ছুয়ে দিলে মন পর্ব ১০+১১

#ছুঁয়ে দিলে মন ❤️
#লেখিকা:- তানজিনা আক্তার মিষ্টি ❤️
#পর্ব:-১০

—এতদিন পর তোর সাথে দেখা। এতদিন কই ছিলি আর কোথায় যাচ্ছিস?

প্রশ্নটা করেই আরাফ আরাফ ব্রু কুচকালো। প্রায় তিন বছর পর দেখা তন্ময় এর সাথে। তন্ময় আরাফের ক্লাসমেট ছিল‌।
তন্ময় ,আরাফ, সায়ন আর অনিক চারজনে ফ্রেন্ড কম ভাই বেশি ছিল। হঠাৎ তন্ময় নিখোঁজ হয়ে যায় প্রায় তিন বছর পর আজকে ওর সাথে দেখা। বিশমিত চোখে তাকিয়ে আছে তন্ময় এর দিকে।

—তুই যেখানে যাইতেছিস আমিও সেইখানে যাইতেছি।

অবাকে চরম সীমায় পৌঁছে গেল আরাফ।

—বিয়েতে!

—একটা হাসি দিয়ে মাথা নেড়ে হ্যাঁ জানালো!

—নেহার সাথে তার যোগাযোগ হল কিভাবে?আর এতদিন কোথায় ছিলিস আমাদের সাথে যোগাযোগ করিস নি কেন? হঠাৎ কোথায় হারিয়ে গেলি?

—সেটা খুব কাকতালীয় ভাবেই আমার সাক্ষাৎ হয়েছে নেহার সাথে!

—বুঝলাম না?

তন্ময় বলতে শুরু করল,,

জয় আমি এতদিন অস্ট্রেলিয়া ছিলাম। বাবা হঠাৎ করে আমাকে অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়ে দেয়। সেখানে গিয়ে আমি অবাক এর উপর অবাক হয়ে। মার সাথে আমার যোগাযোগ ছিল না সেখানে জানতে পারি বাবা-আমাকে মার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।রাগে দুঃখে মার বাসা থেকে চলে আসি কারণ আমি ওই লোকটার সামনে ওখানে থাকতে পারবো না। তারপর ওইখানে বাবা-মার এডমিশন কটায় থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয় না। মার কাছে থাকার কথা থাকে আর মা নাকি বাবা কে একটা শর্ত দিয়েছে। আমি মার কাছে থাকবো আর তুহিন বাবার কাছে। এটা যখন জানতে পারি তখন আর দেশে ফেরার ইচ্ছা করে না।নিজেই ঔখানের জব শুরু করে লেখাপড়া চালায় তারপর বিজনেস করি এখন আমি একজন বিজনেসম্যান। মা তার দ্বিতীয় স্বামীকে নিয়ে সুখে আছে সে আর আমাকে নিয়ে ভাবে
নি। আর বাবা তুহিন কে নিয়ে দেশে। ফেসবুকের মাধ্যমে নেহার সাথে আমার ফ্রেন্ডশিপ হয়। নেহার আইডিতে ওর কোন পিক থাকে না হয়তো এটা ফেক আইডি ছিল। আমারটা ফেক আইডি ছিল ও আমাকে চেনে নাই আমি ওকে চিনি নাই। অপরিচিতা ভাবে আবার আমরা দের ফ্রেন্ডশিপ। এক বছর হল আর আমার ফ্রেন্ডশিপ ব্যক্তিগত বিষয়ে কেউ কাউকে জিজ্ঞেস করিনি শুধু কথা বলতাম। হঠাৎ বিয়ের খবর দে আমাকে এক মাস আগে ভিডিও কলে। ফাস্ট অর নাম আইডি থেকে আমার তাই ভিডিও কল আসে ফালতু অবাক হয়ে গেল এতদিনের পরিচিত বলে আমি রিসিভ করি রিসিভ করি দুজনেই দুজনকে দেখে চমকে ওঠে। তারপরে ওর বিয়ের জন্য এখন দেশে আসা ভাবছি বিয়েতে তোরা সবাই আসবি বিয়েতে সবার সাথে দেখা করবো। কিন্তু দেখ তার আগে তার সাথে দেখা হয়ে গেল।

তন্ময় আর জয়ের অনেক কথা হলো। এতদিন পর ফ্রেন্ডকে পেয়ে যায় অনেক ইমোশনাল হয়ে গেছে। জড়িয়ে ধরল বসে রইলো কিছুক্ষণ তারপর অনেক অনেক গল্প করল এতদিন পরে দুজনের যা যা করেছেন স্বপ্নে কথা বলল দুজনেই সাকসেস লেখাপড়া বিজনেস ফ্যামিলি।

,,

নেহা ফোনে সায়নের সাথে ঝগড়া করছে। সায়নের একথা জয় আমার এখানে এসে থাকবে তবে কেন আগে ওকে ফোন দিয়ে তোমার ওখানে নিয়েছো। তোমার জন্য আমার কথা রাখলো না এ নিয়ে তুমুল ঝগড়া দুজনের।
হঠাৎ করে ফোন কেটে দিল নেহা!

সাথে সাথে আবার ফোন বেজে উঠল ও রেগে গিয়ে ফোন কেটে দিল।পরপর দুইবার ফোন কেটে দিল সায়ন এর ফোন দেওয়া দেখে তৃতীয়বার ফোন রিসিভ করল,,

—ওই তুই ফোন করছিস কেন আবার আরেকবার ফোন করলে। তোর কি অবস্থা করি আমি তুই কল্পনাও করতে পারবে না শয়তানের বাচ্চা?

—জান এইসব বলতে হয়না। এভাবে কেউ বকা দেয়।

—জান এর গুষ্টি কিলাই আমি ফোন রাখ শয়তান। ফোন দিলে কিন্তু বিয়ে ক্যানসেল করুম।

সায়ন এবার কেঁদে দেবে এমন অবস্থা।
—সরি সোনা রাগ করে না আমার লক্ষী বউ!আচ্ছা স্যরি আর ঝগড়া করুম না এবারের মত ক্ষমা করে দাও। জয় তোমার কাছে থাক আমার লাগতো না ওরে দিয়ে আমি কি করুম।

সায়ন নেহার রাগ ভাঙ্গানোর চেষ্টা করছে। অনেকক্ষণ পর নেহার রাগ ভাংলো এবার দুজনে প্রেম আলাপ শুরু হলো। হঠাৎ সায়ন বলে উঠলো,,
–জান একটা কিস দাও না?

সাথে সাথে আবার খেপে উঠলো নেহা,
—কি বললি তুই আবার?

—ওই কিছু বলি নাই তো আচ্ছা আমি রাখি মা ডাকছে কাল গায়ে হলুদ কত ব্যস্ত থাকি আমি রাতে কল দিব নি?
বলে তারাতারি ফোন কেটে ফেলে জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগলো। বিয়েটা ভেঙে না নেহা যা রাগী এসব কথা একদম পছন্দ করে না‌।
ফোন কেটে দিতেই নেহা ফোন নিচে নামিয়ে জয় কে কল করতে যাবে এমন সময় হাহাহা করে হাসির শব্দ কানে এলো।

পেছনে তাকাতেই ও চিৎকার করে উঠলো।

নেহার চিৎকার শুনে সামনে দুজন উধাও।
নেহা ওদের বাসার বাগানে বসে আছে। হলুদের স্টেজ সামনে করা হয়েছে সেখানে লোকজন কাজ করছে আর এই পাশে চেয়ার টেবিল দেওয়া হয়েছে বাসার ছোট বড় সবাই সেখানে আড্ডা মাস্তি খেলাধুলা চিল্লাচিল্লি করছে। এত চিল্লাচিল্লি জন্য ফোন আসার নেহা সবার থেকে দূরে সরে একটা চেয়ারে বসে কথা বলছিল লুকিয়ে। কিন্তু এই বান্দরনী আমার পিছু ছাড়েনি।

নিশ্চয়ই ওরা সব কথা শুনেছে এখনই সবাই এটা নিয়ে হাসি তামাশা করা শুরু করে দিবে।ঠিক তাই হলো ওই যে দুইজনেই সবগুলার মাঝখানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে সায়ন শেষের কথাটা বলে যদি বলে দেয় সবাইকে আমার মান সম্মান সব যাবে। বাচ্চাগুলো আর মানুষ করতে পারলাম না।আশেপাশে তাকিয়ে দেখে নেহা বড়টা কেউ এখানে নাই সবাই বাসার ভিতরে চলে গেছে। আর ভাই বোনেরা সবাই চেয়ার পেতে গোল হয়ে বসে আছে এখন বোম ফাটাবে শয়তানী দুটো।
নেহা দৌড়ে ওদের কাছে গিয়ে দাড়াল,

মিষ্টি বলতে যাবে এমন সময় পেছন থেকে নেহা মিষ্টি আর তিতলির হাত শক্ত করে ধরে কঠিন চোখ করে দুজনের দিকে তাকায়।

—তাদের সাথে আমার কথা আছে চলো তো আমার সাথে একটু উপরে।

নেহা দুজনের হাত টেনে উপরে যেতে লাগলো।

—আপু হাত ছার এভাবে টনে নিয়ে যাচ্ছ কেন?
হাত সরানোর চেষ্টা করে কথাটা বলল মিষ্টি

—আপু হাত ছাড়ো? (তিতলি)

—ছাড়বো তার আগে তাদের সাথে আমার কথা আছে? তোরা দুইজনে এত বেয়াদব হয়েছিস কেন?

—মিষ্টি রাগি ভাবে আপুর দিকে তাকাল,, আপু তুমি আমাদের বেয়াদব বললেই? বল এই রাগী মুখটার কাঁদো কাঁদো করে ফেলল; তিতলি দেখছি আপু আমাদের একটু ভালোবাসো না কিভাবে বেয়াদব বলল।

—সাথে সাথে তিতলি ও বলে উঠলো,,, আপু তুমি আমাদের বেয়াদব বললে কেন আমরা কি করেছি?

—কি করেছিস আবার জিজ্ঞেস করছিস?

কথা বলতে বলতে ওরা নেহার রুমে চলে এসেছে। নেহা দুজনকে দিকে রাগী ভাবে তারপরে তো আবার বলতে শুরু করল,,,
—আমি ফোনে কথা বলছিলাম তখন তো দুজন আড়িপেতে শুনছিল তাই না।

—কথাটা শুনে মিষ্টি গালে হাত দিয়ে বলে উঠলো,,, কই নাতো আপু আমরা কি পাগল নাকি আড়িপেতে কেন শুনতে যাব?

—মিষ্টি তুই এত মিথ্যাবাদী হলে কবে থেকে তোকে তো আমি ভালো জানতাম! তুইও শেষে মিথ্যাবাদী হলি। তারা দু’জনই আমার কথা বলার মাঝে হেসে উঠেছনি।

—হ্যাঁ হাসছি তোমার কথা শুনে তো হাসি নাই?(তিতলি)

—তাহলে কি জন্য হাসছিস এখানে তোরা কি করছিলি?

—আমরা তো ওইদিকে এমনিই গেছিলাম?

—এমনি কিছু না জন্য সত্যি করে সব কথা বল।

নেহার রাগী কথা শুনে দুজনেই ভয় পেয়ে গেল।

দুজনে আস্তে আস্তে পারে একসাথে ঘেঁষে দাঁড়ালে। তারপর দুজন দুজনের দিকে তাকাচ্ছে একটু পরপর কি বলা যায় সেটাই ভাবছে। হঠাৎ দুজনে কিছু একটা ভেবে বলতে যাবে নেহার ফোন বেজে ওঠে আবার আপু কারো নাম্বার দেখি তাড়াতাড়ি মুখে হাসি ফোটে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে।

দুজনে নেহার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে।

—ওই আপু চলে গেল (মিষ্টি)

—হ্যাঁরে বাচছি তারিতারি চল পালাই।(তিতলি)

দুজনে তাড়াতাড়ি রুম থেকে বেরিয়ে গেল।

,,

নেহা বাইরে এসে দেখে জয় আর তন্ময় একসাথে দাঁড়িয়ে আছে। এটা দেখে নেহা হাত চোখ বড় বড় যায়।

—এই তোরা সাথে আসলি কিভাবে রে?

—সেসব পরে বলছি দোস্ত আগে আমাদের একটা রুমে‌ নিয়ে চল আমরা প্রচুর টায়ার্ড। (জয়)

নেহা আচ্ছা বল ওর মা বাবাকে ডাক দেয়। জয়া তনময় সাথে তাদের পরিচয় করিয়ে দেয়। তাদের সাথে সালাম দিয়ে হালকা কথা বলে ওদের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়।

,

মিষ্টি , তিতলি (মামাতো বোন) মিষ্টির ,৪ মামা ৩ খালা নেহা মিষ্টির বড় মামার মেয়ে। বড় মামার তিন মেয়ে। নেহা আপু দুই নাম্বার বড় আপার নাম নিসা আপু বিয়ে হয়েছে 1 বছর তিতলি নেহা আপুর ছোট আমার সমবয়সী। মেজো মামার এক মেয়ে দুই ছেলে মেয়ের বয়স 5 বছর নাম মারিয়া। সেজো মামার দুই ছেলে। ছোটমামার এক ছেলে। মিষ্টির মামারা যৌথ ফ্যামিলির সবাই একসাথে থাকে। খালারা এসেছে শুধু মেঘ ভাইয়া আসে নাই।
ভাইয়ার অফিসের জরুরী মিটিং এ আছে জন্য বিয়ের দিন আসবে বলেছে।

মিষ্টি মামাতো খালাতো ভাই বোনের সাথে বাগানে সবার সাথে আড্ডা দিচ্ছে।
#ছুঁয়ে দিলে মন ❤️
#লেখিকা:- তানজিনা আক্তার মিষ্টি ❤️
#পর্ব:-১১

দশটার দিকে সবাই খাবার টেবিলে বসে আছে। বড়র আগে আগে কে যাচ্ছে বাস হয়ে যেত অনেক মানুষ তাই একবারে টেবিলে বসা যায় না সবার। চামড়ার মামাতো খালাতো ভাইবোন বসলেই টেবিল ফিলাপ হয়ে যায় টেবিলে মোট 10 জন বসা যায়।
মামারা নানা রাগে বসে গেছে। তাদের খাওয়া হতেই আমরা সবাই বসে পড়ি। আম্মা এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে খাবার খাইয়ে দিতেছে আর আমি সবার সাথে গল্প করতেছি।

—আম্মু নেহা আপুকে দেখতাছি না সে কোথায়??

—শুনলাম তার নাকি দুইটা ফ্রেন্ড আসছে! তাদের সাথে নাকি গল্প করতেছে।

—ফ্রেন্ড আপুর ফ্রেন্ড রিমি রোজা তারা তো কাল আসবি শুনলাম।আর বাকি ফ্রেন্ডরা না সবাই সায়ন ভাইয়ার ওইপাশে চলে গেছে।

—আরে রিমি রোজা না ছেলে ফ্রেন্ড আসছে।

—ও তা ও খাবেনা?

—পরে খাবে ফ্রেন্ডের নিয়ে একসাথে?

—আচ্ছা!

সবার আগে আমার খাওয়া শেষ। আম্মু চলে গেল।আমার পাশে তিতলি ওর কানে ফিসফিসিয়ে বললাম,,

–ওই তিতলি শোন?

তিতলি ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে কি?

—আপূ নাকি দুইটা ফ্রেন্ড আসছে দেখছিস তাদের।

—নাতো কে বলল তোকে?

—আম্মু! তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ কর চল ফ্রেন্ড দেখে আসি।

–আচ্ছা!

তিতলির খাওয়া শেষ হতেই মিষ্টি আর তিতলি গেস্টরুমে যায়। বাইরে থেকে প্রচন্ড হাসির আওয়াজ আসছে।
দুজনের জানলা দিয়ে উঁকি দিচ্ছে।

কিছু দেখা যাচ্ছে তাই দরজার কাছে গিয়ে হালকা ফাঁক করে উঁকি দেওয়া শুরু করে। তিতলি মিষ্টির পেছনে ছিল।এর জন্য কিছু দেখতে পাচ্ছিল না মিষ্টি দেখতে ছিলাম আমাদের দিকে ঘুরি আর দুইজন নেহা অপরদিকে কি যেন গল্প করছে আর হাসাহাসি করছে।

আচমকা দরজা খুলে ঠাস করে দরজার মেঝেতে পড়ে যায়।

আরাফ নেহা আর তন্ময় গল্প করছিল হঠাৎ দরোজা খুলে ঠাস করে পরে চিৎকার করে ওঠে ফ্লোরের দিকে তাকিয়ে দেখেদুইটা মেয়ে একজনের মুখ দেখা যাচ্ছে না।

মিষ্টি তো ফ্লোরে পড়ে তিতলির দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আর স্টপ থাকলোনা চেঁচিয়ে বলতে লাগলো,,

—শয়তানি বান্দরনি খাটাশ অসভ্য মাইয়া এইভাবে কেউ ধাক্কা দেয়!চুপি চুপি দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম তোর জ্বালায় ধরা পড়ে গেলাম এখন কি হবে তোর লিগা ধরা পড়েছি তার খবর আছে আমার হাতে পায়ে ব্যথা করছে। এখন এরা সবাই কি ভাববে?

একদমে বকতে আছে তিতলি রে এদিকে তিতলি দফারফা প্রচন্ড ভয় পাই নেহা কে স্নেহাদ্রি করে বসা এজন্য মাথা উঁচু করে দেখতেন জুনিয়র দিকে তাকিয়ে আছে যেন আগুন ঝরছে।আর মিষ্টি তো সেগুলো দেখছিনা ও তিতলির দিকে তাকিয়ে বসে আছি। আর বকে যাচ্ছে।

—বোন থাম আমাদের দিকে কেমন করে তাকিয়ে আছে দেখ আজকে তুই আর আমি গেছি।

মিষ্টি এবার থামলো অনুসরণ করে পেছন ফিরে দেখে তিনজনের মধ্যে দুইজনকে কৌতুহল নিয়ে তাকিয়ে আছে আর একজন অগ্নিদৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে।

—এই তোরা এখানে কি করছিস?

মিষ্টি মুখে মেকি হাসি এনেকিছু বলতে যাবে তার আগে একজনের দিকে চোখ পরে আল্লাহ এই লোকটা এখানে কি করছে?

—আপনি এখানে? (আরাফ)

মিষ্টি কিছু বলছ না তার মানে এই লোকটা আপুর ফ্রেন্ড।

নেহা আরাফের কথা শুনে জিজ্ঞেস করল,,

—তুই কি মিষ্টি কে জিনিস ও তো আমার বোন।

–তোর বোন? কীভাবে?

অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল,
কারণ আরাফ জানে মিষ্টি মেঘের বোন। তাহলে নেহার বোন হয় কি করে?

–আমার মামাতো বোন।

— অহহ

_____________________________
চলবে❤️
চলবে ❤️

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here