ভালোবাসার হাতছানি পর্ব ১

#ভালোবাসার_হাতছানি
#লেখিকা-সানজিদা সেতু
#পর্ব-০১
বিশাল এরিয়ার উপর প্রাসাদসম বাড়িটাকে ঠিক নতুন বউয়ের মত করে সাজানো হয়েছে।চারিদিকে আর্টিফিসিয়াল লাইটিং আর রং বেরঙের কাগজ,লাইট,বেলুন,ফুল আর রঙিন ফিতা দিয়ে সাজানো হয়েছে।কিছু্ক্ষণ আগেও লোকজনের কোলাহলে গম গম করছিল কিন্তু এখন সব একেবারে নিস্তব্ধ।হবে নাই বা কেন?রাততো আর কম হল না,যে যার মত ঘুমিয়ে পড়েছে শুধুমাত্র দুজন ছাড়া।তাদের মধ্যে একজন হলাম আমি আর অন্যজন আমার বর…
হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন এ বাড়িতে আজ একটা বিয়ে হয়েছে,আজ বললে হয়তো ভুলই হবে।আসলে বিয়েটা গতকালকেই হয়েছে,আজকে আমাদের বাসররাত।অবাক হচ্ছেন?ভাবছেন বিয়ে কালকে হল অথচ বাসর আজকে!অবাক হবেন না,আসলে পরিস্থিতিটাই এমন ছিল যে এছাড়া আর কোন উপায়ই ছিল না…
.
আমাকে এখন যেই রুমটাতে রাখা হয়েছে সেটা নাকি উনার মানে আমার বরেরই রুম,বাসরঘর বলতে যেমন একটা ঘরকে একটা মেয়ে কল্পনায় ভাবে এই রুমটা ঠিক তেমনই।কিন্তু আমার মধ্যে বিন্দুমাত্র কোন আগ্রহ নেই,থাকবে কি করে এই মানুষটাকে যে আমি স্বপ্নেও আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে ভাবিনি!মাত্র একবারই তারসাথে আমার দেখা হয়েছে তাও আজ থেকে প্রায় মাস ছয়েক আগে…

(ছয় মাস আগে)
-উফ!আম্মু আমরা ওখানে কেন যাচ্ছি বলতো,আমার কিন্তু প্রচণ্ড বিরক্ত লাগছে
-আমরা কেন যাচ্ছি তুই জানিস না?
-জানবো না কেন?কিন্তু আমি একটা জিনিস কিছুতেই বুঝছি না তোমরা আপুর কথা শুনতে গেলে কেন?ওকে নিষেধ করতে পারলে না?
-মেনে কি আর সাধে নিয়েছি?তোর আপুকে চিনিস না?ওর কথা না শুনে উপায় আছে?
-সব হয়েছে ঐ বিদেশী চ্যানেলগুলোর জন্যে।Destination weeding বলে কোন জিনিস কি এখনও বাংলাদেশে সেভাবে চালু হয়েছে তোমারই বল,না হয়নি কিন্তু তোমাদের আদরের বড় মেয়ে কি বলল,”বিয়ে যদি করতেই হয় তাহলে Destination wedding ই করব আর সেটাও কোন একটা রয়্যাল প্যালেসে অথবা ভাল কোন ট্যুরিস্ট স্পটে!”পাগলামীর একটা লিমিটেশন আছে আম্মু…
-চুপ কর ও শুনতে পাবে তো…
-পেলে পাক তাতে আমার কি?ভাগ্যিস শহীদুল আঙ্কেল ছিল,নাহলে যে কি হত! নাহলে হয়তো তোমাদের ঐ পাগলী মেয়ে বিয়েটা না করেই…মা শোনো,এই তোমাদের জন্যই এসব হচ্ছে আমি বলে দিচ্ছি তোমরা দেখে নিও ও একদিন আরও বড় বিপদ ডেকে আনবে…
-আচ্ছা বাবা ঠিক আছে ঠিক আছে,আমাদেরই সব দোষ এবার খুশিতো?
-হ্যাঁ তো তোমাদেরইতো দোষ,আদর দিয়ে দিয়ে তোমরা ওকে মাথায় তুলে ফেলেছো।ও যাই বলছে তোমরা লাফাতে লাফাতে তাই করছো,তোমাদের আস্কারা পেয়ে পেয়েই ও দিন দিন out of control হয়ে যাচ্ছে।এখনও সময় আছে সাবধান হও নাহলে কিন্তু পরে পস্তাতে হবে…

এতক্ষণ যাদের কথা শুনছিলেন তারা হচ্ছে আমার আম্মু আর ভাইয়া।ও আপনারা তো আমার পরিচয়টাই জানেন না,আচ্ছা ঠিক আছে একে একে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি…
সবার আগে….হ্যাঁ আমার আব্বু…
আমার আব্বু-মি. ইকবাল খান,খান শিপিং এজেন্সির মালিক।চিটাগাং সি পোর্টের ৭০% চালানই আমাদের জাহাজ আর নৌকার মাধ্যমে হয়,দেশের খ্যাতনামা বিজনেসম্যানদের মধ্যে তিনিও একজন।ব্যবসার ক্ষেত্রে তিনি যতটা স্ট্রিক্ট,পারিবারিক ম্যাটারে ঠিক ততটায় সেনসিটিভ আর কেয়ারিং।আমাদের তিন ভাই-বোনের জন্য তিনি নিজের জীবনটাও দিয়ে দিতে পারেন তবে তিনি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন আমাকে আর আমিও আব্বুকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।আর একটা গোপন কথা বলি,কাউকে বলবেন না কিন্তু,আব্বু কিন্তু এখনও অনেক রোমান্টিক,আম্মুকে এখনও অনেক বেশি ভালোবাসেন,মাঝে মাঝেই আম্মুর জন্য উনার ফেভারিট শিউলি ফুলের মালা নিয়ে আসেন,ব্যপারটা আর কেউ টের না পেলেও আমি কিন্তু বুঝে যাই কারণ আমারও শিউলি ফুল অনেক পছন্দ তাই গন্ধেই সবকিছু বুঝে যাই।আমার কাছে উনাদের জুটিটা উত্তম-সুচিত্রা বা রাজ্জাক-শাবানার থেকে কোন অংশে কম লাগে না।মাঝে মাঝে আম্মুকে দেখে হিংসে হয় ইশ!এমন একটা রোমান্টিক বর যদি আমি পেতাম,যে রোজ রাতে আমার চুলের খোঁপায় শিউলিমালা পরিয়ে দেবে…
.
আমার আম্মু-মিসেস সুরাইয়া খানম
সাদা-সিধে,নম্র-ভদ্র আর প্রচণ্ড রকমের মিশুক আর অতিথি পরায়ন একজন মানুষ।বি.কম কমপ্লিট করেছেন কিন্তু এখন পুরো দস্তুর গৃহিনী,সংসারের পুরো হাল ধরে রেখেছেন নিজের একা হাতে।
আম্মুর সবচেয়ে বড় উইকনেস হচ্ছে রান্না!কি?অবাক হলেন তাইনা?আসলে আম্মু রান্না করতে ভীষণ পছন্দ করেন,ট্রেডিশনাল রান্নায় উনার জুড়ি মেলা ভার কিন্তু তাতেও তিনি ক্ষান্ত দেন নি।টিভিতে বিভিন্ন রান্নার অনুষ্ঠান দেখে রোজ রোজই নতুন নতুন রান্না ট্রাই করেন আর এক রকম জোর করেই আমাদের সবাইকে সেগুলো খাওয়ান।বেশিরভাগ রেসিপিই হয় একেবারে অখাদ্য তবুও আমাদের সেগুলো মুখ বন্ধ করে খেয়ে যেতে হয় আর অবলীলায় মিথ্যে প্রশংসাও করতে হয়।After all আম্মু রান্না করেছে বলে কথা,মায়ের রান্নাকে কি আর কেউ খারাপ বলতে পারে…
আমার একটা জিনিস কিছুতেই মাথায় আসে না,এসব রান্নার অনুষ্ঠানে এমন সব উদ্ভট রান্না করা শিখিয়ে ওদের কি লাভ?শুধু শুধু আমাদের মত নিরীহ প্রাণীদের খুন করার নতুন নতুন রাস্তা উদ্ভাবন করার কোন যুক্তি আসে?আমার যদি সাধ্য থাকতো তাহলে মিসেস কেকা ফেরদৌসী আন্টিকে Atempt to murder কেসে শুলে চড়াতাম নয়তো এই অপ্রাধে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে উনাকে উনার নিজের রান্না করা খাবারই তিনবেলা খেতে দিতাম…

এবার আসি আমার ভাইয়ার কাছে।
একটু আগে যেই এংরি ইয়াংম্যানের কথা শুনছিলেন তিনিই আমার ভাইয়া ইশতিহার ইকবাল শ্রাবন,The best brother in the world.ভাইয়া এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে আমাকে,আমার জন্য নিজের সব সুখ-শান্তি বিসর্জন দিতে পারে।ভাইয়া আমাদের ভাই-বোনদের মধ্যে সেকেন্ড মানে মেজো।শুনেছি বাড়ির মেজো ছেলে-মেয়েগুলো নাকি বদের হাড্ডি হয়,ভাইয়াকে না দেখলে হয়তো কথাটা অবলীলায় বিশ্বাস করে নিতাম কিন্তু ভাইয়াকে দেখার পর আর তা সম্ভব না কারণ ভাইয়ার মত নম্র ভদ্র আর ভালো ছেলে টর্চলাইট দিয়ে খুঁজলেও আর দুই একটা পাওয়া যাবে কিনা আমার সন্দেহ আছে।ভাইয়া বড় আপুর থেকে মাত্র দেড় বছরের ছোট কিন্তু ওর আচার-আচরণে যে কেউ মনে করবে যে ও আমাদের বড় ভাইয়া।আর বলবে নাই বা কেন?ছোট থেকেই আমাদের দুই বোনকে দুহাতে আগলে রেখেছে আমাদের ভাইয়া।ভাইয়া অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ে কিন্তু এখনই পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার বিজনেসের দেখাশোনা শুরু করে দিয়েছে…
ভাইয়ার শুধু একটাই প্রবলেম,খুব সহজে রাগে না তবে একবার রাগলে আর নিজেকে কনট্রোল করতে পারে না।তাই যখনই রেগে যায় নিজেকে নিজের রুমে বন্দী করে রাখে,দরজা জানালা সব বন্ধ করে রুম অন্ধকার করে বসে থাকে,রাগ কমলে তখনই বের হয় তার আগে না।
.
আমার বড় আপু-ইরতিজা ইকবাল শ্রুতি
নামেই আমাদের মধ্যে বড় কিন্তু আচার-আচরণে,কার্যকলাপে আমাদের সবার মধ্যে ছোট।প্রচণ্ড রকমের জেদি আর একরোখা,একবার যা বলবে করেই ছাড়বে আর পড়াশোনা, কাজেকর্মে এক্কেবারে ঢেঁড়স,একেবারে অকর্মার ঢেঁকি বলতে যা বোঝায় তাই।আপুর সবচেয়ে পছন্দের কাজ হচ্ছে ঘুম,একবার ঘুমালে ওকে উঠানোর সাধ্য আর কারো নেই,আমারতো মাঝে মাঝে মনে হয় ওকে ঘুমন্ত অবস্থায় চিটাগাং থেকে ঢাকায় কিডন্যাপ করে নিয়ে গেলেও ও কিছুই টের পাবেনা!ভাইয়া আর আপুর সম্পর্কটা অনেকটা টম এন্ড জেরি কার্টুন সিরিজের মত।ভাইয়া ওকে একেবারেই সহ্য করতে পারে না শুধুমাত্র ওর এই একরোখা জেদের জন্য কিন্তু আম্মু…শ্রুতি আপু হচ্ছে আম্মুর চোখের মণি,ভাইয়ার অভিযোগ আম্মুর লাই পেয়ে পেয়েই নাকি ও মাথায় উঠে গেছে,ওর এই অধঃপতনের জন্য নাকি আম্মুই দায়ী…
.
এবার আসি আমার পরিচয়ে,আমি শ্রেয়া,ইপ্সিতা ইকবাল শ্রেয়া।আমি পরিবারের সবচেয়ে ছোট সন্তান আর সবার নয়নের মণি বিশেষ করে ভাইয়ার আর বাবার।আপাতত আমার এইটুকু পরিচয় জানলেই চলবে,আসলে আমার সম্পর্কে বলার মত আর তেমন কিছুই নেই যেটুকু আছে ধীরে ধীরে সবই জানতে পারবেন…

পরিচয় পর্বতো শেষ,এবার আজকের ঘটনায় আসা যাক?আমরা সবাই এখন একটা এসি ডিলাক্স বাসে করে চিটাগাং থেকে শেরপুরের দিকে যাচ্ছি,সবাই বলতে আমরা আর আমাদের কিছু আত্মীয়-স্বজন।আর এর পেছনের কারণটা হচ্ছে বড় আপু মানে শ্রুতি আপুর বিয়ে।খন্দকার গ্রুপ অফ ইণ্ডাস্টিজের মালিক সাজাহান খন্দকারের একমাত্র পুত্র আকাশ খন্দকারের সাথে শ্রুতি আপুর বিয়ে ঠিক হয়েছে।
শ্রুতি আপু আর আকাশ ভাইয়া একই ভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছে,দুজন দুজনকে অনেক পছন্দও করে আর তাই আমাদের দুই পরিবারই এই বিয়েতে সানন্দে রাজি হয়ে গেছে।কিন্তু সমস্যাটা বাঁধল অন্য জায়গায়,শ্রুতি আপু জেদ ধরে বসল যে destination weeding করবে তাও আবার কোন রয়্যাল প্যালেসে অথবা ভাল কোন tourist destination এ!
Destination wedding,এই ট্রেন্ডটা আমাদের দেশে এখনও সেভাবে পরিচিতি পায়নি।তবে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ইদানিং এই ট্রেণ্ডটা ব্যাপকভাবে প্রচলিত,বিশেষ করে ইয়াং জেনারেশনের মধ্যে আর ওয়েস্টার্ন কালচারেতো এটা খুবই ইউজুয়াল একটা ব্যপার।যারা এই ব্যাপারে তেমন কিছু জানেন না তাদের জন্য ব্যাপারটা একটু ক্লিয়ার করে দিচ্ছি তবে হ্যাঁ আমি নিজেও কিন্তু এই বিষয়ে খুব বেশি কিছু জানিনা তাই ভুল-ত্রুটি হলে মার্জনা করবেন…
Destination wedding হল এক বিশেষ বিবাহ রীতি যাতে বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে দূরে একটা স্পেসিফিক destination ঠিক করা হয়।জায়গাটা সাধারণত কোন ঐতিহাসিক নিদর্শন বা ইকোনোমিকালি অথবা ন্যাচারালি খুব রিচ হয়।সিলেক্ট করা জায়গাটাতে বর এবং কনে পক্ষের সবাই একটা লং টাইমের জন্য চলে যায় এবং সবাই একসাথে পাশাপাশি থেকে সেখান থেকেই বিয়ের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পন্ন করে।ব্যাপারটা অনেকটাই ট্যুরের মত তবে কিছুটা পার্থক্য অাছে…
তো শ্রুতি আপুকে হাজার বুঝিয়েও যখন কোন লাভ হল না তখন অনেক কষ্টে বাবা আর খন্দকার আঙ্কেল মিলে শেরপুর শহরের অদূরে এই মহুয়া কটেজটা মাত্র দশদিনের জন্য ব্যবহার করার অনুমতি ম্যানেজ করেছে।আর আমরা সবাই এখন সেখানেই যাচ্ছি,আকাশ ভাইয়াদের ফ্যামিলি দুদিন আগেই ওখানে পৌঁছে গেছে।একটু ঝামেলা থাকায় আমাদের আসতে একটু দেরি হয়ে গেল…

-ও..ম্যাডাম তাহলে এতক্ষণ ধরে এই কাজ করছিল?
-আহ্ ভাইয়া,ডায়রীটা দে প্লিজ…
-কেন?আমিওতো দেখি আমার পিচ্চি বোনটা তার ডায়রীতে কি কি লিখে রেখেছে…
-প্লিজ ভাইয়া…
-আচ্ছা ঠিক আছে,এই নে ধর
-Thank you ভাইয়া…(জড়িয়ে ধরে)
-আমার পাগলী বোনটা,তা আজকে তোর ডায়রীতে কি কি লিখলি?
-কিছুই না
-তাহলে এতক্ষণ ধরে কি করছিলি?
-পড়ছিলাম
-তোর লেখা তুই পড়তে যাবি কেন?
-কোন কাজ নেই তাই
-ওর দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিলাম,আমার পিচ্চি বোনটা যাকে আমি এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।প্রচণ্ড রকমের শান্ত-শিষ্ট আর ভাল মেয়ে,সবসময় চুপচাপ থাকে কিন্তু সবার সব রকম খবরাখবর রাখে।সবার ভাল-মন্দ,কখন কার কি লাগবে সবকিছুর।এক কথায় সবদিক দিয়েই পারফেক্ট আমার বোনটা,শুধু একটা দিক ছাড়া আর সেটা হল ইজিলি সবার সাথে মিশতে পারে না তাই ভালোভাবে কারো সাথে চেনা জানা না হওয়া পর্যন্ত ইউজুয়ালি এভয়েড করার চেষ্টা করে
-ভাইয়া…
-কিছু বলবি?(চমকে উঠে)
-মন খারাপ?
-আরে না…
-তাহলে?
-ওই একটু মেজাজ খারাপ
-কেন?
-কেন আবার,ঐ শ্রুতিটার জন্য।তুই ই বল এসবের কোন মানে হয়?
-কেন?
-সব সময় ঐ হিন্দি সিরিয়াল আর রাবিশ রিয়ালিটি শো গুলো দেখে দেখে পেত্নীটার মাথায় এসব ভূত চেপেছে
-তাহলে ওকে কিছু বলছিস না কেন?
-বলতাম কিন্তু ওর মুখের দিকে একবার তাকিয়ে দেখ,কি দেখতে পাচ্ছিস?
-কি?
-ওকে কত খুশি লাগছে দেখেছিস?
-হুম
-ওর এই হাসি-খুশি মুখটা দেখে আর কিছু বলতে পারছি না।হাজার হোক আমাদেরইতো বোন,তাই ওর হাসির জন্য সব করতে পারি…
-শুধু ওকেই ভালোবাসিস!আর আমি?
-(ওর মাথায় হাত বুলিয়ে)আরে পাগলী তোকেতো আমি আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসি
(খুশি হয়ে ভাইয়াকে জড়িয়ে ধরলাম)
-Love you so much ভাইয়া
-Love you too পিচ্চু…
চলবে…
#নোটঃ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here