেটা আর সারপ্রাইজ হলো না। সো সেটার ব্যাপারে এখন বলতে পারবো না…বিকালে আসলে স্বচক্ষে দেখতে পাবে,,,মেরি সুইট বেহেনা।
…..এখন আর টেক্সট দিয়ে ডিস্টার্ব করো না।বাই বাই

মায়াঃ শাঁকচুন্নি, কালা বান্দর, উগান্ডার হনুমান,আস্ত ভদজাতের হাড্ডি,তোরে এখন আমি সামনে পাইলে কাঁচ্চা চিবাইয়া খাইতাম,আমারে টেনশন এ রাখি বলে কি না সারপ্রাইজ…..তোর সারপ্রাইজের গুল্লি মারি(প্রচণ্ড রেগে)……দূর বাবা আমি এতো বক বক করতেছি কেনো,যারে এতো কথা বলতেছি সে তো শুনতেছে না,এই আনু বাচ্চারে নিয়ে আমি পাগল হয়ে যাবো।(বিরক্তি ভাব নিয়ে)

মায়ার মাঃ তাড়াতাড়ি আসো খাবার ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।( চেঁচিয়ে)

মায়াঃ আসছি তো মাম্মি। এতো চেঁচামেচি করতেছো কেনো,আজীব!(বিরক্ত হয়ে)

মায়ার মাঃ আসছি আসছি করে তো দিন পার করে ফেললে। তোমাদের বাবা মেয়েকে নিয়ে আমি আর পারি না, তোমার নিজেরা নিজেদের মনমর্জী মতো চলো,আর আমি যে তোমাদের জন্য হেসেল সামলাতে সামলাতে হিমশিম খাই তা তো তোমাদের বাবা মেয়ের চোখে পড়ে না।( গুমড়া মুখ করে)

(মায়া জিহ্বায় কামড় দিয়ে) এইরে সেরেছে কার উপর রাগ করে কাকে রাগ দেখায় ফেলছি।মাম্মি তো হ্যাব্বী রেগে গেছে।তাড়াতাড়ি গিয়ে রাগ কমাতে হবে!

মায়া তড়িঘড়ি বেধে রুম থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে মায়ের কাছে যাচ্ছে দেখে।

মায়ার মাঃ আরে আরে মায়া কি করছো কি পড়ে হাতে পায়ে ছুট পাবে তো। ধীরেধীরে সিঁড়ি বেয়ে নামো

মায়াঃ মাম্মি কিচ্ছু হবে না এইতো আমি সিঁড়ি পাড় করে ফেলেছি।(বাকা হেসে)

মায়া তার মা কে জড়িয়ে ধরে বলে।

মায়াঃ একচুয়ালি মাম্মি, হয়েছি কি….(বায়না শুরে)

মায়ার মাঃ হ্যাঁ বলো কি হয়েছে?(জিজ্ঞাসু হয়ে)

মায়াঃ (মা কে জড়িয়ে ধরে) আসলে আনিতা একটু আগে কল করে বলছে আজকে বিকালে ওদের বাসায় জেতে! কি যেনো একটা সারপ্রাইজ আছে।বাট কি সারপ্রাইজ সেটা না বলে কল কেটে দিয়েছে তাই একটু রাগ হয়ে ছিলো, তাই মানে তখন ওইভাবে রিয়েক্ট করে ফেলেছি……..সরি মাম্মি (দুঃখিত কন্ঠে)

মায়ার মাঃ ওলে ওলে আমার পাগলি মামনি টা…সরি বলতে হবে, ইট’স ওকে…. মাম্মি তো জানে যে তার মামনি রেগে গেলে এইরকম একটু বিহেভ করে।(দু হাতে মায়ার গাল টেনে)

মায়াঃ লাভ ইউ মাম্মি।উম্মাহ… আমার সোনা মা।( দাঁত কেলিয়ে)

মায়ার মাঃ লাভ ইউ টু মামনি (মায়ার দুগালে দুহাত রেখে)

মায়া আশা চৌধুরী আর সায়ন চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে হওয়ার সুবাদে তারা মায়াকে অনেক স্নেহ করে…..সব সময় মায়ার সব আবদার পূরণ করতে সর্বদা চেষ্টা করে।ছোট বেলা থেকে মায়াকে চোখে হারায় তার বাবা মা,সব কিছুর আগে তারা দুইজন মায়াকে প্রাধান্য দেয়।
🍁
.
মায়া একটু ভদমেজাজি আর জেদি বাট সবার সামন না শুধু নিজের বাবা মায়ের সামনে নিজের রাগ, মেজাজ দেখায়,সাথে বাবা মাকেও যথেষ্ট সম্মান ও শ্রদ্ধা করে!!

মায়া তার মাকে এখনও জড়িয়ে ধরে সোফায় বসে আছে।হঠাৎ কলিং বেল বেজে উঠায় মায়া বসা থেকে উঠে দৌড়ে দরজা খুলে দেয়।

মায়ার বাবাঃ আরে আজকে আমার মায়া মামনি বুঝি আমার জন্য ওয়েট করে ছিলো।(মুখে একরাশ হাসি নিয়ে)

মায়াঃ মোটেও আমি তোমার জন্য ওয়েট করতেছিলাম না হুহ!( মুখ বাকা করে)

মায়ার বাবাঃ আরে আমি জানি তো আমার মায়া মামনি আমার জন্য ওয়েট করতেছিলো যে তার পাপ্পা কখন বাসায় আসবে(ফিক করে হেসে)

মায়াঃ হুহ! জানো যখন তখন লেট করে বাসায় ফিরলে কেনো।(অভিমানী শুরে)

মায়ার বাবাঃ আজকে একট কেস এর জামেলা ছিলো তাই লেট হয়ে গেছি মামনি! এই দেখো মামনি পাপ্পা কানে ধরছি আর লেট করে বাসায় ফিরবো না!(অপরাধীর মতো)

মায়াঃ হয়ছে হয়ছে আর কানে ধরতে হবে না এইবারের মতো ক্ষমা করলার নেক্সট টাইম এমন করলে পানিশমেন্ট পেতে হবে।(ফিক হেসে)

মায়ার বাবাঃ ওকে আর এমন লেট করবো না।বাই দ্যা ওয়ে আজকে দেখি আমার মায়া মামনি একটু সেজেগুজে আছে ব্যাপার কি। (ভ্রু কুঁচকে)

মায়াঃ পাপ্পা একদম নজর দিবে না,ছুঁয়ে দাও আমাকে(একটু চোখ রাঙ্গিয়ে)

মায়ার বাবাঃ ওকে ওকে নজর দিবো না,আমার দিক থেকে চোখটা একটু সড়িয়ে নাও মামনি আমার ভয় লাগছে।(ভয়ে কাঁচুমুচু হয়ে)


তোমাদের বাবা মেয়ের প্রেম আলাপ শেষ হয়ে থাকলে এইবার একটু খাবার টেবিলে এসে লাঞ্চটা করে আমাকে উদ্ধার করো প্লিজ, আমার তো ক্ষুধা লাগছে তো!!(গুমড়া মুখ করে)

মায়াঃ মাম্মি দিলে তো আমার আর পাপ্পার প্রেমের ১২টা বাজিয়ে কত্ত সুন্দর প্রেম আলাপ করতেছিলাম।(গুমড়া মুখ করে)

মায়ার মাঃ হয়ছে হয়ছে! পাপ্পার সাথে আর এতো প্রেম আলাপ করতে হবে না,অনেক বেলা হয়েছে।(বিরক্তি ভাব নিয়ে)
.
.🍁
তারপর ৩জনে লাঞ্চ শেষ করে নিজের রুমে চলে যায়।

মায়া রুমে গিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিতে ঘুমিয়ে পরে
.
বিকাল ৫টায় মায়ার মোবাইলে কল বেজে উঠে, মায়া ঘুম ঘুম চোখে মোবাইল স্ক্রিনে নাম্বার টা দেখে চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় নিমিষে ঘুম পরী উদাও হয়ে যায় মায়ার..

আনিতা আবা কল করতেই মায়া কল ব্যাক করে।

আনিতাঃ মায়া কই তুই..? ৫টা বেজে গেলো আর তুই এখনও এলিনা।(ধমকের শুরে)

মায়াঃ সরি ইয়ার! ঘুমিয়ে পরে ছিলাম। তুই মাকে জাস্ট ২০টা মিনিট সময় দে, আমি একক্ষুণি আসতেছি।

আনিতাঃ ওকে,জাস্ট ২০মিনিট কিন্তু এর থেকে বেশি না!

মায়াঃ থ্যাংক্স ইয়ার! আমি আসতেছি।বাই বাই বেব

মায়া কল কেটে দিয়ে,,, ফ্রেশ হয়ে তড়িঘড়ি বেধে ড্রইং রুমে যায়।

মাম্মি পাপ্পা কোথায় তোমারা। আমি আনিতার বাসায় যাচ্ছি।(চেঁচিয়ে)
#ভালোবাসো কি আমায়🍁
#Part-04
#Writer #Saima Islam Mariam❤
.
🍁
.
-মায়া গাড়ি নিয়ে আনিতার বাসার উদ্দেশ্য বেরিয়ে যায়। প্রায় ২০মিনিট পর আনিতার বাসায় এসে পৌঁছাই।।। ডোরবেল বাজাতে কেউ একজন এসে দরজা খুলে দেয়। বাসায় প্রবেশ করে অবাক হয়ে যায়.. পুরো বাসাটা অন্ধকার হয়ে আছে! মায়া একটু ভয় পেয়ে যায়।(মায়া অন্ধকারে ভয় পায়)

মায়াঃ বাসায় কেউ আছো!!!(ভয় ভয় কন্ঠে)

মায়া কারো সাড়াশব্দ না পেয়ে আবারও বলে উঠে!
আনিতা, আঙ্কেল আন্টি তোমারা সবাই কোথায়?
-মায়া আরো একটু সামনে এগিয়ে দেখে, কেউ একজন হাতে একটা মোমবাতি নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসছে।। আমার আর সমনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সহস হচ্ছে না

মায়া এইবার জোরে চিৎকার করে বলে উঠে।
– এই তুমি আমার দিকে আর এগিয়ে আসবে না, ওইখানে দাঁড়িয়ে থাকো, না হলে খুব খারাপ হবে। (চোখ বন্ধ করে)

মায়া কিছুক্ষন পর চোখ খুলে দেখতে পাই আনিতা তার সমানে একটা কেক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
!
হ্যাপি বার্থডে মাই ডিয়ার মায়া সাথে সাথে বাসার সব লাইট অন হয়ে যায় বাসাটা খুব সুন্দর করে ডেকোরেট করা। আনিতার মা বাবা আর তাদের কয় একটা ফ্রেন্ড পাশের রুম থেকে বেরিয়ে বলে উঠে।
!
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ! হ্যাপি বার্থডে টু ইউ ডিয়ার মায়া। মায়া খুশি হয়ে আনিতাকে জড়িয়ে ধরে বলে

– থ্যাংকইউ বনু! আমার তো মনেই ছিলো না যে আজ আমার বার্থডে!(মায়া)

– আমি জানতাম তো যে তোর এটা মনে থাকবে, তাই তো সারপ্রাইজ দিলাম। (আনিতা)

– থ্যাংকইউ শাঁকচুন্নি। (মায়া)

– আজকের পর তো না তোর বার্থডে আর সেলিব্রেশন করতে পারবো আর না তোর মুখ থেকে শাঁকচুন্নি ডাক শুনতে পাবো (আনিতা)।(মুখ গুমড়া করে)

– এই কথার মানে কি আনু?(মায়া)।(ভ্রু কুঁচকে)

-মানে টানে কিছু না।কেকটা কাট আমি অনেকক্ষণ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি!

– ওহ শিওর!

মায়া কেক কেটে প্রথমে আনিতাকে খাইয়ে দেয় তারপর একে একে আনিতার বাবা মা, আইয়ুশ,মিষ্টি,সিফাত, ঐশি সবাই কে খাইয়ে দেয়, সবাই ও মায়াকে কেক খাইয়ে দেয়
!
মাম্মি পাপ্পার আমার কথা কি ভুলে গেছে তা কি করে সম্ভব! এটা কি করে ভুলে গেলো ওরা(মনে মনে)
!
রাত ১০টা
-সবাই মিলে জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছে।আনিতার আম্মু এসে সবাইকে বলে ডিনার রেডি,,, তোমরা সবাই ডিনারের জন্য ডাইনিং টেবিলে আসো

সবাই মিলে ডিনার শেষ করে যে যার বাসায় চলে যায়।
মায়াঃ আনু আজকে বরং যাই অনেক দেরি হয়ে গেছে, মাম্মি পাপ্পা টেনশন করবে!

আনিতাঃ আচ্ছা সাবধানে যাস।বাসায় পৌঁছে আমাকে
একটা কল দিস।

মায়াঃ ওকে, দিবো।
!
রাত ১১:০৫ মিনিটে মায়া বাসায় এসে ডোরবেল বাজাতে মায়া পাপ্পা দরজা খুলে দেয়। মায়া তার পাপ্পার দিকে তাকি বাকা হেসে বাসায় ভিতর ঢুকে যায়।মায়ার পাপ্পা দরজা লক করে পিছন ফিরে দেখে মায়া সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে যাচ্ছে আর মায়ার মা সোফায় বসে আছে

মায়ার বাবাঃ দাঁড়াও মায়া মামনি!

মায়াঃ মায়া দাঁড়িয়ে বলে কিছু বলবে পাপ্পা?

মায়ার বাবাঃ এতো দেরি করে বাসায় ফিরলে কেনো?

মায়াঃ…………………

মায়া বাবাঃ কি হলো চুপ করে আছো কেনো? আমি তো কিছু জিজ্ঞাসা করেছি তোমাকে(ধমক ফিয়ে)

মায়াঃ সরি পাপ্পা….(মাথা নিচু করে)

মায়ার বাবাঃএখন রাত কয়টা বাজে মায়া, হুহ!(ধমকে)

মায়াঃ সরি তো পাপ্পা!!!

মায়ার বাবাঃ হুহ! আর কথা না বলে যাও রুমে গিয়ে ঘুময়ে পরো।
!
মায়া আর কিছু না বলে সিঁড়ি বেয়ে নিজের রুমে গিয়ে মায়া দরজা খুলতে মায়া শকড!!!! মায়ার পুরো রুমটা গোলাপ আর
বেলুন দিয়ে সাজানো আর বেডের পাশে টি-টেবিলে উপর গোলাপের পাপড়ির মাঝে তার ফেভারিট চকলেট কেক।
!
পিছন থেকে মায়ার বাবা মা জোরে জোরে বলছে……হ্যাপি বার্থডে টু ইউ, হ্যাপি বার্থডে টু ইউ মায়া মামনি। মায়া দৌড়ে গিয়ে তার মা বাবা দুজনকে জড়িয়ে ধরে বলে

– আমি তো ভেবেছিলাম তোমরা আমার বার্থডে (মায়া)

– তোমরা বার্থডে আমারা কি করে ভুলে যাবো বলো তো,এইদিনেই তো তুমি আমাদের কোল আলো করে এসেছো।(মায়ার মা)

-চলো এইবার কেকটা কেটে নিবে(মায়ার বাবা)
!
মায়া কেক কেটে তার বাবা মা দুজনকে খাইয়ে দেয়।
-আমার গিফট কোথায় পাপ্পা?(মায়া)

-এইরে তোমার গিফট এর কথা ভুলে গেছি।(মাথা চুলকিয়ে)

– না মায়া। তোমার গিফট হচ্ছে তুমি কাল সকাল ৬টায় ঢাকাই তোমার নিলিমা আন্টির বাসায় যাচ্ছো।(মায়ার মা)

-সত্যি পাপ্পা(মুখে আনন্দ নিয়ে)

– হুম ৩সত্যি। এখন তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পরো,সকালে আমি আর তোমার মাম্মি তোমাকে স্টেশনে দিয়ে আসবো।
– ওকে
!
মায়ার মা বাবা দুই জনে মায়াকে, গুড নাইট বলে নিজেদের রুমে চলে যায়। মায়া খুশিতে আনিতাকে কল দেয়. দুইবার রিং হওয়ার পর আনিতা কল রিসিভ করে
!
🍁

মায়াঃ হ্যালো… শাঁকচুন্নি বেব?

আনিতাঃ তুই আর কোনো দিনও শুধরাবি না।

মায়াঃ হিহিহিহি! আমি শুধরে গেলে ওকে কে জ্বালাবে?

আনিতাঃ হুম! তাও ঠিক। ঠিক মতো বাসায় গেছোস তো??

মায়াঃহ্যাঁ! শুন না তোকে একটা কথা বলার জন্য কল দিয়েছি!!

আনিতাঃ আমি জানি তুই কি বলার জন্য কল দিয়েছিস,,,আন্টি আমাকে সব বলেছে।এখন তুই জামা কাপড় সব কিছু ঠিকঠাক মতো গুছিয়ে না।গুড নাইট

আনিতা এক নিশ্বাসে সব বলে মায়াকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে কল কেটে দেয়। কারণ আর কিছুক্ষন কথা বললে নিজেকে আর সামলাতে পারবে না, কান্না করে দিবে।মায়া আনিতার কথা শুনে ভেবাচেকা খেয়ে যায়। দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে। নিজের সব জিনিস পত্র একটা স্যুইয়েটকিসে গুছিয়ে নেয়।তারপর রুমের লাইট অফ করে ঘুমিয়ে পরে

🍁 সকাল ৬টায় মায়ার মাম্মি পাপ্পার ডাকাডাকি তে ঘুম ভাঙে…..

চলবে…..
(লেখায় ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏)
চলবে….
(

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here