তোমাকে চাই পর্ব -০৪

#গল্পের_নাম_তোমাকে_চাই
#লেখনীতে_Alisha_Rahman_Fiza
পর্বঃ৪
রক্তিম ছাদের রেলিং ধরে আকাশপাণে তাকিয়ে আছে পাঞ্জাবিটা পাল্টে অফ হোয়াইট রঙ্গের শার্ট আর টাউজার পরে আছে।হাতে তার সেই কালো ঘড়ি অধরা বুঝে না এই ঘড়িটা এতো স্পেশাল কেন তার কাছে?সবসময় এটা পরেই থাকতে হবে অধরা নিজ ভাবনা থেকে বের হয়ে ধীর পায়ে এগিয়ে গেলো রক্তিমের কাছে তার থেকে দুরত্ব বজায় রেখে অধরা দাড়ালো।রক্তিম আকাশপাণে তাকিয়ে থেকেই বললো,
~চাচা,যে বাসা থেকে চলে যেতে চাইছে এটাকে তুই জানিস?
রক্তিমের প্রশ্নে অনেকটাই ঘাবড়ে গেলো সে কারণ রক্তিমের কন্ঠাটা তার কাছে ভালো ঠেকছেনা।অধরা শুকনো ঢোক গিলে বললো,
~জানি।
রক্তিম একইভাবে দাড়িয়ে রইলো আর বললো,
~এই ভাবনাটা চাচার মনে উদয় হলো কী করে তা কী জানতে পারি?
অধরা একটু পিছিয়ে গিয়ে আমতা আমতা করে বললো,
~আমি বলেছি তাই।
রক্তিম এবার বাঁকা হেসে অধরার দিকে ফিরে দাড়ালো অধরা মাথানিচু করে দাড়িয়ে আছে রক্তিম বললো,
~কত বড় হয়েগেছিস তাই না অধরা?
রক্তিমের কথা শুনে অধরা চুপ করে রইলো রক্তিম বললো,
~এতো বড় হয়েগেছিস যে এখন আলাদা থাকার প্ল্যান করছিস।
অধরা মাথানিচু রেখে বললো,
~আমি নিজের ইচ্ছাই এমন করছিনা আপনার মা আর ছোট চাচী সবসময় আমার মাকে অপমান করে।আমি কিছু বলতে পারিনা বাবা আপনাদের অমতে কিছু বলতে পারে না এবং কী নিজ মেয়ের ব্যাপারেও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা।আপনি আমার জায়গায় হলে কী এসব মেনে নিতেন?আমি তো খুব ভালো কলেজে চান্স পেয়েছিলাম ছোট চাচার কথায় বাবা আমাকে সেই কলেজে ভর্তি করালো এসবের কোনো জবাব আছে।
একনাগাড়ে কথা গুলো বলে অধরা হুহু করে কেঁদে উঠলো রক্তিম ভাবলেশহীন ভাবে সব কথা শুনলো তারপর অধরার কাছে গিয়ে বললো,
~শাওন,ইরা,প্রিয়াকে ছাড়া থাকতে পারবি?আমার কথা তো বাদ দিলাম কারণ আমি তো তোর লিস্টে পরিনা।এখন তুই বল ওদের ছাড়া থাকতে পারবি?
অধরা অশ্রুসিক্ত নয়নে রক্তিমের দিকে মাথা তুলে তাকালো রক্তিম সেই চোখের গভীরতা মাপতে থাকলো অধরা কান্নাজড়িত কন্ঠে বললো,
~তাদের ছাড়া থাকতে থাকতে অভ্যাস হয়ে যাবে মানুষ তো অভ্যাসের দাস।কতো কিছু অভ্যাসে পরিণত করেছি তা আপনি জানেন না।
অধরার কথা শুনে রক্তিমের চোয়াল শক্ত হয়ে যায় হাত দুটো মুঠো করে বললো,
~চলে যা আমার সামনে থেকে।
বলেই সে আবার রেলিং ধরে আকাশ-পাণে তাকিয়ে রইলো অধরা একবার রক্তিমের দিকে তাকিয়ে থেকে দৌড়ে ছাদ থেকে চলে আসে নিজ রুমে।দরজাটা বন্ধ করে ঢুলুঢুলু পায়ে হেঁটে ড্রয়ারটা খুলে একটা ডাইরি বের করলো আর তাতে লিখলো,
“মনের আঙ্গিনায় তোমার প্রবেশ নিষিদ্ধ করলাম আমি
জানি এতে মন পুড়বে তবুও চাই দূরে থাকো তুমি আমার থেকে”
এতটুকু লিখতেই অধরার চোখের পানি গুলো ডাইরির পাতা গুলোকে ভিজিয়ে দিলো।অধরা স্টাডি টেবিলে মাথা রেখে কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে পরলো।
রক্তিম এখনো ছাদে দাড়িয়ে আছে তখনই কেউ তার কাঁধে হাত রাখে রক্তিম সেই হাতের মালিকে দিকে তাকিয়ে দেখে সে আর কেউ নয় শাওন।রক্তিম আবার আকাশের দিকে তাকিয়ে বললো,
~রাত কয়টা বাজে এখন পর্যন্ত কেন ঘুমাসনি?
শাওন বললো,
~পানি নিতে এসেছিলাম তারপর দেখলাম তোমার ঘরের দরজা খোলা তাই ভাবলাম তুমি ছাদে।
রক্তিম বললো,
~ঘরে গিয়ে শুয়ে পর।
শাওন বললো,
~কেন ভাইয়া নিজ অনুভূতি কেন লুকিয়ে বেড়াও?এতে তোমারই ক্ষতি।
রক্তিম মেকি হেসে বললো,
~লাভ-ক্ষতি জানিনা আমি কিন্তু যেটা একবার ভেবেছি সেটা আমি করে ছাড়বো।

_______________♥_________________

শাওন দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
~চলো ভাইয়া নিচে যাই।
রক্তিম বললো,
~তুই যা আমি আসছি।
শাওন একবার রক্তিমের দিকে তাকিয়ে ধীর পায়ে সেখান থেকে চলে গেলো।রক্তিম রাতের আধারে ছাদে দাড়িয়ে রইলো আর মনে মনে বললো,
~প্রিয়তমার কাছে যাওয়ার সময় এসে পরেছে।
আযানের শব্দে অধরার ঘুম ভেঙ্গে যায় সে চোখ খুলে নিজেকে স্টাডি টেবিলে আবিষ্কার করলো কিছুক্ষন ভাবার পর অধরার কালকে রাতের কথা সব মনে যায়।অধরার মনটা বিষাদে ভরে উঠে সে চেয়ার ছেড়ে উঠে ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে ওযু করে বাহিরে এসে নামাজ পরে নিলো।মনটাকপ শান্ত করে সে বারান্দায় গিয়ে দাড়িয়ে পরলো ভোরের শুভ্রতা দেখল তার মনটা ভালো হয়ে যায়।হিমেল হাওয়া অধরার শরীরকে ছুয়ে যাচ্ছে অধরা চোখ বন্ধ করে অনুভব করছে।কিছুক্ষণ এভাবে থেকে সে চোখ খুলে তাকিয়ে দেখলো রক্তিম বাসার ভিতরে প্রবেশ করছে পরণে তার সাদা পাঞ্জাবি আর মাথায় টুপি অধরা একধ্যানে সেখানে তাকিয়ে রইলো।রক্তিম চোখ তুলে অধরার বারান্দার দিকে তাকাতেই তাদের চোখে চোখ পরে গেলো অধরা নিজের চোখ সরিয়ে দ্রুত গতিতে ঘরের ভিতর ডুকল পরলো।রক্তিম একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ভিতরে চলে আসলো সিড়ি বেয়ে নিজ রুমে যেতে নিলো তখনই পৃথুলা এসে রক্তিমকে জড়িয়ে ধরলল।ঘটনার আকস্মিকতায় রক্তিম হকচকিয়ে গেলো রক্তিম পৃথুলাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়ে জোরে জোরে নিশ্বাস নিয়ে বললো,
~বেয়াদব মেয়ে এতো বড় সাহস কী করে হয় রক্তিম হোসেনকে স্পর্শ করার?
পৃথুলা রক্তিমের দিকে চোখ বড় করে তাকিয়ে আছে রক্তিমের দিকে এতে রক্তিম আরো রেগে গিয়ে বললো,
~ফুপি তোকে কোনো শিক্ষা দিতে পারেনি অন্যের সন্তানদের লেকচার ঠিকই দিতে পারে কিন্তু নিজ সন্তানকে কোনে শিক্ষা দিতে পারেনি।
বলেই সে গটগট করে নিজ রুমে গিয়ে ঠাস করে দরজা বন্ধ করে দিলো পৃথুলার চোখ লাল বর্ণ ধারণ করলো সে মনে মনে বললো,
~আজ তুমি বলে ছেড়ে দিলাম রক্তিম কিন্তু অন্য কেউ হলে হয়তো
এতটুকু ভেবে পৃথুলা সেখান থেকে চলে যায় তাদের এই ঘটনা কেউ একজন আড়াল থেকে দেখছে সেই ব্যক্তিটি আর কেউ না পৃথুলার মা রোকেয়া হোসেন।সে রাগে ফুসছে আর মনে মনে বললো,
~এটার জন্য শাস্তি তো পেতে হবেই।
অধরা মায়ের সাথে নাস্তা তৈরি করতে সাহায্য করছে সবাই এখনো ঘুমে কুপোকাত।তাহিদা ইসলাম বললেন,
~কফিটা রক্তিমকে দিয়ে আয় বেচারা সকাল থেকে কাজ করছে।
অধরা রুটি বেলতে বেলতে বললো,
~মা,তুমি দিয়ে আসো আমি এগুলো দেখছি।
তাহিদা ইসলাম বললেন,
~অধরা,আজকাল তুই না শব্দটা অনেক ব্যবহার করছিস আমি যা বলেছি তাই করবি।
অধরা কফির মগটা নিয়ে রান্নাঘর থেকে বের হয়ে রক্তিমের ঘরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো।
আইয়ুব হোসেন নিজ ঘরে বসে জোহোরা খাতুনকে বলছেন,
~তৈয়ুব, বাসা থেকে চলে যেতে চায়।
জোহোরা খাতুন মনে মনে খুশি হয়ে যায় এই কথাটা শুনে কিন্তু নিজ খুশিকে দমিয়ে রেখে বললেন,
~দেখেছেন তাহিদার কাজ আমার ভালো দেবরটার মাথা খেয়েছে আর ওর মেয়ে তো আরেক
জোহোরা খাতুনের কথা শেষ করতে না দিয়ে আইয়ুব হোসেন বললেন,
~এসব কথা রাখো আমি তৈয়ুবকে কোথাও যেতে দিবো না ভুলে যেও না বাবা ওকে অনেক সম্পত্তি দিয়ে গেছে আমরা ওকে এ ব্যাপারে কিছুই জানতে দেয়নি।
জোহোরা খাতুন বললেন,
~আপনি কী করতে চাইছেন?
আইয়ুব হোসেন হেসে বললেন,
~সময় হলে সব বুঝবে।
অধরা রক্তিমের ঘরের সামনে এসে দরজায় টোকা দিতেই ভিতর থেকে রক্তিম বললো,
~চলে আয়।
অধরা দরজা ঠেলে ভিতরে ডুকে দেখলো

________________♥_______________

রক্তিম ডিভানে বসে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছে অধরা বললো,
~আপনার কফি।
রক্তিম বললো,
~টেবিলে রেখে দে।
অধরা কফির মগটা টেবিলে রেখে চলে যেতে নিবে তখনই রক্তিম বললো,
~আমার শার্টটা আইরন করে দে বের করে রাখা আছে।
অধরা কিছু না বলে শার্টটা হাতে নিয়ে চলে যেতে রক্তিম তাকে থামিয়ে বললো,
~এখানেই কর আর দ্রুত করবি।
অধরা বললো,
~আমার রুমে গিয়ে করি?
রক্তিম বললো,
~নাহ।
অধরা বাধ্য হয়ে রক্তিমের ঘরেই আইরন করা শুরু করলো রক্তিম তা দেখে মুচকি হেসে নিজ কাজে মনোযোগ দিলো।
সবাই একসাথে নাস্তা করতে বসেছে আইয়ুব হোসেন সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন,
~আজ প্রিয়া শশুড় বাড়ি যেতে হবে রাতে সবাই যেন তৈরি থাকে আর হ্যা রক্তিম তুমি অফিস থেকে তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
রক্তিম বললো,
~ok বাবা আমি চলে আসবো তাড়াতাড়ি।
আইয়ুব হোসেন বললেন,
~আমি চাই সবাই সেখানে শালীন ভাবেই যাবে কোনো ধরনের সমস্যা আমি চাই না।
রোকেয়া হোসেন বললেন,
~বড় ভাইজান আমার যে আপনার সাথে কিছু কথা ছিল।
আইয়ুব হোসেন বললেন,
~রুমে আয়।
আইয়ুব হোসেন চেয়ার ছেড়ে নিজ রুমে চলে গেলো রোকেয়া হোসেন বাঁকা হেসে তার পিছে পিছে চললেন।
রক্তিম অফিসে যাওয়ার জন্য বের হবে তখন সে উচ্চস্বরে অধরার নাম ধরে ডেকে উঠলো।অধরা হাতের কাজ ফেলে দরজার সামনে চলে আসলো রক্তিম বললো,
~আমার দেওয়া ড্রেসটা আজ পরবি কথাটা মনে থাকে যেনো মনে থাকে।
অধরাকে কিছু না বলতে দিয়েই রক্তিন সেখান থেকে চলে গেলো অধরা রক্তিমের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলো।
রোকেয়া হোসেন কাঁদো কাঁদো হয়ে আইয়ুব হোসেনকে বললেন,
~বড়ভাইজান আপনি তো জানেন পৃথুলার বাবা নেই কতো কষ্ট করে আমি তাকে মানুষ করেছি।এখন ওর বিয়ের বয়স হয়েছে আমি চাইছি পৃথুলা আর রক্তিমের বিয়েটা যাতে হয়ে যায়।
আইয়ুব হোসেন বোনের সকল পরিকল্পনা বুঝে নিলেন সে বললেন,
~এতো তাড়াহুড়ার কোনো কারণ নেই আমি এখন এসব নিয়ে ভাবছিনা।
রোকেয়া হোসেন বললেন,
~ভাইজান কী ভুলে যাচ্ছেন আমার ভাগের সব সম্পত্তি আপনাকে কেন দিয়েছিলাম?
আইয়ুব হোসেন বললেন,
~ভুলতে চাইলেও তুমি ভুলতে দেওনা।
রোকেয়া হোসেন বললেন,
~না ভোলাই ভালো ভাইজান।

_______________♥_________________

ইরা আর অধরা একসাথে বসে কথা বলছে নানান বিষয়ে পৃথুলা সেখানে উপস্থিত হলো।পৃথুলা বললো,
~অধরা,তোমাকে মা ডাকছে।
অধরা বললো,
~আসছি আপু।
অধরা তাদের রেখে চলে গেলো রোকেয়া হোসেনের ঘরে আর বললো,
~ফুপি আমায় ডেকেছেন।
রোকেয়া হোসেন বললেন,
~হ্যাঁ ভিতরে আয় তো।
অধরা ভিতরে এসে বিছানার পাশে দাড়ালো রোকেয়া হোসেন ব্যাগ থেকে তার মোবাইল বের করে বললেন,
~তোর কয়েকটা ছবি তুলবো অনেক ভালো ছেলের খোজ পেয়েছি ভাবছি তোর কথা বলবো।
অধরা আকাশ থেকে পরলো এমন কথা শুনে সে সঙ্গে সঙ্গে বললো,
~কী বলছেন ফুপি?আমি এখন বিয়ে করতে চাইনা।
রোকেয়া হোসেন বিরক্তি নিয়প বললেন,
~দেখলেই কী বিয়ে হয়ে যাবে নাকি?এতো ভাবিস না
অধরা কাঠ কাঠ গলায় বলে দিলো,
~আমাকে মাফ করবেন এসবে আমি নেই।
বলেই সে গটগট করে সেখান থেকে চলে গেলো রোকেয়া হোসেন অধরার যাওয়ার পাণে তাকিয়ে বললো,
~আগুন তো দুই সাইড থেকেই মনে হয় লেগেছে।
অধরা আর রোকেয়া হোসেনের সব কথা শাওন শুনে ফেলেছে তাই সে দ্রুত তার ফোন বের করে রক্তিমকে সবটা জানিয়ে দেয়।
অধরা নিজ রুমে এসে পায়চারি করতে থাকে তার মনের ভিতর একটাই প্রশ্ন তার ফুপি এসব ভাবছে কেন?আর বাবা যদি রাজি হয়ে যায় তাহলে কী হবে?অধরা আর ভাবতে পারলোনা সে ফ্লোরে বসে পরলে তার ইচ্ছা করছে নিজের সবটি চুল ছিড়ে ফেলতে।
রক্তিম অফিস থেকে ফিরে এসেছে শাওন তার রুমে বসে আছে রক্তিমের এমন ঠান্ডা attitude দেখে সে অনেকটাই অবাক হয়ে আছে।শাওন বললো,
~ভাইয়া কোনো কিছু বলছো না যে?
রক্তিম বললো,
~আগে আমাকে রেডি তো হতে দে বোনের বাড়ি যাচ্ছি আজ।
শাওন বললো,
~নির্ঘাত বড় কিছু করবে তুমি?
রক্তিম চুল সেট করতে করতে বললো,
~কিছুই করবো না তুই এতো টেনশন নিস না।
শাওন বললো,
~যাই ফুপির জন্য গাড়ি ঠিক করে রাখি আজকেই এই বাসায় ফুপির শেষ দিন।
রক্তিম কিছু না বলে বাঁকা হেসে একবার আয়নায় নিজেকে দেখে রুম থেকে বের হয়ে আসে।অধরা রক্তিমের দেওয়া কালো গাউনটা করেছে তাকে দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে ইরা অধরাকে দেখে বললো,
~আপুকে আজ ফাটাফাটি লাগছে।
অধরা বললো,
~তোকেও আজ অনেক সুন্দর লাগছে।
কথা বলতে বলতে তারা বের হয়ে আসলো রুম থেকে তখনই অধরার পা গাউনে আঁটকে সে পরে যেতে নিল কিন্তু এক জোড়া বলিষ্ঠ হাত অধরাকে ধরে ফেললো।
অধরা মুখ তুলে সেই ব্যক্তিটি কে দেখে তার দিকে নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে রইলো কারণ সেই মানুষটি হচ্ছে

চলবে

(

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here