বেলা_শেষে_ফেরা পর্ব ১

বিয়ের আসনে সকলের সামনে নিজের বাগদত্ত’কে সজড়ে দু’গালে দু’টো চড় বসিয়ে দিয়েছে তূর্ণা। উপস্থিত সকলেই তূর্ণার কাণ্ড দেখে অবাকের চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। সকলেই তূর্ণার এহেন কাণ্ডে বলাবলি করছে, “মেয়ের বোধহয় কারো সাথে কিছু ছিলো নিশ্চয়ই, না হলে নিজের বিয়ের আসনে কনে কেনো বরকে এভাবে চড় মারবে!”
ভাগ্যিস তূর্ণার বিয়েটা সম্পূর্ণ হয়নি। না হলে বিয়ের পর তার বাগদত্ত এমন কাজ করলে মুখ বুজে সহ্য করতে হতো। তূর্ণা লম্বা একটা শ্বাস নিয়ে নিজের মনেই বলে চলেছে, “আল্লাহ আপনি যা করেন বান্দা-বান্দির ভালোর জন্যেই করেন, আলহামদুলিল্লাহ।”

এবার ছেলের মা বলেই বসলো, “বিয়ের আগেই আমার ছেলেকে চড় মেরেছে। বিয়ে হলে তো জুতা পেটা করতেও দ্বিধাবোধ করবে না। হায় আমার তানভীরের পোড়াকপাল রে। আমি আগেই তানভীরের বাবাকে বলেছিলাম, মেয়ে আমার আগে থেকেই পছন্দ ছিলো না। এখন আমি বেঁচে থাকতেই নিজের ছেলের মার খাওয়া দেখছি। হায় আমার পোড়াকপাল রে!” বলেই কপালে চাপড় মারতে লাগলো এবং কান্নাও করতে লাগলো। তানভীরের বাবা শেখ সালাউদ্দীন তার স্ত্রী মনোয়ারা হোসাইনকে থামাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।
“ভাগ্যিস এই বিয়েটা হচ্ছে না। নিশ্চয়ই এই মেয়ের কারো সাথে কোনো ইটিসপিটিস আছে। না হলে কি আমার ছেলেকে এভাবে মারে তাও সকলের সামনে।” এ বলে আবারও কান্নায় জুড়ে পড়লো মনোয়ারা হোসাইন।

তূর্ণার বাবা আকিদ তালুকদার এবং মা শ্রাবণী তালুকদার মেয়ের কাণ্ডজ্ঞান দেখে অবাক হয়ে গিয়েছে। বেশ রাগান্বিত হয়ে শ্রাবণী তালুকদার তার মেয়ের গালে কষে চড় বসিয়ে দিলো। এভাবে উপস্থিত সকলের সামনে নিজের মেয়ের কাণ্ড দেখে সকলের সামনে লজ্জিত হয়ে মাথাকাটা যাচ্ছে তাদের। কিন্তু মেয়ের হেলদূল কোনো কিছুই তারা দেখছে না। সে স্থির দাড়িয়ে আছে আর মুখে তার আনন্দের হাসি।
তূর্ণা এবারো সকলের সামনে তানভীরের কলার টেনে আরেকটা চড় বসিয়ে দিলো। এবার তানভীর রেগে গিয়ে তূর্ণার গালেও একটা চড় বসিয়ে দিয়েছে।

“আমি কি করেছি যে তুই এভাবে আমাকে চড় মেরেই যাচ্ছিস। তোর মতো থার্ডক্লাস মেয়েকে আমি আমার বাবা-মা’র কথায় বিয়ে করতে রাজি হয়েছি। তা না হলে তোর মতো মেয়েকে বিয়ে করতে আমার বয়েই গেছে। শালী তোর হয়তো কোথাও, কারো সঙ্গে কিছু আছে না হলে এভাবে আমাকে চড় মারার তোর সাহস হলো কি করে।” তানভীরের চোখ দিয়ে এবার আগুনের গোলাও ঝড়তে শুরু করেছে।

“এসব বলার আগে নিজের কথা ভেবেছেন কি মিস্টার শেখ তানভীর। আপনার মতো দুশ্চরিত্রের সাথে যে আমার বিয়েটা হচ্ছে না তার জন্যে আলহামদুলিল্লাহ!” এবার তূর্ণার চোখ দিয়েও আগুনের পানি পড়ছে।

“কি বললি তুই! আমি দুশ্চরিত্র। তোর স্পর্ধা হয় কি করে আমাকে দুশ্চরিত্র বলার। আজ সকলের সামনে আমি তোকে মেরেই ফেলবো।”
এ বলে তানভীর যেই না তূর্ণার গায়ে হাত তুলবে, তখনই লাইটস সব বন্ধ হয়ে যায়। আর হঠাৎ উপস্থিত সকলেই এবার বিস্ময়ের শেষ পর্যায়ে চলে গিয়েছে। কারণ লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে টিভির স্ক্রিনে একটা ভিডিও দেখা যাচ্ছে, আর তা হলো তানভীরের। তানভীর একটি মেয়ের সাথে অন্তরঙ্গতা করছে। মেয়েটি আর কেউই না তারই ফুপাতো বোন রিয়া। সম্পূর্ণ ভিডিওটি প্রকাশ করলো না। তূর্ণার হাততালিতেই লাইটস সব ফিরে এসেছে। উপস্থিত সবাই-ই ছিঃ!ছিঃ! করছে। তানভীর এবং তার বাবা-মা, আত্নীয়রা সবাই বিস্ময়ের শেষ পর্যায়ে।

এবার তূর্ণা কান্না করছে আর বলছে, “আমার কিসে আনন্দ, কিসে সুখী তা আমার বাবা-মা কখনোই উপলদ্ধি করতে পারবে বলে আশাই ছেড়ে দিয়েছি। কারণ তারা ভাবে তাদের সুখেই আমি সুখীত। আদৌ তারা বলতে পারবে না আমি কি চেয়েছি জীবনে। আপনার সাথে বিয়ের কথা চলাকালীন তারা আমাকে বলেছে আমার বিয়ে ঠিক। তারা আমার মতামতও জানতে চায়নি কখনোই। আমিও তাদের কথা মেনে নিয়ে বিয়েটা করতে চেয়েছি। কারণ আমি মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে। আমার স্বপ্ন দেখার অধিকার থাকলেও পূরণ করার অধিকারটা তাদের হাতেই। কারণ তারা আমার বাবা-মা। ছোট থেকে আমাকে মানুষ করেছে। তাদের এই অধিকার আমি ছিনিয়ে নেওয়ার কে, যেখানে স্বয়ং আল্লাহ তা’য়ালা দান করেছেন। তবুও তাদের কথা আমি মেনে নিয়ে আপনাকে বিয়ে করতে চেয়েছি। আজ এখানে যখন আমি সেন্টারে আসি, আমার আপনাকে একটা জরুরি কথা বলার ছিলো। আপনাকে ফোন করেছিলাম, ভেবেছি এতো মানুষের আনাগোনায় হয়তো ফোন সাইলেন্ট করা। সেন্টারের রেস্টরুম থাকায় আপনি সেখানে নাকি বিশ্রাম করছেন জানতে পারি একজন স্টাফের থেকে। তাই আমিও সেখানে যাই। কিন্তু দরজাটা আটকানো ছিলো না সেভাবে। আমার মনে হলো রুমে থেকে অদ্ভুত আওয়াজ আসছে। তাই আমি দরজার কিছুটা ফাঁকা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি, আর দেখেই আমি স্থির হয়ে ছিলাম। আল্লাহ’কে বারবার বলছিলাম এটা যেন স্বপ্ন হয়, স্বপ্ন হয়। কিন্তু এটাই যে সত্য। তারপর আমার বেস্টফ্রেন্ড মুনিয়াকে ফোন করে সেখানে যেতে বলি এবং ঘটনাগুলো সবটা ওকে জানাই। ও শুনেও অনেক অবাক হয়েছিলো। কিন্তু আমি নিজেই অবাক হয়েছি, কারণ আমি এমন বিদঘুটে দৃশ্য দেখার পরেও কাঁদি নি। শেষে ওকে বলি আমার আর ওর ফোনে যেনো এই ভিডিওটা থাকে। বিদঘুটে এমন দৃশ্যের ফুটেজটা যেন তুলে ধরি আর যদি আমাকে মিথ্যাপবাদ দেয় তাহলে তার ফোনেও যেন ফুটেজটা থাকবে সেটা দেখিয়ে দিবে।” এইটুকু বলেই তূর্ণা আবারও একটা লম্বা নিশ্বাস নিলো। যেন কতদিন এই প্রানের নিশ্বাস সে নিতে পারে না। তানভীর এবং তার বাবা-মা, আত্নীয়রা সকলেই মাথা নিচু করে আছে লজ্জায়।

এরপর মিনিট দু’য়েক পরে তূর্ণা উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বললো, “কারো সমোন্ধে সঠিক তথ্য না জেনে কাউকে দোষী স্বাভ্যস্থ করা কারোরই উচিত না। আমার যদি ইটিসপিটিস থাকতোই তাহলে আমি এতোটাও অমানুষ হয়ে যাই নি যে, বাবা-মা’র খেলাফত হয়ে বিয়েটা করবো। আমি এমনি একটা মেয়ে, যার জীবনের মতিগতি সবটাই তার বাবা-মা’র কাছে। আর এই ভালো মানুষীটাই তার জীবনের কাল হতে হতে বেঁচে গিয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ! আমি যদি বিয়ের পরে এই ছেলের সাথে সংসার করতাম তাহলেই আমার কষ্ট হতো। তখন আমি বাবা-মা’র কাছে চলে যেতে চাইলেই বাবা-মা আমাকে শ্বশুরবাড়ি যেতে বলবে আর শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ির যাওয়া আসাটাই আমার জীবন হয়ে থাকবে। মুখ বুজে সহ্য করতে হবে তাদের কটু কথা। তাই আমি আল্লাহ’র কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়েছেন।”

উপস্থিত সকলেই মাথাটা নিচু করে রেখেছে। তূর্ণার বাবা-মা’ও আজকে কান্না করছে। এমনটা হবে তারা ভাবেও নি।

তূর্ণা তার বাবা-মা’র কাছে এসে কান্না করতে করতে বলছে, “তোমাদের অভাবের সংসারে আমাকে রাখতে কষ্ট হয় সেটা আমি বুঝি। প্রতিদিন কিছু না কিছু এই নিয়ে অশান্তি হয়। ছোট ভাইটার পড়াশোনার খরচ চালাতে অনেক কষ্ট হয় তা আমিও পরোখ করি বাবা। তোমাদের কোনো ইচ্ছাই আমি আর পাঁচটা মেয়ের মতো উড়িয়ে দি নি, সম্মান করেছি। যখন আমার বিয়ের কথা চলছিলো তোমরা বলেছিলে আমি ভালো থাকবো, সুখী হবো। আজ দেখলে কি হয়েছে। কতোটা সুখী হতাম আমি। পৃথিবীর সকল বাবা-মা’ই তার সন্তানের ভালো চায়, আনন্দে দেখতে চায়। আমি এটাও জানি পৃথিবীর সকল বাবা-মা’কে ছেড়ে মেয়েদের শ্বশুরঘরে যেতে হয়, এটাই যে নিয়ম। আমি সে নিয়মের খেলাফত করার কে হই বলো। তাইতো যা বলেছো করেছি, কারণ আমি তোমাদের ভালোবাসি খুব। তবে আমার মতো অনেকেরই বাবা-মা আছেন, যারা তাদের সন্তানের সুখ, আনন্দ সব দিতে গিয়ে মাঝেমাঝে সন্তান হারাও হয়। বাবা, তোমাদের তো আমার থেকে টাকাওয়ালা জামাই দরকার বেশি ছিলো। তাই আজ টাকার খনিটা সম্পূর্ণ ধারন করলাম। সুখ কখনো টাকা দিয়ে কেনা যায় না বাবা। আমাকে ক্ষমা করো আমি এই বিয়েটা করছি না। যেখানে একজন দুশ্চরিত্র লোকের মুখোশ খোলা হয়েছে, তার সাথে আর যাই হোক সংসার হবেনা বাবা! একজন চরিত্রহীন লোকের সবটা জেনে যে তার সাথে বসবাস করবে, সে নিজেও একজন চরিত্রহীনের সমতুল্য বাবা!”
কথাটি বলেই তূর্ণা সেখান থেকে প্রস্থান করলো।

আকিদ আর শ্রাবণী তালুকদার তাদের ভুল বুঝতে পেরে অঝোরে কেঁদে যাচ্ছে। সত্যিই সুখ বড়ই কঠিন জিনিস। আজ তারা সেটা সঠিক উপলদ্ধি করতে পারছে। আকিদ তালুকদার তানভীরের কাছে গিয়ে একটা চড় মেরে সেখান থেকে চলে যায়।

…………………………..
একমাস হয়ে গেলো ঘটনাটা যাওয়ার পরে। কিন্তু আশেপাশের লোকেরা যা’তা বলাবলি করে তূর্ণাকে দেখলেই। তবুও তূর্ণা তাদের কথায় পাত্তা না দিয়ে নিজের মতো করে এগিয়ে চলে। তূর্ণা স্বাভাবিক হয়েছে ঠিকই কিন্তু তারও যে কষ্ট হয় খুব। তূর্ণার এখন একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি হয়েছে। তার বাবা-মা এখন আর তাকে কোনো কিছুতে বাঁধা দেয় না। তারাও যে ভুলটা বুঝতে পেরেছে তাই। কিন্তু তূর্ণা প্রয়োজন ছাড়া তাদের সাথে কথা বলেনা। ছোট ভাইটাকে আদরে, স্নেহে ভরিয়ে দিচ্ছে।

আজকে তূর্ণার প্রথম দিন কাজের আর আজকেই নাকি তার এমডি আসবে দেশের বাইরে থেকে। তাই অফিসটা খুব সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।নতুনত্বটা তার কাছে খুবই মনোরম লাগছে, দু’চোখ জুড়িয়ে নিচ্ছে তূর্ণা।

এমডি এসেছে মিনিট দশেক হলো। তূর্ণা গেটের সামনে দাড়িয়ে এমডিকে অভিনন্দন জানাতে পারেনি, কারণ সে ওয়াশরুমে ছিলো যার দরুন সে সেখানে উপস্থিত ছিলো না।
অফিসে বেশ কয়েকজন নতুন এ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ করা হয়েছে। তাই তাদের সাথে একে একে আলাপ করে নিচ্ছে তন্ময় চৌধুরী। দেখতে বেশ সুদর্শন সে। হাতে ঘড়ি, পড়োনো সুট-প্যান্ট, কালো ঘন সিল্ক চুলে জেল দেওয়া, চোখ দেখে যেকোনো মেয়ে ঘায়েল হয়ে যাবে। যে কয়জন নতুন মেয়ে এ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ হয়েছে তারা তো সকলেই নতুন এমডিকে দেখে পাগল হয়ে বোধহয় পাবনায় যেতে চাইছে। কিন্তু তাদের কোনো পাত্তা দিচ্ছে না তন্ময়। সে তার কাজে খুব নিখুঁত এবং সে চায় তার অফিসের সকলেই যেন তার মতো করে নিখুঁত হোক। তন্ময় বেশ হাসিখুশি এবং শান্ত একজন মানুষ, রাগও আছে তবে তা সীমিত। তন্ময় সবার সাথেই ফ্রেন্ডলি ভাবে কথা বলতে ভালোবাসে। তার হাসিতেই অনেক মেয়েই আহত হয়েছে। তন্ময়ের দিঘল কালো চোখের মনির দিয়ে তাকিয়ে যেন স্বর্গ দেখতে পায় মেয়েরা।

একে একে সবার বের হয়ে যাওয়া দেখে এবার তূর্ণার একটু নার্ভাস লাগছে। খুবই নামকরা অফিসের স্টাফ হয়েছে সে। তাই যদি ভুল কিছু হয়ে যায় সেই ভয়টা মনে কাজ করছে তূর্ণার। এবার তো তারও ভেতরে গিয়ে উপস্থাপন দিতে হবে নিজের। ভাবতেই একটু গা ছমছম করছে। তূর্ণার ডাক পড়লো। সে মনে মনে বিপদের দোয়া-দরূদ পাঠ করে ভেতরে প্রবেশ করলো। আর গিয়েই দেখলো তন্ময় তার এমডি। তন্ময়কে দেখেই তূর্ণা অনেক অবাক হয়েছে। তার কারণ, তারা আগে থেকেই পরিচিত।

“আপনার নাম কি মিস?” তন্ময়ের করা প্রশ্নে তূর্ণা একটু অবাক হয়ে যায়। তন্ময় কি তাহলে সব ভুলে গিয়েছে নাকি অভিনয় করছে। অবশ্য করারই কথা তার আশেপাশে লোক বসে আছে। তাই হয়তো ভদ্রতার খাতিরে এমনটা করেছে।

“তূর্ণা তালুকদার!”
“আপনার বাসায় কে কে থাকেন?”
“জ্বী! আমার বাড়িতে আমি, আমার বাবা-মা, ছোট ভাই আছে!”
“বাবা কি করেন, মা কি করেন, ভাই কি পড়াশোনা করছে না কি এবং সে পড়লেও কিসে পড়ে?” তন্ময়ের কিসব অদ্ভুত প্রশ্ন শুনে তূর্ণা এবং সেখানে উপস্থিত লোকগুলো একটু অবাক হলো। তন্ময়ের আশেপাশের লোকগুলো, তারা কিছুই বললেন না কারণ এটা এমডির করা প্রশ্ন তাই চুপ থাকলেন।
“জ্বী! বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তার একটি মুদি দোকান আছে। মা গৃহিণী। ভাই এবার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র!”
“তা আপনাকে মেইন প্রশ্নটা করেই ফেলি নাকি?”
“জ্বী স্যার!” মনে মনে ভয়ও করছে তূর্ণার। কি প্রশ্ন করবে তন্ময় তাকে?

“মনে করুন আপনাকে একজন খুব ভালোবাসে। সে আপনাকে ছাড়া কিছুই বুঝেনা। কিন্তু আপনি তাকে আপনার জীবনে গ্রহণ করেন নি। তাই সে বাধ্য হয়ে আপনার জীবন থেকে সরে আসে। কয়েক বছর পরে আবার সেই লোকটা আপনারই সামনে বসে আছে এবং তার ভালোবাসার রাগগুলো আপনার থেকে সুদে আসল করে নিবে তখন কি করবেন আপনি?”
এমন অদ্ভুত প্রশ্ন শুনে সবাই বিস্ময় হয়ে গিয়েছে। তূর্ণার এবার কি বলা উচিত সে নিজেও বুঝতে পারছে না। তাহলে কি তন্ময় তার ভালোবাসার শোধ তূর্ণার চাকরির সাথে করবে। এ কি হয়ে গেলো তার?

#বেলা_শেষে_ফেরা

#সূচনা_পর্ব

#Writer- Suchona Islam

#ক্রমশ…

(আপনাদের সকলের হয়তো গল্পটা ভালো লাগবে আশা করি। আর আমার জন্যে দোয়া করিয়েন আমি যেন সফলতার শিখরে পৌঁছাতে পারি। আর আমার পাশে থেকে আমাকে উৎসাহ করুন। স্ববিনয়ে পড়ুন এবং ধন্যবাদ সকলকেই।)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here