উপন্যাসের শেষ পাতায় তুমি পর্ব -২৪

#উপন্যাসের_শেষ_পাতায়_তুমি
#Writer_Tanisha_Akter_Tisha
#Part_24(অতীতের সমাপ্তি)

কপি নিষিদ্ধ ❌

তিশা নদীতে ঝা/প দিতে নিবে তখনই কেউ হাত ধরে হেঁচকা টান দিয়ে ঘাড়ে ইনজেকশন পুষ করে দেয়,তিশা অজ্ঞান হয়ে যায়।

আস্তে আস্তে চোখ খুলে বুঝতে পারলাম হাত,পা,মুখ বাধা অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছি।
খুব কষ্টে উঠে হেলান দিয়ে বসলাম বুঝতে পারলাম একটি রুমে বন্ধি আছি,
উহু রুমটি অন্ধকার নয়,খুব সুন্দর সাজানো গোছানো আলো বাতাস পূর্ণ।

হঠাৎ বারান্দা থেকে ভেসে আসল,

“Janam dekhlo
Mit gayin duriyaan

Main yahaan hoon
yahaan hoon
yahaan hoon yahaan

Janam dekhlo
Mit gayin duriyaan

Main yahaan hoon
yahaan hoon
yahaan hoon yahaan

Kaisi sarhade
kaisi majbooriyan

Main yahaan hoon
yahaan hoon
yahaan hoon yahaan

(বাকিটুকু নিজ দায়িত্বে শুনে নিবেন 😊)

গানটা শুনে আমার হাত পা থর থর করে কাঁপতে শুরু করলো, হার্ট দ্রুত বিট করছে। গলারস্বর টা চিনতে বিন্দু মাত্র অসুবিধা হল না, ভয়ে সারা শরীর ঘেমে একাকার হয়ে গেছে।

বারান্দা থেকে রুমে আসতে আসতে সে বলল

-কি হলো জানপাখি ভয় পাচ্ছো? ভয় পাওয়ার কি আছে আমিই তো, [ মুচকি হেসে কথাটা বললো ]

বিছানায় বসে আমার মুখের বাধন খুলে আমার গাল শক্ত করে চেপে ধরে
রাগি কন্ঠে চোয়াল শক্ত করে দাঁতে দাঁত চেপে বলতে লাগলো-

“এখন এত ভয় পাচ্ছো কেন?
পালানোর আগে এই ভয় কোথায় ছিল
তোমাকে আমি বার বার বলেছি আর যাই করো না কেন কখনো আমার থেকে দূরে যাবার কথা মাথায়ও আনবে না, কিন্তু তুমি কি করলে আমার থেকে পালানোর চেষ্টা করলে। খুব বড় ভুল করেছো জানপাখি, এতোদিন তুমি শুধু আমার ভালো রূপটা দেখেছো,আমার কথার অবাধ্য হলে আমি ঠিক কতোটা ভয়ংকর হতে পারি তা এবার তোমাকে হাড়ে হাড়ে বোঝাবো। Just wait and see. ”

ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলে রেগে হন হন করে বেড়িয়ে গেল।বেড় হবার সময় ঠা”স করে দরজা বাহির থেকে লক করে গেলো।
দরজার আওয়াজে হালকা কেঁপে ওঠলাম,

” আচ্ছা আমি কি কখনোই তার হাত থেকে মুক্তি পাব না,এভাবেই কি সারাজীবন তার সাথে কাটাতে হবে?

ভাবতে ভাবতে ডান চোখ থেকে একফোঁটা জল গড়িয়ে পরলো।

Present_

তিশা এতক্ষণ ওর অতীত ভাবিছিল,
দরজার খোলার আওয়াজে ভাবনার সুতো ছিড়ে বাস্তবতায় ফিড়ে আসে,দরজা ঠেলে ওসমান ভিতরে প্রবেশ করে ওকে দেখে তিশা অন্য দিকে চোখ ফিরিয়ে নেয়।
ওসমান বেডে বসে তিশার হাতে পায়ের বাধন খুলে দেয়, তিশা হাত খোলার জন্য মুচরােমুচরি করায় হাত ছিলে গেছে ওসমান ওর হাত ধরে ছিলে যাওয়া জায়গায় আলতো ভাবে ঠোঁট ছোঁয়ায় তিশাও আবেশে চোখ বন্ধ করে নেয়,চোখ খুলতেই ওসমানের সাথে চোখাচোখি হতেই তিশা হাত ছাড়িয়ে বেড ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়।ওসমানও উঠে দাঁড়ায়।

ওসমান : চলো জানপাখি, নিচে সবাই আমাদের জন্য ওয়েট করছে।

তিশা : যাবনা।

তিশার হাত ধরে,
দেখো এমনিতেই অনেক সময় পাড় হয়ে গেছে।

হাত ছাড়িয়ে,
বললামতো যাবোনা।

ওসমান : দেখ তুমি এমনিতেই আমার মাথা গরম করে ফেলেছো,আর রাগিও না। নিচে চলো।

তিশা : যাবনা নিচে করবো না আপনাকে বিয়ে।

ওসমান : তোমার আমাকেই বিয়ে করতে হবে।

তিশা : না আমি পারবোনা কারো সংসার ভা!ঙতে।

ওসমান : কি সব বলছো, আমি তোমার সাথে সংসার গড়তে চাইছি আর তুমি কিনা সংসার
ভা!ঙার কথা বলছো।

তিশা : আপনার তো স্ত্রী আছে, আপনি কেনো আমাকে বিয়ে করতে চাইছেন।

ওসমান : ও আমার স্ত্রী না।

তিশা : তাহলে কি ঐ ছবি, ভিডিও এসএমএস সব মিথ্যা?

ওসমান : না সব মিথ্যা না, ছবি গুলো সত্যি হলেও ভিডিও আর এসএমএস গুলো মিথ্যা।

তিশা : উনি আপনার স্ত্রী না?

ওসমান : না।

তিশা : তাহলে কেনো ছবিতে ওনাকে বধু আর আপনাকে বর বেশে দেখাচ্ছে।

ওসমান : আমি তোমাকে এগুলো পরে বলবো, এখন নিচে চলো।

তিশা : না আমাকে এখন বলতে হবে কে ঐ মেয়ে আর আপনার কি সম্পর্ক,

ওসমান : এগুলো বলার সময় এখনো আসেনি তোমার সবপ্রশ্নের উত্তর আমি পরে দিব এখন নিচে চলো,সবাই আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

তিশা : যাবনা আর আপনাকে বিয়েও করবোনা।

ওসমান : বিয়ে করবেনা?

তিশা : না করবো না।

ওসমান : আর ইউ সিউর?

তিশা : ইয়েস।

ওসমান তিশার কোমড় জড়িয়ে নিজের সাথে মিশিয়ে নিল,ওদের মধ্যে বিন্দু মাত্র দুরত্ব নেই,
ওসমান তিশার গালে আলতো হাতে স্লাইড করে,আর তিশা তার তো ওসমানের ছোয়া পেয়েই যায় যায় অবস্থা,ওসমানের ছোয়ায় পুরো শরীর কেঁপে উঠল। ওসমান স্লাইড করতে করতে বলে,
জানপাখি এখনো আমায় বিয়ে করবেনা?
তিশা নিজেকে কিছু টা সামলে,
না করবো না কতোবার বলতে হবে।
ওসমান মুচকি হেসে ওকে একহাতদিয়ে ধরে অন্য হাত দিয়ে পকেট থেকে ফোন বের করে,
ওসমান : এখন তোমাকে এমনকিছু দেখবো যা দেখলে তুমি নিজ থেকেই আমাকে বিয়ে করতে চাইবে।

ওর কথা শুনে তিশার ব্রু কুচকে আসে।

ওসমান একটা ভিডিও প্লে করে তিশাকে দেখায়।

তিশা : আয়েশা!

ওসমান : হুম আয়েশা।

ভিডিওতে,
একজন বর্ডিগার্ড আয়েশার মাথায় পি”স্ত”ল ধরে রেখেছে।

তিশা : ওর মাথায় পি”স্ত”ল ধরে রেখেছে কেন?

ওসমান : মে*রে ফেলবে তাই।

তিশা : কি!

ওসমান : জ্বি, তুমি আমাকে বিয়ে না করলে আমি আয়েশাকে মে*রে ফেলবো।

তিশা : আপনি কি পা”গ”ল হয়ে গেছেন কি সব বলছেন ও আপনার ভাইয়ের ভালোবাসা।

ওসমান : আর তুমি আমার ভালোবাসা, তুমি আমাকে বিয়ে না করলে ওকে আমি মে*রে ফেলবে।
এখন ডিসিশন তোমার আমাকে বিয়ে করবে কি করবে না।

ওসমানের কথায় তিশার রাগ উঠে যায়, তেজী কন্ঠে,
না করবো না আপনাকে বিয়ে।

ওসমান : ওকে জানপাখি তুমিও আর তোমার বেস্টুকে দেখতে পারবেনা।তোমার চোখের সামনে ওর মৃ…ত্যু দেখবে।

ওসমানের কথা শুনে তিশা ঘাবড়ে যায়।

ওসমান ওর গার্ডকে কল করে ফোনের স্পিকার অন করে তিশার চোখের দিকে তাকিয়ে,
আয়েশাকে মে*রে ফেলো।

অপর পাশ থেকে ভেসে আসে,
ওকে স্যার।

গার্ড এখনো কল কাটেনি, তিশা পি”স্ত”ল লো”ড করার আওয়াজ পেলো।
ওসমান : মে*রে ফেলো ওকে।

তিশা : নাহ প্লিজ ওকে মা*রবেন না।অামি আপনাকে বিয়ে করবাে।
তিশার চোখ থেকে পানি পরছে,

ওসমান বাঁকা হেসে গার্ডকে আয়েশাকে মা*রতে মানা করে দিয়ে কল কেটে ফোনটা বেডে ছুড়ে মেরে
তিশার চোখের পানি মুছিয়ে দিয়ে,
ওসমান : ওহো জানপাখি কাঁদছো কেনো তুমি যদি আগে রাজি হয়ে যেতে তাহলে তো আমাকে এই স্টেপ নিতে হতো না।

তিশার চোখ দিয়ে পানি পরছে।
আবার ওর চোখের পানি মুছিয়ে দিয়ে,
ওসমান : চলো নিচে যাওয়া যাক।

তিশা : বিয়ে করছি ঠিকই কিন্তু আপনার প্রতি সব ভালোবাসা শেষ।

ওসমান : সমস্যা নেই আমার একার ভালোবাসাতেই হয়ে যাবো।

তিশা আর কিছু বললোনা।
ওসমান ওর হাত ধরে সিড়ি দিয়ে নামছে,

সাজ্জাত : ঐ তো চলে এসেছে ওরা।

অবান্তিকা তিশাকে জড়িয়ে ধরে,
মামনি এখন কি একটু বেটার ফিল করছো।

অবান্তিকা কেন এই কথা বলো তিশা বুঝতে পারলো না তবুও মাথা নারালো।

তিশা ওসমান স্টেজে যেয়ে বসলো, আয়েশাকে দেখে তিশার অশান্ত মন শান্ত হলো।তিশা আয়েশার বাবা মার নামের যায়গায় রফিক আহমেদ ও ছায়া বেগমের নাম দেওয়া হয়েছে।
কাগজ রেডি করা শেষে প্রথমে ওসমান সাইন করে তারপর তিশা, ওসমান তিন কবুল বললেও তিশা এখনো বলেনি সবাই ওকে কবুল বলতে বলছে কিন্তু ও চুপ করে আছে।ওকে এভাবে চুপ থাকতে দেখে ওসমান তিশার কানে আস্তে করে বলে,
ঐ দেখো জানপাখি আয়েশার পেছনে ঐ গার্ড টা দাঁড়িয়ে আছে তুমি যদি আরেকটুও দেরি করো তবে আয়েশার লা..শ দেখতে হবে।
ওসমানের কথা শুনে তিশা বিন্দু মাত্র দেরি না করে কবুল বলে।সব রীতিনীতি মেনে ভালো ভাবেই ওদের বিয়ে হয়।ওদের পর ওমর আয়েশারও সব রীতিনীতি মেনে ভালো ভাবেই বিয়ে সম্পূর্ণ হল।

বর্তমানে তিশা ও ওসমান গাড়ির পেছনের সীটে বসে আছে ড্রাইভার গাড়ি চালাচ্ছে। পেছনের গাড়িতে ওমর ও আয়েশা বসেছে, আর ওদের পেছনে বাকিরা যাচ্ছে খান বাড়ির উদ্দেশ্য।

গাড়িতে তিশা রাগে ফুঁসছে আর পরনের ফুলের মালার ফুল গুলো ছিঁড়ছে। ওকে এভাবে ফুল ছিঁড়তে দেখে ওসমান ওর কানে ফিসফিস করে বলে,
তুমিকি আমাকে ইমাজিন করে ফুল গুলো এভাবে ছিঁড়ছো।
তিশা রাগী চোখে তাকিয়ে পুনরায় ফুল ছিঁড়তে লাগল।

ওমরদের গাড়িতে,
আয়েশা : তিশা হয়তো খুব রেগে আছে।

ওমর : হুম।

আয়েশা : সব ঠিক হয়ে যাবে তো,

ওমর : তুমি চিন্তা করো না সব ঠিক হয়ে যাবে।

আয়েশা : তাই যেনো হয়।

____________________________________________

In USA,

☆‌‌‌: কি!

জ্বি ম্যাম তিশা ও ওসমানের বিয়ে হয়ে গেছে।

☆‌‌‌: একটা কাজও ঠিক মতো করতে পারো না তোমরা,বলেছিলাম মেয়েটাকে মে…রে ফেলতে কিন্তু তাও পারলেনা, ইউসলেস পার্সন, এখন যা করার আমাকেই করতে হবে।
হু!ঙ্কার দিয়ে, রাখো ফোন।
মেয়েটা ফোন দেয়ালে ছুড়ে মারে।
☆‌‌‌: নো ওসমান তোমাকে আমি সুখে থাকতে দিবনা,ঐ মেয়েকে আমি তোমার চোখের সামনে মে..রে ফেলবো। আমিও দেখবো তুমি ওকে কিভাবে বাঁ/চাও।
হাতে থাকা বি!য়ারের বোতল টেবিলে বা!রি মে””রে
ভে!ঙে ফেললো।

____________________________________________

In BD.

ওরা সবাই খান বাড়ি পৌঁছাল।

ওরা চারজন গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে,
অবান্তিকা : ওমর ওসমার মামনিদের কোলে তুলে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করো।

ওরাও অবান্তিকার কথা মতো ওদের কোলে তুলে বাড়িতে প্রবেশ করলো।

তিশা আয়েশা সোফায় বসে আছে আর ওদের ঘিরে সবাই বসে আছে অবান্তিকা সবার সাথে ওদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।
অবান্তিকা : মামনি হাত বারাও।
তিশা হাত বারিয়ে দেয় অবান্তিকা ওর হাতে দুটো রুলি পরিয়ে দেয়,আয়েশকে হাত বারাতে বলে, আয়েশা হাত বারিয়ে দেয় ওকেও অবান্তিকা দুটো রুলি পরিয়ে দেয়।
কিছুক্ষণ পর ওমরের কাজিনরা তিশা ও আয়েশাকে ওদের রুমে দিয়ে আসে।

ফুল দিয়ে সাজানো বাসর ঘরে তিশা বসে আছে,উত্তর দিকের দেয়ালটা জুড়ে ওর আর ওসমানের ছবি লাগানো। তিশা বেড থেকে নেমে ছবিগুলোতে হাত বুলায়।আর ভাবে,
আচ্ছা ডক্টর সাহেব কি সত্যি বলছেন ঐ মেয়েটা কি ওনার স্ত্রী নয়?আচ্ছা যদি উনি ডক্টর সাহেবের স্ত্রী হয় তবে তো এই রুমে তার কোন না কোন কিছু তো পাবোই খুঁজে দেখি,
তিশা সবকিছু খুঁজে দেখছে,প্রতিটা কোনায় কোনায় খুঁজছে,যদি ঐ মেয়েটার ব্যাপারে কিছু জানতে পারে সেই আশায়।

ওসমান : বুঝলাম না কে পাঠালো ঐ ছবিগুলো।

ওমর : আমি বুঝতে পারছি না এতো বছরপর ঐ ছবিগুলো পেলো কিভাবে।

ওসমান : সেটাই তো তিশাতো কিছু বুঝতে চাইছে না বারবার ওকে আমার ওয়াইফ বলছে।

ওমর : দেখো এখানে ভাবির কোনো দো!ষ নেই, আয়েশা যদি আমার এরকম ছবি দেখতো তবে ও
ও এরকম রিয়েক্ট করতো,আর ভাবির এভাবে রিয়েক্ট করাটা স্বাভাবিক।

ওসমান : হুম আমিও জানি ও এখন এভাবেই রিয়েক্ট করবে তাইতো রাগ উঠলেও রাগ কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি,আমি তো চাই না ওকে আ”ঘা”ত করতে।

ওমর : আমি জানি ভাবি সবটা বুঝতে পারবে আর তোমাকেও আগের মতো ভালোবাসবে শুধু একটু ধৈর্য ধরতে হবে।

ওসমান : হুম।

ওসমানের কাজিনরা সবাই ওমর ও ওসমানকে রুমে ঢুকতে দিচ্ছে না, তাদের একটাই দাবি টাকা।
টাকা না দিলে রুমেও যেতে দিবেনা।

ওসমান : তোরা কি বাচ্চা নাকি শুধু শুধু বাচ্চামো করছিস।

ওমর : আর নাহিদ ভাইয়া তুমিও ওদের সাথে যোগ দিয়েছো।

নাহিদ : আমার বিয়েতে তো সবাই আমার পকেট ফাঁকা করেছিলি এবার নিজেরাও পকেট ফাঁকা কর।

ওসমান ও ওমর : দিস ইস নট ফেয়ার ভাই।

নাহিদ : এতো ফেয়ার টেয়ার বুঝি না চুপচাপ টাকা বের কর।

ওরা আর কি করবে শেষে টাকা দিতেই হলো।

ওমর রুমে যেয়ে দেখে আয়েশা ঘোমটা দিয়ে বসে আছে, ওমর মুচকি হেসে দরজা লক করে বেডে এসে বসে, ঘোমটা তুলে আয়েশার কপালে ঠোঁট ছোঁয়ায় আয়েশাও আবেশে চোখ বন্ধ করে।

ওমর : এগুলো পরে থাকতে বিরক্ত লাগছে তাইনা?

আয়েশা মাথায় নারায়।

ওমর : আমি অর্নামেন্ট খুলতে হেল্প করছি।

ওমর এক এক করে আয়েশার অর্নামেন্ট খুলে ড্রেসিং টেবিলের উপর রাখছে,প্রতি বার ওমরের স্পর্শে আয়েশা কেঁপে উঠছে।
ওমর : ফ্রেস হয়ে আসো আমরা একসাথে নামাজ পরবো।

আয়েশা শাওয়ার নিয়ে ওযু করে বের হয়, ওমর ও ওযু করে আসে,

ওরা একসাথে নামাজ আদায় করে।

ওমরের বুকে মাথা দিয়ে আয়েশা বসে আছে,

আয়েশা : আচ্ছা আমাকে কতোটুকু ভালোবাসো,

ওমর : ভালোবাসা তো পরিমাপ করা যায়না,শুধু এতোটুকু বলতে পারি তোমাকে সারাজীবন এভাবেই আমার সাথে জড়িয়ে রাখবো।

আয়েশা : ভালোবাসি।

ওমর : ভীষণ ভালোবাসি।মায়াবতী তোমার মাঝে ডু”ব দিতে চাই নিজের রঙে তোমাকে রাঙাতে,পাবো কি সেই অধিকার?

আয়েশা ওমরের বুক মাথা রেখে মাথা উপর নিচ নারায়।আয়েশার সম্মতি পেয়ে ওমরের মুখে হাসি ফুটে ওঠে ।

অপরদিকে,

ওসমান দরজা খুলে দেখে তিশা রুমে নেই,

চলবে কি?

[ কেমন হয়েছে কমেন্টে জানাবেন,কোনো প্রকার ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,অবশেষে অতীত শেষ হলো,ধন্যবাদ। ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here