King_in_the_city_of_Mafia পর্ব ১১

#King_in_the_city_of_Mafia
#Yanur_Akter_Eanya
#Part-11
-;”তুমি কি কোনোদিন বুঝবে না আরহাম আমি তোমায় কতটা ভালোবাসি।তুমি ভালোবেসে আমাকে আপন করবে কি না সেটা সম্পূর্ণ তোমার সিদ্ধান্ত । বাট আমি তোমার পিছু আর ছাড়ছি না, হয় তুমি আমায় আপন করবে না হয়ে সারা জীবন মতো হারাবে।আমি অপেক্ষা করবো আমার বিয়ে আগ মূহুত পর্যন্ত এর মধ্যে তুমি যদি না আসো তাহলে সারাজীবন মতো তোমার নীলিমা কে হারাবে।সেই দিন তোমার নীলিমা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করবে”।

“আরহাম নিলীমা দেওয়া মেসেজটা পড়ে চুপ করে আছে কি করবে না করবে বুঝতে পারছে না।মাথা বড্ড ফাকা ফাকা লাগছে।বাবা ষড়যন্ত্র ফাদঁ আর নিলীমা ভালোবাসায় দুটোই দোটানায় ফেলেছে কি করবে বুঝতে পারছে না আরহাম”।

“ভালোবাসায় কখনো হাসায় আবার কখন কাদাঁয়। কারো ভালোবাসায় পূরনতা পায় তো কারো ভালোবাসা খেলাঘর পরিনত হয়।ভালোবাসা সবার জীবনে একবার হলে ও আসে।কেউ ভালোবেসে আগলে রাখতে জানে তো আবার কেউ নদীর ভেলার মতো ভাসায়। আমরা অনেক আছি ভালোবাসায় পেয়ে সেটা মূল্য দেই না অবহেলা করি।যখন ভালোবাসা মানুষটা হারিয়ে যায় তখন হাজার চেষ্টা করে ও তাকে আর ফিরে পাওয়া যায় না”!সেটার জন্য শুধু আপসোস করি।”

“আরহাম নীলিমা কে ভালোবেসে বলতে পারছে না ভালোবাসি।আর এই দিকে নীলিমা তৃষ্ণাতকাকে মতো পথ চেয়ে বসে আছে কখন আসবে তার ভালোবাসার মানুষটা কখন বলবে সে ভালোবাসি।নীলিমা মনে হয় একটা ঘুমের মাঝে আছে হয়তো ঘুম ভাঙ্গলেই বুঝতে পারবে আরহাম নীলিমা কে বুকে জড়িয়ে ভালোবাসি কথাটা বলছে।কিন্তু না আরহাম আসবে না।তবে কি আরহাম আর নীলিমা চলার পথ এই পর্যন্ত ছিলো।ভালোবাসা দুটো মানুষ আলাদা হয়ে যাবে চিরকালের মতো”।

“নীলিমা বালিশে মুখ গুজে কাঁদছে আরহাম মেসেজটা পাওয়ার পর আসেনি”।

-;”কেনো আরহাম…. কেনো? কেনো তুমি আসলে না? তুমি তো জানতে আমি তোমায় কতটা ভালোবাসি!তবু তুমি আমার থেকে মুখটা ফিরিয়ে নিলে কেনো?তুমি বুঝলে না আমার ভালোবাসা।আজ আমার আর ‘জেন’ Engagement হয়ে গেলে এখন আমি অন্য কারো বাগদত্তা।একদিন তুমি ঠিকই বুঝবে যখন শুনবে আমি আর নাই এই দুনিয়াতে।তুমি হয়ত ভাবছ আমি জেন কে বিয়ে করে সত্যি সংসার করবো তাহলে বলবো ভুল ভাবছো তুমি।আমি বিয়ের পিরিতে বসবো ঠিকই কিন্তু এটা শুএুমাএ তোমার সাথে জেন সাথে নয়।পবিত্রিত বন্ধ আবদ্ধ হতে হলে তোমার সাথে হবো। আর যদি তা না হয় তাহলে বিয়ে সাজে নববধূ বিয়ের পিরিতে পৌছালে ও বিয়ে হবে না।তোমার নীলিমা নিজেকে শেষ করতে দু’বার ভাববে না।হয়তো তোমাকে আমার করে পাওয়া হবে না কোনোদিন।কিন্তু আমার সবটা জুড়ে তো তোমার বসবাস।যাকে ছোট বেলা থেকে পাগল মতো ভালোবেসে এসেছি যাকে ঘিরে আমার হাজার স্বপ্ন ছিলো সে মানুষটা কে ভুলে আমি নতুন করে ঘর সাজাব তুমি ভাবলে কি করে।তোমার জায়াগায় তোমার থাকবে সেখানে দ্বিতীয় কারো পারমিশন নেই”।

—-
-;”হ্যালো স্যার পাখি ফাদেঁ পা দিয়েছে।একদম শিয়র স্যার! পাখি টা কে এখন আমরা যেভাবে নাচাবো পাখিটা সেভাবে নাচতে বাধ্য।তাহলে পাখিটাকে আপনার কাছে পাঠাই দেখলে জিব লকলক করবে আপনার। পাখিটা আমার পোষ মেনে গেছে।আমি ওয়াটসআপ পিক পাঠিয়েছি দেখে নিন”।

-;”ওয়েল ডান মির্জা! তুমি আসলে বাপ নামের কল্ক একটা হারামী। আমার সাথে সাথে থেকে ডাবল হারামী পয়দায় হয়েছো।নিজের মেয়ে কে গুটি করে দেনা পাওনা করছো।এর আগে বড় ছেলেকে গুটি করে কত কিছু করলে শেষ পর্যন্ত নিজের হাতে খুন করলে নিজের ছেলেকে।তোমার মেয়ে তোমার এই রুপ জানে না, জানলে কি হবে তোমার ভেবেছো”।

-;”কি যে বলেন স্যার। ওহ যখন জানবে ওর বাপ ভালো মুখশের আরালে একটা শয়তান তখন অনেক দেড়ি হয়ে যাবে।কারণ তখন তো বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে থাকবে ভিনদেশে তখন চাইলে বাংলাদেশে পা দিতে পারবে না। আমি মির্জা মানুষটা খুব খারাপ। নতুন নতুন কচকচে টাকার বান্ডিল না শুকলে পেট ভরে না।তাই তো আপনাকে দিল খুশি করার জন্য এতো বড় গিফট দান করলাম।বিদেশে নিয়ে কয়েকদিন মজা মাস্তি করুন তারপরে মোটা অঙ্গে সেল করে দিন অন্য রাষ্ট্রে।”

-;”হুম বুঝলাম তা পোষা পাখি কে আমার খাচায় কবে পাঠাছো।”

-;”আপনি যেইদিন চান সেইদিন পাঠিয়ে দিবো।”

-;”আচ্ছা রাখো তোমার পোষা পাখিটাকে একটু দেখি।মির্জা কল কেটে দিয়ে জগৎ রায় ওয়াটসআপ ছবিগুলো দেখলো দেখে যেনো জিব লকলক করছে”।

-;”এত সুন্দর পাখি আমার চোখের পড়ল না কেনো? আমি এর আগে কতবার আসলাম।তাহলে তো এত দিন উপস থাকতে হতো না।আমার রাত কাটতো এর রুপের আগুনে সাতার কেটে”।মির্জা ভালো চাল চেলেছে।নিজের মেয়ে কে নিজেই লোক দিয়ে কিডন্যাপ করালো। আর এখন নতুন চালে বাজিমাত করলো”।

“আরাভ দাড়িয়ে আছে আটতলা বিশিষ্ট বিলীসিতা বাড়ি ছাদে পাশে দাড়িয়ে আছে আরেকজন”।”ডক্টর আয়াত”।

-;”দেখুন স্যার আমি আগে বলেছি এখন ও বলছি উনি কোনো দিন সুস্থ হবে কিনা আমরা আতো জানি না।এতগুলো বছর চলে গেলো সুস্থ হওয়া নাম নেই। তবু তো কোনো চিকিৎসা কমতি রাখিনি। আমরা আমাদের বেস্টটা দিয়ে চেষ্টা করেছি।এখন আল্লাহ ওপর ভরসা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই”।

-;”কিন্তু ডক্টর ওকে যে সুস্থ হতেই হবে যেকোনো মূল্যে।ওর হুস টা ফিরানো বড্ড প্রয়োজন।হুস না ফিরলে আমি জানবো কি করে সেইদিন কি হয়েছিলো ওর সাথে। সত্যিটা আমি জানতে চাই আমার জানা বড্ড প্রয়োজন।আপনি আপনার মতো টিটমেন্ট করে যান।আমি কখনো বিনা দোষে কাউকে শাস্তি দেইনি।যাদের শাস্তি দিয়েছি তারা নর্দমার কীটপতঙ্গ ছিলো।এই যে আপনার আটতলা বিশিষ্ট ২০৫ নম্বর রুমে কক্ষে যে সুয়ে আছে।সে যদি সত্যি আর ন্যায় পথে চলে থাকে তো আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করবেন।আমার বিশ্বাস একদিন না একদিন তার জ্ঞান ফিরবে।আর যে দিন জ্ঞান ফিরবে সেই দিন ওদের কেয়ামত শুরু করব আমি এই আরাভ খান।মৃত্যু জন্তানায় ওরা পাবে।যাদের জন্য আজ ওর এই অবস্থা।প্রত্যেকে আমি শাস্তি দিবো খুব ভয়কংর শাস্তি।আর সেই শাস্তি মৃত্যু থেকে আরো ভয়কংর। আরাভ খানের হাত থেকে ওদের মধ্যে একজন রেয়াই পাবে না।ধ্বংস লিলা ওরা করতে চেয়ে ছিলো কিন্তু পারেনি।এবার আমি করবো ধ্বংস লিলা ওদের সাথে শুধু তোর জ্ঞান ফিরা অপেক্ষা আছি”।

“আরাভ চোখের সামনে ভেসে উঠছে অতীতের কিছু ভাই,দোস্ত, ইয়ারে সম্পক। আরাভ,আন্নাফ আর ওর সাথে এই মানুষটা হাজার সৃতিচারন রয়েছে।স্কুল, লাইফ,কলেজ লাইফ,ইউনিভারসিটি লাইফগুলো।
আরাভ চোখ লাল হয়ে গেছে।ওর শরীরে প্রতিটা গোড়ায় গোড়ায় রাগে রিরিরিরি করছে”।

-;”ছাড়বো না আমি কাউকে ছাড়বো না ওদের সবাইকে শাস্তি দিবো।কেউ বাচতে পারবে না আমার হাত থেকে”!তোর সাথে অন্যায় হওয়ার শাস্তি ভোগ করবে ওরা”!

“আরাভ যখন এসব ভাবছিলো ঠিক তখনিই কল আসে?পকেট থেকে ফোন বের করে রিসিভ করে কানে ধরল”।

-;”হ্যালো স্যার! আপনি ঢাকা থেকে সরে যাওয়া আরমান মির্জা রঙিন ঘুড়ি উড়াচ্ছে।আরমান মির্জা অনেক বড় চাল দিয়েছে।আরমান মির্জা নিজের মেয়ে কে জগৎ রায় হাতে তুলে দিচ্ছে।জগৎ মজা মাস্তি করা শেষ হলে নাকি শীতল মেম কে নিলাম করা হবে।আপনি শুনতে পাচ্ছেন স্যার।”

-;”হুম আমি শুনেছি।কিন্তু আমার এখানে কিছু করার নেই।শীতল লাইফ কে নিয়ে ভাবার জন্য জগৎ রায় ওর তার বাবা রয়েছে।সেখানে মনে হয় না আমার প্রয়োজন পড়বে।শীতল পছন্দের মানুষটা নীল রওশান সেখানে আছে নিশ্চিত থাকো সে বাচিয়ে নিবে।কথাগুলো বলেই কল কেটে দিলো।আরাভ লোককে কিছু বলতে দিল না।”

-;স্যার এগুলো কি বল! স্যার মাথা চলছে কি?আমি যতটুকু চিনি স্যার এমন আচরন করার মানুষ না তাহলে নীল রওশান কথা বল কেনো?নীল রওশান কি স্যার জানে না এটা তো আরেক কালপিট।আল্লাহ জানে কি হবে সামনে”।

-;ভালোবেসে আজ রিদয় আমার যত ক্ষত হোক না কেনো তোমার গায়ে একটা আচর আমি লাগতে দিবো না।তোমাকে দূরে সরিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম তোমাকে ভালো রাখতে।কিন্তু আমি একটু চোখের আড়াল হতেই বিপদ তোমায় আগলে নিলো।এবার সময় হয়েছে তোমার ব্যাবস্থা করা।আর জগৎ রায়, আরমান মির্জা কে উচিত শিক্ষা দেওয়া”।

I’m coming to know you. To welcome you to be the queen of my kingdom.

চলবে…….

ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
মাথা ব্যাথা নিয়ে এইটুকু লিখতে পেরেছি।কালকে বড় করে দিবো।এখন থেকে রেগুলার গল্প পাবেন।

ধন্যবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here