এক ফ্রেমে তুমি আমি পর্ব ১৭+১৮

#এক_ফ্রেমে_তুমি_আমি
#পর্বঃ১৭
#Arshi_Ayat

নিলয় মাকে পৌঁছে দিয়ে নিচে নামছিলো হঠাৎ দ্বিতীয় ফ্লোরে এসে রিয়ার মতো কাউকে কোণার কেবিনের দিকে যেতে দেখলো।নিলয় দেরি না করেই দৌড় দিলো।কিন্তু কাছাকাছি পৌঁছে বুঝলো এটা রিয়া না।আবার মেজাজ গরম হয়ে গেলো নিলয়ের।কোথায় ভেবেছিলো রিয়াকে একটা ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করবে ফোন কেনো বন্ধ কিন্তু তা আর হলো কই!

নিলয় নিচে নেমে একটা চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলো।দশ পনেরো মিনিট পর ওর মা নেমে বলল”নিল চলতো বাবা তোর আন্টির বাসায় একটু যাবো।ও বারবার করে যেতে বলেছে।”

“এখন আবার কোন আন্টির বাসায় যাবা?”

“আরে তুই চিনবি না আগে যে বাসায় ছিলাম।ওই বাসায় একজনের সাথে পরিচয় হয়েছিলো।অনেকদিন পর এই রাস্তায় এলাম এইজন্য ওনার সাথে একটু দেখা করে যাই।”

“কিহ! না মা আমি পারবো না।তুমি যে কিভাবে এতো আত্মীয় পাতাও আল্লাহই জানে।পরে দেইখো আমার বিয়ের সময় তুমি দাওয়াত দিয়া কুল পাবা না।”

নিলয়ের মা হেসে বলল”একটা মাত্র ছেলে আমার কম মানুষ দাওয়াত দিবো কেন?অনেক মানুষ দাওয়াত দিবো।”

“হুম দিও পুরো শহরের সবাইকে দিও।এখন চলো।”

নিলয় একটা রিকশা ডেকে মাকে নিয়ে উঠে পড়লো।দশমিনিট পর একটা বাড়ির সামনে ওর মা রিকশা থামিয়ে নামলো।নিলয় ভাড়া মিটিয়ে মায়ের পিছন পিছন চলল।যেতে যেতে দেখলো ওর মা একটা মহিলাকে দেখে জড়িয়ে ধরলো তারপর হেসে বলল”কি গো এতোদিন পরে আসলা।”

“আরে বইন বইলো না।সংসারের জ্বালায় ঘর থেকে বের হওয়া যায় না।”

নিলয় মনে মনে বলল”শুরু হইছে তাদের আজাইরা আলাপ।আল্লাহই জানে কবে শেষ হইবো।দুনিয়ার সব মেয়ে বেশি কথা বলে কিন্তু আমার রিয়া একদম চুপ।প্রয়োজন ছাড়া তারমুখ দিয়ে কথাই বের হয় না।আমি পাইছিও একটা চিজ।আবার এই মেয়ের সাথে কথা না বললেও ভাল্লাগে না।কি জ্বালা!!”

নিলয় এগুলো ভাবতে ভাবতে দেখলো দরজা দিয়ে রিয়া ঢুকছে।রিয়া এখনো নিলয়কে খেয়াল করে নি।রিয়া সোজা এসে ওর মায়ের পাশে বসা মহিলার হাতে কতোগুলো টাকা দিয়ে বলল”আন্টি ভাবিতো আসুস্থ তাই আসতে পারে নি।”

“আচ্ছা সমস্যা নেই।রুবিনা এখন কেমন আছে?”

“এইতো ভালো।”

“আচ্ছা তুমি বসো।”

“না না আন্টি ভাবি একলাতো তাই যেতে হবে।”

“আচ্ছা।”

তারপর রিয়া বেরিয়ে গেলো।নিলয়ও সাথে সাথে বেরোলো।নিলয় যে বেরিয়েছে ওনারা কেউ খেয়াল করে নি।নিলয় বেরিয়েই সিড়িতে রিয়াকে আটকে ফেললো।নিলয়কে এভাবে দেখে রিয়া অবাক হয়ে বলল”আপনি এখানে?”

“তোমাদের বাসায় ছাদ খোলা আছে?”

“হুম কেনো?”

নিলয় আর কিছুই বলল না।রিয়ার হাত শক্ত করে ধরে ওকে ছাদে টেনে নিয়ে গেলো।তারপর ভেতর থেকে ছাদের দরজা আটকে দিলো।রিয়া এসবের মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারছে না।তবে এটা যে তুফান আসার আগের লক্ষ্মণ সেটা ঠিকই বলে বুঝতে পারলো।নিলয় ওর দিকে এগিয়ে এসে ওর কোমর ধরে টেনে কাছে নিয়ে আসলো তারপর দাত কটমট করে বলতে শুরু করলো”সমস্যা কি?ফোন ধরো না কেনো?ফোন বন্ধ কেনো?রিলেশন কি রাখতে চাও না?ভাল্লাগে না আমাকে?ভালোবাসা কি শেষ?আমার সাথে কথা বলতে ভাল্লাগে না?নতুন কাউকে পাইছো?”

একসাথে এত্তোগুলো প্রশ্ন করে নিলয় থামলো।রিয়া মুখ নিচের দিকে দিয়ে রেখেছে কোনো কথা বলছে না।রিয়া কোনো উত্তর দিচ্ছে না দেখে নিলয় আরো রেগে বলল”আন্সার মি স্টুপিড।”

রিয়া এবার ওর দিকে ছলছল চোখে তাকালো।তারপর তোতলাতে তোতলাতে বলল” আ.. আসলে আ..আমাট ফোনটা চুরি হ.. হয়ে গেছিলো।তাই আপনাকে ফোন দিতে পারি নি।ভাইয়া রাত করে বাসায় ফেরে আর ভাবির ফোন ধরা যায় না তাই আরোও যোগাযোগ করতে পারি নি।”

নিলয় ওর তোতলানো কথা শুনে হেসে ওর মাথাটা বুকে চেপে ধরে বলল”এই পাগলি!তাহলে এভাবে কান্না করার কি আছে।তুমি কান্না করলে একবারে আমার বুকে গিয়ে লাগে।আর কান্না করবা না।আমি রাগ করছিতো কি হইছে।বয়ফ্রেন্ড রাগ করবে এটা হলো প্রত্যেক বয়ফ্রেন্ডের দায়িত্ব আর গার্লফ্রেন্ড রাগ ভাঙাবে সেটা প্রত্যেক গার্লফ্রেন্ডের কর্তব্য।”

রিয়া ওর বুক থেকে মাথা তুলে বলল”আমি ভয় পেয়ে গেছিলাম।”

নিলয় একহাত দিয়ে কপাল চাপড়ে বলল”হাত পা ঠিকই লম্বা হইছে কিন্তু এখনো বাচ্চা পোলাপানের মতো করে।”

নিলয়ের কথা শুনে রিয়া হেসে দিলো।নিলয়ও হাসলো।তারপর ওর পকেট থেকে ফোনটা বের করে বলল”ধরো ফোন না কিনা পর্যন্ত রাখো।”

“তাহলে আপনি?”

“আরে আমার আরো দুইটা ফোন আছে।”

“এত্তোগুলো ফোন আপনার?”

নিলয় হাসতে হাসতে বলল”এক্স গার্লফ্রেন্ডের বাপের ফোনের শো রুম ছিলো।”

নিলয়ের ফাইজলামি কথা শুনে রিয়া ওকে একটা কিল বসিয়ে দিয়ে চলে যেতে নিলেই পিছন থেকে নিলয় ওর হাত ধরে ফেললো তারপর বলল”কাল তো চাঁদ রাত।বিকেলে বের হইয়ো।ঘুরতে যাবো।”

“কি বলে বের হবো?এখানে তো আমার কোনো ফ্রেন্ডও নাই।”

“কোনো একটা বাহানা দিয়ে বের হবা পরে আমি ম্যানেজ করে দিবো।”

“দেখা যাবে।” রিয়া চলে যেতে যেতে বলল।

নিলয় পিছন থেকে বলল”না আসলে কিন্তু তুলে আনবো।”

শেষের কথাটা রিয়া শুনতে পায় নি তার চগেই চলে গেছে।

১৮.
আয়রা খাওয়া দাওয়া শেষ করে এসে ফেসবুক ওপেন করতেই দেখলো একটা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট।তাও আবার সায়ান্তর।আয়রা একসেপ্ট করলো।তারপর প্রোফাইলে ঢুকে ওর ছবি দেখা শুরু করলো।প্রথমেই সায়ান্ত আরেকটা ছেলের কাধে হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছে।ক্যাপশনে ছিলো “”অনেকদিন পর বড়ভাইয়ের সাথে।””

আয়রা ক্যাপশন পড়তে না পড়তেই পিছন থেকে কে যেনো ওর হাত থেকে ফোনটা কেড়ে নিলো।

আয়রা পিছনে ঘুরে দেখলো আয়েশা ফোন হাতে নিয়ে ছবিগুলো দেখে বলল”কি রে কার ছবি দেখছিস?”

“ওইতো আমাদের ভার্সিটির এক সিনিয়রের।”

“ওর ছবি দেখছিস কেনো?মতিগতি তো ভালো ঠেকছে না।🤨”

চলবে….

(ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন।)
এক_ফ্রেমে_তুমি_আমি
#পর্বঃ১৮
#Arshi_Ayat

আয়েশার কথা শুনে আয়রা মুখ বাকিয়ে বলল”ধূর আপি তুইও না শুধু শুধু সন্দেহ করিস।”

“আমারতো মনে হয় কিছু ঘাপলা আছেই।যাক বাদ দে।তোকে আমি একটা ছবি দেখাই বলবি ছেলেটা কেমন।”

“আচ্ছা দেখা।”

আয়েশা নিজের ফোনে একটা ছেলের ছবি দেখালো।আয়রা ছবিটা দেখে বলল”মাশাল্লাহ ছেলেটাতো জোস।”

আয়েশা হেসে বলল”হুম এই ছেলেই আসছে আমাকে দেখতে।মামার বন্ধুর ছেলে।”

“এই ছেলেকে দেখে আমার ডিসিশন বদলিয়ে ফেললাম যা।তোকে বিয়ে দেবো।”

“আপনার ডিসিশন বদলিয়ে আমাকে উদ্ধার করলেন।” আয়েশা ভেঙিয়ে বলল।

“আরে বোনের জন্য একটু ডিসিশন বদলাতে পারবো না?তাই হয় নাকি?এমনিতেই তুই ছেলেকে দেখে ফিদা হয়ে গেছিস।এখন যদি আমি বাগড়া দেই তাহলে তুই তার বিরহে বিরহিণী হয়ে যাবি।”

আয়েশা ওকে ধাওয়া করতে করতে বলল”ওই দাড়া,দাড়া।তোকে আজকে ধরতে পেলে কি করবো তুই দেখিস।”

আয়রা সারা ঘর দৌড়াতে দৌড়াতে বলল”ধরে দেখা আগে।”

দুই মেয়ের এমন দৌড়াদৌড়ি দেখে ইরা চৌধুরীর চোখে জল চলে এলো।ওরা দুজনই তার সব।ইরা চৌধুরী মনে মনে বললেন’তোদের খুশীতে যেনো কারো নজর না লাগে।এভাবেই তোরা খুশী থাক।’

তারপর ইরা চৌধুরী হাসতে হাসতে বলল”কি রে তোরা দুটো কি ছোট হয়ে গেলি নাকি?”

আয়েশা বিচার দিয়ে বলল”মা দেখো না তোমার ছোট মেয়ে আমাকে উল্টাপাল্টা কথা বলে।”

এবার আয়রা বলল”মা আমি ঠিক কথাই বলছি।”

“হইছে আপনারা দুইজনই সাধু।এখন গিয়ে ঘুমান।অনেক রাত হইছে।”

তারপর পাঁচ মিনিট পর দুজনই আবার মিলে গিয়ে হাসতে হাসতে ঘুমাতে চলে গেলো।ইরা চৌধুরী মেয়েদের কান্ড দেখে না হেসে পারেন না।এখনো দুজনকে দেখে একটা তৃপ্তির হাসি দিলেন।

১৯.
নিলয়ের কথামতো রিয়া একটা বাহানা নিয়ে ভাবীর রুমে আসলো।তারপর ভাবীকে বলল”ভাবী,আমার মেহেদী লাগবে।তাই একটু বাইরে যাবো।”

“আচ্ছা যাও।কিন্তু তাড়াতাড়ি ফিরবে।”

“আচ্ছা ভাবী।”

রিয়া বেরিয়ে নিলয়কে কল দিলো।নিলয় কল রিসিভ করতেই বলল”হ্যা আমি বের হয়েছি।আপনি কোথায়?”

“তিন রাস্তার মোড়ে আছি।তুমি এগোয় আমি আসছি।”

“আচ্ছা।”

রিয়া হাটতে লাগলো।হাটতে হাটতে দেখলো নিলয় দৌড়ে আসছে।তারপর রিয়ার সামনে দাড়িয়ে বলল”বাহ!আজকেতো অনেক সুন্দর লাগছে!”

“প্রতিদিন কি লাগে না?”

“না প্রতিদিন লাগে না।”

রিয়া মন খারাপ করে বলল”সত্যি?”

“প্রতি সেকেন্ড,প্রতি মিনিট,প্রতিটা চোখের পলক,প্রতি মুহুর্ত,প্রতিটা সময় তোমাকে অপ্সরা লাগে।”

রিয়া লজ্জা পেয়ে একটা হাসি দিলো।নিলয় ওর লজ্জা পাওয়া মুখটার দিকে অপলক চেয়ে রইলো।রিয়া খেয়াল করতেই বলল”কি দেখছেন?”

“কিছু না ভাবছিলাম আমার মতো একটা ছেলের কপালেও এমন একজন ছিলো।বাহ!আগে বলতাম আমার প্রেম হয় না কেনো?আমি এটাতে ইন্টারেস্টেড না কেনো?এখন পেলাম কেনোর উত্তর।”

“হইছে চাপা বন্ধ করেন।”

“আরে মেয়ে পটাতে একটু চাপা লাগেই।”

রিয়া চোখ ছোটছোট করে নিলয়ের দিকে চাইতেই ও হেসে দিলো।তারপর বলল”আজতো মেহেদী দিবে তাই না?”

“হুম।”

“মেহেদী দিয়ে আমাকে পিক দিও।”

“ওকে।আচ্ছা আমরা কোথায় যাচ্ছি?”

নিলয় সামনে কাজি অফিস দেখিয়ে বলল”ওখানে।”

“কি?” রিয়া আৎকে বলল।

নিলয় হাসতে হাসতে রাস্তা বসে পড়লো।নিলয়ের হাসি দেখে রিয়া বুঝে গেলো এটা মজা ছিলো।ও রেগে একাই হাটা শুরু করলো।নিলয় দৌড়ে এসে ওর হাত ধরে বলল”সরি।”

রিয়া কোনো কথা বলল না।হাটতেই লাগলো।নিলয় পাশের ফুলের দোকান থেকে একটা গোলাপ কিনলো।রিয়া মনে মনে হাসলো তারপর ভাবলো এটা হয়তো তাকে দিবে।নিলয় রিয়াকে দিলো কিন্তু অন্যভাবে দিলো।একটা পাপড়ি ছিড়লো ওর হাত দিয়ে বলল”ও রিয়া শোনো না।”

রিয়া কোনো উত্তর নাই।তারপর আবার একটা পাপড়ি দিয়ে বলল”কথা বলো প্লিজ।কথা বললে ফুলটা এমনিতেই দেবো।ছিড়বো না।”
তারপরও রিয়ার কোনো উত্তর পেলো না।এভাবে করতে করতে যখন পুরো ফুলের পাপড়ি শেষ তখন রিয়া হেসে দিয়ে বলল”পাগল।”

নিলয়ও হাসলো।তারপর কিছুক্ষণ একসাথে হাটলো।রিয়ার সাথে দুষ্টুমি করলো।দুইটা মেহেদী কিনে দিয়ে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে ইশারায় কল দিতে বলে চলে গেলো।রিয়াও হালকা হেসে ওপরে চলে গেলো।

আজকে চাঁদ রাত বলে সবাই মেহেদী দিতে ব্যস্ত।মিমকে দিয়ে দিচ্ছে ওর মা।মেহেদী দেওয়া শেষে মিম ভিডিও কলে নিরবকে ওর হাত দেখাচ্ছে আর কথা বলছে।

আর আয়রাকে একদিক দিয়ে ইরা চৌধুরী খাইয়ে দিচ্ছে।আরেকদিকে আয়েশা ওর হাত মেহেদী পরাচ্ছে।আর মহারণী আরামে গান শুনছে।আয়রার মেহেদী দেওয়া শেষে আয়রা স্ট্যাচু হয়ে বসে আছে।ইরা চৌধুরী আয়েশাকে খাইয়ে নিজেও খেয়ে নিলো।তারপর আগে মাকে দিলো।পরে নিজে মেহেদী পরে নিলো।

২০.
সায়ান্ত ওর ভাই,বাবা,বন্ধুরা মিলে একটু আগে নামাজ শেষ করে এসেই গরু জবাই দিলো।তারপর এখন সবাই মিলে গোস্ত কাটতে বসলো।
এখন সব জায়গায় একই অবস্থা।

আয়রা ঘরে বসে মুভি দেখছে।আর আয়েশা ফোন টিপছে।ওরা ওদের মামার সাথে কুরবানী দিয়েছে।এখনো মাংস এসে পৌঁছায় নি ঘরে।
.
.
.
.
.
রাতে আয়রা এফবি চালাচ্ছিলো হঠাৎ সায়ান্তর থ্রিকোয়াটার প্যান্ট আর সেন্টু গেঞ্জি পরা পিক দেখে হাসতে হাসতে শেষ তারপর নিচে কমেন্ট করলো”এজ লাইক এ কসাই🐸।

এই কমেন্ট করেই আয়রা অনলাইন থেকে বেরিয়ে গেলো।তারপর বোনের পাশে শুয়ে পড়লো।

আয়েশা আয়রাকে ধাক্কাছে ঘুম থেকে ওঠার জন্য।আয়রা হাই তুলতে তুলতে বলল”কি সমস্যা তোর?ডাকাডাকি করিস কেন?”

“আরে একটুপর যে ছেলে দেখতে আসবে আমাকে তুই জানিস না?”

আয়রা শোয়া থেকে উঠে বলল”ওহ!ভুলেই গেছি।”

“হুম এখন যা রেডি হ।”

“আমি রেডি হবো কেনো?আমাকে কি দেখতে আসবে নাকি?”

“আচ্ছা তোর রেডি হওয়া লাগবে না।বস্তি হয়ে যাইস তুই।”

আয়রা মুখ ধুয়ে এসে বলল”আচ্ছা রেডি হচ্ছি।এবার খুশী?”

আয়েশা হেসে বলল।তুই আয় আমি কিচেনে যাচ্ছি মাকে দেখাতে।

একটুপর ছেলেপক্ষ এলো।আয়রা আয়েশাকে নিয়ে ওদের সামনের চেয়ারে বসিয়ে সামনে তাকাতেই দেখলো নিরব বসে আছে!!!!

চলবে….

(ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।)

চলবে…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here